| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
উদীচী পুড়ার সময় কি হারমোনিয়াম, তবলা, একতারা, দোতারা, সেতার কিংবা বাঁশি পুড়েনি?, মনে রাখবেন তখন আগুন শুধু কিছু বাদ্যযন্ত্র পোড়ায়নি, -পুড়েছিল এই বাংলার সংস্কৃতির, এই বাংলার শত কোটি মানুষের হৃদস্পন্দনকে।।
যখন ছায়ানটের আঙিনায় আগুন জ্বলেছিল, তখনও অনেক শিল্পী নীরব ছিলেন। সেই নীরবতা আজও প্রশ্ন হয়ে ফিরে আসে।
জনাব আফজাল সাহেব,
দীর্ঘ ৩৭ বছর মঞ্চে কাজ করে যা বুঝেছি- আপনি একজন শক্তিমান অভিনেতা, জনপ্রিয় শিল্পী। আপনার কণ্ঠ মানুষ শোনে, আপনার কথা মানুষ মনে রাখে। তাই শিল্পকলা একাডেমিতে বন্যার্ত মানুষের সহায়তার জন্য আয়োজিত একটি মানবিক অনুষ্ঠানে আপনার বক্তব্য শুনে আমরা বিস্মিত ও ব্যথিত হয়েছি।
যে মঞ্চে কথা হওয়ার কথা ছিল পানিবন্দী মানুষের দুর্দশা নিয়ে,
যে মঞ্চে আহ্বান আসার কথা ছিল মানবতার পক্ষে,
সেই মঞ্চে রাজনৈতিক বিভাজনের ভাষা কেন?
রুনা লায়লা তাঁর গান শুরু করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করে, দেশের গান দিয়ে। সেখানে ছিল ভালোবাসা, ইতিহাস, ত্যাগ আর বাংলাদেশের আত্মা।
কিন্তু সেই আবহে যখন বিভেদের কথা উঠে আসে, তখন প্রশ্ন জাগে-
শিল্প কি মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়বে, নাকি দেয়াল তুলবে?
আমরা শিল্পীদের শুধু অভিনয়, গান বা কবিতার জন্য ভালোবাসি না; ভালোবাসি তাঁদের মানবিক অবস্থানের জন্যও।
কারণ শিল্পীর কণ্ঠ যখন মানুষের দুঃসময়ে মানবতার কথা বলে, তখন সেই কণ্ঠ ইতিহাসে বেঁচে থাকে।
আর যখন মানবিকতার মঞ্চেও বিভাজনের ভাষা প্রবেশ করে, তখন কষ্ট হয়, খুব কষ্ট হয়।
বন্যার পানি একদিন নেমে যাবে, কিন্তু এই প্রশ্ন রয়ে যাবে-
মানুষের দুঃসময়ে আমরা কি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, নাকি নিজেদের বিভাজনের পাশে?
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:১৬
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ কারো হাত নেই, এটা দেশে বিদেশে মানে উন্নত দেশেও হয়। তবে মোকাবেলা কিভাবে করবো সেটা নিয়ে ভাবতে পারি। এর স্থায়ী সমাধান বোধ করি নাই।
২|
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৫৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মানুষের দুঃসময়ে আমরা কি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম,
নাকি নিজেদের বিভাজনের পাশে?
..................................................................................
গন মানুষের শিল্পীদের কোন পক্ষ নেওয়া উচিৎ নয় ।
সব সময় ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা উচিৎ । না হলে আমাদের
আগামী প্রজন্ম মানবিকতা হারাবে ।
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:১৮
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: এটা সঠিক যে পক্ষ নেওয়া উচিৎ নয়, তবে সঠিক কথা বললে কারো না কারো পক্ষ হয়ে যায়। তবে আফজাল সাহেব যা বলেছেন তা অবশ্যই ঠিক হয় নাই।
৩|
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৯
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
৪|
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৩৪
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: মোনাফেক সব শ্রেনী/পেশা/গোষ্ঠীর মাঝেই বিদ্যমান। মতপার্থক্য/মতভেদ থাকবে কিন্তু শিকড়কে অস্বীকার করে নয়। এই যেমন মুসলামানদের মধ্যেও পার্থক্য থাকবে কিন্তু তাই বলে ইসলামের কলেমা সবার জন্যই এক। ঐ জায়গা compromised হয়ে গেলে "মুসলমান নামক পরিচয়েরও" আর কিছু থাকে না। তেমনি বাঙ্গালীর ভাষা, এই ভাষা কেন্দ্রিক গদ্য, পদ্য, উপন্যাস, নৃত্য, সংগীত, লোকগাথা এসবের ওপর আঘাত এলে বাঙ্গালী নামক জাতিস্বত্তার পরিচয়টাই নড়বড়ে হয়ে যায়। যেমনঃ ৭১ এর চেতনা নিয়ে কটাক্ষ্য করে (৭১ এর চেতনার বানিজ্য নিয়ে কটাক্ষ্য করা আর সরাসরি ৭১ এর চেতনা নিয়ে কটাক্ষ্য এক বিষয় না-এই পার্থক্য বুঝতে হবে) দেশের রাজনৈতিক পরিচয় যা "বাংলাদেশ" নামে পরিচিত এই পরিচয়টাকেই স্বজ্ঞানে, মানুষের মনস্তত্ত্ব থেকে অদৃশ্য করে দেয়া হচ্ছে। অথচ ৫৫ বছরে বাংলাদেশ যে অবস্থান, তা ভালোমন্দ যাই হোক না কেন, এই অবস্থান বাংলাদেশের মানুষই সম্মিলিতভাবে (বিভাজন তৈরি না করে) নিজেদের রক্ত পানি করা পরিশ্রমে নিজ মেধায় তৈরি করে নিয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০
রাজীব নুর বলেছেন: প্রতি বছর আমাদের দেশে বন্যা হয়। মানুষ আশ্রয় নেয় খোলা আকাশের নিচে। গবাদি পশু মারা যায়। ঘর বাড়ি ডুবে যায়। প্রতিবছর একই ঘটনা।
স্থায়ী কোনো সমাধান কি নেই?