নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অপ্রিয়বক্তা।

অন্তর্জাল পরিব্রাজক

অসাধারণ নই, সাধারণ এক মানুষ।

অন্তর্জাল পরিব্রাজক › বিস্তারিত পোস্টঃ

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ঘটে যাওয়া ন্যাক্কারজনক এ ঘটনা শুধু যে দেশের রাজনীতিকে কলঙ্কিত করেছিলো তাই নয়, এ ঘটনা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতির মোড়। এই ঘটনায় যে সে সময়কার জোট সরকারের হাওয়া ভবনের সংশ্লিষ্টতা ছিল, তারেক রহমান এন্ড গং এর সংশ্লিষ্টতা যে ছিল, খোদ প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সবকিছু সম্পর্কে অবগত ছিলেন, আর তার সূত্র ধরে সেই কুখ্যাত জজ মিয়া নাটক, কোনও কিছুই আর ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায়নি।
কথা হচ্ছে এই যে একটা এতো বড় ঘটনা ২০০৪ সালে ঘটে গেছিলো, এর ফলে দেশের রাজনীতি কতোটা বদলে গেছিলো সেটা ভুলে যাওয়ার মতো কোনও ব্যাপার নয়। বিএনপি আজ পর্যন্ত যতোগুলো ব্লান্ডার করেছে তার মধ্যে এইটা পয়লা কাতারে থাকবে। এই ঘটনার ফলে বিএনপি আর আওয়ামী লীগের সাথে শত্রুতা চরম পর্যায়ে উপনীত হয়ে দেশের রাজনীতি এক প্রকার ভারসাম্যহীনতার দিকে চলে গিয়েছে। আওয়ামী লীগ এর ফলে বিএনপি আর জামায়াতের ওপরে যে পরিমাণে হার্ড লাইনে চলে গিয়েছিলো এতোটা হার্ড লাইনে এরা আর কখনো যায় নি। মাঝখান থেকে সাফার করেছে দেশের সাধারণ মানুষ আর দেশের রাজনীতি-অর্থনীতি। এই ঘটনাটি না ঘটলে আওয়ামী লীগ কখনো বিএনপির ওপর এতোটা বেশী প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠত না।
একই সাথে আরেকটি দিক ভুলে গেলে চলবে না। যদিও সেই ঘটনার সাথে এর ঠিক সেরকম কোনও যোগসূত্র নেই কিন্তু ঐ ঘটনাটি যেমন আরেক দিক দিয়ে বিএনপির আরেকটি ব্লান্ডার তেমনি ঐ ঘটনাটি আওয়ামী লীগ আর ভারতের সম্পর্ককে নতুনভাবে যেমন আরও বেশী ঘনিষ্ঠ পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলো তেমনি সেটা অন্যদিক দিয়ে জন্ম দিয়েছিলো পরবর্তী আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের।
সেই ঘটনাটি হল ১০ ট্রাক অস্ত্র ।
এই যে দুটি ঘটনা , এই দুটি ঘটনা আপাতদৃষ্টিতে পরস্পর বিচ্ছিন্ন মনে হলেও এই দুটি ঘটনার রাজনৈতিক তাৎপর্য কিন্তু গভীর। আজ এ ব্যাপারটি অনেকটাই পরিস্কার যে সেই দশ ট্রাক অস্ত্র এদেশে ঢুকেছিল ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাতে চলে যাওয়ার জন্যই। এদেশে ব্যবহারের জন্য নয়। এই অস্ত্র যদি ভারতে চলে যেতো তাহলে ভারতের সেভেন সিস্টার্সে চলমান পরিস্থিতি কিন্তু ভারতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারতো। আজ এটা অনেকটাই পরিস্কার যে সে সময় বিডিআর এর হর্তাকর্তা-বিধাতারা উলফা নেতা পরেশ রাওয়াল আর অনুপ চেটিয়াকে রীতিমতো নিজেদের দায়িত্বে নিরাপত্তা দিয়ে দেশের ভেতরে আশ্রয় দিয়েছিলো। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে এদের গ্রেফতার করে ভারতের হাতে তুলে দিয়ে ভারতকে রীতিমতো “অপ্রত্যাশিত” উপহার দেয়।
এই যে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং দশ ট্রাক অস্ত্র এই দুইটি ঘটনার জেরে একদিকে যেমন আওয়ামী লীগ বিএনপি-জামায়াতের ওপর চূড়ান্ত প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠে তেমনি দশ ট্রাক অস্ত্র ধরা খাওয়ার পর ভারত এদেশের ওপর খুব কঠোর নিয়ন্ত্রণ নিতে একেবারে মরিয়া হয়ে ওঠে। এই দুটি পরস্পর বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভারত আর আওয়ামী লীগকে এক হয়ে এদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে আরও বেশী বেপরোয়া হয়ে উঠতে সাহায্য করেছিলো। কারণ উভয়ই বিএনপি-জামায়াত গংদের তাদের কমন এনিমি হিসেবে ঠাউরাতে শুরু করে এবং ব্যাপারটা শেষ পর্যন্ত জন্ম দেয় আওয়ামী লীগের দীর্ঘমেয়াদী এক ফ্যাসিবাদী শাসনের এবং সেই সাথে এদেশের ওপর ভারতের নানা রকমের চূড়ান্ত অন্যায় আর অন্যায্য নিয়ন্ত্রণ আরোপের। কেমন ছিল সেই ফ্যাসিবাদী শাসন সেটা নতুন করে আর না হয় নাই বললাম, কারণ এক দলকানারা বাদে সবাই সেটা জানে।
এই গোটাটাই একদিকে যেমন সম্ভব হয়েছিলো তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ভয়াবহ অপরিণামদর্শী রাজনীতির কারণে তেমনি এই দুটি ঘটনা ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন করে নতুন মাত্রায় তিক্ততার দিকেই ঠেলে দেয়ার সূচনা করেছিলো, যার রেশ আজও ভালোভাবেই চলমান।
এটাও বলা বাহুল্য যে এসবের ফলে সবচেয়ে বেশী সাফার করেছে কিন্তু সেই বিএনপিই । আওয়ামী লীগের আমলে লাগাতারভাবে বিএনপি নেতাদের নানা প্রকার মামলা, এমনকি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা খাওয়া থেকে শুরু করে গুম-খুন আর নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে নিদারুণভাবে। বলা চলে ক্ষমতা পেয়ে বিএনপির ওপর আচ্ছাসে বেপরোয়াভাবে প্রতিহিংসা মিটিয়েছে আওয়ামী লীগ, বাদ যায়নি জামায়াতও। আর এসব করতে গিয়ে একদিকে আওয়ামী লীগ যেমন তার ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের গণতন্ত্রের বারোটা বাজিয়েছে তেমনি রাজনৈতিক পরিবেশকে ভীষণভাবে অস্থিতিশীল করেছে। ২১শে আগস্টের ঘটনাটি না ঘটলে হয়তো এদিক দিয়ে পরিস্থিতি এতোটা খারাপের দিকে যেতো না।
একই সাথে আরেকটি ব্যাপার না বললেও হবে না। এগুলো হচ্ছে এদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর গণবিরোধী রাজনীতির নমুনা। দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের মধ্যকার রাজনৈতিক হানাহানি, প্রতিহিংসা আর বিদেশী রাষ্ট্রের আনুগত্য লাভ করে দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে এদেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্ট করার দিকে ঠেলে দেয়াই হচ্ছে এদেশের মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলোর বৈশিষ্ট্য। সাধারণ মানুষ আর দেশের স্বার্থ ভীষণ রকমের অসহায় এই বিষাক্ত রাজনীতির কাছে।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫১

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে ২১শে আগস্ট এক কলঙ্ক জনক অধ্যায়।

২| ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ২১শে আগস্টের ঘটনাটি না ঘটলে হয়তো এদিক দিয়ে পরিস্থিতি
এতোটা খারাপের দিকে যেতো না।

.....................................................................................
সত্য কথা , রাজনীতিতে প্রতিহিংসা করলে দেশ কখনো
সঠিক পথে চলতে পারবেনা ।
সেজন্য অবশ্যই সব দল বসে রাজনৈতিক আচরন ঠিক করা অতি আবশ্যক ।

৩| ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:৫৪

বক্সমেইল বলেছেন: ১৯৪৮ সালে কার্জন হলে এক ভাষণে জিন্নাহ বলেছেন - "উর্দু, একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।" সবাই "না, না" করে চিৎকার করে উঠেছিল।

কাটপিস এতোটুকু প্রচার করা হয়। ভাষণের বাকি অংশ গোপন রাখা হয়। বক্তৃতার পরের অংশে জিন্নাহ বলেছেন-

Whether bengali shall be the official language is a matter of the elected representative of the people of this province to decide.

অর্থাৎ, বাংলা ভাষা অফিশিয়াল ভাষা হবে কিনা, তা বাংলার মানুষ এবং বাংলার জনপ্রতিনিধিরা মিলে ঠিক করবে।

এখানে ছাত্রদের পক্ষ থেকে কোন "না, না" বলে চিৎকার প্রতিবাদ আওয়াজ নাই, শুধু হাত তালির আওয়াজ। ইউটিউবে সম্পূর্ণ বক্তৃতা আপলোড করা আছে। Jinnah speech in Dhaka লিখে সার্চ দিলেই সম্পূর্ণ বক্তৃতা পাওয়া যাবে। পুরো ইতিহাস কাটপিস করে টুইস্ট করে ফেলা হয়েছে।

পাকিস্তানীরা নাকি জোর করে বাঙালীদের ওপর উর্দু চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। ওরা নাকি আমাদের মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়।

হাস্যকর অভিযোগ।
পশ্চিম পাকিস্তানে বাস করে পাঞ্জাবী, পশতুন, সিন্ধি, বেলুচি জাতিগোষ্ঠী। তাদের মাতৃভাষা যথাক্রমে পাঞ্জাবী, পশতুন, সিন্ধি, বেলুচি ভাষা। উর্দু তো পশ্চিমের কারও মাতৃভাষা নয়। এমনকি জিন্নাহর নিজের মাতৃভাষাও উর্দু নয়, গুজরাটি। তো যে ভাষা তাদের নিজেদের ভাষা নয়, সেটা কি করে অন্যের ওপর চাপাবে? তারা নিজেরাই তো উর্দুতে কথা বলতে পারে না।

আর মুখের ভাষা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ তো আরও হাস্যকর। ভারতের অফিশিয়াল ভাষা হিন্দি + ইংলিশ। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীরা কি সবাই হিন্দিতে কথা বলতে বাধ্য হয়েছে? পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীদের মুখের ভাষা কি কেড়ে নেওয়া হয়েছে? না, তাদের কোন সমস্যা হয় নি। মধ্যযুগে ৭০০ বছর ধরে, মুসলিম শাসন আমলে, সম্পূর্ণ অখন্ড বাংলার দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি। তখন কি বাঙালিদের মুখের ভাষা কেড়ে নেয়া হয়েছিল? বাঙালীরা কি ফারসিতে কথা বলতে বাধ্য হয়েছিল? না, তেমন কিচ্ছু হয় নি। মুখের ভাষা কেউ কারোটা কেড়ে নিতে পারে না৷

১৯৪৮ সালের ৬ এপ্রিল, পূর্ব পাকিস্তানের অফিসিয়াল ভাষা বাংলা হিসেবে আইন পাস করেন খাজা নাজিমুদ্দিন পরিষদ। তখন থেকে পূর্ব পাকিস্তানের প্রত্যেকটা স্কুলের প্রত্যেকটা বিষয় বাংলা ভাষায় লিখা হতো। বাংলা, অংক, ইতিহাস, ভূগোল, পৌরনীতি, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, ব্যবসা বাণিজ্য, ইসলামিয়াত ইত্যাদি সব বই বাংলা ভাষায় লিখিত ছিলো। কলেজে বাংলা মিডিয়াম ও ইংলিশ মিডিয়াম ছিলো। অফিস আদালতে ইংরেজি ও বাংলা ভাষা চালু ছিলো। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভারতে তখনও বাংলা ভাষাকে caste scheduled language হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় নি। অর্থাৎ, পৃথিবীর বুকে পাকিস্তান রাষ্ট্রেই সর্বপ্রথম বাংলা ভাষা দাপ্তরিক মর্যাদা পায়। অথচ প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে - ওরা নাকি আমাদের মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়


প্রশ্ন:
স্টেট ল্যাংগুয়েজ উর্দু হবে কেন? উর্দু তো মাত্র 4% লোকের মাতৃভাষা। সংখ্যাগরিষ্ঠ 56% জনগণ বাংলায় কথা বলে। মেজোরিটির ভাষাকে বাদ দিয়ে মাইনোরিটির ভাষাকে স্টেট ল্যাংগুয়েজ করার কারণ কি?


উত্তর:-
পাকিস্তান ছিল ফেডারেল স্টেট। এই ফেডারেশনের স্টেটগুলো নিজ নিজ সংসদে ভোটাভুটির মাধ্যমে পাকিস্তানে যুক্ত হয়। এখন এক প্রদেশের ভাষা আরেক প্রদেশ মেনে নিবে কেন? সুতরাং, স্টেট ল্যাঙ্গুয়েজ এমন হওয়া উচিত, যা কোন স্টেটের ভাষা নয়। উর্দু এবং ইংরেজি ঐ শর্ত পূরণ করে।

বর্তমান পাকিস্তানের মেজোরিটি মানুষের মাতৃভাষা পাঞ্জাবি। পাঞ্জাবিকে বাদ দিয়ে উর্দু ভাষা কেন স্টেট ল্যাংগুয়েজ হল? কারণ রাষ্ট্রভাষা নির্ধারণ কেবলমাত্র শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে হয় না। এটি নির্ধারণে আরো কিছু প্যারামিটার বিবেচিত হয়। যেমন জাতিসমূহের মাঝে সহজে যোগাযোগ করার ক্ষমতা, ঐতিহাসিক ভিত্তি ইত্যাদি। ঠিক এই কারণে পৃথিবীর লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বা সংযোগকারী ভাষা হচ্ছে ইংলিশ, যদিও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মানুষ চাইনিজ মান্দারিন ভাষায় কথা বলে।

পাকিস্তানে সেসময় ৫ টি প্রদেশ ছিল। সিন্ধু, পাঞ্জাব, খাইবার পাখতুনখাওয়া, বেলুচিস্তান আর বাংলা। সিন্ধিরা বেলুচ ভাষা বোঝে না। বেলুচিরা বাংলা বোঝে না। বাংগালীরা পাঞ্জাবী বোঝে না। পাঞ্জাবিরা সিন্ধি বোঝে না। এক জাতির ভাষা অন্য জাতির কাছে দুর্বোধ্য। বাংলাকে স্টেট ল্যাংগুয়েজ বানালে পাকিস্তানের বাকি অর্ধেক জনগোষ্ঠী কাজকর্ম করতে পারতো না। পুরো পাকিস্তানকে একটা কমন ভাষার আন্ডারে ইউনাইটেড রাখার প্রয়োজন ছিল। জিন্নাহর চোখে সেই কানেক্টিং ল্যাংগুয়েজ ছিল উর্দু।

ভারতেও একই অবস্থা। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালী তামিলনাড়ুতে গিয়ে বাংলায় কথা বললে কেউ বুঝবে না। আবার, তামিলনাড়ুর লোক বাংলায় এসে তামিল ভাষায় কথা বললে কেউ কিছু বুঝবে না। কিন্তু তারা উভয়েই হিন্দি বোঝে অল্প অল্প। এই কারণে ভারতে হিন্দিকে দাপ্তরিক ভাষা বানানো হয়েছে। এটা আফগানিস্তান থেকে আরাকান পর্যন্ত বসবাসকারী ভারতবর্ষের সকল মানুষকে কানেক্ট করতে পারে।

কাজী নজরুল ইসলাম, শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান সবাই উর্দুতে ভিন্ন ভাষাভাষী জাতির লোকদের সাথে যোগাযোগ করতেন। বর্তমানেও মিডল ইস্ট আরবে অবস্থানরত লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিক হিন্দি/উর্দুতে কথা বলে তাদের সহকর্মী ভারতীয়/ পাকিস্তানী সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন। এমন কৃত্রিম ভাষার উদাহরণ পৃথিবীতে বিরল। এজন্য ১৮৩৭ সালে বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উর্দুকে "এডমিনিস্ট্রেটিভ লিঙ্গুয়া ফ্রাংকা" হিসেবে ঘোষণা করে। জিন্নাহ এসে তো নতুন কোন ভাষা চাপিয়ে দেন নি।

জিন্নাহ কোন প্রাদেশিক নেতা নন। তৎকালীন পাকিস্তানে বসবাসকারী সব জাতির সুবিধা অসুবিধা মাথায় রেখে তিনি উর্দুর পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। কারণ এটা বৃটিশ আমলে ভারতীয় মুসলমানদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা ছিল। হাদিস, ফিকহ, ইসলামী সাহিত্য এবং কবিতার একটি বড় অংশ উর্দুতে রচিত হয়েছে। জিন্নাহ তাই উর্দুকে শুধু ভাষা নয়, মুসলিম পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে দেখেছিলেন। তার ভাবনা ছিল এই ভাষার আরবি বর্ণমালা মুসলিম উম্মাহকে ইউনাইটেড করবে। স্পষ্টতই, তার এই সিদ্ধান্তের পিছনে কোন ব্যক্তি স্বার্থ ছিল না। কোন একটা বিশেষ সম্প্রদায়কে বিশেষ সুবিধা দেয়ার কু-মতলব ছিল না। কিন্তু বাঙালী জাতীয়তাবাদীরা তাঁর কাটপিস বক্তব্যকে বিকৃত করে প্রোপাগান্ডা চালায়।

৪| ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:১২

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন:

সুনির্দিষ্ট একটি দলের ওপর ১৫ ই আগষ্ট ১৯৭৫ এ ঘটা ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতা আজও চলমান।

/১৫ আগস্ট ১৯৭৫:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে সামরিক অভ্যুত্থানে হত্যা করা হয়।
/২০০৪ সালের ৭ মে:
টঙ্গীর নোয়াগাঁও উচ্চবিদ্যালয় মাঠ (স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাবেশ)। সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন আহসানউল্লাহ মাস্টার (সংসদ সদস্য) এবং ওমর ফারুক রতন (শিক্ষার্থী)।
/২১ আগস্ট ২০০৪:
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ দলের ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত ও অনেকে আহত হন।
/২৭ জানুয়ারি ২০০৫:
বৈদ্যের বাজার, হবিগঞ্জ সদর। স্থানীয় আওয়ামী লীগের জনসভা শেষে গাড়িতে ওঠার সময় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। নিহত হন শাহ এ এম এস কিবরিয়া, তাঁর ভাতিজা শাহ মঞ্জুরুল হুদা এবং স্থানীয় নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী

এদেশের ইসলামের ধজ্জ্বাধারী ধর্মান্ধরা সেই সব খারেজীদের মতো যারা হযরত ওমর (রাঃ), ওসমান (রাঃ), আলী (রাঃ) দের হত্যা করেছিলো। ইসলাম বেচে, ধর্মপ্রান মানুষকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করাই এসব ধর্মাশ্রয়ী পরজীবিদের কাজ। এরা দাবি করে যে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে এরা অন্যদের চেয়েসুনির্দিষ্ট একটি দলের ওপর ১৫ ই আগষ্ট ১৯৭৫ এ ঘটা ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতা আজও চলমান।

/১৫ আগস্ট ১৯৭৫:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে সামরিক অভ্যুত্থানে হত্যা করা হয়।
/২০০৪ সালের ৭ মে:
টঙ্গীর নোয়াগাঁও উচ্চবিদ্যালয় মাঠ (স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাবেশ)। সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন আহসানউল্লাহ মাস্টার (সংসদ সদস্য) এবং ওমর ফারুক রতন (শিক্ষার্থী)।
/২১ আগস্ট ২০০৪:
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ দলের ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত ও অনেকে আহত হন।
/২৭ জানুয়ারি ২০০৫:
বৈদ্যের বাজার, হবিগঞ্জ সদর। স্থানীয় আওয়ামী লীগের জনসভা শেষে গাড়িতে ওঠার সময় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। নিহত হন শাহ এ এম এস কিবরিয়া, তাঁর ভাতিজা শাহ মঞ্জুরুল হুদা এবং স্থানীয় নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী

এদেশের ইসলামের ধজ্জ্বাধারী ধর্মান্ধরা সেই সব খারেজীদের মতো যারা হযরত ওমর (রাঃ), ওসমান (রাঃ), আলী (রাঃ) দের হত্যা করেছিলো। ইসলাম বেচে, ধর্মপ্রান মানুষকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করাই এসব ধর্মাশ্রয়ী পরজীবিদের কাজ। এরা দাবি করে যে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে এরা অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে, কিন্তু প্রতিপক্ষকে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে পরাজিত না করে, তাকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে হত্যা করাকে সাফল্যের সাথে বাস্তবে রূপ দেয়। অনেক এগিয়ে, কিন্তু প্রতিপক্ষকে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে পরাজিত না করে, তাকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে হত্যা করাকে সাফল্যের সাথে বাস্তবে রূপ দেয়।

৫| ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন:

সুনির্দিষ্ট একটি দলের ওপর ১৫ ই আগষ্ট ১৯৭৫ এ ঘটা ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতা আজও চলমান।

/১৫ আগস্ট ১৯৭৫:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে সামরিক অভ্যুত্থানে হত্যা করা হয়।
/২০০৪ সালের ৭ মে:
টঙ্গীর নোয়াগাঁও উচ্চবিদ্যালয় মাঠ (স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাবেশ)। সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন আহসানউল্লাহ মাস্টার (সংসদ সদস্য) এবং ওমর ফারুক রতন (শিক্ষার্থী)।
/২১ আগস্ট ২০০৪:
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ দলের ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত ও অনেকে আহত হন।
/২৭ জানুয়ারি ২০০৫:
বৈদ্যের বাজার, হবিগঞ্জ সদর। স্থানীয় আওয়ামী লীগের জনসভা শেষে গাড়িতে ওঠার সময় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। নিহত হন শাহ এ এম এস কিবরিয়া, তাঁর ভাতিজা শাহ মঞ্জুরুল হুদা এবং স্থানীয় নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী

এদেশের ইসলামের ধজ্জ্বাধারী ধর্মান্ধরা সেই সব খারেজীদের মতো যারা হযরত ওমর (রাঃ), ওসমান (রাঃ), আলী (রাঃ) দের হত্যা করেছিলো। ইসলাম বেচে, ধর্মপ্রান মানুষকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করাই এসব ধর্মাশ্রয়ী পরজীবিদের কাজ। এরা দাবি করে যে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে এরা অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে, কিন্তু প্রতিপক্ষকে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে পরাজিত না করে, তাকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে হত্যা করাকে সাফল্যের সাথে বাস্তবে রূপ দেয়। অনেক এগিয়ে, কিন্তু প্রতিপক্ষকে বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে পরাজিত না করে, তাকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে হত্যা করাকে সাফল্যের সাথে বাস্তবে রূপ দেয়।

৬| ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @বক্সমেইলঃ
চোর চুরি করলে তার সব দায়ভার কি চোরের নাকি সেই সাথে গৃহস্থের অসতর্কতাও দায়ী?

যে ভারতের সাথে পাকিস্তানের ইতোমধ্যে দুটো বড় যুদ্ধ হয়ে গেছে সেই ভারত তার দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ (অথবা ষড়যন্ত্র) নিবে, এটাই স্বাভাবিক। বিষয়টি এরকম না পাকিস্তান ছিলো অলি আউলিয়া, খুব সজ্জন শান্তিপ্রিয় প্রতিবেশী কিন্তু বিনা উস্কানিতে ভারত ষড়যন্ত্র করে তাকে খণ্ড বিখণ্ড করে ফেলেছে।

২৪ বছরে পশ্চিম পাকিস্তানের ব্রাহ্মণ শ্রেণীর মুসলমানরা তথা অবাঙ্গালী উর্দুভাষী পাঞ্জাবীদের বাঙ্গালীদের প্রতি আচরণের খতিয়ান নিম্নরূপ:

/ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈষম্য
/শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য
/রাজনৈতিক বৈষম্য
/অর্থনৈতিক বৈষম্য
/সামরিক বৈষম্য
/অবকাঠামো উন্নয়ন বৈষম্য
/মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বৈষম্য
/৭০ এ উপকূল এলাকায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানির পরও যথাযথ ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা না করা
/৭০ এর নির্বাচনে জেতার পরও লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করা

এসবও কি ভারতের ষড়যন্ত্র ছিলো?

পাকিস্তান একের পর এক তার ঘরের সদর দরজা সহ সব দরজা জানালা মূল ফটক খুলে রাখবে আর সুযোগের অপেক্ষায় থাকা ভারত সুখনিদ্রায় ডুবে থাকবে এমনটা ভাবা কি ঠিক?

পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকেরা অপদার্থ ও অদূরদর্শী ছিলো। সুতরাং অন্ধের মতো ওদের পদাঙ্ক অনুসরণ করা খুব গর্বের কিছু না।

এইসব জামায়াতি রাজাকাররা নিজেদের অতি বুদ্ধিমান ভাবলেও এর মানে এই না যে জনগণ তার ঘটে কিছু বুদ্ধি রাখে না। তারা খুব ইনসাফের কথা বলে কিন্তু একইসাথে তারা পশ্চিম পাকিস্তানের অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী মুসলিম শাসকদের ২৪ বছর ব্যাপী বেইনসাফি ধামা চাপা দেয়ার জন্য ভারতীয় ষড়যন্ত্রের একতরফা বয়ান দেয়।

এজন্যই গত ৮৫ বছর ধরে জামায়াতি রাজাকারদের জনগণ লাল কার্ড দেখিয়ে আসছে, তা সে পশ্চিমের হোক অথবা পূর্বের।
চোর চুরি করলে তার সব দায়ভার কি চোরের নাকি সেই সাথে গৃহস্থের অসতর্কতাও দায়ী?

যে ভারতের সাথে পাকিস্তানের ইতোমধ্যে দুটো বড় যুদ্ধ হয়ে গেছে সেই ভারত তার দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ (অথবা ষড়যন্ত্র) নিবে, এটাই স্বাভাবিক। বিষয়টি এরকম না পাকিস্তান ছিলো অলি আউলিয়া, খুব সজ্জন শান্তিপ্রিয় প্রতিবেশী কিন্তু বিনা উস্কানিতে ভারত ষড়যন্ত্র করে তাকে খণ্ড বিখণ্ড করে ফেলেছে।

২৪ বছরে পশ্চিম পাকিস্তানের ব্রাহ্মণ শ্রেণীর মুসলমানরা তথা অবাঙ্গালী উর্দুভাষী পাঞ্জাবীদের বাঙ্গালীদের প্রতি আচরণের খতিয়ান নিম্নরূপ:

/ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈষম্য
/শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য
/রাজনৈতিক বৈষম্য
/অর্থনৈতিক বৈষম্য
/সামরিক বৈষম্য
/অবকাঠামো উন্নয়ন বৈষম্য
/মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বৈষম্য
/৭০ এ উপকূল এলাকায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানির পরও যথাযথ ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা না করা
/৭০ এর নির্বাচনে জেতার পরও লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করা

এসবও কি ভারতের ষড়যন্ত্র ছিলো?

পাকিস্তান একের পর এক তার ঘরের সদর দরজা সহ সব দরজা জানালা মূল ফটক খুলে রাখবে আর সুযোগের অপেক্ষায় থাকা ভারত সুখনিদ্রায় ডুবে থাকবে এমনটা ভাবা কি ঠিক?

পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকেরা অপদার্থ ও অদূরদর্শী ছিলো। সুতরাং অন্ধের মতো ওদের পদাঙ্ক অনুসরণ করা খুব গর্বের কিছু না।

এইসব জামায়াতি রাজাকাররা নিজেদের অতি বুদ্ধিমান ভাবলেও এর মানে এই না যে জনগণ তার ঘটে কিছু বুদ্ধি রাখে না। তারা খুব ইনসাফের কথা বলে কিন্তু একইসাথে তারা পশ্চিম পাকিস্তানের অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী মুসলিম শাসকদের ২৪ বছর ব্যাপী বেইনসাফি ধামা চাপা দেয়ার জন্য ভারতীয় ষড়যন্ত্রের একতরফা বয়ান দেয়।

এজন্যই গত ৮৫ বছর ধরে জামায়াতি রাজাকারদের জনগণ লাল কার্ড দেখিয়ে আসছে, তা সে পশ্চিমের হোক অথবা পূর্বের।

৭| ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২২

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: এতে একটা লাভ হয়েছে। যুদ্ধপরাধীদের বিচার করার ইচ্ছা লীগের আরও দৃঢ় হয়েছে। এদের সাথে আগে যা রাজনৈতিক সমঝোতা করেছিলো তা ভুল হয়েছিলো তা মেনে নিয়ে ভবিষ্যতে সেই ভুল আর করবে না সেই ব্যাপারে লীগ হয়েছিলো দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

আল্লাহর কি লীলা! এত ষড়যন্ত্র ও ন্যাক্কারজনক ঘটনার পরও হাসিনা বেচে গেলেন ঠিকই কিন্তু ৭১ এর যুদ্ধপরাধীদের আয়ু গেলো কমে…।

৮| ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা করা হয়।
বিএনপি এই কাজ করেছে। তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি। শেখ হাসিনা বেঁচে গেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.