| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়। নিস্তব্ধ রজনীর শেষ প্রহরে চারপাশ যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন মোরগের ডাক মুমিনের হৃদয়ে এক অদৃশ্য আহ্বান জাগায়। আমরা তো ছোট ছিলাম, কথাগুলো সরল মনে বিশ্বাস করে নিতাম।
সেই বিশ্বাসের পেছনে যে হাদিসের কথা বলা হতো, সেটা সত্যিই আছে। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা মোরগকে গালি দিয়ো না; কারণ সে নামাজের জন্য জাগিয়ে তোলে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৫১০১)। আরেক জায়গায় এসেছে, ‘যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে তখন আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করো। কেননা এই মোরগ ফেরেশতাদের দেখে।’ (বুখারি, হাদিস : ৩৩০৩)।
আরেকটি জায়গায় এসেছে, ‘যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে তখন তোমরা আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করে দোয়া করো। কেননা এই মোরগ ফেরেশতাদের দেখে আর যখন গাধার আওয়াজ শুনবে তখন শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবে, কেননা এই গাধা শয়তান দেখেছে।’ (বুখারি, হাদিস : ৩৩০৩)।
হাদিসের এই কথাগুলো যেমন আছে, ঠিক তেমনিই থাকবে । কোনোদিন পরিবর্তন হবে না । কিন্তু বড় হয়ে যখন আমরা বিজ্ঞানের পাঠ নিতে শুরু করলাম, তখন প্রথমেই মনে একটা প্রশ্ন জাগল। মোরগ আসলে কেন ভোরে ডাকে? ফেরেশতা দেখার পাশাপাশি এর পেছনে কি প্রকৃতিতে কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ লুকিয়ে আছে? তখনই চোখের সামনে ভেসে উঠলো এক অন্য রহস্যের গল্প। মোরগের ভোরবেলা ডাকার পেছনে মূল বৈজ্ঞানিক কারণ হলো তাদের 'সার্কেডিয়ান রিদম' (Circadian Rhythm) বা অভ্যন্তরীণ জৈবিক ঘড়ি। এটি তাদের শরীরের একটি ২৪ ঘণ্টার চক্র, যা মূলত তাদের কখন জেগে উঠতে হবে বা ডাকতে হবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। মানুষের শরীরেও এই ঘড়ি আছে।
জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক তাকাশি শিমমুরা এবং তাকাশি ইয়োশিমুরা একটি চমৎকার পরীক্ষা করেন। তারা মোরগকে সম্পূর্ণ অন্ধকার একটি বন্ধ ঘরে রাখেন। বাইরে কোনো আলো নেই। কোনো শব্দ নেই। কোনো সংকেত নেই। তবুও মোরগ নিজের মতো করে ডাকে। প্রতি ২৩.৮ ঘণ্টা পরপর সে নিয়মিত ডাকতে থাকে। এর থেকে বোঝা যায়, মোরগ কেবল সূর্যের আলো দেখে ডাকে না। এর পেছনে কাজ করে তার শরীরের ভেতরের জিনগত প্রোগ্রাম। রাতের বেলা মোরগের মস্তিষ্কে মেলাটোনিন নামক একটি হরমোন বাড়ে। এই হরমোনের প্রভাবে মোরগ ঘুমায়। ভোরের দিকে এই হরমোনের মাত্রা কমতে থাকে। মোরগের শরীর তখন সক্রিয় হয় এবং সে ডাকতে শুরু করে।
এর সাথে যুক্ত হয়েছে মোরগের চোখের অসাধারণ ক্ষমতা। মানুষের চোখের তুলনায় মোরগের চোখের আলো গ্রহণ করার ক্ষমতা অনেক বেশি। সূর্য ওঠার অনেক আগে আকাশে যে অতি ক্ষীণ আলো আসে, মানুষের চোখে তা ধরা পড়ে না। কিন্তু মোরগের চোখ সেই আলো দেখতে পায় এবং তার সাথেই তার মস্তিষ্কে ডাকার সংকেত চলে যায়। বিজ্ঞানীদের আরেকটি মজার তথ্য হলো মোরগের ডাকার পেছনে একটি কড়া সামাজিক শৃঙ্খলা কাজ করে। একটা দলে সবার আগে ডাকে আলফা , দলের সবচেয়ে প্রভাবশালী মোরগটি। তার ডাক শেষ হলে তারপর ডাকে দ্বিতীয় মোরগ। ছোট মোরগটি আলফার অনুমতি ছাড়া ডাকতে পারে না।
মোরগ কেবল ভোরেই ডাকে এমন নয় , সারাদিনেও মাঝে মাঝে ডাকতে পারে । ডাকার পেছনে পুরুষ হরমোন 'টেস্টোস্টেরন'-এর বড় ভূমিকা রয়েছে। ভোরে ডাকার একটা বড় কারণ হলো: নিজের এলাকা বা টেরিটোরি দাবি করা এবং অন্য মোরগদের সতর্ক করা। এর মাধ্যমে সে বোঝায়, "আমি এখানকার প্রধান, এই এলাকা আমার এবং এখানকার মুরগিগুলো আমার।" একইসাথে এটি মুরগিদের ডাক শুনে নিজেদের নিরাপদ বোধ করতে সাহায্য করে।
আমরা মনে করি, মোরগ আমাদের চারপাশেরই একটি স্থানীয় পাখি। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে অন্য কথা। গৃহপালিত মোরগ বা মুরগি আসলে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার পাখি। এদের বৈজ্ঞানিক উৎস হলো বুনো পাখি রেড জাঙ্গলফাউল। আজও এই পাখি ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ডের জঙ্গলে দেখা যায়। গবেষকদের ধারণা, প্রায় সাত থেকে আট হাজার বছর আগে মানুষ এই বুনো পাখিকে পোষ মানিয়ে গৃহপালিত করে।
মোরগ তার জৈবিক ঘড়ি অনুযায়ী ডাকবে আর আমরা সেই ডাকে সজাগ হয়ে পরম করুণাময়ের ইবাদতে মগ্ন হওয়া কি খারাপ ? না, একদমই না। তাহাজ্জুদ পড়া কি খারাপ? না। ফজরের নামাজ পড়া কি খারাপ? না, বরং এগুলো অসাধারণ অভ্যাস। ভোরে ওঠা মানুষের শরীর ও মনের জন্য উপকারী। বিজ্ঞানও এটা বলে। ইংরেজিতে প্রবাদ রয়েছে, "Early to bed and early to rise, makes a man healthy, wealthy, and wise."
ইসলামও এটা বলে। দুটোই এখানে একমত। ভোরের নিস্তব্ধতায় যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে থাকে, তখন নামাজে দাঁড়ানোর একটা আলাদা অনুভূতি আছে। সেই মুহূর্তে মন পরিষ্কার থাকে। চিন্তা স্থির থাকে। একটা গভীর প্রশান্তি আসে। ধর্ম ও বিজ্ঞান এখানে একে অপরের পরিপূরক হিসেবেই কাজ করছে।
তবে আমার মাঝে মাঝে মনে হয় , গাধার সাথে আমরা কিছুটা অবিচার করেছি। মোরগের পাশাপাশি আমাদের গাধাও লালন-পালন করা উচিত ছিলো । মোরগের ডাক নিয়ে যে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে, সেখানেই বলা হয়েছে গাধার ডাক শুনলে শয়তান থেকে আশ্রয় চাইতে, কারণ সে শয়তান দেখেছে। কিন্তু আমরা সমাজে মোরগ পালন নিয়ে যতটুকু উৎসাহ বা ধর্মীয় আবেগ দেখি, গাধা পালনের ক্ষেত্রে তেমনটা দেখি না।
আমরা কি ফেরেশতা দেখতে পাওয়ার সুসংবাদটুকু নিতে যতটা আগ্রহী, শয়তানকে চিনে রাখার সতর্কবার্তা নিতে ততটাই উদাসীন ? গাধার ডাকটা আমাদের জীবনের অপ্রিয় সত্যের মতো শোনায় বলেই আমরা তাকে এড়িয়ে যাই? মোরগ যদি আধ্যাত্মিক অ্যালার্ম হয়, তবে গাধার ডাকও তো এক ধরণের 'আধ্যাত্মিক অ্যান্টিভাইরাস'। অথচ আমরা মোরগের গুণগান গাইছি, আর গাধাকে করেছি অবহেলা ।
মোরগের ভোরে ডাকার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নিয়ে উল্লেখিত গবেষণাগুলো নিম্নরূপ:
https://www.nationalgeographic.com/animals/article/130318-rooster-crow-circadian-clock-science
1-Shimmura, T., & Yoshimura, T. (2013). Circadian clock determines the timing of rooster crowing. Current Biology, 23(6), R231–R233.
2-Shimmura, T., Ohashi, S., & Yoshimura, T. (2015). The highest-ranking rooster has priority to announce the break of dawn. Scientific Reports, 5, 11683.
3- Eda, M. (2021). Origin of the domestic chicken from modern biological and archaeological evidence. Animal Science Journal.
(এছাড়া Red Junglefowl-এর domestication নিয়ে বহুল স্বীকৃত গবেষণা অনুসারে, প্রায় ৭–১০ হাজার বছর আগে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এদের পোষ মানানো হয়।)
মোরগের ডাক শুনে আল্লাহকে স্মরণ- মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
২|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:২৪
মাথা পাগলা বলেছেন: আজ NASA ৫৪ বছর পর আবার মানুষকে চাঁদে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
৩|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:২৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: কিছু ফেরেস্তার আকৃতি এমন যে মোরগ দেখে ফেললে তাকেও মোরগ মনে করে আর তাই তখন নিজের এলাকায় প্রবেশ করার জন্য সতর্কতাস্বরূপ ডাক দেয়।
ফেরেস্তারা যখন কোন মানুষকে আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করতে দেখে তখন সে ফেরেস্তা ঐ লোকের মাগফিরাতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে। এজন্যই অসময়ে মোরগ ডাকলে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করতে বলা হয়েছে, যদি লাইগা যায়, আর কী। বোঝা গেছে ব্যাপারটা?
৪|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মোরগ ও গাধার ডাক একটি যেন আশার প্রতীক, অন্যটি সতর্কতার বার্তা। ইসলামী দৃষ্টিতে এগুলো আধ্যাত্মিক ইঙ্গিত
বহন করে, আর বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে এগুলো প্রাণীদের স্বাভাবিক আচরণ। কিন্তু উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই মানুষ শিখতে
পারে কখন আল্লাহর দিকে ফিরে যেতে হবে, আর কখন সতর্ক হয়ে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
এই শিক্ষাগুলো গ্রহণ করাই মানুষের জন্য প্রকৃত কল্যাণ।
৫|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৫৭
রাজীব নুর বলেছেন: তাহলে নবীজির হাদিসটি কি ভূয়া?
মোরগ ফেরেশতা দেখে ডাক দিচ্ছে না? জ্বিনগত কারণে ডাকছে?
আমাদের ব্লগের ইসলামিক স্কলাররা তো এখনই আপনার গলা টিপে ধরবে।
৬|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০০
মোগল সম্রাট বলেছেন:
আমার বাসায় দোয়ার ভান্ডার নামে একখান কেতাব আছিলো। সব কিছুর দোয়া ছিলো.....!!
এখন ভাবি এতো দোয়ার ভান্ডারের এতো দোয়া মুখস্ত করেও দেশের এই অবস্থা কেমনে হইলো। আমার মনে হয় মাখরাজ না মাইনা সবাই পড়ে । তাই কবুল হয় না।
৭|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
মোরগও ফেরেশতা দেখতে পায় ।
অথচ নাদান মানুষ দেখতে পায় না।
অন্য পাখিরাও মনে হয় দেখতে পায়।
৮|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৬
রানার ব্লগ বলেছেন: এই ব্লগে খুব কম লেখক এখন ব্লগিং করছে । যারা করছে তাদের ব্লগ দেখলে মাঝে মাঝে এটা কে ফেইসবুকের এক্সটেনশান মনে হয় । আপনার লেখা পড়লেই মনে হয় যাক একটা রুচিসম্মত ব্লগ পড়লাম । আরো দুই এক জন আছেন আপনার মতো । আমি তাদের অপেক্ষায় থাকি ।
৯|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৮
রানার ব্লগ বলেছেন: এইবার আসি মূল ঘটনায় । মোরগ ফেরেশতা দেখে । খুবি হাস্যকর ।
বডি ক্লক বলে একটা বিষয় আছে । এটা সম্ভাবত অনেকেরই জানা নাই ।
১০|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৭
সপ্তম৮৪ বলেছেন: দেশের একজন সৎ এবং দেশপ্রেমিক সরকারি আমলার কথা মনে পরে গেলো। যিনি অতিরিক্ত সততার জন্য বার বার চাকরিতে ব্যান খেয়েছিলেন। অনেকটা চাঁদগাজীর বলগে ব্যান খাওয়ার মত।
যাই হোক সেই সৎ এবং দেশপ্রেমিক মিলন স্যার একবার প্রতিবেশীর মোরগের ডাকে অতিষ্ঠ হয়ে মামলা করে দিয়েছিলেন।
সৎ এবং দেশপ্রেমিক মিলন স্যারকে অবশ্য বট বাহিনী বিভিন্ন নাম ডেকে থাকে : মুরগি মিলন / ডিম মিলন / তরমুজ মিলন / অর্গানিক মিলন
১১|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮
আলামিন১০৪ বলেছেন: একজন পন্ডিত বলেছে মোরগের ফেরেস্তা দেখার দাবী নাকি খুব হাস্যকর।
সবজান্তা শমসেররা সব জেনে বসে আছে অথচ ভূমিকম্পের আগে পশু-পাখিদের বিচলিত হওয়ার ঘটনা এরা ব্যাখ্যা করতে পারে না। কবুতরের হাজার মাইল দূর থেকে বাসায় ফিরার ঘটনা কিংবা পাখিদের জন্মগত পরিযায়ী প্রবৃত্তির কেন’র উত্তর জানা নাই। অথচ ভাবখানা এমন, সব জেনে গেছি।
আমাদের চোখের রেটিনায় উল্টা প্রতিবিম্ব কেন আমরা সোজা দেখি তা আজ পর্যন্ত অজানা। আমাদের মস্তিষ্ক অনেক কিছু অটো ফিল্টার করে বা পরিবর্তন করে দেখায় । কিয়ামত দিবসে আল্লাহ চক্ষুর আবরণ খুলে দিবে।
মানুষে মারা যাওয়ার কিছু দিন আগে থেকে মৃত্যুর ফেরেস্তা দেখতে পায় বলে রটনা আছে। আমি আমার নিজের পরিবারের দুইজনের ঘটনার চাক্ষুস সাক্ষী। এদের একজন মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে সুস্থ্য অবস্থায় সোফায় অপরিচিত আগন্তুককে বসে থাকতে দেখেছেন যা আমরা কেউ দেখি নাই। আরেকজন হাসপাতালে অতিরিক্ত মানুষ দেখে আমাকে বলেছিলেন আমি অপরিচিত লোকজন দেখতে পাচ্ছি, আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি?
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:০১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে তখন তোমরা আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করে দোয়া করো।
.............................................................................................................................................
সপ্তাহখানেক আগে গ্রামে গিয়েছিলাম কাজে,
খুব ভোরে মোরগের ডাকে ঘুম ভাঙল এবং উঠে নামাজ পড়লাম ।
ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল ।
সকালে সেই মোরগটা দেখলাম । মাশাল্লআহ সেই সুন্দর,স্বাস্হ্য
দেশী মোরগ । দেখে চোখ জুড়ায়ে গেল ।