| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কি এক অমোঘ মায়ার বাঁধনে
যত্নে বাধিঁলে হিয়া
কি এমন পবনে তীব্র ধূসর টানে
চলেছ সাথে নিয়া।
কোন এক কৃষ্ণ প্রহরের প্রান্ত বেলায়
নির্ঘোম তুমি জাগালে আমায়,
চুলের আঁচলে আদরে ঢাকিয়া দু'চোখ
মাতিলে কি মায়ার খেলায়।
তখনো জাগেনি...
একে একে চলে যায় যারা এসেছিল কোন কালে
ফের অবলোক চিতা হানো ওদিকে শীতের মৌসুম
পুড়ে যাচ্ছে অপেক্ষার যাঁতাকলে পড়ে পৌঢ় লাবণ্য
হেন আশাবাদী কুঞ্চণে এসো হে পড়ন্ত বৈকালে
নিস্তব্দতা নিরবতা নয় অথবা নীরবে...
আমি কি কেবলই দুঃখবোধ থেকে ধীরে ধীরে আস্তিনে ফিরেছি
এবং দীর্ঘ বাসনার প্রাক্কালে ডুব দিয়ে ফিরেছি চিরাচরিত অদ্ভুত
এবং অবলুপ্ততা কতটুকু পেয়ে বসলে আমি হারাতে থাকি অনবরত
চির চেনা থেকে চির অচেনার সাদা...
বৃষ্টিরা যখন নেমে আসে ঝুপ ঝুপ করে
আউলা বাতাসের রংচটা অভ্যর্থনায় দেখো
কেমন করে জোছনার প্রলাপ, অশেষ নম্রতায়
দূরের আবেশ, নিস্তব্দ অঙ্গীকারে ফিরে পাওয়া
বৈকাল্যের স্মৃতি-অমৃত,
অতঃপর করিডোর জুড়ে ফেলে আসা
তোমাদের জীর্ণ পরশ ছাড়ো...
এমনিই কী পৌষের ডাক
সহসা দূর থেকে অন্তিমের চিত্কারের মতো
শীর্ণ জলাঞ্জলিতে পূর্ণ করে ফেরে অলৌকিক রূপ
তব বিষণ্ন অধিকারে এখন কি শিশির জমে ?
পাতায় পাতায় ঘাসে ফুলে কুঞ্চিত রাতের শেষে
শুকতারা ,...
সরকার যদি সত্যিই চায় এই নাশকতা বন্ধ করতে। তাহলে ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় নাশকতাকার বিরুদ্ধে পাহারা বসাতে বলুক। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলুক।
প্রতিটি থানায় একটি বিশেষ নাম্বার স্থাপন...
অতঃপর দেখতে দেখতে চলে গেলে দূরান্তের ঐতিহ্য
পড়ন্ত বৈকালের অসীম পবিত্রতা এবং প্রেম নির্বার
পরিশেষে -
সান্ধ্য প্রদীপ জ্বালো, এই সন্ধ্যা লগ্নে
কতবার জেনেছি পুজোর ডালা সাজিয়ে
নিঝুম রাতের পরবাসে যারা আসে হঠাত্
ডাকাডাকি হাঁক...
বাবা মায়েরা তাদের বাচ্চাদের কতো ভালাবাসেন তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।আর বাবা মায়ের সবচেয়ে সেরা মুহুর্ত্ব হল তারা যখন তাদের বাচ্চাদের প্রথম বার দেখে,সেটা যে কতোটুকু সুন্দর তা...
©somewhere in net ltd.