| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দুটো অঝর বর্ষণে শ্রাবণ পেরিয়েছে
পেরিয়ে চলেছে
ঘুমন্ত রাত
দিগন্তে শুকতারা উঠে
বিদায় জানায় আজকের
চন্দ্রিমা ।
চাঁদের লুকোচুরি
রাতভর আদিগন্ত
বিরাজে
জালনার কপাট খোল
খুলে দাও নীলিমায়
ঘুর ঘুর করে এসে যাক
দুটো শ্রাবণ
একই সাথে
দেখি বেঘোর বর্ষণ ক্লান্ত
ক্লান্ত হয়ে ফিরে
ফিরে চলে...
বসন্ত এখন বহুদূরে সবে বর্ষা এলো বলে
দূর মেঘ কালবৈশাখী হন্তর্দন্ত পরিশেষ
পূর্ণিমারা জেগে থাকে তাই দীর্ঘ বসন্তে
বসন্ত অন্বেষে শ্রাবণ পেরোয় ধীর
স্থির অগ্রহায়নে উড়ে কেশ শুভ্রতা এই তল্লাটে
প্রত্যেহ বিরাজে শুভ্র মেঘ পালক
অন্তর্লীণ...
আমি দেখেছিলাম বার কয়েক
মৃত্যুমুখ, ফেনায় জেগে থাকা ব্যথিত মনের
হনন সুখ ।
ওহে আঁধিয়া আজ যদি পারো এসো এসো
বেদনার কল্পলতা ছুঁয়ে চলো যাই নিরবতায় ।
আত্নমগ্ন হীনতা
পৌঢ়জীবনের একাকীত্ব
নক্ষত্রের মাঝে তোমার প্রেম খুঁজে মরি
লাশের...
অতঃপর ভোর হয় দূরবর্তী কোন এক রাজলক্ষীর দুয়ার
ফেড়ে ও কারা চলে আসে ধীর স্থির উন্মনার জোয়ার
পথে পথে সম্বল রেখে দেখে যায় চিন্তাহীন আগলে রাখা
কষ্টরা এখন পাখা তুলতে জানে চিন্তার আকাশে...
আমার অবলোকন করা দূরের পাদলিপি যখন মুছে যেতে থাকলে
ত্রস্ততায় যখন অত্যুগ্র হতে থাকলে আমার বিসর্জনের পাদবাক্যে
তোমরা কারা হে , প্রাচীন তম গান বেঁকে বসলে নিল্পিপ্ততায়
জোছনা আসে চাঁদের হাট বসে দূরে
অপেক্ষারা...
একে একে চলে যায় যারা এসেছিল কোন কালে
ফের অবলোক চিতা হানো ওদিকে শীতের মৌসুম
পুড়ে যাচ্ছে অপেক্ষার যাঁতাকলে পড়ে পৌঢ় লাবণ্য
হেন আশাবাদী কুঞ্চণে এসো হে পড়ন্ত বৈকালে
নিস্তব্দতা নিরবতা নয় অথবা নীরবে...
আমি কি কেবলই দুঃখবোধ থেকে ধীরে ধীরে আস্তিনে ফিরেছি
এবং দীর্ঘ বাসনার প্রাক্কালে ডুব দিয়ে ফিরেছি চিরাচরিত অদ্ভুত
এবং অবলুপ্ততা কতটুকু পেয়ে বসলে আমি হারাতে থাকি অনবরত
চির চেনা থেকে চির অচেনার সাদা...
বৃষ্টিরা যখন নেমে আসে ঝুপ ঝুপ করে
আউলা বাতাসের রংচটা অভ্যর্থনায় দেখো
কেমন করে জোছনার প্রলাপ, অশেষ নম্রতায়
দূরের আবেশ, নিস্তব্দ অঙ্গীকারে ফিরে পাওয়া
বৈকাল্যের স্মৃতি-অমৃত,
অতঃপর করিডোর জুড়ে ফেলে আসা
তোমাদের জীর্ণ পরশ ছাড়ো...
এমনিই কী পৌষের ডাক
সহসা দূর থেকে অন্তিমের চিত্কারের মতো
শীর্ণ জলাঞ্জলিতে পূর্ণ করে ফেরে অলৌকিক রূপ
তব বিষণ্ন অধিকারে এখন কি শিশির জমে ?
পাতায় পাতায় ঘাসে ফুলে কুঞ্চিত রাতের শেষে
শুকতারা ,...
অতঃপর দেখতে দেখতে চলে গেলে দূরান্তের ঐতিহ্য
পড়ন্ত বৈকালের অসীম পবিত্রতা এবং প্রেম নির্বার
পরিশেষে -
সান্ধ্য প্রদীপ জ্বালো, এই সন্ধ্যা লগ্নে
কতবার জেনেছি পুজোর ডালা সাজিয়ে
নিঝুম রাতের পরবাসে যারা আসে হঠাত্
ডাকাডাকি হাঁক...
শেষ হলে শেষের আদ্যপান্ত সেরে
জলে নামো , স্নান সেরে দেখো কি লৌকিক
ঘোলা জলে ঋতুর ভ্রুক্ষেপ, পশ্চ্যাতের ঘোর
আদুরে ঊন্মেষ ছেড়ে কোথায় সেই
যাপিত দিনের খাঁ খাঁ রৌদ্দুর ছটা
উন্মত্ত বর্ষা রাতে টুপ...
আমার কিছুটা মেঘ ছিল , ঠিক জলের জন্য
উন্মোখ ছিল যতটা ফসলের খেত, উন্মেষ কাল
সেরে আমি তাকাই -
ওদের চোখ জুড়ে এখনো শুধু জলের তেজ
সম্ভ্রম ছেড়ে ঝরে পড়, মেঘ হে , কুয়াশা...
এতটাই কি চেয়ে থাকা হয় , বাত্সরিক উন্মনা হে
প্রাথমিক উন্মদনা শেষে বাত্সরিক ভোর হয়
এরপর দিন হয় , দিনের শেষে আঁধার ঘনায়
এবং যারা হারিয়ে যাবার তারা হারায় । নয়তো পালায় ।
একেকটি...
না , কিছুতেই শব্দ নয় , অনুস্বারের মতো বিচ্ছেদ
যখন লেপ্টে থাকে , অশুচির মতো করে , ফেরারি
বিবাদ মিটিয়ে ফেলো , নবাগতরা প্রলাপের মতো করে
বারুদের উস্কানীতে ফেরে, জন্মভূমি থেকে বহুদূর...
ভুখা ইতিহাস লুপ্ত হতে থাক
ভাবনার নকশাগুলো রঙীন হলে
ঠিক আমাদের কতকটা মিলন হয় ,
একাধিক জোছনার পর যখন মিইয়ে যায় শতাব্দী
জলের মতো বিস্তীর্ণ হয়ে পড়ে শূন্যতার অধিকার
অন্নপাপ আরো কত বত্সর ধরে...
©somewhere in net ltd.