| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওপারবাসী
নিজেকে চিনতে পারি নি আজও। সদা আমার আমিকে খুজে বেড়াই।
সামনে একটা টি টেবিল আছে। উপর টা গ্লাস দেয়া। একটা বই আছে সাথে একটা পেপার। আজকের পেপার কিনা জানি না। পাশে এক কাপ চা আছে টা সহ। আর আছে একটা খাম। হলুদ খাম। এই খাম গুলো ইদানিং খুব দুর্লভ হয়ে পড়েছে। হাতে একটা ফোন আছে। খুব শখে কেনা একটা ফোন। একটা স্মার্টফোন। খুব মায়া জমে গেছে এই ফোনের উপর। আমার এই এক দোষ। কোন কিছু আমার কাছে কিছু দিন থাকলে তার উপর খুব মায়া পড়ে যায়। বড় জটিল মায়া। কিছুতেই এই মায়া কাটাতে পারি না। এইতো আমার আগের ফোন টা ছিল একটা আনস্মার্ট ফোন। তাও সেই ফোনই আমার ভাল লাগত। অনেক কষ্টে সেই মায়া দুরে ঠেলে শখের বশে আর এই স্মার্ট দুনিয়ার সাথে তাল মেলাতে গিয়ে এই ফোন কিনে ছিলাম। যাই হোক সেই গ্লাস দেওয়া টি টেবিলের সামনের ছোফায় বসে আছি। চায়ে ধোয়া উড়ছে। ফোন টা হাতে নিয়ে এপাশ ওপাশ করছি। ইতোমধ্যে মনের ভিতর একটি ইচ্ছার উদয় হয়েছে। ইচ্চাটা এরকম যে উঠে দাড়াই। হাতের ফোনটা সজোরে ওই গ্লাস ওয়ালা টি টেবিলের উপর আছাড় দেই। আর টেবিলের ওপাশে মাথা নিচু করে মুচকি হাসি দেওয়া মেয়েটার গাল লাল করে একটা চড় মারি। আর খামটা মেয়ের মায়ের মুখের উপর ছুড়ে মারি। তার পর হন হন করে বাসা থেকে বের হয়ে যাই। ও হ্যা বের হওয়ার আগে একটা প্রশ্ন করা দরকার। এই দুর্লব হলুদ খাম সে কোথায় পেল। এটা জানা দরকার। কিন্তু এই সবই মনের ইচ্ছা মাত্র। এর কিছুই করা যাবে না। খামের মধ্যে এক মাসের টিউশনির টাকা আছে। টাকার পরিমান ভালই। এই ভদ্র ও সভ্যতার প্রতীক হলুদ খাম খানা ছুড়ে না মারলেও না নিয়ে চলে আসা যেত। কিন্তু তাও সম্ভব হচ্ছে না। খামের ভেতরের টাকা টা আমার খুব প্রয়োজন। তাই নিতে হবে। কিন্তু ভাবতেছি মা মেয়ে দুজন কেই খুব করে কড়া কথা শুনিয়ে টাকা টা নিয়ে বের হয়ে যাব। এখন চিন্তার বিষয় হল আমি তো কড়া কথা বলতে পারি না।
লেখাটা অসমাপ্ত। ইহা অলস মস্তিস্কের ভাবনা।
বানানের ভুল হতে পারে। ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
©somewhere in net ltd.