নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শেহজাদ আমান

শেহজাদ আমান

একজন সাংবাদিক ও সৃষ্টিশীল লেখক

শেহজাদ আমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

মিত্রের তালাশ ও মিত্রতা তৈরিঃ প্রসঙ্গ আমাদের জাতীয় ও রাজনৈতিক জীবন

২৫ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাঙলায় পাওলো কোয়েলহোর সর্বাধিক বইয়ের অনুবাদক হিসেবে দেখেছি তিনি তাঁর প্রায় সকল বইয়ে একটা জিনিসকে খুব গুরুত্ব দিয়েছেন। সেটা হলোঃ মিত্র তালাশ করা বা তৈরি করা। এই জিনিস আমাদের রাজনৈতিক ও জাতীয় জীবনেও খুব বেশি করে গুরুত্বপূর্ণ, দরকারী!

গত ২৪-এর গণঅভ্যূত্থানের পর সুযোগ ছিল অভ্যূত্থানের সকল শক্তির ভিতর মিত্রতা থাকা। কিন্তু সেটা করা যায়নি মহাবিভাজন সৃষ্টিকারী ইউনুস রেজিমের সময়। তারপরও এখনো সময় যথেষ্ট আছে; আমরা মিত্রতার তালাশও করতে পারি আমাদের সাধ ও সাধ্যের মধ্যে।

কাজেই, কোনো ডানপন্থী নারী একটিভিস্ট যখন বলে, "আমার ভাইয়ের কোনো রিপ্লেসমেন্ট হয় না, ভাইয়ের কোনো রিপ্লেসমেন্টও আমি চাই না," তখন অনেক লোকে মেয়েটাকে নিয়ে যা-ই বলুক না কেন, তাঁর প্রতি আমার মমতা আরও বেড়ে যায়! মনে হয়, "এমন একটা বোন তো আমিও আমার জীবনে ডিজার্ভ করি। সে-ই তো হতে পারে ভবিষ্যতে আমার বড় রকমের মিত্র।"

যখন কথিত তরুণদের দল এনসিপি ভেঙ্গে তাদের প্রাক্তন কিছু কেন্দ্রিয় নেতার নেতৃত্বে নতুন আরো কিছু দল হয়, তখন অনেক লোকেই বলতে পারে যে, "এরা তো আসলে জামাতের বি-টিম বা সি-টিম, বা বাম শাখা।" তবে, বিষয়টা আমি সেভাবে দেখি না। বিশ্বাস করি, ডা*নপন্থা বা মৌ*লবাদী রাজনীতির থেকে বেরিয়ে এসে ওরা যখন ভালোকিছু করতে চাইছে, তখন এরাও আমার মিত্র।

মিত্রতার গুরুত্ব অপরিসীম! ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ রাতে যখন পাক বাহিনি দেশে গ*ণহ*ত্যা চালাল, এরপর সাইমন ড্রিংক, এলেন গিন্সবার্গসহ বিদেশি বিভিন্ন নামকরা সাংবাদিক তখনকার পাক বাহিনির সেই ব*র্ব*রতা বিশ্বের সামনে তুলে ধরে আমাদের পাশে ছিলেন। তারাও আমাদের মিত্র। আর ১৯৭১-এর শেষদিকে, ভারত মিত্র হিসেবে আমাদের পাশে না দাঁড়ালে আমরা হয়তো মাত্র ৯ মাসে স্বাধীনতা অর্জন করতেও পারতাম না! ঠিক, যেমন মিত্র ছিল সেই ৭১-এই 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করা জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, জোয়ান বায়েজ আর এরিক ক্ল্যাপটনরা!
এখানে শেয়ার করা হলো প্রিয় ব্যান্ড ক্রিপটিক ফেইটের গান 'মিত্র':

মিত্র- ক্রিপটিক ফেইট






মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:০১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক আছে ।

২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:০৬

শেহজাদ আমান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই!

২| ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:২৮

শ্রাবণধারা বলেছেন: পাওলো কোয়েলহোর লেখা খুবই আজগুবি ধরনের। আমার মত হলো, এগুলো বাঙালির কোনো কাজেই লাগবে না। সবধরনের অধিবিদ্যা বাঙালির উচিত সচেতনভাবে পরিত্যাগ করা।

বাঙালীর পড়া উচিত রবীন্দ্রনাথ, বিভুতিভূষণ, নজরুল, জীবনানন্দ, মুজতবা আলী, আবদুল ওদুদ, মোতাহের হোসেন চৌধুরী এবং রোকেয়া।

সাথে এরিস্টটল, এডাম স্মিথ, স্টুয়ার্ট মিল, কান্ট, হেগেল, মার্কস এবং রাসেল। তারপরে ফুকো, চমস্কি, অমর্ত্য সেন এবং হারারি।

২৬ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮

শেহজাদ আমান বলেছেন: পাওলো কোয়েলহোর লেখা এমন তা মনে করি না। বিশেষ করে জীবনদর্শন ও মোটিভেশনের দিক দিয়ে তাঁর লেখা অনেক শক্তিশালী। আমার সাথে পাওলো কোয়েলহোর একটা দিক দিয়েই ভিন্নতাঃ সে বিশ্বাসী এবং আমি এগনোস্টিক। এছাড়া প্রায় সকল দিক দিয়েই তাঁর চিন্তা ও দর্শন আমার সাথে মেলে, মেলে দেশের অনেকের সাথেই।

৩| ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১২

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।

২৬ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬

শেহজাদ আমান বলেছেন: ধন্যবাদ! আপনার মতামত জানিয়েন!

৪| ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:০৭

শরৎ চৌধুরী বলেছেন: “খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক তুলে ধরেছেন—
মিত্রতা আসলে শুধু আবেগ না, বরং একটি পরিণত রাজনৈতিক ও মানবিক সিদ্ধান্ত।
সম্ভবত আমাদের সবচেয়ে বড় ঘাটতি এখানেই—আমরা সম্পর্ক ভাঙতে শিখেছি,
কিন্তু টেকসই মিত্রতা গড়তে এখনো শিখিনি।”

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.