নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ সহজ করতে তারা এই সিদ্ধান্ত নেয়। ১৮৫০ সালের মধ্যে ইংরেজি ও উর্দুকে ব্রিটিশ ভারতের সরকারি কাজের অন্যতম ভাষা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

যখন সোহরাওয়ার্দী আর শরৎচন্দ্র বসু "বঙ্গভূমি" করতে চাইলে জিন্নাহ বাধা দেয় না। কিন্তু হিন্দু মহাসভা নেতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী প্রতিবাদ করে বাংলা ভাগ করে ফেললো। কংগ্রেসও শ্যামা প্রসাদকে বাংলা ভাগকে সমর্থন করেছিল। আজকের পশ্চিমবঙ্গকে তারা বাংলার সংগে দিতে মোটেও রাজি ছিলোনা।

জিন্নাহ কখনোই বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় নাই। কিন্তু সেই ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা আমাদেরকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে! জিন্নাহ বহু ভাষাভাষী পাকিস্তান রাষ্ট্রের সরকারি কাজের জন্য একটা ভাষা নির্বাচন করেছেলেন সেটা হলো উর্দু।

জিন্নাহ বলেছিলেন "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার বিষয়ে আমার দৃষ্টিভঙ্গি আরেকটাবার ব্যাখ্যা করেছি। এই প্রদেশের অফিশিয়াল ব্যবহারের জন্য এই প্রদেশের লোকজন যেমনটা চায় তেমন এক ভাষা তারা পছন্দ করতে পারে। এ ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। দেশের লোকজন নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে নিজেদের পছন্দমত ভাষা পছন্দ করে নিবে। যাইহোক লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা অর্থাৎ বিভিন্ন দেশের মধ্যে অন্তর যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ভাষা অবশ্যই উর্দু হতে হবে অন্য কিছু নয়। সুতরাং রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু এবং অবশ্যই উর্দু যা এমন একটি ভাষা যা উপমহাদেশের লাখ লাখ মুসলমানদের নিবিড় পরিচর্যার বেড়ে উঠেছে পাকিস্তানের প্রতিটি কোনায় কোনায়।

অথচ আমাদেরকে কী শেখানো হলো? আমাদের শেখানো হলো ওরা আমাদের মুখের ভাষা বাংলা কেড়ে নিতে চায়! তারা আমাদের শেখালো রাস্ট্রভাষা ও মাতৃভাষা একই। তারা আমাদের জিন্নাহর বক্তব্যের এই অংশটুকু কাঁটছাট করে ভুল বোঝাতে লাগলো।


জিন্নাহ তার ভাষনের একপর্যায়ে আরো বললেন:
যদিও তারা তাদের চেষ্টা থেকে নিরস্ত রাখছে না প্রতিটা দিন একগাদা মিথ্যা বানোয়াট ইস্যু তৈরি করা হচ্ছে যাতে দেখানো যায় যে মুসলমানদের মধ্যে সৌহার্দ্য নেই এবং তাদেরকে আইন বিরোধী কাজকামে উদ্বুদ্ধ করা যায় সাম্প্রতিকালের ভাষা বিষয়ক বিতর্কের কথায় ধরুন আমি অতি দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি আপনাদের অনেকেই প্রাদেশিকতাবাদের পাতা ফাদে পা দিয়ে ফেলেছেন। আপনাদের মনে কি এটা কখনো জাগে না যে প্রদেশের পত্রিকা সমূহের কাছে পাকিস্তান কেবল একটি অভিশাপের নাম তারাই ভাষার ব্যাপারে আপনাদের অধিকার শেখাতে আসছে এটা কি মনে হয় না যে অতীতে যে মুসলমানদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কিংবা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে হুট করে ভাষার বিষয়ে সে এখন আপনাদের ত্রাতা হিসেবে আবর্ভূত হচ্ছে আপনাদেরকে অধিকার সচেতন হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শিখাচ্ছে এই ফিফথ কলামিষ্ট থেকে সাবধান হন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার বিষয়ে আমার দৃষ্টিভঙ্গি আরেকটা বার ব্যাখ্যা করেছি এই প্রদেশের অফিশিয়াল ব্যবহারের জন্য এই প্রদেশের লোকজন যেমনটা চায় তেমন এক ভাষা তারা পছন্দ করতে পারে। এ ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। দেশের লোকজন নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে নিজেদের পছন্দমত ভাষা পছন্দ করে নিবে। যাই হোক লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা অর্থাৎ বিভিন্ন দেশের মধ্যে অন্তরযোগের জন্য ব্যবহৃত ভাষা অবশ্যই উর্দু হতে হবে। অন্য কিছু নয়। সুতরাং রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু এবং অবশ্যই উর্দু যা এমন একটি ভাষা যা উপমহাদেশের লাখ লাখ মুসলমানদের নিবিড় পরিচর্যার বেড়ে উঠেছে। পাকিস্তানের প্রতিটি কোনায় কোনায়। যে ভাষা অন্য যেকোনো প্রাদেশিক ভাষার চেয়ে লোকে ভালো বুঝতে পারবে। মুসলমানদের কৃষ্টি এবং সংস্কৃতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং অন্যান্য ইসলামী রাষ্ট্রের ভাষাগুলোর মোটামুটি কাছাকাছি রয়েছে।

ভারতীয় ইউনিয়ন থেকে উর্দুর বিতরণ এমনকি অফিশিয়াল ব্যবহার থেকে উর্দুকে বাদ রাখা বিনা কারণে ঘটেনি। ভাষা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে যারা জল খোলা করতে চাইছে ব্যাপারটা তাদের অজানা নয়। এ ঝামেলা স্বীকার না করে উপায় নেই। যদিও তারা স্বীকার করবে না। কেননা তা তাদের মনোবাসনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাদের ভাষা বিতর্ক সৃষ্টির একমাত্র কারণ মুসলমানদের মধ্যে বিভাজন তৈরি এবং অবাঙালি মুসলমানদের প্রতি ঘৃণার প্রচারণা প্রদান করা। অবশ্য ভাষা বিতর্কে আপনাদের প্রধানমন্ত্রী করাচি থেকে ফিরে যে স্পষ্ট বয়ান দিয়েছেন যে বাঙালিরা ইচ্ছে করলে বাংলাকে অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ বানাতে পারে শুনে তারা তাদের কর্মপরিকল্পনা পরিবর্তন করেছে এখন তারা চাচ্ছে বাংলাকে পুরো পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বানাতে এবং আরেকটি মুসলমান রাষ্ট্রের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুর দাবিকে তারা অগাহ্য করছে তারা বলছে বাংলা এবং উর্দু দুটোকে রাষ্ট্রভাষা করতে এ বিষয়ে আপনাদের ভুল করা উচিত নয় রাষ্ট্রের একক স্বার্থে কেবল একটা রাষ্ট্রভাষা থাকতে পারে এবং আমার মতে তা উর্দু হতে পারে। এ বিষয়ে অনেক আলোচনা করেছি আমাদের শত্রুদের এবং কিছু সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ্দের ব্যাপারে। তাই আপনাদের সতর্ক করছি। আপনারা যারা জীবনের বিস্তীর্ণ পথে হাঁটতে যাচ্ছেন তারা নিজেদেরকে এইসব মানুষ থেকে দূরে রাখবেন। যারা আরো কিছুদিন পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন তারা নিজেদেরকে স্বার্থান্বেষী রাজনীতিবিদদের বলির পাঠা হতে দিবেন না।


ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন নিজেই বুঝতে পারবেন কীভাবে আমাদেরকে দখলদার ভারতীয় বয়ান মন মনন ও মগজে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জিন্নাহ কখনোই বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় নাই।
.......................................................................................
তাহলে পশ্চিম পাকিস্হানে তখন পান্জাবী ভাষা কেন সেই মর্যাদা পেলনা ?
পুশতু বা বেলুচরা কেন অবহেলিত হবে ?
উনার কি উচিৎ ছিলনা , আন্চলিক ভাষাগুলো অন্চল ভিত্তি মর্যাদা পাবে
এবং দাপ্তরিক ভাষা কেন্দ্রীয়ভাবে সবার জন্য ইংরেজী হবে ।
তাহলে আন্চলিক নেতারা তা মেনে নিতে বাধ্য হতেন ।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: বৃটিশরা ১৮৩৭ সালে উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ সহজ করতে তারা এই সিদ্ধান্ত নেয়। ১৮৫০ সালের মধ্যে ইংরেজি ও উর্দুকে ব্রিটিশ ভারতের সরকারি কাজের অন্যতম ভাষা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। যেহেতু সেই সময় মুসলিমরা সবাই প্রায় উর্দু জানতো তাই হয়তো জিন্নাহ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

আপনি কি ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখেছেন?

২| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮

নতুন বলেছেন: যখন রাস্ট ভাষা উর্দু হইতো তখন বাংলাভাষার প্রয়োজন কমে যেতো। সরকারী বেসরকারী সকল চাকুরীতেই উর্দু ভাষার দক্ষতার উপরেই জোর থাকতো। বাংলা হইতো অপসনাল বিষয়।

দুনিয়াতে অনেক দেশেই নিজেদের ভাষা/ বর্ণ বাদ দিয়ে অন্য দেশী ভাষা ব্যবহার করছে।

আস্তে আস্তে বাংলাভাষার অবস্থাও তাই হইতো।

আপনি যেহেতু বুঝতে পারেন নাই আর বুঝতে পারবেন ও না। তবুও কমেন্ট করলাম হুদাই। B-)

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ইংরেজরা ১৮৩৭ সালে উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে। কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ সহজ করতে তারা এই সিদ্ধান্ত নেয়। ১৮৫০ সালের মধ্যে ইংরেজি ও উর্দুকে ব্রিটিশ ভারতের সরকারি কাজের অন্যতম ভাষা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সেই কারণে ভারতের কোন আঞ্চলিক ভাষা কি বিলুপ্ত হয়েছিল? হয়নি। হিন্দি বাংলা পাঞ্জাবি সহ যত আঞ্চলিক ভাষা আছে কোনটিই হারিয়ে যায়নি।

আপনাদের মন, মনন ও মগজে দখলদার ভারতীয় বয়ান ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে তাই আপনারাও বুঝতে পারবেন না। এই কথাটিই সেই সময় জিন্নাহ বলেছিলেন। পুরোটা পড়েন অথবা ভিডিও পুরো দেখেন তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারবেন।

৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জিন্নাহর সম্পূর্ণ ভাষণটা শুনলেই সবকিছু পরিস্কার হয়। এর সাথে যদি নিজের জ্ঞান-বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করা যায়, তাহলে বিষয়টা একেবারেই ফকফকা হয়ে যায়। সমস্যা হলো, নিজের জ্ঞান-বুদ্ধিকে কাজে না লাগিয়ে আম্লীগ আর ভারতের দালালরা ভারতের স্বার্থে যে রেটোরিক বয়ান উৎপাদন আর প্রতিষ্ঠিত করে এসেছে আজ অবধি, এর বাইরে যাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব না।

এই দালালরা ভারতে হিন্দি কেন কেন্দ্রের অফিসিয়াল ভাষা আর বাংলাভাষী রাজ্যগুলোতে বাংলা কিভাবে কোনঠাসা হচ্ছে দিনকে দিন, সেসব নিয়ে কোন প্রশ্নই করে না।

বহু ভাষাভাষী একটা দেশে কেন্দ্রের একটা ভাষা থাকবে, সেইসাথে অন্চলভেদে আন্চলিক ভাষা চালু থাকবে; এই স্বাভাবিক বিষয়টা বোঝার মতো সক্ষমতা অর্জন করা কি খুবই অসম্ভব ব্যাপার? তখন যদি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা হতো, তাহলে পান্জাবী, বালুচ, কাশ্মিরি, সিন্ধি সবাই একই দাবী তুলতো। আজ যদি সিলেটিরা বা চাকমারা বলে যে তাদের ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করতে হবে, তাহলে বাংলাদেশ সরকার কি করবে? :-B

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: উহাদের ভারতীয় বয়ান মন, মনন ও মগজে এমনভাবে প্রথিত হয়েছে এরা ফকফকা পানির মতো সরল কথা বুঝেও বুঝতে চাচ্ছেনা।



এই কথাটিই জিন্নাহ সেই সময় বলেছিলেন---
যাদের পত্রিকা সমূহের কাছে পাকিস্তান কেবল একটি অভিশাপের নাম তারাই ভাষার ব্যাপারে আপনাদের অধিকার শেখাতে আসছে এটা কি মনে হয় না যে অতীতে যে মুসলমানদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কিংবা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে হুট করে ভাষার বিষয়ে সে এখন আপনাদের ত্রাতা হিসেবে আবর্ভূত হচ্ছে আপনাদেরকে অধিকার সচেতন হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শিখাচ্ছে এই ফিফথ কলামিষ্ট থেকে সাবধান হন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার বিষয়ে আমার দৃষ্টিভঙ্গি আরেকটা বার ব্যাখ্যা করেছি এই প্রদেশের অফিশিয়াল ব্যবহারের জন্য এই প্রদেশের লোকজন যেমনটা চায় তেমন এক ভাষা তারা পছন্দ করতে পারে। এ ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। দেশের লোকজন নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে নিজেদের পছন্দমত ভাষা পছন্দ করে নিবে। যাই হোক লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা অর্থাৎ বিভিন্ন দেশের মধ্যে অন্তরযোগের জন্য ব্যবহৃত ভাষা অবশ্যই উর্দু হতে হবে। অন্য কিছু নয়।

৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের এখানে আইরিশ, স্কটিশ, ওয়েলশ সবার নিজস্ব ভাষা আছে। কিন্তু কেন্দ্রের ভাষা ইংলিশ। এটা নিয়ে তো কেউ ক্যাচাল করে না। কারন যুক্তরাজ্যের পাশে ভারতের মতো কোন হারামী দেশ নাই আর বৃটেইনে কোন দালালও নাই।

আমাদের পিও বঙ্গবন্ধু তো পাহাড়িদেরকে বাঙ্গালী হয়ে যেতে বলেছিল; কেন তাদের বাংলায় কথা বলতে বাধ্য করার এই প্রচেষ্টা? তার মাথায় কি তখন আমাদের ভাষা অন্দোলন ছিল না!!!!! ;)

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ওহ্ আপনি তো দারুণ কথা বলেছেন---
আমাদের পিও বঙ্গবন্ধু তো পাহাড়িদেরকে বাঙ্গালী হয়ে যেতে বলেছিল; কেন তাদের বাংলায় কথা বলতে বাধ্য করার এই প্রচেষ্টা? তার মাথায় কি তখন আমাদের ভাষা অন্দোলন ছিল না।

এই কথাটি আমার মনে ছিলোনা এটা নিয়েও একটি পোস্ট রেডি করা যায়। আপনি লিখতে পারেন না হলে ছোট পরিসরে আমি লিখবো।

৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনেই লেখেন, আমার টাইম নাই। তবে সেই লেখায় সিলেটিদের ''রাষ্ট্রভাষা সিলেটি চাই'' আন্দোলনের সমর্থনেও কিছু কথা অবশ্যই লিখবেন!!!!! =p~

৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১২

অরণি বলেছেন: উর্দু এন্ড উর্দু শ্যাল বি দা স্টেট ল্যাঙ্গুয়েজ অফ পাকিস্তান। ছোট বেলা থেকে শুধু এই কথায় শুনেছি এখন দেখি এ এক ভয়ানক ষড়ষন্ত্র। আগে পিছের কথা বাদ দিয়ে কিভাবে পুরো বিষয়টাকে বিকৃত করা হয়েছে। ভেবে অবাক হচ্ছি।

ডাকসুকে অশেষ ধন্যবাদ তারা যদি জিন্নাহর ছবি না লাগাইতো তাহলে আজেকে এই সত্য উন্মোচিত হতোনা সেই সংগে ধন্যবাদ যুগান্তর পত্রিকাকেও ।

৭| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: @অরণিঃ কোন একটা সম্পূর্ণ বিষয়ের সুবিধামতো খন্ডিত অংশকে ইতরামির উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হাইলাইট করা একটা ভয়ংকর চক্রান্ত। যারা এটা করে, আর যেসব দালালরা এটাকে প্রোমোট করার কাজ করে; তারা এর মাধ্যমেই সাধারন জনগনকে বিভ্রান্ত করে একটা বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ক্ষেপিয়ে তোলে। অনেক সময় সফলও হয়। এইভাবেই ভারত দীর্ঘদিন আমাদের মগজ ধোলাইয়ের চেষ্টা করে এসেছে। এখন তাদের সব জারিজুরি ধরা পড়ে যাওয়াতে তারা নাখোশ!!!! ;)

পুরো বিষয়টা বোঝার জন্য একটা উদাহরন দেই আপনাকে।

সূরা আল-বাকারাহ এর আয়াত ১৯১ তে বলা হয়েছে........''আর তাদেরকে যেখানেই পাও হত্যা করো এবং যেখান থেকে তারা তোমাদের বের করে দিয়েছে, তোমরাও তাদের সেখান থেকে বের করে দাও..." । এখন ইসলাম বিদ্বেষীরা শুধু এইটুকুই তুলে ধরবে আর বলবে দেখো........বিধর্মীদেরকে হত্যা করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এর আগে-পিছে কি বলা হয়েছে, এই কথার কনটেক্সট কি বা কোন পটভূমিতে আল্লাহ এটা বলেছেন, সেসব কিছু তার বেমালুম এড়িয়ে যাবে। এটাই এদের চালাকি!!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.