| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাহাদাত উদরাজী
[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।
(মাসে ২৫০০টাকা নেহাত কম কিছু না, ১০কেজি চাল, ৫কেজি আটা, তেল, পেয়াজ, আলু, লবন, চিনি সহ অনেক কিছু কেনা যায়, বিশেষ করে হিসাব করে কিনলে এই টাকার গ্রোসারী দিয়ে একজন অসহায় মানুষ বা ছোট পরিবার কিছু খাদ্যে নিরাপত্তা পেতেই পারে। আমি অভিনন্দন জানাই, তবে এদের আবার কিছু হাতের কাজ শেখানোও দরকার, যাতে নিজেরাও স্বাভালম্বি হয়ে যায়। দক্ষভাবে দেখাও উচিত, যেন এই কার্ডের মিস ইউজ না হয়, একদম অসহায়েরাই কিছুটা আনন্দ পাক। কার্ড নিয়ে কিছু পড়ে দেখলাম। এআই দিয়ে সামারী করে দিলাম। পড়ে দেখতে পারেন। আর যিনি এই কার্ডের টাকা পেয়েই জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছেন, উনাকেও অভিনন্দন, হয়ত পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। আমরা সরকারের চেষ্টা দেখতে চাই, সফলতার গল্প পরে হবে) ধন্যবাদ মি তারেক রহমান, আপনি চেষ্টা করুন, আমরা ভাল কাজের প্রশংসা করবো।
ফ্যামিলি কার্ড হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি ডিজিটাল সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ আর্থিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়। ২০২৬ সালের ১০ মার্চ থেকে এই কার্যক্রমটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এবং আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
* কাদের দেওয়া হচ্ছে?
ফ্যামিলি কার্ড মূলত সমাজের পিছিয়ে পড়া ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে টার্গেট করে তৈরি করা হয়েছে। যারা এই কার্ড পাবেন:
১) পরিবারের নারী প্রধান: নারী ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে পরিবারের মা বা নারী সদস্যের নামে এই কার্ড ইস্যু করা হয়। কার্ডধারীকে অবশ্যই কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী হতে হবে।
২) হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবার: যারা চরম দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছেন বা স্বল্প আয়ের কারণে দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
৩) বিশেষ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত গোষ্ঠী:
ভূমিহীন বা গৃহহীন পরিবার।
পরিবারে প্রতিবন্ধী সদস্য থাকলে।
বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্তা নারী।
অনগ্রসর ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী (যেমন: হিজড়া, বেদে ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী)।
* প্রধান সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য
১) নগদ ভাতা: পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত পরিবারগুলো মাসিক ২,৫০০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছে।
২) পণ্য সহায়তা: নগদ টাকার পাশাপাশি ভর্তুকি মূল্যে বা বিনামূল্যে চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় টিসিবি (TCB) পণ্য এই কার্ডের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যেতে পারে।
৩) ডিজিটাল ডাটাবেজ: এটি একটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হয় যাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই প্রকৃত দুস্থ পরিবারগুলো সহায়তা পায়। ২০৩০ সালের মধ্যে একে 'ইউনিভার্সাল সোশ্যাল আইডি কার্ড' হিসেবে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্তমানে এটি একটি পাইলট বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় (যেমন: বগুড়া সদর, ঠাকুরগাঁও, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এবং ঢাকার মিরপুর ও বনানীর কিছু এলাকা) শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সারাদেশে বিস্তার লাভ করবে।

২|
১২ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:২৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লাইক দিলাম ।
৩|
১২ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৪৮
কাছের-মানুষ বলেছেন: এটা ভাল উদ্দ্যেগ।ঠিক মত যদি সঠিক মানুষের হাতে কার্ড পৌছায়, এবং ভাল ম্যানেজমেন্ট করতে পারে তাহলে এটা দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন যাত্রার মান অনেক উন্নত করবে।
৪|
১২ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৩
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালো উদ্যোগ
কিন্তু কোনো কিছুই দীর্ঘদিন একই আইনে চলে না বাংলাদেশে। আস্তে আস্তে শীথিল হয়ে যাবে একদিন। অনিয়ম হবে-শেষে বন্ধ হয়ে যাবে। স্বার্থপর মহল নিজের বাগে অর্থ হাতিয়ে নিতে চাই। বাংলাদেশে এসব বহু ঝামেলা
৫|
১২ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫
মোগল সম্রাট বলেছেন: ফ্যামিলি কার্ডের পেছনে শুনলাম বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়হবে। এই বিপুল অর্থের জোগান কোথা থেকে আসবে? বাংলাদেশ কি এতটাই ধনী রাষ্ট্র যে এমন ব্যয় সহজেই বহন করতে পারবে? বরং আগের সরকারের আগে চালু করা কিছু কার্যকর সহায়তা কর্মসূচি আরও জোরদার করাই বেশি প্রয়োজন ছিল। যেমনঃ
* বৃদ্ধদের জন্য ভাতা
* দরিদ্র বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত নারীর ভাতা
* প্রতিবন্ধী নাগরিকদের ভাতা
* হিজড়া ও বেদে জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা
* মাতৃত্ব ও মা–শিশু ভাতা
* মুক্তিযোদ্ধা ভাতা
* কম দামে চাল বিতরণ
* দুর্যোগকালে ভিজিএফ সহায়তা
* ওএমএসের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে খাদ্য বিক্রি
* মৌসুমি কর্মসংস্থান কর্মসূচি
* দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্টাইপেন্ড
* ছাত্রীদের জন্য শিক্ষা ভাতা
* বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক
* কৃষি ভর্তুকি
* দরিদ্র পুনর্বাসন প্রকল্প
* একটি বাড়ি একটি খামার উদ্যোগ
এইসব কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রায় ৭ থেকে ১২ কোটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে সহায়তা পেয়ে পাইতো।
তবে দীর্ঘমেয়াদে কেবল ভাতা দিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না। মানুষের আয় বাড়াতে হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। না হলে অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব একসময় সামনে আসবেই।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:১৮
অপু তানভীর বলেছেন: যদি ঠিকমত কাজ করতে পারে, এই ফ্যামিলি কার্ডই বিএনপিকে আবার ক্ষমতায় নিয়ে আসবে। তবে সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশে কোন কিছুই বেশি দিন ঠিকমত চলে না। লেটস হোপ ফর দ্যা বেস্ট!