| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
ঐ চাঁদ ওঠলেই- সিয়াম সাধনায়
হয়ে যাই রে মোমিন মুসলামান;
সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত যে সিহরি-
স্রষ্টার ভয়ে থাকি,গোপনে করি না
পানাহার- একেই বলে সিয়াম সাধন-
সূর্যের অস্তে আযান সুরে ইফতার;
তারপর রাতের সময়ে...
সেই গ্রামের আইল পাথারে
বেড়ে ওঠা আমি এক মানুষ;
কখনো হাল চাষ করা হয়নি
তবু মাটির গন্ধে যে ফাল্গুন!
স্মৃতির আকুতি কন্ঠের সুর
সবুজ শ্যামলা মাটির ঘান-
বয়ে যায় এক বিস্মৃতির নগর;
যেখানে...
ভালোবাসারা ঝরা পাতার মতো হলে
ঘৃণার জল ভেজা কাদা যুক্ত হয় হৃদয়ে !
তবু আকাশ মাটির কিছু যায় আসে না-
বিস্মৃতির হতে থাকে ভালোবাসার পিটে;
ঘৃণায় তখন চোখে আঁকে আগুনের ঢেউ
পুড়তে থাকে ইটভাটার মতো...
প্রণয়ের হাওয়া
রোদ পোড়া ছোলনা
এই যে আমাকে
পোড়া ইটভাটা ছাই
করে শুধু আমাকে।
রঙধনু আকাশে
বৃষ্টি ভিজা বাতাসে
কখনো বুঝে ওঠা হয়নি
যে তোমাকে
স্মৃতির কষ্ট চাপা গন্ধ পাই
এই আমাকে;
একাকী আধারে
জানতেও চাবে না
প্রণয় পোড়া দায় কে
উত্তর পাড়ায় শৈশব...
আমি যে যুদ্ধ দেখছি
নিজের সাথে নিজেই;
মৃত্যুর সাথে খেলা করছি
মাটির দুবলা ঘাসে ঘাসে
রক্তাক্ত দেহে আর্তনাদ-
বিশ্ব বিবেক মরে যাচ্ছে
এই যুদ্ধের কি লাভে লাভে
ধামবে না মৃত্যুর লাশে লাশে
আমি শুধুই যে যুদ্ধ করছি-
শঙ্খনীড় হেসে...
পাখিদের চোখ ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে
মনের কুটিরে সময় নাকি বৃদ্ধ ভাবছে;
তবু পাখিরা জানে বিদায় নিতে হবে-
এই সমস্ত ইমাম মাহদীর রাস্তা থেকে;
কিন্তু অফসোস পাপ পূণ্যের হিসাব
দেখলো না শুধু গান গাইয়েই গেলো
পাখির দল...
অপমান জীবনের পাড়ায় মহল্লায়
এক স্বজন চোখে মুখে নীরব হাসি
জলশুকনো মেঘ না আসতেই বজ্রপাত
তবু অপমানের রূপাকার নেই সমাহার
কখন আঁধার নেমে আসে বুঝে না
অপমানের অহমিকার চোখ ঠোঁট
পাড়ায় মহল্লায় একটা মমতার আচ
নিয়ে থাকে...
ক্ষমতার লোভে মীরজাফর সৃষ্টি
তাহলে কিসের মুখে বিদ্বেষ করি-
ভাবুন তো সব কিছু কি চিরস্থায়ী?
না - না, ক্ষণস্থায়ী এই জীবনযাত্রা মাত্র;
তবে কেন ভুলে যাই- জন্মের কথা-
ক্ষমতার লোভ শুনে না ধর্মের বিশ্বাসী
এভাবেই...
শ্বেত মর্মর প্রেম দেখাও
তোমার অভিনয় কিংবা
সুখের আদলে বেদনাময়!
এই তুমি প্রেম বলো কাকে,
বুঝলে? স্বার্থই যে ভয়ানক
প্রেম, বুঝলে- শ্বেত মর্মর;
নদীর জল ভাব বহু বছর-
অথচ নদের আদল বুঝ না
কোথায় রাখবে মাটির আদর?
এই তো...
লজ্জাই দাঁড়িয়ে থেকে তেল গাছ
তারপর শরম ভাঙ্গে পাতা ঝরাই-
বলে লজ্জার কিছু যায় আসে না;
লজ্জা আবার কি? পুরাতন স্মৃতির
গায়ে, দ্রোহের শরম আকাশে মুক্ত;
কি হিংসার চোখে ইসরাইল কিংবা
ট্রাম্প বাদ- তবু লজ্জার নাই...
একি চর্তুর পাশে সন্ত্রাস
মানুষ মারার কল্লা গ্রস-
কোন দিকে যাবে মানুষ
শেষ ঠিকানা আন্ডা পাস;
তবু কি বুঝে এ সন্ত্রাস?
সন্ত্রাস সন্ত্রাস সন্ত্রাস সন্ত্রাস
ক্ষমতায় করে কল্লা বাশ-
আর অগ্নি ছাই বার মাস;
এভাবেই চলছে পৃথিবী
শুধু মানুষ...
অন্তরটা অপবিত্র হয়ে যাচ্ছে-
যখন সন্ধ্যা কিংবা রাত নামে;
ভোরের শিশির কিছুটা যেনো
পবিত্রের গন্ধ আওয়াজ শুনায়
ঠিক দুপুর পর্যন্ত অথচ স্নান করে
মলমল করা সাবানে তবু পবিত্র,
কোথায়? মুখে ফেনা তুলে, ব্যাঙ
ডাকার মতো- তবু কি...
এই সমগ্র বাংলাদেশে- এখন
ইরি ধানে ধানে সবুজ ছুঁয়ে গেছে;
মাঠে মাঠে পাখিদের নব আনন্দে
হেসে ওঠছে লাল সবুজের প্রাণ;
ফসল পাকবে সমগ্র মাঠে মাঠে
সুখে সমৃদ্ধি হবে জীবন সংসারে
কৃষকের প্রত্যায়শা ভরে তুলবে
গোলা ভরা ধান...
©somewhere in net ltd.