নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সেরা লেখক

০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা নেই।

ভালো লেখক বা সেরা লেখক বলতে আমাদের একজন অমর লেখক আছেন, বাংলার ইতিহাসে এমন লেখক আর জন্ম নেয়নি, এমন লেখক আর জন্ম নিবেও না। বাংলা সাহিত্যকে যিনি শত সহস্র বছর অগ্রগামী করেছেন। কবি, গল্পকার, প্রবন্ধকার তাঁর হয়তো আরও অনেক অনেক অনেক উপাধি আছে। তিনি সেরা লেখক। তিনি সেরাদেরও সেরা লেখক। তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে হোক আর রোগশোকের কারণেই হোক সময়ের সাথে ইহধাম ত্যাগ করলেন। তার পাঠককুল চিন্তায় চিন্তিত - এমন মানুষ আর দ্বিতীয়বার পাবো না। তাই একটি স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে যাই! এই “স্মৃতি” বলতে অবশ্যই কবির কোনো কবিতা গল্প উপন্যাসের বই না, কোনো ছবি না, কোনো স্বাক্ষর করা পাণ্ডুলিপিও না। কারও নজর গেলো চুলের দিকে। কারও নজর দাড়ির দিকে। কারও নজর জামা কাপড় জুতোর দিকে।

ভক্তরা কবিকে শেষবারের মতো দেখতে এসেছেন। একজন বলছেন - আমি কবির চুল নিবো। পাশ থেকে হয়তো আরেকজন বলছেন - আপনি চুল নিলে আমি দাড়ি নিবো। তৃতীয়জন হয়তো ভাবছেন - শেষে যদি কিছু অবশিষ্ট থাকে! আরেকজন সম্ভবত আরও দূরদর্শী। সে হয়তো ভাবছে - চুল-দাড়ি তো সবাই নিচ্ছে। আমি ভিন্ন কিছু নিবো। - (সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা)

জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে আমি নানান দেশে গিয়েছি। কেউ না কেউ জানিয়েছেন, স্থানীয় জাদুঘরে অমুক মহান বিখ্যাত ব্যক্তির শাল আছে, চাদর আছে, গায়ের জামা আছে। অথবা অমুক মহান বিখ্যাত ব্যক্তির চুল আছে, দাড়ি আছে। জাদুঘরে গায়ে দেওয়ার শাল চাদর জামা থাকলে থাকতেও পারে। চুল দাড়ি কিভাবে সংগ্রহ হয়েছে জানা নেই, তবে ভয়ংকর ভাবে সংগ্রহ হওয়ার সম্ভবনাই সবচেয়ে বেশি। আমি বিশ্বাস করি, জগতে মানুষ দ্বারা সবই সম্ভব।







মন্তব্য ৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: মানুষের মনে কত ধরণের উদ্ভট চিন্তাধারা থাকে, সেটা আবার কার্যক্ররও করে

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।



২| ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৩

চারাগাছ বলেছেন:
লেখার শুরুতে ভেবেছিলাম “সেরা লেখক” নিয়ে হয়তো একটা সাহিত্যিক আলোচনা হবে। শেষ পর্যন্ত গিয়ে দেখি, লেখক আসলে পাঠকের ভালোবাসা আর ভক্তির এক অদ্ভুত দিকের কথা বলছেন।

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



পাবলিক রিলেশান সব সময় ভালো হতে হবে এমন না। আপনি লেখাটি আগ্রহ নিয়ে পড়েছেন জেনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।

৩| ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৩

চারাগাছ বলেছেন:

মৃত প্রিয় লেখক বা কবির স্মৃতি হিসেবে তাঁর বই, লেখা, স্বাক্ষর কিংবা ছবি সংগ্রহ করার বিষয়টি স্বাভাবিক। কিন্তু চুল-দাড়ি কিংবা শরীরের কোনো অংশ সংগ্রহ করার চিন্তা সত্যিই ভক্তির কোন পর্যায়ে পড়ে—সেটা ভাবার বিষয়!

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, লেখাটা যত এগিয়েছে ততই মনে হয়েছে—“মানুষ দ্বারা সত্যিই সবই সম্ভব।” শেষ লাইনটাই পুরো লেখার সারকথা হয়ে গেছে।

তবে একটা কৌতূহল রয়ে গেল—যে অমর লেখকের কথা বললেন, তাঁর নামটা ইচ্ছে করেই গোপন রাখলেন কেন? পাঠক হিসেবে এখানেই তো সবচেয়ে বেশি কৌতূহল তৈরি হলো।

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমার ধারণা আপনি লেখককে চিনতে পেরেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত। আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।



আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.