নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন বে-শরিয়তি কাজ হতে না দেওয়ায় তৌহিদি জনতাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।

রাসুল (সা.) বলেছেন, দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ। মানুষ এখন তৌহিদি জনতাকে দেশ রক্ষার কাজেও দেখতে চায়। কারণ দেশে এখন এমন কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, যেগুলোর সমাধান করা ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করার চেয়ে একটু বেশি কঠিন হতে পারে।

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগে দেশে নতুন করে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষ এসব জটিল বিষয় বোঝে না। বন্দর বিদেশিদের হাতে দিলে দেশের লাভ হবে নাকি ক্ষতি হবে, সেটা বোঝার মতো জ্ঞান সবার নেই। তাই জনগণকে সঠিক পথ দেখানোর দায়িত্ব এখন তৌহিদি জনতাকেই নিতে হবে। দেশের স্বার্থ রক্ষার মতো মহান কাজে তাঁদের অংশগ্রহণ জাতির জন্য নিঃসন্দেহে কল্যাণকর হবে।

ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের জন্য এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগের প্রতিবাদে বাম সংগঠনগুলো মাঠে নেমেছে। যাদের মানুষ পছন্দ করে না এবং আড়ালে চিংকু বাম বলে ডাকে, তারাই এখন দেশের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত। তাদের রাজনৈতিক শক্তি খুব বেশি না থাকলেও সরকারের মুখে দেশ বিক্রি না করার ঘোষণা শোনা যাচ্ছে। বামেরা অবশ্য এতেও সন্তুষ্ট নয়। তাদের বক্তব্য, একটি লাভজনক টার্মিনাল বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া ঠিক হচ্ছে না। দেশের স্বার্থ নিয়ে বামদের বেশি নাক গলানো ভালো চোখে দেখছি না ।

টার্মিনাল বিদেশিদের হাতে দিলে ভালো হবে নাকি খারাপ হবে, সে বিষয়ে আমার জ্ঞান সীমিত। তবে দেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন থাকা স্বাভাবিক। আবার বিদেশিরা যদি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের চেয়ে ভালোভাবে বন্দর পরিচালনা করতে পারে, তাহলে তাদের বিরোধিতা করারও বিশেষ কারণ দেখি না। দেশে দক্ষ লোকের এমনিতেই সংকট।

ডিপি ওয়ার্ল্ড নাকি ৬৩টি দেশের বন্দর পরিচালনা করে। তাদের অভিজ্ঞতাও নিশ্চয়ই কম নয়। তবে বিদেশিদের হাতে টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার আগে বন্দর ফি ৪১ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়টি মেনে নেওয়া কঠিন। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর পড়লে দেশের স্বার্থ রক্ষার হিসাবটা একটু জটিল হয়ে যায়।

আমার মতো কোটি কোটি মানুষ বন্দর নিয়ে কী হচ্ছে, ঠিকমতো বুঝতে পারছে না। তাই সবাই এখন তৌহিদি জনতার দিকে তাকিয়ে আছে। তাঁরা নিশ্চয়ই এ বিষয়ে একটি পরিষ্কার অবস্থান জানাবেন। শরিয়তে দেশের সম্পদ, বন্দর এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে কী নির্দেশনা আছে, সেটাও জানা দরকার।

সিদ্ধান্তটি দেশের জন্য ক্ষতিকর হলে তাঁরা নিশ্চয়ই প্রতিবাদ করবেন। আর যদি সরকারের সিদ্ধান্ত দেশের জন্য মঙ্গলজনক হয়, তাহলে বামদের সঠিক পথে আনার দায়িত্বও তাঁদের নেওয়া উচিত। এত বড় একটি জাতীয় ঘটনায় বামদের একা মাঠ দখল করে রাখাটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

এই চিন্তা থেকেই আমি কয়েকজন তৌহিদি আলেমকে বন্দরের বিষয়ে কথা বলার অনুরোধ জানিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ নিয়ে তাঁদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু জানার সুযোগ হবে। কিন্তু তাঁদের ব্যস্ততা দেখে কিছুটা হতাশ হতে হলো। বন্দরের চেয়ে তাঁরা বায়তুল মোকাররমের খতিবকে নিয়ে বেশি চিন্তিত। ইমাম সাহেব জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এবং কয়েকজন কওমি আলেমের সমালোচনা করেছেন।

তাঁর বক্তব্য, জামায়াতের পথে গেলে মানুষ গোমরাহীর পথে চলে যায়। যেসব কওমি আলেম জামায়াতের সঙ্গে গেছেন, তাঁরাও পথভ্রষ্ট। এমনকি পুরো কওমি অঙ্গন জামায়াতের সঙ্গে চলে গেলে তাদেরও একইভাবে বিবেচনা করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে ধর্মীয় অঙ্গনে বেশ আলোচনা চলছে। দেশের বন্দর নিয়ে আলোচনা করার মতো সময় আপাতত সবার হাতে আছে কি না, সেটা অবশ্য বুঝতে পারছি না।

জামায়াতও এমন সমালোচনা শুনে চুপ করে বসে থাকার দল নয়। তারা শুক্রবার নামাজের পর ইমাম সাহেবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করতে গিয়ে সাধারণ মুসল্লিদের হাতে ধোলাই খেয়েছে। অন্যদিকে কওমি আলেমরা ইমাম সাহেবকে রক্ষা করতে বায়তুল মোকাররমে অবস্থান নিয়েছেন।

ধর্মীয় দলগুলোর মধ্যে নিজেদের অবস্থান ও বিশ্বাস নিয়ে এত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে যে দেশের অন্যান্য বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এভাবে সবাই যদি একে অপরকে সঠিক পথ দেখানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে দেশের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো দেখার দায়িত্ব কে নেবেন, সেই প্রশ্নটিই এখন সামনে চলে আসে।

তৌহিদি জনতার উচিত দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে নিজেদের মতামত জনগণের সামনে তুলে ধরা। এতে মানুষ ভালো মন্দ বুঝতে শিখবে। অনেকে বলেন, কওমি মাদরাসায় পড়ার কারণে অনেকে আধুনিক বিশ্ব সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা পান না। কেউ কেউ তাঁদের পুতুলের সঙ্গেও তুলনা করেন, যাদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা যায়।

তবে অতীত ইতিহাস থেকে এমন ধারণার পক্ষে খুব বেশি যুক্তি পাওয়া যায় না। বিভিন্ন সাহাবি ও খলিফারা কোরআনের শিক্ষা নিয়ে পরাক্রমশালী রাজ্য পরিচালনা করেছেন এবং বহু ক্ষেত্রে অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। সুতরাং তৌহিদি জনতার পক্ষেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভূমিকা রাখা অসম্ভব নয়।

তবে সে জন্য তাঁদের নিজেদের মধ্যে বিরোধ মেটাতে হবে এবং দেশের বড় সমস্যাগুলোর দিকে নজর দিতে হবে। নারীদের ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা নিশ্চয়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কিন্তু দেশের বন্দর, অর্থনীতি ও জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলোও যে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়, তা নিশ্চয়ই অস্বীকার করা যাবে না।

বামরা যদি দেশের স্বার্থ রক্ষার কথা বলে মাঠে নামতে পারে, তাহলে তৌহিদি জনতারও পিছিয়ে থাকার কারণ নেই। দেশপ্রেম যখন ঈমানের অঙ্গ, তখন দেশের সম্পদ ও অর্থনৈতিক স্বার্থ নিয়ে কথা বলাও নিশ্চয়ই সেই দায়িত্বের বাইরে নয়। আশা করি, অচিরেই তাঁদের মনে শুভ বুদ্ধির উদয় হবে ।

ফটোকার্ড ক্রেডিট : বিডিনিউজ২৪








মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




আপনার লেখাটিতে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ, কৌশলগত সম্পদের সুরক্ষা এবং
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও
ধর্মীয় বিভাজনের পরিবর্তে যুক্তিনির্ভর আলোচনা ও জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো
হয়েছে। তবে বন্দর পরিচালনার সিদ্ধান্তের সুফল-ক্ষতি নির্ধারণে আবেগের পরিবর্তে নির্ভরযোগ্য তথ্য,
স্বচ্ছতা ও বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি বলতে চাইছি আর কতকাল তারা কে সহি আর কে মহী এসব নিয়ে কাইজ্যা করবে ? শরিয়াহ কায়েম করতে চাইলে সব বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে ।

২| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:২৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নারীদের ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা নিশ্চয়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
.............................................................................................
আফগান ও পাকী ভূত যতদিন আছর করে থাকবে,
ততদিন আমাদের কিছু অদ্ভূদ বায়োস্কোপ দেখতে হবে ।

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আফগান আর পাকিরা ভূত হলো কবে ? ভূতেরা কিভাবে শরিয়াহ কায়েম করতে চায় ।

৩| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৩১

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: নারীদের চুলকানী মনে হয়ে একটু বেশিই।তাদের ফুটবলও খেলতে হবে।পাশ্চাত্য বর্বরতা দেশে আমদানি করতে হবে।পুরুষ ফুটবল দলতো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যার্থ,এখন দেখেন নারীদের দিয়ে কিছু করা যায় কিনা,আর নাদুস-নুদুস সুনাদরী সরি সুন্দরি নারীদেরকে বাছাই করবেন,যেন প্রবৃত্তি একটু বেশি আনন্দ পায়।প্রবৃত্তির আনন্দ অসীম।

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জগত সংসার চলছে প্রবৃত্তির কারণে । প্রবৃত্তি না থাকলে সেই মানুষের কোনো মূল্য নেই ।

৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

রোবোট বলেছেন: তৌহিদী জনতার শয়নে স্বপনে কিশোরী-তরুণীদের শরীর। উপরে কমেন্ট দেখেন।

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: একজন অবিবাহিত পুরুষেে শয়নে স্বপনে নারী থাকা অস্বাভাবিক ঘটনা নয় । সব কিছু হরমোনের দোষ ।

৫| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:২২

বাজ ৩ বলেছেন: আপনি বলেছেন
ধর্মীয় দলগুলোর মধ্যে নিজেদের অবস্থান ও বিশ্বাস নিয়ে এত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে যে দেশের অন্যান্য বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এভাবে সবাই যদি একে অপরকে সঠিক পথ দেখানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে দেশের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো দেখার দায়িত্ব কে নেবেন, সেই প্রশ্নটিই এখন সামনে চলে আসে।


দেশের লোকজন কি সব মারা গিয়েছে নাকি,যে ধর্মীয় জটিল এবং কঠিন বিষয়ের দায়িত্বপালনকারীদেরকে অন্যসব বিষয়েরও হাল ধরতে হবে?এক ব্যাক্তি একসাথে কত পথ সামলাতে পারে?আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন কাজের জন্য বিভি্ন লোকজন সৃষ্টি করেছেন।
ধর্মীয় লোকেরা খুব বেশি হলে অন্যবিষয়ে অন্যদেরেক দিকনির্দেশনা দিতে পারে,ধর্মীয় নিয়ম নীতি অনুযায়ী,কিন্তু মাঠ পর্যায়ে একেক কাজের জন্যতো একেক ধরনের লোকজন রয়েছে।

ধর্মীয় লোকেরা কত কষ্ট করেন,তা হয়ত আমরা অনেকেই জানিনা।
ধর্মীয় লোকেরা দুনিয়া থেকে আসমানের অনেক উপরে জান্নাতে পৌঁছানোর জন্য যে গোপন সুরঙ্গ পথ পুলসিরাত রয়েছে,সেটা অতিক্রম করার জন্য অনেক কঠিন কঠিন সাধনা করতে হয়,অন্তরের গোপন পথে।দুনিয়াতেই তারা পরে থাকার লোক নয়।এত কঠিন কাজ করার পরেও দুনিয়ার কাজ কখন করতে বলেন তাদেরকে।

আত্মার সামনে থেকে কাটাসমূহ দূর করার চেষ্টায়ও তারা সদা রত থাকেন।যেমন মেয়েদের ফুটবল খেলা আত্মার পথে কাটা,মুর্তী বানানো আত্মার পথে কাটা,আরো অনেক কাটা রয়েছে।
আমি যেকথা বললাম,একথা বুজতে পারা অবশ্য অনেক কঠিন।সুতরাং মস্তিস্কের উপর চাপ প্রয়োগ করার দরকার নেই,কারন মস্তিস্ক দিয়ে এই কথা বোঝা যাবেনা।


وَاۡمُرۡ اَہۡلَکَ بِالصَّلٰوۃِ وَاصۡطَبِرۡ عَلَیۡہَا ؕ لَا نَسۡـَٔلُکَ رِزۡقًا ؕ نَحۡنُ نَرۡزُقُکَ ؕ وَالۡعَاقِبَۃُ لِلتَّقۡوٰی

আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাযের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোন রিযিক চাই না। আমি আপনাকে রিযিক দেই এবং আল্লাহ ভীরুতার পরিণাম শুভ।


—ত্বা-হা - ১৩২

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি চাই দেশের স্বার্থে তৌহিদি জনতা আমাদের পথ দেখাক। তাহলে শরিয়াহ মেনে নিতে আপত্তি নেই । এভাবে আর এক হুজুর আরেক হুজুরের পিছনে কত লেগে থাকবে ?

৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৩৭

বাজ ৩ বলেছেন: উপরের মন্তব্যটি পড়ৱে শরীরে কাঁপুনি উঠতে পারে,কঠিন আন্তরিক অবস্তায় মন্তব্যটি করেছি, এই মন্তব্যটিসহ উপরের মন্তব্যটি ডিলেট করে দেন

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি অনেকদিন পর কমেন্টস করেছেন । তাই যত্ন করে রেখে দিলাম।

৭| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার রসিকতাটা খুব বেশি একটা জমেনি লেখাটায়। তবে বিষয়গুলো অনেকটা জানলাম আপনার লেখা পড়ে।

কয়েক বছর আগে কানাডার কয়েকটা বন্দর ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা হয়েছিল। বন্দরগুলোর মালিকানা সরকারের হাতে। তবে সরকারের অধীনে কয়েকটি স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বন্দরগুলো পরিচালনা করে।

তবে আবার বন্দরের ভেতরের টার্মিনালগুলো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান লীজ নিয়ে চলায়। ইউনূসের (!) ডিপি ওয়ার্ল্ড এখানেও কয়েকটি টার্মিনাল লীজ নিয়েছে। তবে সেগুলো কঠোরভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির আওতাধীন।

১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি কোনো রসিকতা করছি না । আমাদের তৌহিদি জনতা যদি দেশের সমস্যা সমাধান দিতে পারে না পারে শরিয়াহ কায়েম করবে কিভাবে ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.