| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মির্জা আব্বাস ও দায় এড়িয়ে যাওয়া
মির্জা আব্বাসের যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে, তাহলে এর নৈতিক দায় এড়িয়ে যাওয়া সহজ হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে তাকে লক্ষ্য করে অসম্মানজনক ভাষা ও আচরণ করা হয়েছ- বিশেষ করে এনসিপি ঘরানার কিছু নেতা এবং জামায়াত-শিবিরের সমর্থকদের পক্ষ থেকে- তা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য খুবই উদ্বেগজনক।
আমি তার রাজনৈতিক মত বা পথের সঙ্গে একমত নই। কিন্তু একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ হিসেবে তাকে সম্মান করি। রাজনীতিতে মতভেদ থাকবে, তর্ক থাকবে, সমালোচনা থাকবে- কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপমান বা চরিত্রহনন কোনো সভ্য রাজনৈতিক চর্চার অংশ হতে পারে না।
৫ আগস্টের পর আমরা দেখেছি, মির্জা আব্বাস এবং ফজলুর রহমান- এই দুই প্রবীণ রাজনীতিবিদকে ঘিরে কিছু মহল যেভাবে আচরণ করেছে, তা মোটেও শোভন ছিল না। অনেকের মতে এর একটি কারণ হলো- তারা মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রকাশ্যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেন। সেই অবস্থানের কারণেই হয়তো তাদেরকে বিভিন্নভাবে খাটো করার চেষ্টা হয়েছে।
ফজলুর রহমান স্বভাবতই তীব্র ভাষার মানুষ; তিনি চাইলে পাল্টা জবাব দিতে পারেন, এবং দিয়েছেনও। কিন্তু মির্জা আব্বাসের মধ্যে সবসময় এক ধরনের সংযম দেখা গেছে। তাকে কাছ থেকে যারা দেখেছেন, তারা বুঝেছেন- অনেক অপমান ও আঘাত তিনি নীরবে সহ্য করেছেন। তার মুখের অভিব্যক্তিতেই বোঝা যেত, এসব তাকে গভীরভাবে কষ্ট দিচ্ছে। তবুও তিনি প্রকাশ্যে খুব বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাননি।
রাজনীতির আরেকটি বাস্তবতা হলো- অনেক সময় মানুষ নিজের দল থেকেও প্রত্যাশিত সমর্থন পায় না। দল তাকে পুরোপুরি পরিত্যাগ করেনি, আবার সবসময় দৃঢ়ভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে- এ কথাও অনেকেই বলতে পারবে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে তাকে একাই লড়াই চালিয়ে যেতে হয়েছে।
এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা চাপ, বিতর্ক, অপমান এবং ভেতরে জমে থাকা অভিমান- সব মিলিয়ে একজন মানুষের উপর মানসিক ও শারীরিক চাপ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। বিশেষ করে বয়সের এই পর্যায়ে এসব বিষয় একজন মানুষকে আরও ক্লান্ত করে দিতে পারে।
আমরা রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন মতের হতে পারি, কিন্তু মানবিকতা এবং ন্যূনতম সম্মানবোধ হারালে রাজনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রবীণ রাজনীতিবিদদের সঙ্গে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু তাদের অবদান ও বয়সের প্রতি সম্মান দেখানো আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই অংশ হওয়া উচিত।
মির্জা আব্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। তার সুস্থতা শুধু একটি দলের জন্য নয়, বরং আমাদের রাজনৈতিক পরিবেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
২|
১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আহারে হের লাগিয়া আপনার কি মায়া ।
৩|
১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৪৫
রাজীব নুর বলেছেন: পাটোয়ারী একটা ইতর।
এইসব ইতর সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
৪|
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৩৫
কলাবাগান১ বলেছেন: এনসিপি গং রা যখন লীগের মাঝে গুপ্ত ভাবে লুকিয়ে ছিল, তখন বিখ্যাতফটো সাংবাদিক কে আওয়ামী সরকার গ্রেফতার করলে, সেই ইস্যূকে আন্তর্জাতিক ইস্যূ হিসাবে দার করায়, আর সাংবাদিক আনিস ালমগীর কে যে বিনা দোষে, বিনা বিচারে ৩ মাস ধরে আটকে রেখেছে (আজ জামিন হয়েছে), সেটা অপরাধ, সেটা হালাল.....
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:০৮
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: বিএনপির উচিত ছিল উনার স্বপক্ষে কিছু বলা। তাঁকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি।