নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

৫ টা হোন্ডা ১০ টা গুন্ডা ইলেকশন ঠান্ডা!

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৯

দেশের ইতিহাসে এই প্রথম সত্যিকারের ইলেকশন হতে চলেছে। আপনারা সবাই নির্বিঘ্নে ভোট দিতে যান; যাকে পছন্দ তাকে ভোট দিন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন যিনি সৎ ও যোগ্য তাকেই ভোট দিবেন বিবেকের কাছে দায়বব্ধ থেকে। চাঁদাবাজ ও লুটেরাদেরকে ভোট দিলে যে লাউ সেই কদুই থেকে যাবে। দেশের চাবি আপনার হাতে। হ্যাঁ-তে ভোট দিন রাজনৈতিকদগুলোর স্বেচ্ছাচারিতা থেকে দেশকে রক্ষা করুন। হ্যাঁ তে ভোট দিলে আপনি কি কি সুবিধা পাবেন।

গণভোট সচেতনতা কার্ডে বলা হয়েছে, আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান, যেখানে—

১. তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।
২. সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
৩. সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
৪. বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
৫. যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
৬. সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
৭. ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
৮. দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
৯. আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন : ইন্টারনেট সেবা কখনো বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে।
১০. দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
১১. রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।

‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে ওপরের সবকিছু পাবেন। ‘না’ ভোট দিলে কিছুই পাবেন না।
মনে রাখবেন, পরিবর্তনের চাবি এবার আপনারই হাতে।

৫ টা হোন্ডা ১০ টা গুন্ডা ইলেকশন ঠান্ডা (!) হাসিনার সেই সময় আর নেই তাই নির্দ্বিধায় হ্যাঁ -কে জয়যুক্ত করুন।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩০

নিমো বলেছেন: চাঁদাবাজ ও লুটেরাদেরকে ভোট দিলে যে লাউ সেই কদুই থেকে যাবে
আর রাজাকার, আল বদর, আল শামস, দেশবিরোধি, রগ কাটাদের ভোট দিলে কি লাউ কি অন্য কিছুতে পরিণত হবে?

২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
আপনি কয়দিন কোথায় ছিলেন? আপনার পোষ্ট ব্যাতিত ব্লগে নির্বাচনে জমজমাট আমেজ গরম হচ্ছে না। শর্ত সাপেক্ষে ব্লগার চাঁদগাজীকে ও কয়দিনের জন্যে মুক্ত করা হোক।

এখন কথা হচ্ছে, এই প্রথম সত্যিকারের ইলেকশন কোন যুক্তিতে? ৯১, ৯৬, ০১ তো ভালো প্রতিদ্বন্ধিতামুলক নির্বাচন হয়েছে। তবে এবার জামাতকে বড় করে দেখানো হচ্ছে, ক্ষমতায় যাওয়ার সুঘ্রাণ পাচ্ছে এটাই কি সত্যি কারের কারন নাকি? :p

৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: জনাব, আপনি ভুলের মধ্যে আছেন। আপনার মতো অনেকেই এমন ভুলের মধ্যে আছে।

৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দেখেন যা ভালো মনে করেন ।

৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬

রাসেল বলেছেন: ভোট দেওয়া আমাদের কেবল অধিকার নয়—এটি আমাদের অপরিহার্য নাগরিক দায়িত্ব। বিবেক দিয়ে বিচার করে সৎ, যোগ্য ও নীতিবান ব্যক্তিকে ভোট দেওয়াই আমাদের কর্তব্য।
আমাদের স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে, ১৯৭১-এর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনীর সদস্যরা যেমন চাঁদাবাজ ও লুটেরা, তেমনি আজ নিজেদের ঘোষিত মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়েও কিছু মানুষ একইভাবে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও লুটপাটে লিপ্ত।

৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: বিএনপি যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জিতে ক্ষমতায় যায় তবে হ্যা ভোট জিতলেও কোন লাভ হবে না। আর্মি, প্রসাষন, পুলিশ সব বিএনপির নিয়ন্ত্রনে। কাজেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলেও কেউ কিছুই করতে পারবে না। আর তরুনেরাও এরপর আর রক্ত দিতে রাস্তায় নামবে না। ১১ দলীয় জোট যেহেতু হ্যা ভোটের পক্ষে প্রচারনা করছে , তাই একমাত্র তারাই ক্ষমতায় গেলে আশা করা যায় যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে। বিশেষ করে এনসিপির প্রধান এজেন্ডাই হচ্ছে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও এর বাস্তবায়ন।

৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৬

নিমো বলেছেন: মেঠোপথ২৩ বলেছেন বিশেষ করে এনসিপির প্রধান এজেন্ডাই হচ্ছে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও এর বাস্তবায়ন।
হা!হা! সিংহপুরে কি গাঁজা বেশি সস্তা হয়ে গেছে। যারা কিনা সনদে সাক্ষরই করে নি, তারা করবে হ্যান ত্যান। আরে জা-শির সমর্থক এটা বলতে আপনাদের লজ্জা কেন লাগে?

৮| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



কয়েক দিন আগে বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব সাহেব বুঝি বলেছেন, রেফারেন্ডামে সব প্রশ্নে হ্যাঁ/না দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলে ভালো হতো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.