নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:০১


সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, আর একই মুহূর্তে ভিডিও পর্দায় দেশের আরও সাতটা জায়গা থেকে একসাথে ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন হয়ে গেল। বরিশাল, সাভার, বগুড়া, সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, সাতটা শহর, একই দিনে, একই মুহূর্তে। খবরটা পড়ে প্রথমে মনে হয়েছিল, আরেকটা স্কুল খোলার খবর হয়তো, এমন তো কতই হয়। তারপর নামটা আবার পড়লাম। আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট। নানারকম ভাবনা মাথায় আসতে শুরু করলো।

দেশে এমনিতেই সত্তর লক্ষের বেশি ছেলেমেয়ে কওমি মাদ্রাসায় পড়ে, রাষ্ট্রের চোখের বাইরে, নিজস্ব বোর্ড, নিজস্ব সিলেবাস, নিজস্ব দুনিয়া নিয়ে। ওখানে কী পড়ানো হচ্ছে, কোন ঘরানার আকীদা মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেটা নিয়ে আমরা বছরের পর বছর চিন্তিত হয়েছি, তারপর একরকম মেনে নিয়েছি, এটা তো সমাজের একটা অংশ, নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। এই অস্বস্তিটা এখনো পুরোপুরি হজম হয়নি, তার মধ্যেই এই খবরটা এলো। আর এবার ব্যাপারটা সমাজের কোনো এক কোণে সীমাবদ্ধ নয়। এবার নাম জড়িয়ে গেল সরাসরি সেনাবাহিনীর সাথে।

একটা স্কুল না, একসাথে আটটা জায়গায় শাখা, একটা জাতীয় নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা। এই স্কেলটাই বলে দেয়, এটা কোনো ছোটখাটো প্রজেক্ট না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এতদিন নিজেকে চিনিয়েছে পেশাদার ও শৃঙ্খলাবদ্ধ একটা প্রতিষ্ঠান হিসেবে। মুক্তিযুদ্ধ দিয়ে জন্ম নেওয়া বাহিনী, নিজের গায়ে কোনোদিন নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় ঘরানার সিল লাগায়নি। আর এখন হঠাৎ তারাই বলছে, আধুনিক শিক্ষার সাথে ইসলামি মূল্যবোধও পড়াবে। কথাটা শুনতে ভালোই লাগে তবে কোন ইসলামি মূল্যবোধ, কোন আকীদা, কোন তরিকা, সেটা কেউ খোলাসা করে বলছে না। ঠিক এই অস্পষ্টতাটাই সবচেয়ে বেশি মনে খচখচ করে। কেউ কেউ বলছেন নির্দিষ্ট একটা কট্টর ঘরানার কথা, কিন্তু এর কোনো নিশ্চিত সূত্র এখনো পাওয়া যায়নি। আসল কথা হলো, নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারছে না, আর এই না বলতে পারাটাই আসলে সবচেয়ে বড় সমস্যা।

একটা প্যাটার্ন হঠাৎ মনে পড়ে গেল। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী, আইআরজিসি, তাদের নিজস্ব একটা বিশ্ববিদ্যালয় আছে। নাম ইমাম হুসেইন ইউনিভার্সিটি। সেখানে সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আদর্শিক ও ধর্মীয় প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়, আর বাহিনীর প্রতিটা শাখা, প্রতিটা প্রতিষ্ঠান চলে এই একটা কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের অধীনে। লক্ষ্য একটাই, প্রতিটা সদস্যকে বিপ্লবের আদর্শে গড়ে তোলা, যাতে তারা শুধু সৈনিক না থাকে, বিপ্লবের একনিষ্ঠ সেবক হয়ে ওঠে। এখন বাংলাদেশে যেভাবে সেনাবাহিনী নিজেই একটা ব্র্যান্ডেড ধর্মীয় শিক্ষা নেটওয়ার্ক দাঁড় করাচ্ছে, একসাথে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তার করার পরিকল্পনা নিচ্ছে, এই কাঠামোগত মিলটা চোখ এড়ানো কঠিন। আর মজার ব্যাপার হলো, ইরানের সেই প্রতিষ্ঠানও শুরুতে নিজেকে এভাবেই পরিচয় দিয়েছিল, শিক্ষা আর নৈতিকতার কথা বলেই, কোন মতাদর্শ শেখানো হবে সেটা প্রথমে খোলাসা করেনি কেউ।

একটা পেশাদার বাহিনী আর একটা আদর্শিকভাবে চালিত বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মধ্যে যে দূরত্বটা থাকার কথা, সেটা যদি মুছে যেতে শুরু করে, তাহলে সেই বাহিনী আর সবার বাহিনী থাকে না। হয়ে যায় নির্দিষ্ট একটা মতাদর্শের বাহিনী। আর একটা মতাদর্শচালিত বাহিনীর হাতে অস্ত্র থাকাটা যেকোনো রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক, কারণ তখন সেই বাহিনী আর রাষ্ট্রের রক্ষক থাকে না, হয়ে যায় একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষক। আর এই বদলটা রাতারাতি হয় না। একটা স্কুল দিয়ে শুরু হয়, তারপর কলেজ, তারপর বিশ্ববিদ্যালয়, তারপর সেই প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররাই একদিন বাহিনীর ভেতরে ঢুকে ধীরে ধীরে নেতৃত্বের জায়গায় চলে আসে। যখন এমন ঘটতে শুরু করে তখন প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বোর্ড কারা চালাচ্ছে, কার টাকায় চলছে, এই প্রশ্নগুলো তোলাও কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ ততদিনে বাহিনীর ভেতরেই তার নিজস্ব একটা সমর্থক গোষ্ঠী তৈরি হয়ে যায়।

কওমি মাদ্রাসার প্রসঙ্গ না টেনে উপায় নেই। কওমি মাদ্রাসার প্রভাব যতই উদ্বেগজনক হোক, সেটা থেকে যায় সমাজের ভেতরে, রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ক্ষমতার বাইরে। কিন্তু সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, যার হাতে অস্ত্র আছে, ক্ষমতা আছে, আর এই দেশে সেনাবাহিনী বহুবার সরাসরি ক্ষমতায় হাত দিয়েছে। কওমি মাদ্রাসার ছাত্রদের নিয়ে আমরা যে উদ্বেগ এতদিন প্রকাশ করেছি, সেই একই ধরনের কট্টরপন্থা যদি এখন রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ভেতরেই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ঢুকে পড়ে, তাহলে সেই উদ্বেগটা আর সমান থাকে না, হাজারগুণ বেড়ে যায়। একদিকে সমাজে কট্টরপন্থার বীজ, অন্যদিকে সেই একই ধরনের চিন্তা যদি বাহিনীর ভেতরেও গেঁড়ে বসে, দুটো মিলে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

সত্যি কথা বলতে, এখনো আমরা নিশ্চিতভাবে জানি না এই প্রতিষ্ঠান আসলে কোন ধর্মীয় ঘরানা অনুসরণ করবে। কারা এর অর্থায়ন করছে, সেটাও জানি না। পাঠ্যক্রমে ঠিক কী পড়ানো হবে, তারও কোনো স্পষ্ট বিবরণ নেই। প্রকাশ্যে যা বলা হয়েছে সবই সাধারণ শব্দে মোড়ানো, মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা, নৈতিকতা, আদর্শ নাগরিক। কথাগুলো শুনতে ভালো, কিন্তু কিছুই বলে না। আর ঠিক এই অস্বচ্ছতাটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। দাবিটা প্রমাণিত না, এটা ঠিক। কিন্তু আশঙ্কাটা অমূলকও না।

যতদিন না প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বোর্ড, শিক্ষক নিয়োগ, পাঠ্যক্রম আর অর্থায়নের উৎস প্রকাশ্যে আসছে, ততদিন এই প্রশ্নগুলো আমাদের তুলেই যেতে হবে। কারণ একটা জাতির সেনাবাহিনী শুধু একটা প্রতিষ্ঠান না। সেটা পুরো রাষ্ট্রের শেষ ভরসা। আর সেই ভরসার জায়গাটায় যদি কোনো নির্দিষ্ট মতাদর্শ ধীরে ধীরে ঢুকে পড়ে, তার মূল্য দিতে হবে গোটা জাতিকে, বহু বছর ধরে ।

আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান-বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ফটোকার্ড : ইন্টারনেট ।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:১৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আধুনিক শিক্ষার সাথে ইসলামি মূল্যবোধও পড়াবে।
...................................................................................
স্বাভাবিক ভাবে মনে হয় বিষয়টি অতি সাধারন ।
কিন্ত আর্মি কেন এই উদ্যোগ নিবে ? শিক্ষা মন্ত্রণালয় কি ঘাস কাটতে গেছে ?
আমি যতটুকু জানি, এই সেনাপ্রধান ৫ই অগাষ্ট'২৪শে ইসলামী জাতীয় সরকার
গঠন করতে চেয়েছিল, কিন্ত ডীপ ষ্ট্যাটের চাপে ইউনুসকে মেনে নিতে হয়েছিলো ।
উনার এই উদ্যোগের পিছনে কে কারা আছে অচিরেই জানা যাবে ।
তবে তুরস্কর সমর্থন থাকার সম্ভাবনা বেশী ।

২| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২৪

ক্লোন রাফা বলেছেন: ওয়াকা ওয়াকা মাদ্রাসার/ প্রিন্সিপাল হিজড়া সম্প্রদায়ের প্রধান!

৩| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:০৯

মাথা পাগলা বলেছেন: সেনাবাহিনীর চাকরি করে কি রাজনীতি করা বৈধ? পাকি মিলিটারির সাথে ক্যুতে ছিলেন এখন ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন। সবার আগে নারী শিক্ষা নিষিদ্ধ করতে হবে।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা অজনপ্রিয় আর অবৈধ ভাবে পুনরায় ক্ষমতা দখল না করলে এত কিছুই হতো না । আরো দাও বাড়িয়ে মিলিটারি বাজেট বাড়িয়ে, কওমীদের দাওরাহ হাদীস সনদ ...।

৪| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩১

রাজীব নুর বলেছেন: আধুনিক শিক্ষা ব্যস্থার সাথে ইসলাম সাংঘর্ষিক। দুটা একসাথে যায় না।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এভাবে বলা ঠিক নয় । ইসলামিক শিক্ষা নেন সমস্যা নেই তবে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা বেশি বেশি আলোচনা হওয়া দরকার । কিছুই তো দেখছি না ।

৫| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫

এম ডি মুসা বলেছেন: বাংলাদেশের বাংলাদেশ জাতি হিসেবে আজ আমরা পরিশুদ্ধতা হওয়া প্রয়োজন ্ বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছে? একটা আন্দোলনই বাকি আছে। সেটা হচ্ছে পরিশুদ্ধতার আন্দোলন মনস্তাত্ত্বিক পরিশুদ্ধতা?

৬| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৫

অগ্নিবাবা বলেছেন: গাজওয়াতুল হিন্দ হবে, আল্লাহর রহমতে মুসলমান বাহিনীর হাতে ভারতের কাফের মালাউনরা পরাজিত হবে। গনিমতের মাল হিসাবে আপনি রাশ্মিকা মান্দানা পাইবেন, আপনাদের তো পোয়া বারো।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: গাজওয়াতুল হিন্দ হলে কয়েকজন ভারতীয় শেফ(পুরুষ) গনিমতের মাল হিসাবে হিসাবে নিয়ে আসবো। ভারতীয় খাবার খুবই ভালো লাগে ।

৭| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: সেনাছাউনির উর্দিধারীরাও এখন আর নিরাপদ রইলো না।

এখন থেকে বুলেটপ্রুফ ভেস্টের সাথে লৌহ নির্মিত আন্ডারওয়্যারও (চাড্ডি) তেনাদের জন্য ইস্যু করতে হবে।

৮| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬

শ্রাবণধারা বলেছেন: তেহেরানের ছায়া নয়, আইএসআই আর সিআইএর প্রজেক্ট বলে মনে হচ্ছে। আপনার হয়ত জানা আছে যে আইএসআই আর সিআইএ আফগানিস্তানে আল কায়েদা সৃষ্টি করেছিল?

বাংলাদেশে দুইটা সরকার চলছে বলে মনে হচ্ছে - বাহিরে একটা - যেটার চেহারা কিছুটা হলেও গণতান্ত্রিক যেটার নেতা তারেক রহমান, ভিতরে আইএসআই যার নেতা রাজাকার গোলাম আযমের ছেলে আযমী।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমার প্রথমেই মনে এসেছে ইরানের কথা ...। পাকি তো পিছনে আছেই ।

৯| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:২০

অর্ক বলেছেন: ওই প্রজেক্টেরই অংশ ৫ই আগস্ট; শেখ হাসিনাকে সরানো, সাংবিধানিক শূন্যতা, সিস্টেম অচল করা, দেশ অচল করা—এই ব্যাপারটা আপনার বাঙ্গু মোমিন মস্তিস্কে ঢুকছে না। ওইসব কোটাফোটা, দূর্নীতি, গুম-খুন সমস্ত আসলে প্রোপাগান্ডা। ২৪ ঘন্টা সবখানে বিরোধী দলের লোকেরা সরকার, শেখ হাসিনা, এমনকি বঙ্গবন্ধুরও বেলাগাম সমালোচনা, গালিগালাজ করতো। আমি নিজে শুনেছি সেসব। কার মুখে কবে শেখ হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরেছিলো। আসমান থেকে ফেরেশতারা এসে দেশ চালায় না। সরকারের ভালোমন্দ দুটোই থাকে। বেশকিছু গণতান্ত্রিক দেশে দীর্ঘসময় ধরে একই পার্টি, একই ব্যক্তি সরকার চালাচ্ছে। এর মানেই তারা স্বৈরাচার না। ভোটের মাধ্যমে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই তারা কাজ করছে। বিরোধী পক্ষ সেখানে ষড়যন্ত্র, রক্তপাত, অরাজকতা, নাশকতার মাধ্যমে এভাবে ক্ষমতা দখল করে না। যাই হোক জুলাই ভুয়া। ষড়যন্ত্র। জঙ্গি, সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিলো দেশে। সাধারণ মানুষদের জিম্মি করা হয়েছিলো। নাজুক বয়সের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আমরা সভ্য, সচেতন, দেশপ্রেমিক নাগরিক শেখ হাসিনার সাথেই আছি। শেখ হাসিনা মানেই গণতন্ত্র, সুশাসন, উন্নয়ন। শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড়ো ভুল কট্টরপন্থীদের প্রশ্রয় দেয়া। এগুলো নিয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে আছে।
ধন্যবাদ।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা মিলিটারী বাজেট বাড়িয়ে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন । কওমীদের দাওরাহ হাদীস কে মাস্টার্স এর সমমান করার পর কওমী মাদরাসা ডাবল হয়েছে ।

১০| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:২০

কিরকুট বলেছেন: :D

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ওয়াকার উজ জামান চাকুরি বাচাতে এসব করছেন ।

১১| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬

ডার্ক ম্যান বলেছেন: সেনাবাহিনীর ভিতর একসময় বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা গড়ে উঠেছিল। সামনে ইসলামি বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা গড়ে উঠবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.