নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন গার্মেন্টস কর্মী

মেহেদী সোহেল

মানুষ হতে চাই। আজ মানুষের বড় অভাব।

মেহেদী সোহেল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধাপ্পাবাজ মুক্ত শিক্ষা চাই!!!!!!!

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪

ছাত্রদের আন্দোলনের নীতিগত সমর্থন রেখে বলছি শুধু ভ্যাট বাদ দিলে কি আমাদের মধ্যবিত্তের ছেলে মেয়েদের বাবা-মার কষ্ট লাগব হবে। আর কি কোন দাবী ছিল না আমাদের? অনেক জ্ঞ্যানী গুনীরা বলেছেন ভ্যাট আরোপ করে শিক্ষাকে পন্যে রূপান্তরিত করেছে। আসলে কি তাই? না কি এটা আগে থেকেই পন্য হয়ে গেছে না? সব প্রাইভেট ভার্সিটি বলে তারা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তবে সরকার বলার সাথে সাথে ভ্যাট ফেরত দেবার কথা বলল কিভাবে? তারা কি নিজেদের পকেট থেকে এ টাকা দিবে না লাভের অংশ থেকে দিবে? থুক্কু এরাতো অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তাহলে পকেট থেকে দিয়েছে। কার পকেট থেকে দিল তা না বললে এটাকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান বলতে পারব না। এতদিন কি তারা মিথ্যা বলছে? তাহলে এই মিথ্যাবাদীদের প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আমরা শিখেছি বা তোমরা শিখবা। তাই এসব প্রতিষ্ঠানের ছেলে-মেয়েদের কাছে অশোভন স্লোগান স্বাভাবিক ভাবে শোভা পাবে। আমার বোন একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে চাকরী করে। সে তার বেতন নিয়ে খুবী অসন্তুষ্ট। তাহলে প্রতিবছর যে টিউশন ফি বাড়ে এটা যায় কোথায়।? কারন ওনারো তো অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। বাড়তি টাকা নিশ্চই লাভ হিসেবে নেন না। তাহলে বাড়তি টাকা ওনারা কোন মায়ের ভোগে দেন। এসব কথা জানার অধিকার কি ছাত্রদের নাই। বা এসব কথা জানার জন্য আন্দোলন করার দরকার ছিল না? ভার্সিটি কতৃপক্ষের উচিৎ না প্রতিবছর ছাত্রদের সামনে আয় ব্যয় এর হিসাব প্রকাশ করা। কারন শিক্ষাতো পন্য হতে পারে না অনেক জ্ঞ্যানী একথা বলে সরকারকে তুলোধোনা করে দিয়েছে যদিও তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকদের পেইড জ্ঞ্যানপাপী। বললে পুরো সত্য বলেন অর্ধ সত্য সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
আর সর্বশেষ গতকাল বিকালে এনবিআর ভ্যাটের নতুন সংজ্ঞা দিল যা শুনে আমি নিজে পুরা মালে পরিনত হয়ে গেলাম।
আর এই আন্দোলন দেখে বিরোধী দল রঙিন স্বপ্নে বিভোর হয়ে গিয়েছিল মানে হালে পানি এসেছিল কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিল ফার্মের মুরগী দিয়ে রোস্ট হয় না।
সরকারের কাছে আকুল আবেদন শিক্ষাকে এইসব ধাপ্পাবাজ ও সুদখোরদের হাত থেকের বাচান। ভ্যাট প্রদান করলেও এদের কর্ম হালাল হবে না। আমরা প্রাইভেট ভার্সিটি ছাত্ররা আন্দোলন করতে পারে না এটা যেমন সত্য তেমনি আপনারা মানে সরকার মহাশয়রা ভাল করে জানেন যে প্রাইভেট ভার্সিটির কোন বেতন কাঠামো নাই। সোজাকথা তারা হরিলুট করছে। কেউ কথা বলতে পারছেনা কারন আপনাদের দলের হোমরা চোমরাদের ট্রাস্টি বোর্ড এ বসিয়ে রাখে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পড়াশুনা শেষে চাকরী পাবে কিনা তার নিশ্চয়তা নাই। তারপর ওদের বাবা-মা যদি এই যাঁতাকলে পরে নিষ্পেষিত হয় তাহলে আমরা জনতা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলি। আপনি চাইলে দুদিনে একটি কাঠামো করা সম্ভব যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে। আর মাল সাহেবকে এই দায়িত্ব দিয়েন না কারন ওনার বয়স হয়ে গেছে।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৪৩

বিজন রয় বলেছেন: এদেশে সম্ভব না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.