| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দানবিক রাক্ষস
অন্ধদের রাজ্যতে এক চোখা মানুষটি রাজা এবং আমি সেই রাজা। না ঈশ্বর, না পিশাচ—আমি তৃতীয় বিশ্বাস।
আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।
শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার নাম আঁকড়ে
সমস্ত ঋতুর কাছে ঋণগ্রস্ত হয়ে আছি।
অবিরল বৃষ্টির নিচে দাঁড়ালে
কান্নার স্বতন্ত্র কোনো পরিচয় থাকে না।
এইটুকু গোপনীয়তার জন্য
কত সন্ধ্যা ভিজেছি—
তুমি বলেছিলে, “ভালোবাসি।”
সেই ক্ষীণ স্বীকারোক্তির মধ্যে
আমি আশ্রয় খুঁজেছিলাম;
এখন নিজের দগ্ধাবশেষে হাত রাখি।
যেখানে বিশ্বাস ছিল, সেখানে মিহি ভস্ম;
যেখানে তোমাকে ডাকার আকাঙ্ক্ষা,
সেখানে এখনও সামান্য উত্তাপ।
বিস্ময় লাগে—
এত বিনাশের পরও মানুষ
কী যত্নে একটি সম্বোধন বাঁচিয়ে রাখে।
সেদিন পাশাপাশি হেঁটেছিলাম নিশীথের দিকে।
তোমার হাত ছিল এত কাছে,
অথচ স্পর্শের অধিকার
ক্রমে নির্বাসিত হচ্ছিল।
বিদায় উচ্চারণ করিনি—
শব্দটি বললেই পথ ফুরিয়ে যাবে ভেবে
অকারণে হাঁটার গতি কমিয়েছিলাম,
আর হাতের মুঠোয় জমে উঠেছিল নিশীথের হিম।
সেই শূন্য মুঠো আজও খুলিনি;
ভয় হয়—
শেষ উষ্ণতাটুকুও ঝরে গেলে
তোমাকে সমাহিত করব কোথায় ?
২|
২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:৪০
সন্ধ্যা রাতের ঝিঁঝিঁ বলেছেন: বাহ, কবিতা ভালো লেগেছে। শেষের দুই লাইন চমৎকার হয়েছে।
৩|
২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫০
রাজীব নুর বলেছেন: সহজ সরল সুন্দর কবিতা।
৪|
২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৫
খায়রুল আহসান বলেছেন: অতি চমৎকার একটি কবিতা। + +
ব্লগে সাধারণতঃ এত সুন্দর কবিতা আসে না, আজকাল তো মোটেই না।
"শরতের বৃক্ষে্রা পত্রমোচনের ভাষা জানে" - হুম্ম!
"আমি কেবল তোমার নাম আঁকড়ে সমস্ত ঋতুর কাছে ঋণগ্রস্ত হয়ে আছি" খুব সুন্দর, সংক্রামক একটি অনুভব।
"এইটুকু গোপনীয়তার জন্য কত সন্ধ্যা ভিজেছি" - শুধু এইটুকু কথায় তেমন কোন নতুনত্ব, কোন বিস্ময়, কোন চমক বা কোন স্বকীয় অনুভব নেই; কিন্তু ঠিক এর উপরের দুটো লাইনের সাথে মিলিয়ে পড়লে 'অবিরল বৃষ্টি'র মতই আবেগের ফল্গুধারা ক্রমশঃ প্রবাহিত হতে থাকে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
আঁধারের চাদরে যখন ঢাকবে এ রাত,
নিভে যাবে চেনা সব আলোর ইশারা
তখন কি খুঁজে পাবো তোমার সে হাত,
নাকি আমি হবো একাকী, দিশাহারা?