নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনটা অন্যরকম হবার কথা ছিল!

শেরজা তপন

অনেক সুখের গল্প হল-এবার কিছু কষ্টের কথা শুনি...

শেরজা তপন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা চিনতাম শুধু এটা সম্ভবত রন্ধনশালায় এভাবে একচেটিয়া অনুপ্রবেশ করতে পারত না। এটা ঠিক যে, গরমের বাসিন্দারা ঝাল আর টকের ভক্ত হয়- ও হ্যাঁ তিতে খাবারটাও উষ্ণ অঞ্চলের গুডবুকে আছে, কিছু বাঙ্গালীর অতি ঝালপ্রীতি দেখে মনে হয় আমাদের ডি এন এ তে 'ঝাল্লাগে ভাল্লাগের' আলাদা স্পেশাল ডায়াগ্রাম করা আছে।
এদেশের কিছু অংশের মানুষ চুইঝাল খায়, কিছু এলাকায় পিপুল , গোল মরিচ আর আদা সাথে বাঙ্গালীর আদি খাদ্য সরিষা সর্বসাকুল্যে এই ছিল আমাদের সারা উপমহাদেশের ঝালের মুল উতস- আর এখন এর সবগুলি মিশিয়ে আমরা একসাথে খাই তারপরেওসালাদে কখানা কাচালঙ্কা ঠেসে দিই কিংবা পাতে দুখানা লঙ্কা না হলে চলে না। ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা যেন আরো বেশী খ্যাপাটে ঝাল পাগল। এই বঙ্গে চটপটি নামের প্রায় অখাদ্যের উৎপাত একরকম তাদের উসিলাতেই।

ছোট বেলায় শুধু লাল মরিচ রা রশুন দিয়ে বেটে সেটায় খানিক সরিষার তেল দিয়ে মেখে লাল আউস চালের বাসি কড়কড়ে ভাত ভাল করে পিষে মেখে খেয়ে দাওয়ায় বসে ছয় ইঞ্চি জিভ বের করে লালা ঝড়াতাম। তারপরেও ওই যে মুজতাবা আলী সাহেবের বিখ্যাত উক্তি ' ঝাল্লাগে-ভাল্লাগে'। ঝালের ভাল লাগার মোহ থেকে নিস্তার ছিল না।
রাশিয়ায় গিয়ে বুঝলাম ওই তল্লাটে কস্মিনকালেও কলম্বাসের বংশধরদের পা পড়েনি। যে জাতির ভাষাতেই ঝাল বলে কোন শব্দ নেই সেই জাতির ঝাল পছন্দ হয় ক্যামনে!
ওখানে গিয়ে এই ঝেলো বাঙ্গালী কি পানসেকলেই ( ঝালহীন খাবার সব পানসে লাগে) না পড়লাম! মরিচ মনে করে যেটার উপরেই ঝাপিয়ে পড়ি সেটাই মিষ্টি মিষ্টি লাগে। প্রথমে ক্যাপসিকামে স্বপ্নভঙ্গ ( ওরা বলে সালাদকি পেরেতস বা বলগারিসকি পেরেতস- মিষ্টি মরিচ) এরপর অনেক সখ করে জেলোপিনো কিনে এনে চোখের শুধু জল ঝড়েছে নাকের জল আর ঝড়েনি, এটাকে রাশিয়ানেরা নাকি কটু মরিচ ঝাল মরিচ কিংবা তিতে মরিচ হিসেবে বরন করেছে, আশ্চর্যজনকভাবে এই মরিচ রাশিয়াতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় আমার অবস্থানকালেই।
এখন রাশিয়ার হেঁশেল এই মরিচ ছাড়া অচল প্রায়! ও পাড়ায় ঝাল বলতে বোঝে ওরা চিয়োরনি(কালা) পেরেতস মানে 'গোল মরিচ' বোঝে। এই মশলাটা আমাদের হেঁশেলে ঠান্ডা লাগলে চায়ে আর মাংসে ব্যবহার হোত।গুড়ো করে খাওয়া তখনো আমরা শিখিনি। কোথাও গিয়ে ঝালের জন্য মন আঁকুপাঁকু করলে ঐ ছাইভস্মের গুড়ো খানিকটা মিশিয়ে মনকে শান্ত করতাম।

ঝাল আলু টম্যাটো সব পর্তুগীজদের অবদান। টম্যাটো একটু ধীরে সুস্থে আমাদের রান্নাঘরে যায়গা করে নিলেও আলু আর লঙ্কা নিয়ে এখনো আমরা লঙ্কাকান্ড ঘটাচ্ছি। টম্যাটো কে আগে বাঙ্গালীরা বলত 'টক বেগুন'। এটা বিষাক্ত কোন সবজি ভেবে অনেকেই ঠিক সাদরে গ্রহন করতে পারেনি কিন্তু খেয়াল করে দেখবেন টম্যাটো নয় বরং আলু আর লঙ্কা আমাদের সাস্থ্যের সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। আমরা দেশী টম্যাটো বলে যেটা খাচ্ছি সেটা আদৌ আমাদের দেশীই নয়।
ওদিকে আমাদের দেশী ধাইন্যা মরিচ কিভাবে আমাদের মরিচ হোল আর শুকনো মরিচ ঠেসে আলু ভর্তা কে শিখাইল সেইটা আমার বড্ড জানতে অন চায়??
বাঙ্গালী পরনন্দা পরচর্চার বিশ্বরেকর্ডধারী জাতির পাশাপাশি কিন্তু চরম পরসহিষ্ণু জাতি।
লক্ষ্য করে দেখবেন যে, যে জাতি এদেশে এসেছে তাদের খাবার পোশাক ধর্ম আর ভাষা নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে গেছে!!
আমাদের আদৌ নিজেদের কোন পোশাক নেই, সংস্কৃতি নেই, ধর্ম নেই, ভাষা নেই, দর্শন নেই, খাবার নেই, পছন্দ অপছন্দ কিচ্ছু নেই। খাদ্যে আমরা তেলাপোকা সম; সর্বভুক।
ইদানিং যদিও বাঙ্গালী মুসলিমরা হারাম-হালাল খাবারের চক্করে ধর্ম জাত দুটোই হারানোর আশংকায় ঘন ঘন হালাল দেশ সৌদিতে যায় উমরাহ্‌ করতে।
শালার বৈদেশে গেলে হালাল খাবার খুজতে খুঁজতে ভ্রমনের রসটাই মাঠে মারা যায়। দেশে এসে একই গল্প; যে কোন খাবার খাইতেই ভয় করে মনে হয় গরুর মাংস শুয়োরের তেল দিয়ে ভাজছে। সেদিন দেখলাম চীনে মুসলিম পাড়ায় এমন কি উইঘুরে পর্যন্ত মুসলমান রেস্টুরেন্ট মালিকেরা দেদারসে শুয়োরের মাংসের পদ বিক্রি করছে; লে ঠ্যালা সামলা!!

ডিম আগে না মুরগী আগে সেটার মত আলু আগে না সিঙ্গারা আগে কিংবা আলু আগে না আলুর দম আগে। আমাদের সিঙ্গারা পাগল 'ভুয়া মফিজ' ভাই এটার উত্তর দিতে পারলেও পারেন।
যাই হোক আজ দুপুরে ভাত খাবার সময়ে দুইখানা কাঁচা লঙ্কা(আচ্ছা ওপারের বাঙ্গালীরা কেন লঙ্কা বলে আর আমরা বলি মরিচ?) চিবাইতে চিবাইতে ঘুরে ফিরে আমার মনে একটাই প্রশ্ন আসে - রাশিয়ানেরা কেন ঝাল খায় না আর বাঙ্গালীরা কেন ঝাল পাগল হইল? কেউ কিছু কইতে পারেন?

ফুটনোটঃ শাহ্‌ আজিজ ভাই বেজায় অসুস্থ ! উনি সম্ভবত দীর্গদিন ব্লগে আসেন না।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাঙ্গালী পরনন্দা পরচর্চার বিশ্বরেকর্ডধারী জাতির পাশাপাশি কিন্তু চরম পরসহিষ্ণু জাতি।
.......................................................................................................................
বাঙ্গালী তাদের জাতিগত কোন ঐতিহ্য এখন আর বহন করেনা ।
তাদের আচরনে দেশ বিদেশে একে একে ভিসার দরজা কঠিন করা হচ্ছে ।
আমরা এখন আফগানী, পাকী সাহিত্য নিয়ে পড়েছি, সেই সব জাতি
আজ বিশ্বের দরবারে ভঙ্গুর ও হানা হানির জাতি হিসাবে পরিচিত ।
এছাড়াও, মাহরান ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেনা (আজব নিয়ম), মেয়েরা হাফ প্যান্ট পড়ে
ফুটবল খেলতে পারবেনা , গ্রামে গন্জে বাঊল গান চলবেনা ।

আমরা এখন এমন মহান জাতি !!!

০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২২

শেরজা তপন বলেছেন: বড়ই পরিতাপের বিষয় যে আম্রা একটা অজাত-কুজাত জাতি!

২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: লেখক বলেছেন: বড়ই পরিতাপের বিষয় যে আম্রা একটা অজাত-কুজাত জাতি! কিছু অজাত-কুজাত রাজনীতিবিদদের জন্য নিজেকে কেন গালি দেন? আপনে বরং আমার এই লেখাটা আগে পড়েন...... view this link। মন্তব্যগুলিও পইড়েন।

ছবিটা তো খাসা দিলেন। এইটা কি মরিচ চা এর মতো মরিচ রসগোল্লা?

ওইটা জেলোপিনো না, হ্যালাপিনো। আলু, মরিচ, টমাটো.......সবই দক্ষিণ এবং মধ্য আমেরিকা থেকে স্প্যানিশরা প্রথম আনে (পর্তুগিজদেরও খানিকটা অবদান আছে)। তারপরে সারা বিশ্বে বিভিন্নভাবে ছড়ায়।

সেদিন দেখলাম চীনে মুসলিম পাড়ায় এমন কি উইঘুরে পর্যন্ত মুসলমান রেস্টুরেন্ট মালিকেরা দেদারসে শুয়োরের মাংসের পদ বিক্রি করছে; লে ঠ্যালা সামলা!! হাচা নি? B:-)

৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৭

মিরোরডডল বলেছেন:




ঝালহীন খাবার সব পানসে লাগে

কথা সত্যি। সম্পর্কে যেরকম খুনসুটি না থাকলে জমে না, সেরকম খাবারে একটু আধটু ঝাল না হলে মজা নেই।

শুকনো মরিচ ঠেসে আলু ভর্তা কে শিখাইল সেইটা আমার বড্ড জানতে অন চায়??

জানলে আমাকেও জানিয়ে যাবে। এই খাবার অনেকই উপাদেয়।

আজ অনেকদিন পর সিঙ্গারা খেলাম। এই জিনিস খেতে হলে, যেখানে সাউথ এশিয়ান শপ আছে ওখানে ড্রাইভ করে যেতে হয়।
বিশেষ প্রয়োজন না হলে ওদিকটায় যাওয়া হয়না। আজ এক কাজে সেই এরিয়াতে গিয়েছিলাম। জানি এটা অখাদ্য, তারপরও টেম্পটেশন কাজ করে। ওরা সিঙ্গারাকে সমুচা বলে।

আচ্ছা ওপারের বাঙ্গালীরা কেন লঙ্কা বলে আর আমরা বলি মরিচ?

আচ্ছা শেরজা, ওপারের বাঙ্গালীরা কেন দাদা দিদি জল বলে, আর আমরা বলি ভাই বোন পানি?

রাশিয়ানেরা কেন ঝাল খায় না আর বাঙ্গালীরা কেন ঝাল পাগল হইল? কেউ কিছু কইতে পারেন?

হুম কইতে পারি। :)

রাশান মেয়েরা কেনো অনেক এক্সপ্রেসিভ আর সফট-হার্টেড হয়, বাঙালী রমণীরা কেনো এতো বেশি ঢঙ্গী আর এক্সপ্রেশনলেস হয়। এটা আমাদের শেরজার চেয়ে আর ভালো কে জানে ;)

ভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভাষা, ভিন্ন ফুড হ্যাবিট হবে এটাই স্বাভাবিক।
শেরজার আজকের পোষ্ট ভালো লেগেছে।
মনে হলো অনেকদিন পর আবার সেই আগের মতো মজার পোষ্ট নিয়ে আসছে।

মা কেমন আছে শেরজা?

৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯

গেঁয়ো ভূত বলেছেন: লেখাটা একাধারে জিভে জল আনা, আবার অন্যদিকে দারুণ এক মনস্তাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক ভ্রমণ! একদম ঠিক ধরেছেন, "ঝাল্লাগে-ভাল্লাগে"র এই ব্যাপারটে আমাদের ডিএনএ তেই কোড করা আছে বোধহয়। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, পর্তুগিজরা আসার আগে এই উপমহাদেশে ঝাল বলতে গোলমরিচ, পিপুল বা আদা-সরিষার ঝাঁজটুকুই সম্বল ছিল। ষোড়শ শতাব্দীতে ভাস্কো দা গামার পথ ধরে লঙ্কা (বা মরিচ) আর আলু যখন বাংলায় ঢুকল, তখন রন্ধনশালায় একরকম বিপ্লব ঘটে গেল। বিশেষ করে আলু আর লঙ্কা ছাড়া বাঙালির পাত কল্পনা করা এখন অপরাধের শামিল! আর টমেটোকে যে একসময় ‘টক বেগুন’ ভেবে বিষাক্ত মনে করা হতো, তা ভাবলে বেশ হাসি পায় আজ সেই টমেটো ছাড়া আমাদের রান্নাবান্না একচুলও নড়ে না। রাশিয়ার মতো ঠাণ্ডা দেশে গিয়ে পানসে খাবারে দশা কী হয়, তা আপনার বর্ণনায় বেশ টের পাওয়া গেল। যে দেশের ভাষায় "ঝাল" শব্দটাই নেই, তাদের কাছে জেলোপিনো বা ক্যাপসিকামই ভরসাএটাই স্বাভাবিক। তবে বাঙালি যেখানেই যাক, মনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সেই লাল আউস চালের ভাতের সাথে কাঁচালঙ্কা চটকে খাওয়ার নস্টালজিয়া ঠিকই তাড়িয়ে বেড়ায়।

৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০

মিরোরডডল বলেছেন:




শাহ্‌ আজিজ ভাই বেজায় অসুস্থ ! উনি সম্ভবত দীর্গদিন ব্লগে আসেন না।

শুনেছিলাম উনি ব্লগে না আসলেও ফেইসবুকে একটিভ ছিলেন।
কি হয়েছে ওনার, জানলে বিস্তারিত জানাবে প্লীজ।
I wish he'll get well soon.

ওনার সাথে শেষ কনভারসেশনে আমি ওনাকে রেসিস্ট বলেছিলাম।
কোন একজন নারীর লুক নিয়ে উনি বাজে মন্তব্য করেছিলো, তাই বকেছিলাম।
এখন উনি অসুস্থ জেনে খারাপ লাগছে।
দ্রুত ভালো হয়ে উঠুক।


৬| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাহ অনেকদিন পর সেই পুরানো আড্ডার আমেজ দেখতে পেলাম ব্লগে। আশা করি ব্লগের সব পুরাতন আড্ডাবাজদের দেখা মিলবে এই পোস্টে। :-0

ঝাল রসগোল্লার যে একখান ছবি দিসেন, তাতে মনে চাচ্ছে এই জিনিষ যে কোন মূল্যে খেতেই হবে। রাসিয়ানরা ঝাল একেবারেই খেতে পারে না। একবার এক বাসায় দাওয়াতে গিয়ে দেখি সব সাদা সাদা , ঝালহীন পদ। পরিবার বাঙ্গালী কিন্তু তাদের ছেলের বউ রাসিয়ান। সে ঝাল খেতে পারে না বইলা , কোন পদেই ঝাল নাই। তারাও বউমার সাথে সাথে ঝাল খাওয়া ছেড়ে দিসে! মেহমানদের উলটা নসিহত করল ঝালের অপকারিতার বিষয়ে। গ্যস্ট্রিক , আলসার জাতীয় সব রোগ বলে উধাও হয়ে গেছে তাদের ফ্যমিলি থেকে! দাওয়াত খাইতে আইসা এইসব জ্ঞান এর কতা শুনতে কার ভাল্লাগে ? সব মেহমানদের দেখলাম বেজার মুখে খাবার খাইতে !:#P

আরেকটা মজার ব্যপার যে যদিও পর্তুগীজরা আমেরিকা/ মেক্সিকো থেকে মরিচ এই উপমহাদেশে প্রথম এনেছে , কিন্তু তারা ঝাল খায় না। তাদের খাবারে মরিচের ব্যবহার নেই বললেই চলে।

৭| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৮

জুল ভার্ন বলেছেন: শেরজা তপন সাহেবের লেখা মানেই- অনেক তথ্য উপাত্ত, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ! তবে ঝাল নিয়ে যে এতো তথ্য উপাত্ত নিয়ে লেখা যায়- ভাবতেও বিস্ময় লাগে। যেকোনো খাবারে ঝাল আমার ভয়ের কারণ! এমনকি ঝাল-মুড়িতেও আমি ঝাল খাইনা।
লেখাটা সত্যিই ভালো লেগেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.