নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

চুপ - একদম চুপ

১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



আমরা শুধু চুপ থাকবো -
আমাদের কথা বলার মুখ নেই
আমাদের দেখার মতো চোখ নেই
আমাদের শোনার মতো কান নেই
মনে হয়, মনে হয় -
আমাদের হাত-পাও নেই।

আমাদের বিবেক নেই
আমাদের চিন্তা-চেতনাও নেই
আমরা বোবা, বধির, অন্ধ -
আমরা শুধু চুপ থাকবো, শুধুই চুপ, একদম চুপ।।





মন্তব্য ১১ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: চুপ থাকার খেসারত দিলেও চুপ থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ ।

১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি নিজে যদি ব্লগে আর একটি পোস্টও না করেন। ব্লগের যেমন কিছু আসবে যাবে না। আপনারও কিছু আসবে যাবে না। কিন্তু ব্লগ যদি আপনাকে ব্যান করে রাখে আপনার সমস্যা হবে। যা চাঁদগাজীর উপর দিয়ে যাচ্ছে।

২| ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৪২

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,




আমাদের আসলে কিছুই নেই। আছে সূর্য্যগ্রহনের কালো অন্ধকার...........

১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৫৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমি জানতাম দেশে সূর্যগ্রহণ লেগে যাবে, মনে হয় এই সূর্যগ্রহণ থেকে দেশ আর কখনও বের হতে পারবে না।

৩| ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




দারুন লিখেছেন । তবে এটা পাঠে বাকরূদ্ধ হতে পারলাম না বরং নিরবধা ভেঙ্গে অনেক কথাই কবিতাটি নিয়ে
বলার ইচ্ছা জেগেছে । কবিতাটির প্রতি সন্মান দিয়ে কথা বলবনা মুখ বন্ধ করে রাখব তবে জানিনা কলম আমার
কোথায় গিয়ে থামবে ।

প্রথমেই বলি কবিতাটিতে ফুটে উঠেছে নিরাবতার এক অসাধারণ দর্শন: ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র ও সভ্যতার বিবেকের প্রতি।
আমরা শুধু চুপ থাকবো এই একটি বাক্যকে কেন্দ্র করে কবিতাটি প্রথমে যেন অসহায় মানুষের আত্মপরিচয় নির্মাণ করে,
কিন্তু গভীরে গেলে এটি কেবল নীরবতার কবিতা নয়; এটি মানুষের বাক্‌স্বাধীনতা, বিবেক, প্রত্যক্ষদর্শিতা, প্রতিবাদ,
ক্ষমতা, দায়িত্ব এবং আত্মসমর্পণের দর্শন। কবিতায় মুখ নেই, চোখ নেই, কান নেই, হাত-পা নেই, বিবেক নেই,
চিন্তা-চেতনাও নেই এই ধারাবাহিক অস্বীকৃতিগুলো আসলে একজন মানুষের শারীরিক অক্ষমতার চেয়ে অনেক বড়
এক অস্তিত্বগত সংকটকে নির্দেশ করে। শেষ পর্যন্ত মানুষ বেঁচে থাকে, কিন্তু তার মানবিক সত্তাগুলো একে একে
নিস্তেজ হয়ে যায়।

ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বুঝা যায় ব্যক্তিমানুষের জীবনে নীরবতার দুটি বিপরীত অর্থ আছে। একদিকে
নীরবতা আত্মসংযম, ধ্যান, আত্মপর্যালোচনা ও প্রজ্ঞার লক্ষণ হতে পারে; অন্যদিকে অন্যায় দেখেও নীরব থাকা
হতে পারে ভয়, পরাজয় কিংবা আত্মবিসর্জনের লক্ষণ। কবিতার নীরবতা দ্বিতীয় অর্থটির দিকে বেশি ঝুঁকে আছে।

আমাদের কথা বলার মুখ নেই এখানে মুখ না থাকা শুধু বাকশক্তির অভাব নয়; নিজের সত্য উচ্চারণের সাহস
হারিয়ে ফেলার প্রতীক। আমাদের দেখার মতো চোখ নেই, এবং শোনার মতো কান নেই বলতে বোঝায় মানুষ
বাস্তবতা দেখেও না-দেখার, সত্য শুনেও না-শোনার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ফলে বাহ্যিকভাবে সে মানুষ,
কিন্তু তার নৈতিক ও চেতনাগত অস্তিত্ব ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত।এখানে একটি গভীর অস্তিত্ববাদী প্রশ্ন উঠে আসে:
আমি যদি সত্য দেখি, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান না নিই, তবে আমি কি সত্যিই সেই সত্যের সাক্ষী?

সামাজিক দৃষ্টিকোণ হতে দেখলে বুঝা যায় সমাজে অন্যায় শুধু অত্যাচারীর কারণে টিকে থাকে না; অনেক সময় নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠের কারণেও টিকে থাকে। একজন অন্যায় করে, আর অনেকে তা দেখে চুপ থাকে এই নীরবতা ধীরে ধীরে
অন্যায়কে সামাজিক স্বীকৃতি দেয়।কবিতার বোকা, বধির, অন্ধ পরিচয় তাই একটি বৃহত্তর সামাজিক আত্মসমালোচনা।
এখানে মানুষ বোকা জন্মায়নি; বরং এমন এক সামাজিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে প্রশ্ন করা বিপজ্জনক, সত্য বলা অসুবিধাজনক, প্রতিবাদ করা ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে নিরাপদ নীরবতা ধীরে ধীরে নৈতিক কাপুরুষতায় পরিণত হয়।
অতএব কবিতাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় একটি সমাজের নৈতিক স্বাস্থ্য বিচার করতে শুধু তার আইন বা
প্রতিষ্ঠান দেখলেই হয় না; অন্যায়ের সময় তার সাধারণ মানুষ কতটা কথা বলে, সেটিও দেখতে হয়।

রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বুঝা যায় রাজনৈতিক অর্থে কবিতাটি সবচেয়ে তীব্র। আমরা শুধু চুপ থাকবো
এটি একদিকে নিপীড়িত জনগণের অসহায়তার প্রতীক, অন্যদিকে এমন রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি যেখানে নাগরিকের
মুখ আছে, কিন্তু স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার নেই; চোখ আছে, কিন্তু সত্য দেখার স্বাধীনতা নেই; কান আছে,
কিন্তু সত্য শোনার নিরাপত্তা নেই।আরও ভয়াবহ হলো, শেষ পর্যন্ত কবিতার মানুষ নিজেকেই ঘোষণা করছে
আমাদের বিবেক নেই, চিন্তা-চেতনাও নেই। অর্থাৎ রাজনৈতিক নিপীড়নের চূড়ান্ত সাফল্য তখনই ঘটে, যখন
শাসিত মানুষকে আর জোর করে চুপ করাতে হয় না; সে নিজেই নিজের মুখ বন্ধ করে রাখে।
এখানে ক্ষমতার একটি মৌলিক দর্শন প্রকাশ পায়: ক্ষমতা শুধু মানুষের মুখ বন্ধ করে না; দীর্ঘদিনের ভয় ও
অভ্যাসের মাধ্যমে মানুষকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, যেখানে সে নিজের মুখ নিজেই বন্ধ করে।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ বলা যায় অর্থনৈতিক বৈষম্যও মানুষের নীরবতার একটি বড় কারণ। যার জীবিকা অনিশ্চিত,
চাকরি হারানোর ভয় আছে, ঋণের বোঝা আছে, সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ আছে তার পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে
দাঁড়ানো অনেক কঠিন। এই বিষয়টি অবলম্বন করে লেখা একটি গল্প গতকাল আমার ব্লগে প্রকা প্রকাশ করেছি ।
আর আজ এই চুপ থাকা নিয়েই আপনার লেখা এই কবিতাটি দেখতে পেয়ে অভিভুত হযেছি ।
অর্থনৈতিক ক্ষমতা যখন রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন দুর্বল মানুষের মুখ থাকলেও
তার কথা বলার কার্যকর সামর্থ্য থাকে না। সে অন্যায় দেখতে পায়, কিন্তু প্রতিবাদ করলে তার জীবিকা বিপন্ন
হতে পারে। ফলে অর্থনৈতিক নির্ভরতা অনেক সময় রাজনৈতিক নীরবতা তৈরি করে।
এই অর্থে কবিতার হাত-পা নেই কথাটি অর্থনৈতিক অসহায়তারও রূপক হতে পারে মানুষ কাজ করতে চায়,
পরিবর্তন আনতে চায়, কিন্তু কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে রাখে।

ধর্মনৈতিক ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ দৃষ্টিকোণ হতেও দেখা যায় নৈতিক দর্শনের কেন্দ্রীয় প্রশ্ন হলো সত্য জেনেও যদি
আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু না করি, তবে আমার দায়িত্ব কি শেষ হয়ে যায়?কবিতার বিবেক নেই উচ্চারণটি
তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিবেক মানুষের ভেতরের সেই বিচারক, যে ভালো-মন্দের পার্থক্য অনুভব করায়।
কবিতায় সেই বিবেকের অনুপস্থিতি আসলে মানবিকতার চূড়ান্ত সংকট।
ধর্মনৈতিক দৃষ্টিতে নীরবতা কখনো মহৎ অহংকার, ক্রোধ, অশ্লীলতা বা অনর্থক বাক্য থেকে বিরত থাকা একটি গুণ।
কিন্তু সত্য গোপন করার জন্য নীরবতা নৈতিক গুণ নয়। অন্যায়ের সামনে নীরবতা যদি অন্যায়কে শক্তিশালী করে,
তবে সেই নীরবতা নিজেই নৈতিক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়।অর্থাৎ সব নীরবতা পবিত্র নয়; কিছু নীরবতা ধ্যানের, আর
কিছু নীরবতা অপরাধের সহযাত্রী।

কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ হতে দেখলে বলা যায় কূটনীতিতে নীরবতা একটি শক্তিশালী ভাষা। অনেক সময় রাষ্ট্র সরাসরি
কিছু না বলে নীরবতার মাধ্যমে আপত্তি, অসন্তোষ, সতর্কতা কিংবা কৌশল প্রকাশ করে। তাই কূটনৈতিক নীরবতা
সবসময় দুর্বলতার লক্ষণ নয়। কিন্তু কবিতার নীরবতা সেই কৌশলগত নীরবতা নয়। এখানে নীরবতা যেন আত্ম
রক্ষার এমন এক পর্যায়, যেখানে সত্য উচ্চারণের ক্ষমতাই বিলীন। কূটনীতিতে নীরবতা যদি সংঘাত এড়ায়, তা
প্রজ্ঞা হতে পারে; কিন্তু অন্যায়কে আড়াল করতে নীরবতা ব্যবহৃত হলে তা নৈতিক সংকট সৃষ্টি করে।
তাই কূটনৈতিক দর্শনের প্রশ্ন হতে পারে শান্তি রক্ষার জন্য কতটা নীরবতা প্রয়োজন, আর ন্যায় রক্ষার জন্য কখন
কথা বলা অপরিহার্য?

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ হতে দেখলে বলা যায় বিজ্ঞান মূলত প্রশ্ন করার সভ্যতা। বিজ্ঞান বলে“কেন?, “কীভাবে?,
প্রমাণ কোথায়?। অতএব চিন্তা-চেতনা নেই এই অবস্থা বৈজ্ঞানিক চেতনার সম্পূর্ণ বিপরীত।যে সমাজ প্রশ্ন করে
না, তথ্য যাচাই করে না, প্রমাণ চায় না এবং কর্তৃত্বের কথাকে অন্ধভাবে মেনে নেয়, সে সমাজ বৈজ্ঞানিকভাবে
অগ্রসর হতে পারে না। বিজ্ঞান মানুষের চোখকে শুধু বস্তু দেখার জন্য নয়, অদৃশ্য কারণ অনুসন্ধানের জন্য
ব্যবহার করতে শেখায়; কানকে শুধু শোনার জন্য নয়, প্রমাণ ও যুক্তি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে।এই অর্থে
কবিতাটি কুসংস্কার, অন্ধ আনুগত্য ও চিন্তার অবসানের বিরুদ্ধে একটি সতর্কবার্তা হিসেবেও পাঠ করা যায়।

তার্কিক বা যুক্তিবাদী দৃষ্টিকোণ থাকা খুবই কঠিন কারণ তার্কিক কথা না বলে চুপ একেবারেই থাকতে পারেনা।
কবিতার শেষের বক্তব্য আমরা বোকা, বধির, অন্ধ আক্ষরিক অর্থে নিলে তা যুক্তিগতভাবে অসংগত; কারণ বক্তারা
এত সুন্দরভাবে নিজেদের অবস্থা সম্পর্কে বক্তব্যই বা দিচ্ছে কীভাবে? কিন্তু কবিতাটির শক্তি এখানেই। এটি
আক্ষরিক যুক্তির নয়, রূপক যুক্তির ভাষা। এখানে চোখ নেই মানে চোখের অঙ্গ অনুপস্থিত নয়; সত্য দেখার
নৈতিক ক্ষমতা নেই। কান নেই মানে শ্রবণেন্দ্রিয় নেই নয়; অন্যের আর্তনাদ গ্রহণ করার মানসিকতা নেই।
বিবেক নেই মানে মস্তিষ্কের কোনো অংশ নেই নয়; নৈতিক বিচারবোধ নিষ্ক্রিয়।অতএব কবিতার আপাত
বৈপরীত্যই তার দার্শনিক সত্যকে উন্মোচিত করে।

মানবতাবাদী দৃষ্টিকোণ হতে বলা যায় মানুষকে মানুষ করে তার শরীরের অঙ্গগুলো যতটা নয়, তার চেয়ে বেশি
তার বিবেক, সহমর্মিতা, বিচারবোধ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ক্ষমতা। কবিতায় একে একে মুখ, চোখ,
কান, হাত-পা, বিবেক ও চেতনা অপসারিত হয়েছে। যেন আপনি দেখাচ্ছেন মানবসত্তাকে ধ্বংস করার জন্য
মানুষকে হত্যা করার প্রয়োজন নেই; তার মানবিক ক্ষমতাগুলো নিষ্ক্রিয় করে দিলেই যথেষ্ট।এই কারণে কবিতাটি
নিছক হতাশার কবিতা নয়। এটি পাঠক সমাজকে এক ধরনের অস্বস্তিকর আত্মজিজ্ঞাসার সামনে দাঁড় করায়:
আমি কি সত্যিই নীরব, নাকি আমাকে নীরব করা হয়েছে?আমি কি দেখতে পাই না, নাকি দেখতে চাই না?
আমি কি শুনতে পাই না, নাকি শুনেও সাড়া দিই না? আমার হাত-পা কি বাঁধা, নাকি আমি নিজেই তা ব্যবহার
করতে ভয় পাই? আমার বিবেক কি মৃত, নাকি আমি তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছি?

এই কবিতার সবচেয়ে গভীর দার্শনিক তাৎপর্য সম্ভবত এখানে যে, নীরবতা কখনো স্বাধীনতার চিহ্ন, আবার
কখনো স্বাধীনতার মৃত্যুও হতে পারে। মানুষ কথা না বলেও জ্ঞানী হতে পারে, কিন্তু অন্যায়ের সময় কথা না
বললে তার নীরবতা অন্যায়ের অংশীদার হয়ে উঠতে পারে। মানুষ চোখ বন্ধ করে শান্তি পেতে পারে, কিন্তু
সত্যের সামনে চোখ বন্ধ করলে সেই শান্তি আত্মপ্রবঞ্চনা। মানুষ কান বন্ধ করে ব্যক্তিগত কোলাহল থেকে
মুক্ত হতে পারে, কিন্তু নির্যাতিতের কান্না না শুনলে সেই নীরবতা মানবিকতার পরাজয়।

সুতরাং আমরা শুধু চুপ থাকবো বাক্যটি একদিকে পরাজিত মানুষের আর্তনাদ, অন্যদিকে সমগ্র সমাজের জন্য
একটি ভয়ংকর আয়না। কবিতাটি আমাদের জিজ্ঞাসা করে মানুষের সবচেয়ে বড় অক্ষমতা কি কথা বলতে না
পারা, নাকি কথা বলতে পারার পরও সত্যের পক্ষে কথা না বলা?

শেষ বিচারে কবিতাটির দর্শন তাই নীরবতার প্রশংসা নয়; বরং এমন নীরবতার বিরুদ্ধে এক গভীর সতর্কসংকেত,
যেখানে মানুষ ধীরে ধীরে মুখহীন, দৃষ্টিহীন, শ্রুতিহীন, বিবেকহীন ও চেতনাহীন হয়ে পড়ে। সেই অবস্থায় মানুষ
জীবিত থাকে বটে, কিন্তু তার মানবিক অস্তিত্বের মৃত্যু ঘটে। আমাদের কী তাই হতে চলেছে , দেশের অবস্থা সাথে
এই ব্লগের অবস্থা দৃস্টেতো তাই মনে হচ্ছে , আমরা কী চুপ থাকার দর্শনের দিকেই ঝুকছি । এ ব্লগে সত্য, অসত্য
যেন তেন , উচ্চ বাক্য নিচু বাক্য , মিষ্টি কড়া তীর্য়ক , ব্যক্তিগত , গোষ্ঠিগত , সবদিক দিয়েই কথা বলা সেরা
একজন ব্লগার চাঁদ গাজীকে দীর্ঘ দিন ধরে ব্যান করে রাখার কথা কী সে কথাই মনে করিয়ে দেয়না। ব্লগকে
সচল রাখতে হলে সকল প্রকারের ব্লগারেরই দরকার আছে । কেও সীমার বা্‌ইরে গেলে তার লেখা পোস্ট ,
মন্ত্যব্য সাথে সাথে ডিলিট করার ব্যবস্থা রাখলে কোন বালগারকে জেনারেল বা চিরতরে ব্যন করে রাখার মত
ব্যবস্থা নেয়ার দরকার পরেনা । যাহোক ব্লগ কতৃপক্ষ যে কোন ব্যানকৃত ব্লগারকে যেন ব্লগীয় নীতিমালার
আলোকে ব্যানমুক্ত করে ব্লগীয় নীতিমালার ভিতরে ব্লগে লেখালেখির ব্যবস্থা করেন সে কামনাই করি ।
আসলেই চুপ থাকার যাতনা বুঝিবে তারা কিসে যারা এ যাতনা ভোগে নাই কোন কালে , তবে সামু
বছর কয়েক আগে কিছুদিনের জন্য চুপ করে রাখার যাতনা বুজেছে।তাই চুপ রাখা বা থাকার যন্ত্রনা
সকলকেই যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে ভেবে দেখা উচিত বলে মনে করি ।

শুভেচ্ছা রইল

১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ভাইসাহেব,
আপনি আমার কবিতার বিশাল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আমি কৃতজ্ঞ। আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।


৪| ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




উপরে বলা
বালগার শব্দটি হবে ব্লগার , টাইপিং এররের জন্য কেও যেন ভুল না বুঝেন । চোখে ভাল দেখতে পারিনা এখন
তাই স্পেলিং চেকারের হেল্প নেই, তার পরেও অনেক ভুল থেকে যায় বিশেষ করে ভুলবসত কোন শব্দ
বাদ পরে গেলে সেটা স্পেলিং চেকারেও ধরা পরেনা । যেমন এখানে উপরে বাক্যের এমন এক জাযগায়
একটি শব্দ -চুপ- লেখা না হওয়ায় বাক্যটির অর্থ প্রকাশটাই দুর্বল হয়ে গেছে । আমার মনে হয় মন্তব্য
প্রকাশের পর অন্তত একবারের জন্যে হলেও মন্তব্য দানকারীকে তা এডিট করার সুযোগ দেয়া প্রয়োজন ।

১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:০২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ভাইসাহেব,
আমাদের বানান কিছু ভুল হবে। ব্লগে যারা আমাদের লেখা পড়বেন, তাদের এই বিষয়টি মেনে নিতে হবে। আপনার মন্তব্য আমি বুঝতে পেরেছি এবং আশা করি যারা যারা পড়বেন সবাই বুঝতে পারবেন এবং কোনো অসুবিধাও হবে না।

আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।

৫| ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০১

সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: চমৎকার কবিতা

১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনাকে ধন্যবাদ।

৬| ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫০

ক্লোন রাফা বলেছেন: সূর্যগ্রহণ কিন্তু স্থায়ী হয় না। খুব ক্ষনস্থায়ী হয় সেই সময় টুকু। এই অন্ধকারের অনুভূতি অপরিহার্য ছিলো বাংলাদেশের জন্য। এটা না হলে মানুষ উপলব্ধি করতে পারতো না গো.আজম আর কায়দে আজমের কত সন্তান বৃদ্ধি পেয়েছে এই উর্বর মাটিতে!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.