| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঠাকুরমাহমুদ
sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

কৃষির সাথে আমার ও আমাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ফসলি জমিতে ভুত তৈরি করে দিতে হয়, ভুত বলতে বই পুস্তকের ভাষায় কাকতাড়ুয়া। ফসলি জমিতে ভুত থাকলে পাখি এসে ফসল নষ্ট করে না। পাখি যেমন তেমন, ফসলি জমিতে ভুত থাকলে শিয়াল ইঁদুরও আসে না। ফসলি জমি পাখি যতোটা না নষ্ট করতে পারে, তার চেয়ে শতগুণ বেশি নষ্ট করে শিয়াল ও ইঁদুর। তাই ফসলি জমিতে ভুতের প্রয়োজন আছে।
সমাজে মানুষের মাঝেও শিয়াল ইঁদুর চরিত্রের মানুষ আছে। আর তাই সমাজে পরিবেশে এমনকি দেশেও ভুতের প্রয়োজন আছে। শিয়াল ইঁদুর চরিত্রের মানুষ ভুতের কারণে ভয়ে থাকে, আতঙ্কে থাকে। এই ভয়ের প্রয়োজন আছে, এই আতঙ্কের প্রয়োজন আছে।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩১
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আপনার লেখা পোস্ট আমি পড়েছি। ভাই সাহেব আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।
২|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সমাজে মানুষের মাঝেও শিয়াল ইঁদুর চরিত্রের মানুষ আছে।
........................................................................................
আপনি কি মনে করেন “কাকতাড়ুয়া” মানুষকে সংশোধন হতে সহায়তা
করবে ? যেখানে মানুষে নৈতিক বল শূণ্যর কোঠায়, সততা ০%
মব করার মানসিকতা ১০০% ।
এটাতো মগ মোল্লার দেশ , এখানে বাস করতে হলে আগে ঈমানকে
কোরবাণী দিতে হবে ।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩৩
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
মানুষের অধঃপতন আরও হবে, সবে শুরু। আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কাকতাড়ুয়া মডেল অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে দৃশ্যমান জবাবদিহির একটি অভিনব ধারণা তুলে ধরেছেন ।
পোস্টটি প্রিয়তে গেল ।।
ফসলের মাঠে কৃষক কাকতাড়ুয়া বসান পাখি তাড়ানোর জন্য। কাকতাড়ুয়া নিজে কোনো পাখিকে ধরে না, কোনো
শাস্তিও দেয় না; কিন্তু তার অস্বাভাবিক উপস্থিতি পাখির মনে বিপদের সম্ভাবনা সৃষ্টি করে। ফলে পাখি অনেক সময়
ফসলের কাছে আসতেই চায় না।
এই সাধারণ কৃষিজ কৌশলের মধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে:
অপরাধ বা অনিয়ম সংঘটিত হওয়ার পরে শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি এমন একটি দৃশ্যমান পরিবেশ সৃষ্টি করা দরকার,
যাতে অনিয়ম করার আগেই সম্ভাব্য অপরাধী বুঝতে পারেতার কাজ অদৃশ্য থাকবে না।
এই ধারণাকেই বলা যেতে পারে “কাকতাড়ুয়া মডেল অব অ্যাকাউন্টেবিলিটি”
অর্থাৎ দৃশ্যমান উপস্থিতি + নিশ্চিত নজরদারি + স্বচ্ছ তথ্য + দ্রুত জবাবদিহি।
আপনার ধারনাটি নিয়ে আমিএখন একটি বাস্তবায়নযোগ্য সরকারি নীতিপত্রের খসড়া আমার ব্লগে প্রকাশের কথা ভাবছি।
সেখানে “কাকতাড়ুয়া”কে কোনো ভয় দেখানো বা প্রতীকী মূর্তি হিসেবে নয়, বরং দৃশ্যমান জবাবদিহি +
ডিজিটাল স্বচ্ছতা + নাগরিক পর্যবেক্ষণ + ঝুঁকিভিত্তিক অডিট + আইনানুগ ব্যবস্থা—এই পাঁচ স্তরের একটি
সমন্বিত ব্যবস্থা হিসেবে ধরা হবে । পোস্টটি প্রকাশের পর দেখে আসার জন্য অগ্রীম আমন্ত্রন রইল ।
ইতোমধ্যে আমার সাম্প্রতিক পোস্টে আপনার মুল্যবান মন্তব্যের উপর একটি বিস্তারিত দীর্ঘ প্রতিমন্তব্য দেখে
আসার জন্য অনুরোধ থাকল ।
শুভেচ্ছা রইল