নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

একজন লা-মাযহাবিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কারণ কী ?

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩২


আজকে নতুন চারটি মুখ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলো। এর মধ্যে একজনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে । বলছি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকনের কথা। তিনি একজন লা মাযহাবি বা আহলে হাদিস ঘরানার আলেম বলে তার বিরোধীরা অভিযোগ করছেন। এই ঘরানার আলেমদের সঙ্গে দেওবন্দি ঘরানার আলেমদের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় মতপার্থক্য রয়েছে। আমি লা মাযহাবি বলতে যেটা বুঝি, সেটা হলো নির্দিষ্ট কোনো মাযহাব অনুসরণ না করে সরাসরি কোরআন ও হাদিসের দলিলকে প্রাধান্য দেওয়া। পীর মাশায়েখ প্রথা, তাবলিগ জামাত এবং চার মাযহাব অনুসরণের ব্যাপারেও এই ধারার সঙ্গে দেওবন্দি হানাফি আলেমদের মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে।

লা মাযহাবি বা আহলে হাদিস আর দেওবন্দি ঘরানা এক জিনিস নয়। হেফাজতের বড় অংশ দেওবন্দি হানাফি ধারার সঙ্গে যুক্ত। তারা তাসাউফ বা আত্মশুদ্ধির চর্চাকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে না। তবে মাজারকেন্দ্রিক এমন অনেক প্রথার সমালোচনা করে যেগুলোকে তারা বিদআত বা শরিয়তবিরোধী মনে করে। অন্যদিকে আহলে হাদিস ধারার সঙ্গে এসব বিষয়ে বিরোধ আরও তীব্র। মাজার, পীরের হাতে বায়াত, মিলাদ কিয়াম, ওরস কিংবা কিছু প্রচলিত ধর্মীয় প্রথাকে তারা অনেক বেশি কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে। তাবলিগ জামাত নিয়েও তাদের আপত্তি রয়েছে। এমনকি নামাজের কিছু ছোটখাটো বিষয় নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিতর্ক আছে।

বাংলাদেশের অনেক জায়গায় মসজিদ পর্যায়েও এর প্রভাব দেখা যায়। হাত কোথায় বাঁধা হবে, রফয়ে ইয়াদাইন করা হবে কি না, আমিন জোরে বলা হবে নাকি আস্তে বলা হবে, এসব ছোটখাটো বিষয় নিয়েও দুই ধারার মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। কখনো কখনো সেই মতবিরোধ স্থানীয় পর্যায়ে বড় ধরনের সংঘাতেও রূপ নেয়। তবে এটাও মনে রাখা দরকার, দেওবন্দি, আহলে হাদিস কিংবা বেরেলভি সবাই নিজেদের সুন্নি ইসলামের অংশ হিসেবেই দেখে। তাই এটাকে মুসলমান বনাম অমুসলমানের বিরোধ হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটা মূলত সুন্নি ইসলামের ভেতরের ফিকহি, আকিদাগত এবং ধর্মচর্চার পদ্ধতি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক।

বাংলাদেশে এই বিতর্কের সঙ্গে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িয়ে আছে। সেটা হলো মাজার সংস্কৃতি। বেরেলভি বা সুফি ঘরানার মানুষের মধ্যে মাজার, খানকা, ওরস, মিলাদ এবং পীর মুরিদির একটি শক্তিশালী সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কৃতি রয়েছে। অন্যদিকে দেওবন্দি আলেমরা মাজার সংস্কৃতির অনেক জনপ্রিয় প্রথার কঠোর সমালোচনা করেন। আর আহলে হাদিস ধারার অনেক আলেম এসব প্রথাকে আরও বেশি কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। অনেকের মাঝে এটা নিয়েই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ও শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে বেরেলভি বা সুফি-মাজারপন্থী গোষ্ঠী। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে সারাদেশে একশরও বেশি মাজার ভাঙচুর করা হয়েছে, এমনকি কবর থেকে লাশ তুলে পুড়িয়ে দেওয়ার মতো নজিরবিহীন ঘটনাও ঘটেছে। এখন যদি রাষ্ট্রে কওমি এবং সালাফি-উভয় কঠোরপন্থী ধারা সরকারের উপর প্রভাব রাখে , তবে বেরেলভি ধারার যে লোকজ সুফি সংস্কৃতি, তার ওপর চাপের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে । এর পাশাপাশি আহমদিয়া সম্প্রদায়ের ওপর সামনে সামনের দিনগুলোতে কী ধরণের ধর্মীয় চাপ নেমে আসে, তা নিয়েও গভীর উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

ধর্মমন্ত্রী হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে কুমিল্লার শাহ মোফাজ্জেল হোসাইন কায়কোবাদকে রেখেছে। তার ধর্ম মন্ত্রণালয়ে কাজ করার পুরনো অভিজ্ঞতাও রয়েছে। একই মন্ত্রণালয়ে আবার একজন প্রতিমন্ত্রী দেওয়ার প্রয়োজনটা কী? ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতো একটি স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ে এমন দুইজন মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাদের ধর্মীয় গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেম সমাজের ভিন্ন ভিন্ন অংশের ভিন্ন ধারণা রয়েছে। এখানে সরকারের উদ্দেশ্য পরিষ্কার না।

সরকার কি ধর্মীয় সমাজের বিভিন্ন ধারার মধ্যে একটা ভারসাম্য তৈরি করতে চাইছে? নাকি দুই পক্ষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে রাজনৈতিকভাবে সবাইকে সন্তুষ্ট রাখতে চাইছে? নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনো পরিকল্পনা আছে? এখন পর্যন্ত সেটা বোঝা যাচ্ছে না। বরং লিংকনের নিয়োগের পর যে ধরনের প্রতিবাদ শুরু হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে সরকার ধর্মীয় রাজনীতির একটি সংবেদনশীল জায়গায় হাত দিয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে আরেকটি বাস্তবতা আছে। এখানে শুধু প্রশাসনিক দক্ষতা দিয়ে সবকিছু বোঝা যায় না। ধর্মীয় সমাজের সঙ্গে কাজ করার জন্য সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যখন মন্ত্রণালয়টি মসজিদ, মাদ্রাসা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হজ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন আলেম সমাজের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে। নতুন চারজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হওয়ার পর মন্ত্রিসভার আকার অর্ধশতক পার করেছে। সরকারকে তাই হাফ সেঞ্চুরির জন্য অভিনন্দন জানাতেই হয়।

দেশের অর্থনৈতিক সংকটের সময় যখন সরকার ব্যয় কমানোর কথা বলছে, তখন ৫৪ জনের মন্ত্রিসভা দেখে আমার মতো অনেকেরই একটু খটকা লাগবে। সরকার আসলে খরচ কমাতে চাইছে, নাকি আরও বেশি মানুষকে দায়িত্ব দিয়ে প্রশাসনিক খরচ বাড়াতে চাইছে, সেটা বোঝা যাচ্ছে না। অবশ্য সরকার যদি প্রমাণ করতে পারে যে অতিরিক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দেওয়ার ফলে প্রশাসনিক কাজে গতি এসেছে, তাহলে সমালোচনার কিছু থাকবে না। কাজের ফলাফলই শেষ কথা। কিন্তু যদি দেখা যায় মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা বাড়ল, অথচ সাধারণ মানুষের জীবনে তার কোনো প্রভাব পড়ল না, তাহলে এই নিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এই জটিলতার পাশাপাশি প্রশাসনিক মূল চালিকাশক্তি ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে কেন্দ্র করে পুরাতন খেলা চালু হয়ে গেছ। সেখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রভাব সুসংহত হচ্ছে । ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিশাল নেটওয়ার্ক, ফান্ড এবং জেলা-উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত মসজিদভিত্তিক পরিকাঠামো ব্যবহার করে দলটি নীরবে রাজনৈতিক ও আদর্শিক ঘাঁটি মজবুত করছে। চট্টগ্রামে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত কর্মসূচির বিরুদ্ধে বেরেলভি আলেমদের অতীতে প্রতিবাদ করতে দেখা গেলেও, গত ৫ই আগস্টের পরবর্তী পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে গেছে এবং সেখানেও একচ্ছত্র আধিপত্য তৈরি হয়েছে।

শামীম কায়সারকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করায় প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম-ইত্তেফাক ডিজিটাল ডেস্ক

ফটোকার্ড ক্রেডিট : মাইটিভি








মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:০০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সেটা হলো নির্দিষ্ট কোনো মাযহাব অনুসরণ না করে
সরাসরি কোরআন ও হাদিসের দলিলকে প্রাধান্য দেওয়া।

................................................................................
আমি মনে করি এরাই সঠিক পথ নির্ধারনে কাজ করছে,
তাহলে নিয়োগ সঠিক হয়েছে এবং দ্রুত ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে
নিরপেক্ষ করতে হবে ।

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লা-মাযহাবিরা সঠিক ? আমরা তো হানাফি মাযহাব ফলো করি ।

২| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৩০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




ধর্ম মন্ত্রণালয়ে সব ধর্ম মতের মানুষদের স্থান দেওয়া উচিৎ।

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এটা বাংলাদেশে সম্ভব নয় ।

৩| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৫

নতুন বলেছেন: হাত কোথায় বাঁধা হবে, রফয়ে ইয়াদাইন করা হবে কি না, আমিন জোরে বলা হবে নাকি আস্তে বলা হবে, এসব ছোটখাটো বিষয় নিয়েও দুই ধারার মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। কখনো কখনো সেই মতবিরোধ স্থানীয় পর্যায়ে বড় ধরনের সংঘাতেও রূপ নেয়।

আরব দেশ ইসলামের শুতিকাগার সেখানে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ী নাই। এতো টুপি নাই। যেহেতু তারা আথিক ভাবে সচ্ছল তাই রাতা ধর্ম বেচে খায় না।

এই উপমহাদেশে ধর্মীয় চেতনা বিক্রি করে বিরাট একটা জনগোস্ঠি করে টেকে খাচ্ছে। তাই এখানে সবাই অন্যদের জান্নাতের পথ দেখাতে ব্যস্ত। B-)

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নতুন দাদু টেনশনে আছি। চিটাগাং এর মানুষ হিসাবে আমরা সুন্নীদের ভালো পাই । ওয়াহাবী, জামাতি , সালাফিদের নিয়ে আমাদের উদ্বেগ কাজ করে । ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি একজন নিরপেক্ষ জামাতি । :-B

৪| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




@নতুন,

ইসলাম মানুষকে বিভক্ত করতে নিষেধ করেছে।
অথচ, মুসলমানরা নিজেদেরকে বিভক্ত করছে।

গোলকধাঁধাটা কি ধরতে পেরেছেন? :)

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তিনি এসব ভালোই জানেন ।

৫| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: নতুন দাদু টেনশনে আছি। চিটাগাং এর মানুষ হিসাবে আমরা সুন্নীদের ভালো পাই । ওয়াহাবী, জামাতি , সালাফিদের নিয়ে আমাদের উদ্বেগ কাজ করে । ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি একজন নিরপেক্ষ জামাতি । :-B


ইসলামে বর্তমানে ৭৪-৭৫ ফেরকা।

হাদিসের সংকলন অনেক পরে হইছে তাই কোরান অনলী বর্তমানে মার্কেট পাচ্ছে বেশি। সামনে আরো বেশি জনপ্রিয় হবে।

আধুনিক মানুষেরা কোরান অনলী তরিকার অনুসরন বেশি করবে। এতে মাজহাবী কট্টরপন্হার আইনের বাইরেই কোরানের নিয়ম মেনে আধুনিক ইসলামের বিশ্তার বাড়বে। B-)

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এখন অনেকে দেখি হুজুর বিমুখ হয়ে গেছেন । এ আই কে নতুন শায়েখ ডাকছেন ।

৬| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭

নিমো বলেছেন: কাফির, তাগুতি, মালাউন, ইহুদি, নাসারা শেষে এবার কি খারিজিদের পালা? নবীর মৃত্যুর পর প্রায় ৬০ এর অধিক গৃহযুদ্ধ হয়েছিল। এমনকি এখনকার তালিবানদের মধ্যেও ভাগ আছে। একবারতো ধর্মের নামে দেশ হয়েছিল ১৪০০ মাইলের দুস্তর ব্যবধান তাতে কমে নি। এখন আবার অন্ধকারের একশ বছরের হাতছানি। চালিয়ে যান। সর্বকালের সবচেয়ে বোকাচোদা প্রজন্মের সাফল্যের পতাকা বহমান থাকুক।

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দেখেন যা ভালো মনে হয় ।

৭| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫

নতুন বলেছেন: সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
@নতুন, ইসলাম মানুষকে বিভক্ত করতে নিষেধ করেছে।
অথচ, মুসলমানরা নিজেদেরকে বিভক্ত করছে।
গোলকধাঁধাটা কি ধরতে পেরেছেন? :)


দুনিয়াতে সবার উপরে ক্ষমতা আর সম্পদ বড় বাকী সবই বাহানা মাত্র।

ধর্মও সৃস্টি হয়েছিলো মানুষকে নিয়ন্ত্রনের হাতিয়ার হিসেবে। দুনিয়াতে প্রায় ১০ হাজারের মতন ধর্ম মত এসেছে।

আমাদের দেশের মানুষের আইকিউ কম তাই এদের ভয় ধর্মভয় দেখিয়ে অনুগত করে তাদের কাজ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়াই সকল ফেরতার প্রধান উদ্দেশ্য।

যেখানে টাকা পয়সা আয়ের সুযোগ থাকবে সেখানে নতুন দোকান চালু হবে। - আপনি ব্যাবসার হিসাবটা খুবই ভালো জানেন।

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দিনে দিনে বিজনেস বেড়েই চলেছে ।

৮| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫২

কিরকুট বলেছেন: আমার মতে ধর্ম মন্ত্রী হওয়া উচিৎ শ্রী গোবিন্দ কুমার পাল বা জন এ্যলবার্ট নামের কেউ ।

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী এডলফ খানের মতো কেউ হলে মেনে নিতেন ?

৯| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:১৩

মাথা পাগলা বলেছেন: হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-জৈন এদের নিয়ে ভাবার সময় নাই। তারেক রহমান সৌন্দর্যবর্ধনের নামে সংসদের দেয়ালে কালেমা লেখার নির্দেশ দিয়েছেন। বাপের মতো ছেলেও বুঝে গেছে - পাকিস্তানপন্থীদের ল্যাঞ্জা ধরে না রাখলে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভারতের ল্যাঞ্জা ধরা উচিত ছিলো।

১০| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৭

নতুন বলেছেন: @মাথা পাগলা ভাই। তারেক রহমান সহ সকল শাসক ধর্মিয় কাড ব্যবহার করে।

ম্যাকিয়াভেলির মতে একজন শাসকের জন্য ধর্ম একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক হাতিয়ার হতে পারে।

১. শাসকের উচিত প্রকাশ্যে ধর্মপ্রাণ ও ধর্মকে সম্মানকারী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করা।
২. ধর্ম জনগণের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও আনুগত্য তৈরি করতে পারে।
৩. ধর্ম শাসকের বৈধতা ও জনগণের আস্থা বাড়াতে সাহায্য করে।
৪. তবে শাসককে শুধু ধর্মীয় নীতির কারণে নিজের ক্ষমতা বা রাষ্ট্রকে বিপদে ফেলা উচিত নয়।
৫. প্রয়োজনে রাষ্ট্রের স্বার্থে শাসককে ধর্মীয় নীতির বিপরীত সিদ্ধান্তও নিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।
৬. অর্থাৎ, ম্যাকিয়াভেলির কাছে ধর্মের রাজনৈতিক মূল্য ও প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ; শাসকের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের চেয়ে রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার কথা সঠিক ।

১১| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: এখন অনেকে দেখি হুজুর বিমুখ হয়ে গেছেন । এ আই কে নতুন শায়েখ ডাকছেন ।


এখন কেউ যা ইচ্ছা কিতাবে আছে বলে পার পাবে না। মোবাইলেই এআই এ জিগাইলেই কয়েক সেকেন্ডেই ব্যক্ষা পাবে।

আর মাজার ব্যবসা মন্দা যাচ্ছে, মাদ্রাসা ব্যবসা ভালো। কিন্তু ওয়াজ আর হালাল বিনিয়ো্গ ব্যবসার প্রসার পাবে।

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শায়েখ এআই জিন্দাবাদ ।

১২| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৭

মাথা পাগলা বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভারতের ল্যাঞ্জা ধরা উচিত ছিলো।

সহমত, তারেক সাহেব যাবো যাবো করেও ভারতে আর যাচ্ছেন না। মনে হয় সফর বাতিল করেছেন। জ্বালানীর মতো সামনে পানি সমস্যা হলে "সব দোষ হাসিনার" নিয়ে কথা বলা যাবে।

অন্যদিকে কানাঘুসা চলছে ইমারান খানের সাথে ডিপস্টেট সমঝোতা করে ফেলেছে। শেখ হাসিনার সাথে এমন কিছু হচ্ছে কি? হাসিনা পতনের পর লীগের কনফিডেন্স এবং লীগের জনগণের সাপোর্ট এখন সবচেয়ে বেশি।

@নতুন ভাই

ধর্মের সাথে তাল দিয়ে সরকার চলে বলেই বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তানের মতো দেশেগুলার আশানুরূপ উন্নতি হয় না। তৌহিদী জনতারা যেকোন আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি অ্যাক্টিভ, শুধুমাত্র মাদ্রাসায় ধর্ষণ হইলে প্রতিবাদের বদলে শয়তানের করাইসে বলে শয়তানের ঘাড়ে দোষ চাপাইয়া দেয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশগুলাতে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ। কারণ সেক্যুলার আধুনিক সমাজে মাইকে নিজের ধর্মকে শ্রেষ্ঠ দাবি করার মতো কোনো ধর্মীয় প্রচার করার সুযোগ নাই।

তারেক সাহেব এতোদিন বিদেশে থেকেও সেক্যুলারিজম শিখতে পারেন নাই। অথচ শেখ হাসিনা পতনের পর কথা ছিলো বাংলাদেশে প্রোপার গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনবেন।

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি আপাতত এই বিষয়ে আর কথা বাড়াতে চাই না । সোশাল মিডিয়ায় দেখলাম একজন এডমিন এই নিয়োগের পক্ষে । বেশি হাউকাউ করলে পোস্ট সরিয়ে দেয় না কিনা । :-B

১৩| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৯

নতুন বলেছেন: ধর্মের সাথে তাল দিয়ে সরকার চলে বলেই বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তানের মতো দেশেগুলার আশানুরূপ উন্নতি হয় না।

এইটা কইতে গেলেই তো আপনি নাস্তিক, মুর্রদাদ :|

দেশের প্রায় ৭০ লক্ষ মাদ্রসার ছাত্র, এই ধর্মীয় অন্ধকার সমাজে আরো ছরাচ্ছে।

বাইরের বিশ্বে মানুষ আটিভিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট নিয়ে ভাবছে। আমাদের মাদ্রসাতে পোলাপাইনদের আখেরাত শেখাচ্চে।

একটা মানুষকে কোরানে হাফেজ বানানো কোরানের বিধান না। এটা ফরজ ও না। কিন্তু দেশে কয়েক লাখ মানুষ কোরান মুখস্ত করে বসে আছে, যার অর্থ তারা জানেনা।

ইউরোপের দেশে আধুনিক সেক্যুলার সমাজে মানুষ ভালো আছে।

লা-মাজহাবী ধর্ম মন্ত্রী যদি হেফাজতের ব্যবসার পেটে লাথি মারে তবে আরো অশান্তি বাড়বে। B-)

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: :)

১৪| ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩১

রাজীব নুর বলেছেন: ভাই আজাইরা বিষয়ু গুলোতে আপনার এত আগ্রহ কেন?

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আজাইরা বিষয় নিয়েই মানুষের আগ্রহ বেশি এখন ।

১৫| ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:২২

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আমাকে ধর্ম মন্ত্রানালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে আমি ঠিকঠাকমত দায়িত্ব পালন করতাম। :)

২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:২৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার উপর আমার বিশ্বাস আছে । :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.