| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
শৈশবের ঐ স্মৃতির সুবাস ও দাদীর হাতের পিঠার আমেজ
....................................................................................
দাদীর হাতের ভাতের সুবাস, তখন ছিলো সময় সেরা,
মাটির চুলার ওমে জড়ানো, মায়ায় মাখানো চারিপাশ ঘেরা।
সকাল সাঁঝেই ডাক পাড়তেন, "আয়রে খোকা, খাবি আয়,"
সেই ডাকের মধুর স্মৃতি, আজও মনে দোলা দেয়।
গরম ভাতে ঘিয়ের গন্ধ, কাঁচা মরিচ আর আলুভর্তা,
সেই স্বাদেরই কাছে হারায়, আজকের এই রাজকীয় কত্তা।
বাঁশের কুলায় চাল ঝাড়ার শব্দ, উঠোন জুড়ে রোদের খেলা,
দাদীর আঁচল ছুঁয়েই সেদিন, কেটে যেত সারা বেলা।
মনে পড়ে সেই শীতের সকাল, কুয়াশায় ঢাকা চারিপাশ,
চুলার পাড়ে উঁকি দিত, চাদর জড়ানো বারো মাস।
নতুন ধানের চালের গুঁড়োয়, দাদী বানাতেন ভাপা পিঠা,
খেঁজুর রসের শিউলি সুবাস, আহা কি যে ভারী মিঠা।
ক্ষীর ভরা সেই পাটিসাপটা, দাদীর হাতের যাদুর ছোঁয়া,
কড়াই থেকে নামতো যখন, মচমচে আর গরম ধোঁয়া।
চিতই পিঠার ওলট-পালট, আর হাঁসের মাংসের ঝোল,
পুলি পিঠার পুর ভরা মায়ায়, মনে উঠতো খুশির দোল।
আজকে আছে ডাইনিং টেবিল, হরেক পদের দামী খাবার,
দাদীর হাতের গভীর মায়া,পুলি পিঠা আসবেনা ফিরে আর।
ব্যস্ত শহরের দূষিত হাওয়ায় , হারিয়ে গেছে পিঠার সুবাস,
স্মৃতির পাতায় বন্দি এখন, শৈশবের ঐ মুগ্ধকরা ভালবাসার নীলাকাশ।
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তাইতো মনে পড়ল,
সে জন্যই কবিতা খানি সবার মনে
একটু স্মৃতি চারণ করে নিল ।
২|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩১
রাজীব নুর বলেছেন: অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর।
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কিশোরের সেই মন ভূলানো দিনগুলো
আরকি ফিরে পাবো ?
৩|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: সুন্দর কবিতা লিখেছেন,কিছুক্ষনের জন্য ছোটবেলায় ফিরে গেলাম আপনার কবিতার মাধ্যমে
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আজ বড়বেলার এই ব্যস্ত ভিড়ে,
মন শুধু খোঁজে সেই হারানো সুর,
যদি আবার হওয়া যেত অবুঝ শিশু,
জীবনটা হতো কতই না মধুর!
৪|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার কবিতা সবসময় ভালো হয় ।
১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:০৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শৈশবের কবিতা
সবার মনে দোলা দেয় ।
এছাড়াও দেখার জন্য অনুসন্ধানী মন ও মানসিকতা প্রয়োজন
যা আপনার আছে ।
শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ !
৫|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৪০
হুমায়রা হারুন বলেছেন: কবিতাটি যা সুন্দর হয়েছে, ভাবছি জীবন কি ছোট!
১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:১৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সাহিত্যর অঙ্গনে কবিতা ছোট্ট কিন্ত শক্তিশালী
মাধ্যম , এখানে অল্প সময়ে মন ভালো করা যায়
জীবনের গভীরে প্রবেশ করা চলে আর স্মৃতিরা
দ্রুত নাড়া দেয় ।
আপনাকে কিছুটা সময় শৈশবে ফিরিয়ে নিতে পেরেছি
এটাই আমার সার্থকতা ।
.................................................................................
আমার ব্লগে এসে কবিতাটি পড়ার জন্য অশেষ শুভেচ্ছা থাকল ।
৬|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩৬
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
বিকেল হলেই নীল আকাশে উড়ত রঙিন ঘুড়ি,
লাটাই হাতে কাটত সময়, চলত কানাকানি।
উড়োজাহাজ গেলেই দূরে, ডাকত ব্যাকুল মন,
হাত নাড়িয়ে বিদায় দেওয়া, চলত সারাক্ষণ।
৭|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২
নাহল তরকারি বলেছেন: ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে কুরবানির ঈদের সেই দিনগুলোর কথা আজও স্মৃতির পাতায় অমলিন। তখন ক্লাস সেভেন এ পড়তাম। চাকরির সুবাদে আব্বু তখন জয়পুরহাটে থাকতেন, আমরাও থাকতাম সেখানে। বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করে চলে আসি নানাবাড়ি, মুন্সীগঞ্জে। নানী বাড়ির ছাদে মাটির চুলা তৈরি করেছিলেন। সেই চুলায় রান্না হয়েছিলো কুরবানীর গরুর মাংস, আর তৈরি হতো গরম গরম চিতই পিঠা। বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটু পরপর গাড়ির শব্দ, চারপাশে ঘন কুয়াশা আর শীতের আমেজ, বাতাসে ভেসে বেড়ানো গরুর মাংসের সুগন্ধ—সব মিলিয়ে এক অপূর্ব পরিবেশ! তখন ছিল কিশোর বয়স, আর জীবন ছিল কত সহজ, কত সুন্দর! সময়ের স্রোতে কত বছর পেরিয়ে গেছে, কত কিছু বদলে গেছে; কিন্তু সেই দিনটির অনুভূতি আজও হৃদয়ে জীবন্ত। কিছু স্মৃতি কখনো পুরোনো হয় না, বরং সময়ের সঙ্গে আরও বেশি মায়াময় হয়ে ওঠে।
আপনার এই ব্লগ পড়ে হঠাৎ এই ঘটনা এর কথা মনে পড়ে গেলো।
২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৩৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সব মিলিয়ে এক অপূর্ব পরিবেশ! তখন ছিল কিশোর বয়স,
আর জীবন ছিল কত সহজ, কত সুন্দর!
................................................................................
আপনাকে কিশোর বয়সের এক মহুর্তের জন্য ফিরিয়ে নিতে
পেরেছি এটাই কবির সার্থকতা ।
মানুষের মন এই যান্ত্রিক জীবনে মাঝে মাঝে অসহ্য ঠেকে তখন
এই ব্রেকের প্রয়ােজন আছে ।
৮|
২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৩২
আলামিন১০৪ বলেছেন: শিশুকালে সন্ধ্যা হেরে গলায় পড়া মুখস্ত করতাম-
বেলা গেল, হাস-মুরগী ঘরে তুল
দাদীকে ঔষধ দাও
শিশুকালে সন্ধ্যা হেরে গলায় পড়া মুখস্ত করতাম-
বেলা গেল, হাস-মুরগী ঘরে তুল
দাদীকে ঔষধ দাও
গ্রামে হেমন্তের নবান্নের ধান উঠলে পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে যেত। গ্রামে
২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সেই অনাবিল আনন্দের দিন গুলো কি
আমরা ফিরিয়ে আনতে পারিনা ।
৯|
২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২
খায়রুল আহসান বলেছেন: পাঠকমাত্রই কবিতায় তার নিজ শৈশবকে অনুভব করবে। +
তবে কবিতায় অন্ত্যমিল রাখার প্রয়াসে মাত্রার হেরফের ঘটায় ছন্দপতন ঘটেছে।
৭ নং মন্তব্যে 'নাহল তরকারি' এর স্মৃতিচারণটুকু ভালো লেগেছে। +
২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দেখুন আরও স্মৃতিচারণটুকু ... ...
......................................................................................
কৈশোরের সেই দিনগুলো ছিল কত যে সহজ, কত যে চেনা,
ছিল না কোনো হিসেবের খাতা, ছিল না কোনো দেনা-পাওনা।
সব মিলিয়ে এক অপূর্ব মায়ায় জড়ানো ছিল চারিপাশ,
মুক্ত মনে ডানা মেলত রোজ আমাদের নীল আকাশ।
এক টাকার সেই আইসবক্স আর বৃষ্টিতে মন খুলে ভেজা,
বিকেলের মাঠে ধুলোবালি মেখে , পাওয়া যেত কত মজা!
ছিল না কোনো ভবিষ্যতের চিন্তা, ছিল না কোনো জটিলতা,
পাখির ডাকে ঘুম ভাঙত রোজ, গাছেদের সাথে ছিল সখ্যতা।
১০|
২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:১৮
খায়রুল আহসান বলেছেন: হুম্ম! পরের স্মৃতিচারণটুকুও সুন্দর হয়েছে, অন্ত্যমিলও ভালো হয়েছে।
২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ধন্যবাদ,
আবার এসে আমার কবি তার স্বাদ গ্রহণ করার জন্য ।
১১|
২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:১৯
মেহবুবা বলেছেন: পিঠা খেতে ইচ্ছে করছে।
অনেকে শৈশব আর কৈশোর !
২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:০৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মেহবুবা বলেছেন: পিঠা খেতে ইচ্ছে করছে। অনেকে শৈশব আর কৈশোর !
........................................................................................................
আমার কবিতায় সে আহব্বান দেয়া আছে ।
তারপরও যদি আমার মত গরম গরম পিঠা যাদের পসন্দ, তাদের আমন্ত্রণ থাকল
বেইলী রোড়, ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরণী অথবা চাঁদপুরের গ্রামের বাড়ী ।
নিশ্চয়তা দিচ্ছি , হিবিজিবি নদীর সেই শামুক খাদ্য তালিকায় থাকবেনা ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩২
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: কাঁচা মরিচ আর আলুভর্তা সংগে ঘি এগুলো ছোট বেলারই গল্প।