| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা মুসলমানই থাকে। তাদের পাঞ্জাবী জাতিসত্তার পরিচয় তার মুসলিম পরিচয়ের সাথে কখনই সাংর্ঘষিক হয় না। আর বাঙ্গালী সংস্কৃতি মানতে গেলেই মোল্লাদের চোখে বাঙ্গালীর মুসলমানিত্ব বলে আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না, সে হয়ে যায় মা/লাউন।
বাংলা সংস্লিষ্ট যাবতীয় বিষয় নিয়ে এলার্জিতে ভোগা জীবগুলোর এ এক অদ্ভুত মনস্তত্ত্ব। পেট থেকে পরে মায়ের ভাষা হিসেবে এই জীব গুলোর কথা ফোটে বাংলায় ঠিকই, কিন্তু সে বড় হয় বাংলা ও বাংলা জাতি সত্তার প্রতি সু-তীব্র ঘৃনা নিয়ে। আচ্ছা সে কি জীবনভর শত চেষ্টা করেও কখনও আরব হতে পারবে কিংবা নিদেন পক্ষে পাকিস্তানি পাঞ্জাবী?
পরিপূর্ন মুসলমান হতে হলে আরব বা পাঞ্জাবী জাতির সংস্কৃতি মনে প্রানে ধারন করা "ফরজে আইন" ............এমনতর বিধান কোরআন বা হাদিসের কোথায় আছে?
নোটঃ
বিদায়ী ভাষণ দিয়ে বলেন, (৯) ‘হে জনগণ! নিশ্চয় তোমাদের পালনকর্তা মাত্র একজন। তোমাদের পিতাও মাত্র একজন। (১০) মনে রেখ! আরবের জন্য অনারবের উপর, অনারবের জন্য আরবের উপর, লালের জন্য কালোর উপর এবং কালোর জন্য লালের উপর কোনরূপ প্রাধান্য নেই আল্লাহভীরুতা ব্যতীত’। (১১) নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট সর্বাধিক সম্মানিত সেই ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক আল্লাহভীরু। তিনি বলেন, (১২) আমি কি তোমাদের নিকট পৌঁছে দিলাম? লোকেরা বলল, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, অতএব উপস্থিতগণ যেন অনুপস্থিতদের নিকট পৌঁছে দেয়’।
বিদায় হজ্ব
২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: "৯২% মুসলমানের দেশে"- আমাদের মুসলিম পুরুষরা...
/নারীকে ধর্ষণ করে।
/নারীর দিকে নোংরা দৃষ্টিতে তাকায়।
/রাস্তাঘাটে নারীদের উত্তক্ত (টিজ) করে।
/গণপরিবহনে শারীরিকভাবে নারীদের হেনস্থা করে।
/কর্মক্ষেত্রে যৌন নিপীড়ন করে।
/কর্মক্ষেত্রে লাইন ম্যানেজার হিসেবে অধঃস্তন নারী কর্মীকে যৌনতার (কর্মক্ষেত্রের যোগ্যতাকে পাশ কাটিয়ে) বিনিময়ে সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে।
/প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্ককে শারীরিক সম্পর্কের দিকে নিয়ে যেতে নারীর প্রতি চাপ প্রয়োগ করে।
/শারীরিক সম্পর্কে যাওয়ার পরে নারীদের ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপটিভ (উচ্চ মাত্রার এসব পিল ভবিষ্যতে গর্ভধারণে জটিলতা সৃষ্টি করে) পিল খেতে বাধ্য করে।
/তারপর যদি পুরুষ একবার টের পায় নারী গর্ভধারণ করে ফেলেছে, সে খুব অবলীলায় বিকারহীনভাবে ঐ গর্ভধারণকারী নারীকে পরিত্যাগ করে।
/সম্পত্তি ও জমি জমা ভাগের সময় ঠিকই নারীদের বঞ্চিত করে।
৯২% মুসলমানের দেশের মুসলিম পুরুষর এভাবেই নারীর সম্মান রক্ষা করে আর আশা করে যে কেবল মাত্র নেকাব পরিয়ে বস্তাবন্দি করলেই মুসলিম নারীর সম্মান রক্ষার কাজ হয়ে গেলো।
মোটা দাগে,
মুসলমান আসলে আদৌ মুসলমান না বা মুসলিম আদর্শ ধারন করে না বলেই সে বাঙ্গালী হতে পারছে না।
মুসলিম হিসেবে আদর্শ ধারন করতে না পারার কারনেই তারা তাদের ভুখন্ডও কিন্তু ধরে রাখতে পারেনি।
মুসলমান কেন বাঙালি হতে পারছে না? এমনটি বলার আগে এটাও নিশ্চিত হওয়া জরুরী যা আমরা মুসলমান হতে পেরেছি কিনা?
২|
২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাঙ্গালী সংস্কৃতি মানতে গেলেই মোল্লাদের চোখে বাঙ্গালীর মুসলমানিত্ব বলে
আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না, সে হয়ে যায় মা/লাউন।
........................................................................................................
যখন ইসলাম প্রচার হয় বা নাজিল হয় তখন বাঙালী ছিলনা ।
আমাদের পূর্ব পুরুষ এই সমতট ভূমিতে চাষাবাদ ও সমাজ গঠন করে
অনেক পরে । তখন আর্য ও অনার্যরা এই ভূমিতে বিচরন করত ।
সুতরাং আমাদের যে ইতিহাস তাতে সংস্কৃত ভাষা ধরে রাখা উচিৎ ছিল
কিন্ত তা না করে বিভিন্ন ধাপে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার জন্ম ।
সেই সুযোগ টাই নেয় আরব, পান্জাব বা ইরানী জাতিসত্তার মানুষেরা ।
৩|
২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫১
নতুন বলেছেন: দেশের বেকারত্ব অভাব দেশের আরবী সংস্কৃিতির প্রতি এতো বেশি টানের অন্যতম কারন।
বাংলাদেশে কত মানুষ ধর্মীয় শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত?
সরকারি ও সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী:
কওমি মাদ্রাসা: প্রায় ২৫,০০০
শিক্ষার্থী: প্রায় ৭০ লাখ (৭ মিলিয়ন)
এছাড়া:
ইবতেদায়ি (সংযুক্ত) মাদ্রাসা: প্রায় ৯,২৯৫, শিক্ষার্থী প্রায় ১৫ লাখ
স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা: প্রায় ৭,৫২৮, শিক্ষার্থী প্রায় ১০ লাখ
এগুলোর বাইরে রয়েছে:
আলিয়া মাদ্রাসা
প্রায় লক্ষাধিক মসজিদ
হাজার হাজার মাজার
ওয়াক্ফ সম্পত্তি
ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত প্রতিষ্ঠান
হাজার হাজার ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব, ওয়ায়েজ
অর্থাৎ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা এই খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত।
তাই কোটি মানুষের যখন এই ইন্দ্রাস্টি দরকার তাই এখানে বাংলার চেয়ে আরবী সংস্কৃিতিরই চাষাবাদ বেশি হবে।
৪|
২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪৫
আলআমিন১২৩ বলেছেন: অর্থ না বুঝিয়ে কোরান শরিফ মুখস্ত করানো মোল্লাদের একটা রমরমে ব্যাবসা। এটি একধরনের ইসলাম ধর্মের সাথে জঘন্য প্রতারনা। কতগুলু অল্পশিক্ষিত লম্বা পোলাপানকে শিক্ষক বানিয়ে এব্যাবসা দিন দিন বাড়ছে
৫|
২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৫৮
ধীবধির বলেছেন: যথার্থ লিখেছেন। আমার আজকার কিছু লিখতেও ভয় করে। কেন জানিনা!!!!!
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভুল শিরোনাম । মুসলমান কেন বাঙালি হতে পারছে না এমন হলে সঠিক হতো ।