| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
এই দেশে বিপ্লব করা খুবই কঠিন । কিন্তু বিপ্লব করার পর শান্তিতে থাকা আরোও কঠিন। কারণ রাষ্ট্র বিপ্লবীদের কদর বোঝে না। তাই আমরা আজকে দাবি জানাতে এসেছি : জুলাই যোদ্ধাদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে এখনই; নিঃশর্তে।
প্রথমত, ফতুল্লার এনসিপি নেতা ইয়াসিন আরাফাতের কথা বলা দরকার। এই সাহসী মানুষটা নির্বাচনের পর পরই ফুটপাতে নেমে পড়েছেন। না, ঘুরতে না। তিনি জনসেবা করছেন। ফুটপাতের দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলছেন, তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন, কিছু আর্থিক সহযোগিতাও চাইছেন -এটাকে কিছু ঈর্ষাপরায়ণ মানুষ চাঁদাবাজি বলছে। অথচ এই লোক জুলাইতে রাস্তায় ছিল। রাস্তায় থাকলে মানুষ একটু রাস্তার হক পায় না? সেই হক বুঝে নিতে গেলে দলেরই সংগঠক বাধা দিতে আসে, এটা কি ঠিক? তার উপর আবার মারামারিতে জড়িয়ে পড়লে দোষটা কার? স্পষ্টতই রাষ্ট্রের। কারণ রাষ্ট্র এই বিপ্লবীকে এখনো যথাযোগ্য সম্মানী দেয়নি।
দ্বিতীয়ত, বগুড়ার মিজানুর রহমান সাগরের বিষয়টা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা। এত বড় একজন মানুষ একদিন একটু ভুল করে ফেললেন - কোনো এক ব্যবসায়ীর কাছে মাত্র দুই লাখ টাকা চাইলেন, সে না দিলে একটু মারধর করলেন, বিকাশ থেকে ২৮ হাজার আর নগদ ২২ হাজার নিলেন। পঞ্চাশ হাজার টাকার জন্য পুরো একজন বিপ্লবীকে জেলে পুরে দেওয়া হলো! অথচ আওয়ামী লীগ আমলে কোটি কোটি টাকা লুট হয়েছে, সেগুলোর বিচার কোথায় ? মিজান সাগর জুলাইয়ে ছিলেন। জুলাইয়ে থাকলে পঞ্চাশ হাজার টাকা কি মাফ করা যায় না? আমরা দাবি জানাচ্ছি, তাকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে এবং যে ব্যবসায়ী মামলা করেছেন, তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সতর্ক করতে হবে।
তৃতীয়ত, আমাদের প্রিয় মাহদী হাসানের কথা না বললেই না। এই বীর মানুষটা থানার সামনে দাঁড়িয়ে খুনি এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে জ্বালিয়ে দেওয়ার গল্প নিজে মুখে বলেছিলেন। এটা বীরত্ব। তখন সবাই হাততালি দিয়েছিল। তারপর তাকে গ্রেপ্তার করা হলো, ছাড়া পেলেন। এরপর তিনি পর্তুগালের ভিসার জন্য দিল্লি গেলেন - সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সফর, সঙ্গে মাত্র ৪০ লাখ টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি, যেটা আবার তিনি নিজেই গুজব বলেছেন, সুতরাং সেটা নিয়ে আর কথা বলা ঠিক না।
দিল্লিতে গিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দারা তাঁকে চিনে ফেলল, নজরে রাখল, এক পর্যায়ে দেশে ফিরতে বাধ্য করল। এটা কি হয়রানি না ? একজন বিদেশে গেলে সেখানকার সরকার তাকে শান্তিতে থাকতে দেবে না, এটা কোন ধরনের সভ্যতা? তাই আমাদের দাবি : মাহদীকে ভিআইপি লাল পাসপোর্ট দিতে হবে। তিনি যেখানে যেতে চান, রাষ্ট্রীয় খরচে পাঠাতে হবে। ভারতে তাঁর সাথে যা হয়েছে, তার প্রতিবাদে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাও করতে হবে। বিপ্লবীকে অপমান করা মানে বিপ্লবকে অপমান করা।
তারেক রহমানের প্রতি আমাদের একটি বিনীত আবেদন আছে। তিনি এখন দেশে ফিরেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। জুলাই যোদ্ধারা তাদের বিপ্লবের ফল এখনো পাননি। তারেক রহমান যদি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক মানুষ হন, তাহলে এই যোদ্ধাদের গ্রেপ্তার করা উচিত হবে না।
এখানে একটা ব্যাপার বিশেষভাবে বলা দরকার। কারাগারে এখন আওয়ামী লীগের শত শত নেতাকর্মী আছেন। তাদের মনের অবস্থা কী, সেটা ভাবুন একটু। দলীয় সরকারের আমলে যারা হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন, ক্ষমতার সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করেছেন, তারা এখন ছোট সেলে গাদাগাদি করে বসে আছেন। এই মানুষগুলোর কাছে যদি আমাদের জুলাই যোদ্ধাদের পাঠানো হয়, তাহলে কী হবে সেটা ভাবতেই বুক কাঁপে। জুলাই যোদ্ধারা ফ্যাসিস্ট তাড়িয়েছে — আর সেই ফ্যাসিস্টদের সাথে একই ছাদের নিচে রাখা হবে? এটা কি মানবাধিকার লঙ্ঘন না?
তাই তারেক রহমানের কাছে আমাদের পরিষ্কার দাবি - জুলাই যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে চাকরি দিন। একেকজনকে একেকটা মন্ত্রণালয় দিয়ে দিন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী বানিয়ে দিন, বেতন দিন, গাড়ি দিন। এতে অন্তত ফুটপাতের দোকানদাররা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারবে। না হলে অন্তত সমঝোতার বৈধ টেন্ডার দিন, থানায় জানিয়ে রাখুন যেন পুলিশ বাধা না দেয়। বিপ্লবীদের উপার্জনের পথ বন্ধ করা রাষ্ট্রের কাজ না।
এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী নেতারা প্রতিদিন বিএনপিকে চাঁদাবাজ বলেন। এটা তাদের নৈতিক দায়িত্ব, কারণ তারা নৈতিকতার ধ্বজাধারী। কিন্তু নিজেদের লোকেরা যখন ফুটপাতে, বাজারে, রোলিং মিলে কাজ করে, সেটা চাঁদাবাজি না - সেটা জুলাইয়ের লভ্যাংশ সংগ্রহ। দুটো জিনিস এক না। বোঝার চেষ্টা করুন। আব্দুল্লাহ আল আমিন সারাদিন বিএনপিকে চাঁদাবাজ বলে গলা ভাঙেন, সেটা তাঁর রাজনৈতিক অধিকার। তাঁর দলের কর্মীরা পাশের ফুটপাতে যা করছে সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় -সেটা হলো তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রম। এই দুটোকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না।
সবশেষে বলতে চাই, এই দেশের মানুষ অকৃতজ্ঞ। রাস্তায় নামলে, স্লোগান দিলে, থানায় বসে বীরত্বের গল্প বললে মানুষ ভালোবাসে। কিন্তু সেই বীরত্বের পুরস্কার হিসেবে একটু ফুটপাত, একটু বাজার, একটু বিকাশ ট্রানজেকশন চাইলেই সবাই চাঁদাবাজ বলে চেঁচায়। মাহদী হাসান বিদেশে যেতে চান - এটা কি অপরাধ? পকেটে কিছু ক্রিপ্টো থাকলে কি মানুষ আর বিপ্লবী থাকে না? বিপ্লব কি শুধু গরিবদের জন্য?
এই হয়রানি বন্ধ হোক। জুলাই যোদ্ধারা মুক্তভাবে বাঁচুক। বাংলাদেশ তাদের ঋণ শোধ করুক — নগদে, না হয় ক্রিপ্টোতে। আর যদি তা না পারেন, তাহলে অন্তত কারাগারে না পাঠান। কারণ কারাগারে যাওয়া বিপ্লবীদের কাজ না - কারাগার খালি করা বিপ্লবীদের কাজ। সেই কাজ তারা করেছে। এখন পুরস্কার চাওয়াটা কি খুব বেশি?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তারা শেখ হাসিনা কে সরিয়েছে ; উহাদের সাত খুন মাফ ।
২|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: উহাদের সাত খুন মাফ ।
...............................................................
কোন আইনে আছে কি ???
বয়ান করুন !
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৪৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বিপ্লবীদের রক্ষা করা নৈতিক দায়িত্ব আপনার -আমার।
৩|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪০
অর্ক বলেছেন: এদের যে আরও কি হবে অদূর ভবিষ্যতেই...! কি আগুন নিয়ে এরা খেলেছে, জানে না। কখন কোন দিক দিয়ে প্রলয় উঠবে, সে প্রলয় কি রকম এদের ধারণা নেই। শেখ হাসিনা যে কি, এদের কোনও ধারণা নেই। সাময়িক কোমলমতি কিশোর তরুণদের বিভ্রান্ত করে, ডিপ স্টেটের পেট্রো ডলারের জোরে সফল হয়েছে ষড়যন্ত্র। কিন্তু চূড়ান্ত পরিণাম ভয়াবহ। নোট করে রাখেন আমার কথা। ধন্যবাদ।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৪৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এরা বিপ্লবী ! বিপ্লবীরা কোনোদিন পরাজিত দের ভয় করে না। তবে রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের প্রতি আরো সদয় আচরণ করার কথা। কারণ উহাদের উছিলায় ক্ষমতায় এসেছে তারা।
৪|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৯
ডার্ক ম্যান বলেছেন: জুলাই যোদ্ধা নামে ভন্ডদের লটকানো হোক। কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আবার কোটা কেন।
৭৫ এর খুনী নটীর পোলাদের মত এদের কেউ কেউ ফাঁসিতে ঝুলবে
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এগুলো ফ্যাসিবাদী ভাবনা চিন্তা। আগে চাচা আপন প্রাণ বাচান।
৫|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৩
ক্লোন রাফা বলেছেন: বিপ্লব কাহাকে বলে⁉️⁉️মুরগি চোর , গরু চোর, মাছ চোর , ছাগল চোর , সবজি চোর এমনকি মায়ের বয়সী নারীদের অন্তর্বাস পর্যন্ত চুরি করেছে এরাই ‼️ ২০২৪শে আমি কোনো বিপ্লবী দেখিনি। তবে চোর, ডাকাত, খুনি, ধর্ষক , সন্ত্রাসী,জঙ্গি আর কুৎসিত মানসিকতার বিকৃত কিছু পশু দেখেছি।
যারা নিজেদের কে এক একজন বিড়াল বিপ্লবী মনে করে আত্মতৃপ্ত। শয়তানের তান্ডব দেখেছি বিগত ১৮ মাস যাবত।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এরা বেশিরভাগই এক্স আওয়ামী লীগ কর্মী। কিছু খারাপ অভ্যাস এদের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে কিন্তু রাষ্ট্রের নিকট এরা জুলাই বিপ্লবী। আপনারা নিজের কৃতকর্মের জন্য তওবা করুন।
৬|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৩৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: জুলাই যোদ্ধাদের পচিয়ে মজা নেন! আপনাকে ধিক্কার!!
লেখক বলেছেন: এরা বেশিরভাগই এক্স আওয়ামী লীগ কর্মী।
লীগের লোকেরা একটু আমোদ নিতে চাইলো, সেটাও দিলেন না!! আপনাকে আবারো ধিক্কার!! ![]()
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কোথায় পচালাম ? তারেক রহমানের কাছে উহাদের সিকিউরিটি চাইলাম ।
৭|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৩৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কি আর করা জুলাই বিপ্লবীরা খাইতেছে ধরা
এমন হয়ত এন্ড্রো কিশোর থাকলে গান গাইত
কি যাদু করিলা আন্দোলন শিখাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে প্রান সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে।
কি মন্ত্র পড়াইলা আন্দোলনে মজাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে প্রান সজনী ।
যাহোক নতুন সরকার বলেছে এখন থেকে
দেশে আইনের শাসন দারুন ভাবে চলিবে
যার যা প্রাপ্য সমজোতায় তা পাইবে ।
দেখুন, ভাবুন, আর লিখতে থাকুন
দেশে পরিবর্তনের ছোয়া লাগবেই ।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জুলাই যোদধা দের কে সরকারি ভাবে কাজ, টাকা , বাড়ি সব দেয়া উচিত । শেখ হাসিনা কে তারা ফু দিয়ে সরিয়ে দিয়েছে ।
৮|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৭
রাজীব নুর বলেছেন: জুলাই যোদ্ধা আবার কি?
জুলাইতে হারামজাদারা জামাতের মদতে দেশ ও জাতির সাথে অন্যায় করেছে। এখন এদের বিচার হওয়া উচিৎ।
জুলাই মাসে কোনো আন্দোলন হয়নি। যা হয়েছে সেটা প্রতারনা।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি আবার কোন হুজুর ? শেখ হাসিনা যে গণহারে সবাইকে রাজাকার বলেছেন তখন আপনি কোথায় ছিলেন ? জুলাই মাসে আনদোলন না হলে ৫০ বিলিয়ন রেমিটেনস আসতো না দেড় বছরে ।
৯|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০০
মাথা পাগলা বলেছেন: অনেক দিন তো হলো আমিরের উচিত প্রকাশ্যে এদের দত্তক নিয়ে নেয়া। তবে এই মাসে জামাতের শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে পূজা দেয়াটা সবচেয়ে বেশি আশ্চর্যজনক ঘটনা ছিলো!
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এদের কে সরকারি ভাবে সহায়তা করতে হবে ; জামায়াতের আমির বিরোধি দলে আছেন।
১০|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৭
রাসেল বলেছেন: জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তবে তাদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকা গ্রহণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আইনকে তার স্বাভাবিক ও ন্যায়সঙ্গত গতিতে চলতে দিতে হবে; অন্যথায় ৭১-এর মতো এই বিষয়টিও ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
উল্লেখিত ভারত সরকারের আচরণ যদি সত্য হয়ে থাকে, তবে আমাদের স্পষ্টভাবে বোঝা উচিত তারা বাংলাদেশকে কোন দৃষ্টিতে দেখে। কিন্তু দালালরা এটিকে সুনজর হিসেবেই ব্যাখ্যা করতে চাইবে।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার সাথে একমত!
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই যোদ্ধাদের গ্রেপ্তার করা উচিত হবে না।
...........................................................................
নূতন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন , আইন মেনে যা কিছু হবে,
সেভাবে চলতে হবে । অতএব, সে যদি আইন ভঙ্গ করে
কিছু করে থাকে, তাহলে দ্বায় তো নিতে হবে ।