| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
২০২৪-এর গণ-আন্দোলনে বলপ্রয়োগ ও গণহত্যার অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকার সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিল। বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলা হয়েছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ওই অধ্যাদেশটিকে স্থায়ী আইনে পরিণত করা হচ্ছে। বিএনপি দাবি করেছে এটি নতুন কিছু নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশই আইন হচ্ছে ; আওয়ামী লীগ বলছে এর দায় বিএনপিকে নিতে হবে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন আইনে সংবিধান ও নাগরিক অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত ।
আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল। সেটা ছিল তাদের কাছে নীতির প্রশ্ন, আদর্শের প্রশ্ন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্ন। বিএনপি তখন বলেছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা ঠিক না। জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। কথাটা শুনতে বেশ পরিপক্ব লাগছিল। মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মাথায় একটু বুদ্ধি হয়েছে । তারপর ক্ষমতার পালা বদলাল।
২০২৪ এর আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হলো। বিএনপি মহাসচিব বললেন তিনি "আনন্দিত।" সেই পরিপক্ব গণতান্ত্রিক দর্শনটা কোথায় গেল কেউ জিজ্ঞেস করল না। এখন সেই অধ্যাদেশ স্থায়ী আইনে পরিণত হচ্ছে, সাথে যুক্ত হচ্ছে চার থেকে চৌদ্দ বছরের কারাদণ্ডের বিধান। আওয়ামী লীগ এখন বলছে, এর দায় বিএনপিকে নিতে হবে। কথাটা শুনে হাসব না কাঁদব বুঝতে পারছি না। কারণ এই একই যুক্তি একদিন বিএনপিও দিয়েছিল, অন্য প্রসঙ্গে, অন্য মঞ্চে। আর আওয়ামী লীগ তখন পাত্তাও দেয়নি।
আসল কথা হলো, এখানে কেউ রাজনীতি করছে না। এটা রাজনীতির নামে প্রতিহিংসার একটা দীর্ঘ চক্র। একটা দল অন্যটাকে জেল দেয়, মামলা দেয়, নিষিদ্ধ করে। তারপর পালা বদলায়, উল্টোটা হয়। এই চক্র দশকের পর দশক ধরে চলছে এবং থামার কোনো লক্ষণ নেই। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এই চক্রে আদর্শের কোনো জায়গা নেই। "দল নিষিদ্ধ করা খারাপ" এই নীতিটা তখনই মনে পড়ে যখন নিজেরা বিপদে থাকে। প্রতিপক্ষের বেলায় একই নীতি আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
এই রাজনীতির সবচেয়ে বড় শিকার কিন্তু কোনো দল না। শিকার হলো সাধারণ মানুষ। যে শক্তি, সময় আর রাষ্ট্রীয় অর্থ প্রতিহিংসার পেছনে খরচ হয়, সেটা যদি দেশের কাজে লাগত, তাহলে হয়তো আমাদের আরেকটু ভালো থাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই আশা করতে হলে আগে এই চক্রটা ভাঙতে হবে। আর সেটা ভাঙার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।
https://www.bbc.com/bengali/articles/cg5405g11g3o
আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকছে, এর প্রভাব কেমন হবে-বিবিসি বাংলা
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক কয়েছেন ।
২|
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪৬
সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: যে ক্ষমতায় সে কেবল শক্তি দেখায়
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:১৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সঠিক বলেছেন ।
৩|
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল।
....................................................................................................
ইতি স কাউকে ক্ষমা করেনা,
মাঝে মাঝে স্মরন করায়ে দেয়।
কৃতকর্মর ফল সবাইকে ভোগ করতে হবে !!!
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৪৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ফল ভোগ করে জনগণ ।
৪|
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:০৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
একটি বিখ্যাত বাংলা প্রবাদ আছে ভূতের পা উল্টোদিকে । এই প্রচলিত বাংলা প্রবাদটি শুধু লোকবিশ্বাসের বিষয় নয়
এটি গভীর সামাজিক-রাজনৈতিক রূপক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিবর্তন বা ক্ষমতার পালা
বদলের সময় এই কথাটি বারবার সামনে আসে। প্রথমেই বলে নেই এখানে উল্টো পা মানে ভুতের পা নয় এটা
হল প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের বিপরীততা
রাজনীতিতে এই প্রবাদটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় তখন, যখন আদর্শ ও বাস্তবতার বিপরীততা দেখা দেয় ।
রাজনৈতিক দল বা নেতা গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু বাস্তবে স্বৈরাচারী আচরণ করে । জনগণের সেবার কথা
বলে কিন্তু বাস্তবে ক্ষমতা ধরে রাখাই মূল লক্ষ্য আর ঠিক তখন বলা হয় ভূতের পা উল্টো।
রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় সবকালেই দেখা যায় গতকাল যে দল এক আদর্শে ছিল, আজ সম্পূর্ণ বিপরীত
অবস্থানে , শত্রু-বন্ধুর অদলবদল । এটি রিভার্সেল তথা উল্টে যাওয়ার একটি ক্লাসিক উদাহরণ। রাজনীতির
ইতিহাসেও রেভুলিশন শব্দটির মূল অর্থই ছিল ঘুরে যাওয়া বা উল্টে যাওয়া অর্থাৎ, রাজনৈতিক পরিবর্তন
নিজেই অনেক সময় উল্টো পা এর মতো আচরণ করে।
সর্বকালেই ক্ষমতায় যাওয়ার আগে থাকে জনমুখী , ক্ষমতায় গিয়ে হয়ে পড়ে জনগণবিমুখ এই দ্বৈততা দেখা
গেলেই প্রবাদটি খেটে যায় ।
শুভেচ্ছা রইল
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৫০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ফিউচারে এটা নিয়ে কেচাল হবে । সেটা ১০ কিংবা ১৫ বছর যাই হউক না কেন।
৫|
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭
কিরকুট বলেছেন: যে যায় মক্কায় সে হয় হাজি।
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৫০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সে আর বলতে ।
৬|
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১৪
রাজীব নুর বলেছেন: সূর্যকে দাবিয়ে রাখা যায় না।
হ্যা সাময়িক সময় খারাপ যাচ্ছে।
কবি বলেছেন, মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে।
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৫০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার সময় খারাপ যেতে দেখি না। ভালোই আছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: জোর যার মুল্লুক তার।