নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন গার্মেন্টস কর্মী

মেহেদী সোহেল

মানুষ হতে চাই। আজ মানুষের বড় অভাব।

মেহেদী সোহেল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ষণ বান্ধব বাংলাদেশ

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:০৭

রাষ্ট্র আপনাকে কি শিক্ষা দিল?
" আপনি যদি কাউকে ধর্ষন করে হত্যা করার পর এক খন্ড জমি আর বিশ হাজার টাকা দিয়ে দেন, তাহলে আপনি গঙ্গা স্নান করে পবিত্র হবার মত পবিত্র হয়ে যাবেন।"

বিরোধী দল কি শিক্ষা পেলেন?
" আপনি ধর্ষণ করে ৪৫ বছর ইসলামী লেবাস ধারন করুন তাহলে পাপ মুক্ত হয়ে যাবেন।"

তথা কথিত ধর্মের ঝান্ডাদারীরা কি শিক্ষা দিল?
" আপনি ধর্ষণ করে মেয়েদের পোষাকের দোষ দিয়ে দিবেন তাহলে তেতুল তত্ত্বের মাধ্যমে আপনার পাপ মোচন করে দিবে"।

আপনার মা বা পরিবার কি শিক্ষা দেয়?
" আমার সোনার ছেলেটাকে ঐ মেয়েটা ছলে কলে ধর্ষণ করতে বাধ্য করে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। ছেলে বিয়ে করতে রাজী না হবার জন্য নিজে আত্মহত্যা করে আমার ছেলেকে ফাসিয়ে দিয়েছে। আর ঐ মেয়ে না মরলে সমাজে মুখ দেখাতো কেমনে?

ডাক্তারদের কাছে কি শিখলাম?
"খুন হয়েছি কিনা এটা বড় কথা না বড় কথা হল ধর্ষিত হয়েছে কি না? আর সমাজের ক্ষমতাবান রক্ষা করার কিভাবে নীতিকে ধুলোয় মিশিয়ে মিথ্যা রিপোর্ট দিতে হয়।"

বিচারালয় আপনাকে কি শিক্ষা দিল?
" আপনি ধর্ষিত হয়ে আদালতে যাবেন সাথে সাথে আইনের বন্ধুদের চোখ ও হস্ত দ্বারা আবার ধর্ষিত হবেন। এরপর মহামান্য আইনজ্ঞদের অমৃত বাক্য বানে আবার ধর্ষিত হবেন। আর শেষ পেরকে ঠুকে দিবে মহামান্য আদালত ধর্ষককে জামিন আর বিচারকার্যকে দীর্ঘায়ু দান করে"

এবার আপনাদের কাছে প্রশ্ন এই ধর্ষক বান্ধব পরিবেশে দিনদিন ধর্ষকের সংখ্যা বাড়াই স্বাভাবিক। এই অবস্থা থেকে পরিত্রানের উপায় একটা সকলের মানষিকতার পরিবর্তন করা। আরে ভাবতে হবে ধর্ষিতা বলে কোন কিছু নাই। আমরা পুরুষরা এ শব্দ তৈরি করেছি। শব্দ একটাই ধর্ষক। মুলকথা ধর্ষণের পর মেয়েরা নয় ধর্ষক সমাজচ্যুত হবে। তবে মেয়েদের অতিরিক্ত সম্মানের নামে বীরঙ্গনা বলা যাবে না। ঘটনা খুবই স্বাভাবিক হিসেবে নিতে হবে যেমন কুকুর কামড় দিলে প্রতিশোধক নিতে হবে আর সাথে সাথে কুকুরকে মেরে ফেলতে হবে। তাই আমরা যদি এই কুলাঙ্গার গুলোকে ফাসির দড়িতে লটকাতে পারি তাহলে এ সমাজকে ধর্ষণ মুক্ত করতে পারব।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:১৯

প্রন্তিক বাঙ্গালী বলেছেন: কেউ শিক্ষা দেয় নি, পরিবেশ থেকেই সবাই শেখছে, মানুষই পরিবেশ তৈরী করছে । এটা হল আমার ব্যক্তিগত মতামত।।
নৈতিক শিক্ষা বড় প্রয়োজন আমাদের।।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:১৯

মেহেদী সোহেল বলেছেন: অবশ্যই নৈতিক শিক্ষা বড় প্রয়োজন আমাদের। তবে সেই শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে নৈতিক শিক্ষা নিয়ে লাভ হবে না এই শিক্ষা দরকার সমাজের, পরিবারের, রাষ্ট্রের ও রাজনৈতিক দলগুলোর।

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৪৪

ডাঃ প্রকাশ চন্দ্র রায় বলেছেন: এখানে আমাদের প্রতিরাধ করার কিছুই নেই। যতদিন প্রতিটি মানুষ আত্মসচেতন হয়ে বিবেকতাড়িত হয়ে জীবন যাপন না করবে ততদিন পরিবেশ আইন রাষ্ট দল কাউকেও দায়ী করে কোন লাভ নেই। রাষ্ট সমাজ দল ধর্ম জোর করে আপনার আমার মনুষত্ববোধ তথা বিবেকজ্ঞান বাড়ায়ে দিতে পারবে না । ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকুন।।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:২২

মেহেদী সোহেল বলেছেন: স্যার আপনার সাথে একমত। তবে পরিবার যদি শিক্ষা না দেয় তাহলে আমাদের মনুষত্ববোধের বিকাশ ঘটবে না।

৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:০৫

মেহেদী সোহেল বলেছেন: আমি আপনাদের সাথে একমত তবে সমাজের কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হবে পরিবর্তনের জন্য। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও পরিবারকে আগিয়ে আসতে হবে।

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৪

নকীব কম্পিউটার বলেছেন: সকলের মানষসকতার পরিবর্তন করা দরকার।

পরিবারই পারে এই শিক্ষা দিতে।

কিন্তু পরিবার তো দায়িত্বহীন।

মানুষের মাঝে নৈতিক শিক্ষার অভাব।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৭

মেহেদী সোহেল বলেছেন: আপনি একদম যথার্থই বলেছেন।

৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:০২

প্রন্তিক বাঙ্গালী বলেছেন: পরিবারের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠান নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে।
আমার জানা মতে প্রতিষ্ঠানে এমন শিক্ষা এখন আর নেই ।এখন প্রতিষ্ঠান পুরোপরি ব্যপসায়িক। শিক্ষার প্রতি মনোযোগ এখন আর প্রতিষ্ঠানের নাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.