নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এ জগত বড়ই হাস্যকর।

মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য আমি কিছু লেখি না.......যা লেখি তা নিজের মনোরঞ্জনের জন্য......

বদের হাড্ডি ইক্সান

শিশির ভেজা মন আমার, আগুণ রাঙা দেহ।সরল চোখের ভুল সবার, চিনো নাকি কেহ ?

বদের হাড্ডি ইক্সান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভালোবাসার গুটি পর্ব

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:২৫

১৯৯৩ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশিদের জন্য অভিনব একটি দিন ছিল। কারণ এই দিনটিতেই এই দেশে প্রথম ভালোবাসা দিবস পালিত হয়। আর যার কল্যাণে এই ভালবাসা দিবস তিনি হচ্ছেন আমাদের সবার প্রিয় 'লাল গোলাপ সাংবাদিক' শাফিক রেহমান।
৬ বছর লন্ডনে কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি উপলব্ধি করলেন এই দেশের মানুষের মনে নাকি ঘৃণার পরিমাণ অনেক বেশি,তাদের জন্য তাই একটি দিন রাখা উচিৎ যাতে এ দেশের মানুষের মধ্যে ধীরে ধীরে হলেও প্রেম জাগ্রত হয়।
'যায়যায় দিনের' এই সম্পাদক পূর্বেই প্রিন্ট মিডিয়ার একজন আলোচিত ব্যক্তি ছিলেন। তাই দিবসটি প্রচারণার জন্য তিনি পত্রিকাকেই বেছে নিলেন। 'মৌচাকে ঢিল' নামের একটি সাময়িকী সম্পাদনা শুরু করলেন শুধুমাত্র এই ভালবাসা দিবস উপলক্ষে। অনেকটা মুফতে তা বিলি করলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। কারণ প্রেমের বাঁশির সুর তারুণ্যেই সুমধুর।
কিন্তু অবশ্যই পথটা সুমধুর ছিল না। কারণ তখনকার সুশীল সমাজেও মুরুব্বি গোছের মাতাব্বরের অভাব ছিল না। থাক ইতিহাস আর না টানি।
___
পরের অংশটুকুর নাম- 'গুটি পর্ব' এবং তা প্রেমিক-প্রেমিকাদের না পড়লেও চলবে।
__
৯১ সালে যখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসেন তখন তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা হারায়। তো বিলেত ফেরত শাফিক রেহমান এক ঢিলে দুই পাখি মেরে বসতে চায়লেন। তিনি বিলেতে থাকতে দেখিছিলেন এক 'ভ্যালেনটাইন্স দিবসেই' কোটি টাকার ব্যবসা হয়। আর এদেশের মানুষের মাঝে প্রেম বিষয়টি তখন ঘরের ভিতরেই সীমাবদ্ধ ছিল অর্থাৎ ছাদের উপরে কিংবা ব্যালকনি পর্যন্তই। এদের কে যদি শুধু ঘরের বাইরে আনা যায় তাহলেই কোটি টাকার ব্যবসা। একই সাথে তা করতেও পারলেও তরুন সমাজের কাছে অবশ্যই জনপ্রিয়তার বৃদ্ধি ঘটবে। এবং তাদেরকে নানা পথে হাঁটিয়ে নির্বাচনের দরজায় পৌঁছে দিতে পারলেই কেল্লা ফতে !
তাই ৯৬ এর নির্বাচনে ব্যর্থ হলেও ২০০১-এ পুনরায় ক্ষমতা লাভ করে বিএনপি। আর এর পিছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল শাফিক রেহমানের তরুণ ভোটার।
আর এখন ভালোবাসা ডালপালা মেলে,বাইরে ঘুরে দিন শেষে সেই ঘরেই ফিরে এসেছে। কিন্তু তবুও বোস পাড়ার ভীতু অঞ্জনদের তিনিই করেছেন অবদমিত। হোক না তা কোন রাজনৈতিক চাল কিংবা ব্যবসার প্রয়োজনে

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৪

ওয়্যারউলফ বলেছেন: শফিক রেহমানের যায় যায় দিন সম্ভবত তখন একটি সাপ্তাহিক ম্যগাজিন ছিল।তখনকার তুমুল জনপ্রিয় এই ম্যগাজিনটির মাধ্যমেই এই ভালবাসা দিবসটির আজকের এই তুমুল জনপ্রিয় রূপ ।তবে বাংলাদেশের এই ভ্যালেইনটানের কখনও কোন রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক অভিলাষ ছিল বলে মনে হয় নি ।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০৪

বদের হাড্ডি ইক্সান বলেছেন: আপনার মনটা অনেক সরল। গুটি পর্ব বাদ দিন,ভালোবাসায় মন দিন। ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.