| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
বাংলাদেশে চেয়ার একটি আধ্যাত্মিক বস্তু। শুধু বসার জন্য নয়, এটি পরিচয়ের প্রমাণ, অস্তিত্বের স্বীকৃতি, এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে জীবনের চূড়ান্ত অর্জন। গাড়ি থাকুক না থাকুক, বেতন আসুক না আসুক, পরিচয়পত্রে একটা নতুন পদবি যোগ হলেই মানুষ রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন। এই দার্শনিক সত্যটি না বুঝলে বাংলাদেশের প্রশাসন, ক্রীড়া সংস্থা বা কর্পোরেট জগত, কোনোটাই বোঝা সম্ভব নয় ।
গত বছরের অক্টোবরের এক রাতের কথাই ধরুন। ঘড়ির কাঁটা যখন মধ্যরাত ছুঁইছুঁই, তখন ইসফাক আহসান সাহেব কে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এনএসসি মনোনীত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবির) পরিচালক ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ঝড় উঠল। আওয়ামী লীগের পদ, ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে প্রার্থিতা। রাত পোহাতেই দেখা গেল ইসফাক উধাও, আর ভোরের সূর্য ওঠার সাথে সাথে তার জায়গায় বিসিবির পরিচালকের চেয়ারে রুবাবা দৌলার রাজকীয় অভিষেক। যেন এক ফুঁ-তে সব বিতর্ক কর্পূরের মতো উড়ে গেল।
ইসফাক আহসান কীভাবে মনোনয়ন পেলেন, সেটার তদন্ত কেন হলো না ? এনএসসি কি সত্যিই জানত না তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাসের কথা? নাকি জেনেশুনেই দিয়েছিল, আর সামাজিক মাধ্যমে শোরগোল না হলে তিনি বহাল থাকতেন? এনএসসি যে মন্ত্রণালয়ের অধীনে, সেই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন আসিফ মাহমুদ। ইসফাকের নাম কার সুপারিশে এলো, রাতারাতি বদলানোর সিদ্ধান্তটাই বা কার ছিল, আর রুবাবার নামটা এত দ্রুত কোথা থেকে এলো, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কেউ খুঁজল না ।
রুবাবা দৌলা বাংলাদেশের কর্পোরেট জগতের একটি পরিচিত এবং সম্মানিত নাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শুরু, তারপর স্টকহোম আর লন্ডনে উচ্চতর ডিগ্রি। গ্রামীণফোনে এগারো বছর কাজ করেছেন, উঠে এসেছেন চিফ মার্কেটিং অফিসার পর্যন্ত। এয়ারটেলে গেছেন, তারপর ওরাকলে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর। এই পরিচয়গুলো পড়লে মনে হয়, এমন একজন মানুষ চাইলে যেকোনো প্রস্তাবে "না" বলার সামর্থ্য রাখেন। কারণ তাঁর আর পদের দরকার নেই, পরিচয়ের দরকার নেই। তবু তিনি রাজি হলেন।
বাংলাদেশে এই "তবু রাজি হওয়া"র ঘটনাটা নতুন নয়। আমাদের দেশে একটা অদ্ভুত নিয়ম চালু আছে। যত বড় পদে থাকুন না কেন, সরকারি বা আধাসরকারি একটা চেয়ার পেলে সেটার লোভ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। চেয়ারটায় ক্ষমতা থাকুক বা না থাকুক, গাড়ি থাকুক বা না থাকুক, পরিচয়পত্রে একটা নতুন পদবি যোগ হলেই যেন জীবন সার্থক মনে হয়।
কিন্তু রুবাবা সাহেবার ক্ষেত্রে ঘটনাটা আরো গভীর। তিনি শুধু রাজি হননি, রাজি হয়েছেন জেনেশুনে। সে সময়ের পত্রিকা খুললেই দেখা যাচ্ছিল কীভাবে আগের পরিচালক বিতর্কে পড়লেন, কেন বোর্ডে এত অস্থিরতা, আসিফ মাহমুদের ভূমিকা নিয়ে কী কী প্রশ্ন উঠছে। একজন সচেতন, বিশ্বমানের শিক্ষিত মানুষের পক্ষে এই পরিস্থিতি না বোঝার কোনো কারণ নেই। তবু ওরাকলের অফিস থেকে ছাড়পত্র নিয়ে তিনি বিসিবির চেয়ারে বসলেন।
গ্রামীণফোনের সূত্রটা এখানে একটু মনে করিয়ে দেওয়া দরকার। রুবাবা গ্রামীণফোনে যখন ছিলেন, তখন সেই প্রতিষ্ঠান ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান স্পনসর। আর গ্রামীণফোন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্যোগে। ইউনূস সাহেব ছিলেন তখন দেশের প্রধান উপদেষ্টা। এনএসসি তাঁর সরকারের অধীনে। তাহলে সুতোগুলো কোথায় গিয়ে মেশে, সেটা পাঠক নিজেই বুঝে নিন।
এই পুরো কাণ্ডটায় "নারী ক্ষমতায়ন"এর একটা চকচকে মোড়ক লাগানো হয়েছে। গণমাধ্যম লিখেছে, "বিসিবির ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী পরিচালক।" কথাটা সত্যি। কিন্তু ক্ষমতায়ন মানে কি শুধু একজন নারীকে চেয়ারে বসানো? নাকি ক্ষমতায়ন মানে হলো যোগ্য মানুষ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পাবেন, লিঙ্গ নির্বিশেষে? দ্বিতীয় পছন্দ হিসেবে, বিতর্কিত প্রক্রিয়ায়, তড়িঘড়ি করে একজন নারীকে বসানো আসলে নারীদের সম্মান নয়। এটা নারীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা। পার্থক্যটা সূক্ষ্ম, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।
ওদিকে মাঠের চিত্রটা দেখুন। বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি খেলতে পারল না। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ বন্ধ। ক্রিকেটাররা আর্থিক সংকটে দিন পার করছেন। আর বোর্ডে চলছে পদত্যাগের মিছিল। ইশতিয়াক সাদেক, আমজাদ হোসেন, ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল, ফাইয়াজুর রহমান। ছয় মাসও হয়নি, চারজন চলে গেছেন। কিন্তু রুবাবা আছেন, পদটা আঁকড়ে আছেন। যাঁর আসাটাই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল, তিনি সবচেয়ে শক্ত করে চেয়ারটা ধরে বসে আছেন। বাংলাদেশের সিস্টেমে এটাই নিয়ম।
দিনশেষে এই গল্পটা আসলে আমাদের পুরো সিস্টেমের এক ছোট সংস্করণ। এখানে যোগ্যতা থাকলেও সংযোগ লাগে, আর সংযোগ থাকলে প্রক্রিয়ার কোনো ধার ধারতে হয় না। বিসিবির আয়নায় তাকালে আসলে পুরো বাংলাদেশটাকেই দেখা যায়। আর সেই বাংলাদেশে "নারী ক্ষমতায়ন" শব্দটা এখন আর আশার কথা নয়, এটা একটা কৌশল। যে কৌশলে টুপিটা পরানো হয় খুব যত্ন করে, খুব ভদ্রভাবে। এবং বেশিরভাগ সময় হাততালি দিয়ে।
বিসিবি’র পরিচালক আওয়ামী লীগ নেতা! ব্যবস্থা নিচ্ছে এনএসসি- নয়া দিগন্ত অনলাইন ।
ইসফাকের জায়গায় বিসিবির পরিচালক রুবাবা দৌলা-প্রথম আলো ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:২৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: অসৎ ভাবে ক্ষমতায় বসে দেশের জন্য ভালো কাজ করা পসিবল ?
২|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৪:২১
হুমায়রা হারুন বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ কুতুব ভাই।
বাস্তবতা আবার মনে পড়ে গেল।
দশ বছর চাকরী করে একটা প্রমোশন মেলে না।
এক জায়গায় বসে আছি তো আছিই। কোন ওভার টাইমও পাওয়া যায় না। বস্ মুখে যে একটা ভাল করে কথা বলবে তাও বলে না। কারণ সব জায়গায় লিংক থাকতে হয়। খুব ছোট কাজের জায়গাতেও ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রুবাবা সাহেবা কোনো ১ম চয়েজ ছিলো না । একজন খারাপ মানুষের বদলি হিসাবে তিনি এসেছেন । তিনি কিনতু সাধারণ ভাবেই মেধার জোরে চাকুরি পেতে পারতেন । উনার মেরিট বেশি এবং আগেও কাজ করেছেন । কারো বদলি হিসাবে আসাকে উইমেন এমপাওয়ারমেনট মানতে রাজি নই । এটা কে বলে শাক দিয়ে মাছ ঢাকা ।
৩|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: আমার মতে, এটা নারীর ক্ষমতায়নের একটি দুর্বল উদাহরণ হলেও, একটা বড় উদাহরণ।
একজন নারী কর্পোরেট এক্সিকিউটিভের বিসিসির পরিচালক হওয়াটাই নারীর ক্ষমতায়নের দৃষ্টান্ত। পুরুষ মানুষের এই খেলায়, অসংখ্য পুরুষের মধ্যে একজন নারী হিসেবে নেতৃত্বে আসাটাই গুরুত্বপূর্ণ, এতেই আমি সন্তুষ্ট। তার যোগ্যতা কেমন, বা কীভাবে তিনি এই উচ্চপদে পৌঁছেছেন সেটা আলাদা প্রশ্ন। কিন্তু এটা কী নারীর ক্ষমতায়ন? উত্তর হল হ্যাঁ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এটা কোনো নারীর ক্ষমতায়ন নয়। সেটা হলে একজনের বদলি হিসাবে উনাকে নেয়া হতো না। উনার যে মেরিট অনায়েসে আলাদা ভাবে বিসিবি পরিচালক হতে পারতেন । আগেও কাজ করেছেন ফুটবল ফেডারেশনে । আসিফ মাহমুদ কট খেয়ে ইউনুস সাহেবের কাছে গেলে তিনি এই সমাধান দেন ।
৪|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৪৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
যতার্থ বলেছেন নারীর ক্ষমতায়নের নামে বাঙালিকে স্রেফ টুপি পরানো হয়েছে ।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দরিদ্র পিড়িত দেশে নারীর ক্ষমতায়ন একটি বহুমাত্রিক ও গভীর সামাজিক প্রক্রিয়া।
একে কেবল কয়েকজন নারীর উচ্চপদে অধিষ্ঠান, ব্যবসায়িক সুযোগ লাভ, কিংবা সংসদে সংরক্ষিত আসনে প্রতি
নিধিত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে দেখলে বিষয়টির প্রকৃত স্বরূপ ধরা পড়ে না। এগুলো নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক
ও অগ্রগতির চিহ্ন, কিন্তু এগুলো সামগ্রিক ক্ষমতায়নের পূর্ণ প্রতিফলন নয় বরং বৃহত্তর বাস্তবতার একটি অতি ক্ষুদ্র
অংশ মাত্র।
নারীর ক্ষমতায়নের মূল ভিত্তি হচ্ছে স্বচ্ছ উপায়ে ক্ষমতায় প্রবেশাধিকার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ ।
শহরের কিছু শিক্ষিত নারী কর্পোরেট বা প্রশাসনিক উচ্চপদে পৌঁছালেও গ্রামের বিপুল সংখ্যক নারী যদি এখনও
বাল্যবিবাহ, অপুষ্টি, বা গৃহস্থালীর অদৃশ্য শ্রমের বোঝায় আবদ্ধ থাকে, তাহলে সামগ্রিক ক্ষমতায়ন এর ক্ষ ও ঘটেনি
বলেই ধরে নিতে হবে।
স্বজনপ্রীতি বা তোষন, প্রলোভন,কিংবা অশুভন প্রভৃতি উপায়ে নারীর ক্ষমতায়ন পকৃত অর্থে ক্ষতায়ন নয় বরং হতে
পারে নারী পতন । নিয়মতান্ত্রিকভাবে সুষ্ঠ প্রক্রিয়ায় যদি উচ্চারোহন না হয় তাহলে নীমিষেই যে পথে আগমন সে
পথেই হতে পারে নির্গমন বা পতন ।
অতএব, নারীর ক্ষমতায়নকে কেবল উচ্চপদে নিয়োগ, ব্যবসায়িক সুবিধা, বা সংসদীয় আসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে
দেখলে তা হবে এক ধরনের উপরিভাগীয় সাফল্যের ব্যাখ্যা।প্রকৃত ক্ষমতায়ন হচ্ছে গভীর, কাঠামোগত ও দীর্ঘমেয়াদি
পরিবর্তনের ফল যেখানে নারী কেবল অংশগ্রহণকারী নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের সমান অংশীদার।
সেদিন কবে আসবে সে দিন নারীর হবে প্রকৃত ক্ষমতায়ন, সেটিই এখন সকলের জিজ্ঞাসা ।
শুভেচ্ছা রইল
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এখানে বুঝাই যায় আসিফ মাহমুদ টাকা খেয়ে আওয়ামী লীগ নেতা নিয়োগ দিয়েছিলো; পরে সেই বদনামি ঢাকতে রুবাবা দৌলাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে । তিনি ১ম চয়েজ বা আলাদা ভাবে বিসিবি পরিচালক হলে সেটা নারীর ক্ষমতায়ন হতো।
৫|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৪
আলামিন১০৪ বলেছেন: টুপির বিষয়টা ঠিত বুঝলাম না, নতুন কোন বাগধারা নাকি?
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বোকা বানানো হয়েছে ।
। কোনো বাগধারা নয় ।
৬|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭
রাজীব নুর বলেছেন: শিক্ষা'ই নারীকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
বেশির ভাগ নারী লেখাপড়া করে সংসার ধর্ম করে। সংসার করতে গিয়ে নারী আর এগিয়ে যেতে পারে না।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:০৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এসব তো বিটিভিতে এডভারটাইজে বলে ; মুল লেখা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করুন।
৭|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:১৯
কিরকুট বলেছেন: আপনারা চলেন মোল্লাগো পদলেহন করে তো সেইখানে নারীর ক্ষমতায়নে টুপি পরাচ্ছে নাকি ক***ম পরাচ্ছে এইটা জাইনা কি লাভ ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:০৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি ডেইলি এক চামচ মধু খাইবেন ; মুখের ভাষা এত তিতা কেন ?
৮|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২০
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আসলে ভিতরে ভিতরে আমরা চাই না নারী এগিয়ে যাক এটাই তার প্রমাণ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লেখা পড়ে আপনি এটাই বুঝতে পেরেছেন তার জন্য শুকরিয়া । ![]()
৯|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫
নতুন বলেছেন: নারী যখন সিদ্ধান্ত নেবার গ্রুপে যোগ দিতে পারবে তখন নারীর ক্ষমতায়ন হবে।
নতুবা নারীর পদায়ন এক রকমের অলংকারায়নের মতন।
ডিসিসন মেকিং/ পলিসি মেকিং দলে নারীরা যোগ না দিলে সর্বস্তরের নারীদের পরিবর্তন আসবেনা।
দেশে নারী প্রধান মন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী, এমপি, স্পিকার ছিলো তবুও এরা সর্বস্তরে নারীর পরিবর্তনে খুব একটা কাজ করেনাই।
কারন ঐ প্রধানমন্ত্রীরাও এক রকমের পদায়নই ছিলো, তাদের হাতে তেমন ক্ষমতা ছিলো না তাদেরকেও পুরুষেরা ঐ চেয়ারে বসিয়েছিলো কিন্তু ক্ষমতা তাদের কম ছিলো।
শুধুই শেখ হাসিনাই ছিলো আসল ক্ষমতা ওয়ালা কিন্তু তিনিও নারীর উন্নয়নের জন্য তেমন জোর দেন নাই।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়ন করেছেন ভালোই পাশাপাশি নিজে কওমি জননী উপাধি পেয়েছেন । বাকিটা বুঝে নেন ; এর বেশি বললে আবার চাকুরি থাকবে না । ![]()
১০|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১৮
রানার ব্লগ বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি ডেইলি এক চামচ মধু খাইবেন ; মুখের ভাষা এত তিতা কেন ?
যে বিষয়ে আলোচনায় নামছেন , মুখ তিতা এমনিতেই হয় । সোশ্যাল মিডীয়া ভাইসা গেলো বাল্য বিবাহ জায়েজ নাকি নাজায়েজ পক্ষে বিপক্ষে ধুরুম ধারুম পটকা ফাটাচ্ছে সেইখানে নারীর ক্ষমতায়ন শুনে আমি তিতা বিরক্ত । আগে নারীর বিয়ার বয়স ঠিক করেন ।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:১১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সরকার তো আর ১৮ বছরের নিচে কাউকে বিবাহ করার অনুমতি দেয় নি । লুবাবা একজন সোশাল মিডিয়া তারকা বলে সরকার কিছু বলতেও পারছে না ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রুবাবা দৌলা বাংলাদেশের কর্পোরেট জগতের একটি পরিচিত এবং সম্মানিত নাম।
.....................................................................................................................
আমি উনাকে গ্রামীন ফোন থেকে চিনি ।
পারিবারিক প্রভাবশীলতা এবং উনার ব্যক্তিগত অর্জন
ভালো বিধায় সর্বদা ভালো পদ অধিকার করে আছেন ।
...................................................................................
তাই বলে সবস্হানেই পদ নিয়ে যেতে হবে তা সমর্থন করিনা ।
যে মনটি ঘটেছে ইন্ট্রীম সরকারের সময় ।