| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিংকন বাবু০০৭
ভালবাসি বই পড়তে আর পছন্দ করি টুকটাক লিখতে, ভালো লাগে বুদ্ধিমানদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। দেশটাকে ভালোবাসি। সৎ-পরিশ্রমীদের শ্রদ্ধা করি। । আমার ব্লগ নিয়ে অনেক আগ্রহ আছে। কিন্তু কিছু জানি না। তাই জানতে চাই
Dr. Jahangir kabir স্যারের কোন পরামর্শ বা উপদেশ নতুন কিছু না। আর এগুলো কোন কিছুই তার বানানো না। একেকটির বয়স শত বছর থেকে কিছুর ইতিহাস হাজার বছরের ও।
যদিও সে আমাদের এগুলো নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।
তার প্রেস্ক্রাইব করা ন্যাচারাল তেল, ঘি, চাল, বাদাম, সিড, কফি, গ্রীন টি, আরলি ঘুম, শ্বাসের ব্যায়াম, রোদে যাওয়া, ঘাসে হাটা, ভালো প্রটিন খাওয়া।।
আর প্রসেস আল্ট্রা প্রসেস ফুড বাদ, ফ্যাক্টরি মেইড তেল, মাংস, মাছ, জাংক ফুড বাদ, ---এর চাইতে আর বেশি কিছু না।
তাহলে তার বদনাম করার কিছু তো আমি দেখি না।
তার যোগ্যতা, ব্যাক্তিগত আচরন, কথা, ব্যবহারে সমস্যা থাকতে পারে। তার প্রতিষ্ঠানে মিস মেনেজমেন্ট থাকতে পারে।
আর কোন হাসপাতালে বা কোন ডাক্তারের রুগী মারা যায় না??
আপনি স্যারের কথা গুলো আপনার মত করে মানুন,
আপনার যুক্তি তার থেকে বেটার হলে তার সাথে কথা বলেন,
তার পরামর্শ সবার জন্য এক হবার কোন কারন নাই, মুল কথা আপনার বডি ল্যাংগুয়েজ বঝে সেই পদক্ষেপ নিন।
তার থেকে প্রােডাক্ট কেনার দরকার কি??
স্যার প্রতিদিন এরকম নিন্দুকের কথায় কাউন্টার না দিয়ে নিজের কাজ নিজের মত যেমন ভাবে করছেন সেটাই করা দরকার। আবার কোন ঝামেলায় আমরা Dr. Jahangir kabir স্যারের মত নেয়ামত হারাতে চাই না।
আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুক।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩০
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: অভিনন্দন ভাই, খুব ভাল লিখেছেন! আমি নিজেও একজন ছোড মোড ডাক্তার। আমি একটা ব্যাপারে আমাদের বিশেষ ভাবে অজ্ঞ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের একটা মাত্র প্রশ্ন রাখব, আপনারা ডায়াবেটিসের রোগীকে ডায়েট চার্ট দেন ৩/৪ ঘন্টা পর পর নাস্তা ও মিল খেতে, আর জাহাঙ্গির কবির বলছেন খাওয়ার সময় দীর্ঘ করতে যাতে ৮/৯ ঘন্টা পর পর খাওয়া হয়। অনেক মুসলিম এই নিয়মের কারণে রোজা রাখছেন যেটা তাদের শুধু যে সুস্থতা দিচ্ছে তাই না স্পিরিচুয়ালিও তারা বেটার অবস্থানে আছেন। আর বিশেষ অজ্ঞরা অস্বীকার করার ক্ষমতা রাখেন না বা উনার বিরোধিতা করার জন্য এই উপদেশ দেয়া ছেড়ে দিতেও পারছেন না উনাদের ইগোর কারণে। বার বার খেলে বারবার সুগার স্পাইক বাড়বে যা হার্ট, কিডনি, চোখ এবং ব্রেইনের সর্বোপরি রক্ত সঞ্চালন নালি গুলার রোগ তৈরির জন্য দায়ী। তো সুগার স্পাইক এর ক্ষতি থেকে বাঁচতে চাইলে গ্যাপ দিয়ে খান। শুধু একটা কথা বললাম। এ নিয়ে আরো অনেক কিছু বলা যাবে।