| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মায়াস্পর্শ
মনের বিপরীতে পার করে এসেছি সহস্রকাল, হঠাৎ এক উদ্ভ্রান্ত অবয়বে বেঁচে থাকি এপার ওপার।
ভাবছিলাম, লিখবো কি লিখবো না। ব্লগে এমন লেখা কেউ হয়তো খুব একটা লেখেন না।
‘ঘ্রাণ’, আমার একটা নেশা। তবে সাধ্য অনুযায়ী আমি সস্তায় ঘ্রাণ (আতর, পারফিউম, বডি স্প্রে) ব্যবহার করি। আমার সর্বোচ্চ ব্যবহার করা একটা পারফিউম ছিল Sauvage Dior। ওটা কিনে আমি আর্থিক সংকটে পড়ে গিয়েছিলাম। ঐ যে বললাম, নেশা—তাই কিনেছিলাম।
প্রতিটি ঘ্রাণ একেকটা স্মৃতি। এই যেমন তিব্বত আতর। বাবা গায়ে দিতেন, এখন আর তেমন কাউকে মাখতে দেখি না। একদিন বায়তুল মোকাররমের সামনে দিয়ে হাঁটছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়লো সেই তিব্বত আতরের শিশি। সামনে এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, দাম কত? ৭০ টাকায় কিনে নিলাম।
আব্বু যখন ফজর নামাজ পড়ে বাইরে যেতেন কাজের জন্য, তখন ওই তিব্বত আতর গায়ে মাখতেন। ১৯৯৯ সালে টাইম ট্রাভেল করে এলাম সেই আতরের ঘ্রাণ নাকে নিয়ে।
একটা পাগলামির গল্প শোনাই।
একদিন অফিস শেষ করে বাসায় ফিরছিলাম। বাংলামোটর থেকে বাসে উঠে গুলিস্তান গিয়ে নামি প্রতিদিন। তারপর সেখান থেকে আবার বাস অথবা বাইকে করে বাসায়। সেদিন স্যালারি ক্রেডিট হয়েছে। প্রচণ্ড জ্যামের কারণে সচিবালয় নেমে গেলাম। রাস্তা পার হয়ে ভাবলাম, পল্টন দিয়ে শর্টকাট মেরে গুলিস্তান চলে যাই। তাই করলাম।
মনে হলো, দেখি কোনো নতুন আতর পাই কিনা। বায়তুল মোকাররমের মার্কেটের ভেতর গেলাম। এই দোকান, সেই দোকান ঘুরে কিছুই ভালো লাগলো না।
একটা ছোট্ট দোকান, সর্বোচ্চ দেড় হাত স্কয়ার হবে। দোকানদার ডাক দিয়ে বললেন, কী লাগবে? বললাম, ভাই, আতর খুঁজছিলাম, একটু ভালো টাইপ।
লোকটা একটা কাছের ঝলমলে শিশি বের করে বললেন, হাত দেন। দিলাম। শিশির কাঁচের সিপিটা নিয়ে হাতে ছুঁয়ে দিলেন। নাকের কাছে নিয়ে এসে আমি হাতটা ৩ থেকে ৪ মিনিট আর নাক থেকে সরাতে পারলাম না।
না আতর, না পারফিউম, না জেন্টস, না লেডিস। এত সুন্দর ঘ্রাণ এ জীবনে আর পাইনি।
লোকটা বললো, প্রতি ml ৩৫০ টাকা। স্বভাবগত কারণেই একটু দামাদামি করে ৩০০ টাকা ml করে নিয়ে নিলাম ৬ মিলি।
তাকে জিজ্ঞেস করলাম, এটার নামটা বলে দিন। উনি বললেন, নাম জানেন না। তার দোকানে এলেই পাওয়া যাবে। বাসায় ফেরার তাগিদ থাকায় উনার দোকানের একটা কার্ড নিয়ে চলে এলাম।
চলতে থাকলো আমার সেই আতর গায়ে-হাতে মেখে সানন্দে চলাফেরা। আমি যেন একটা নেশার মধ্যে পড়ে গেলাম, একটা মায়া। আশেপাশের অনেকেই জিজ্ঞেস করতো যে কী দিয়েছি গায়ে।
হালকা বাতাস শরীরে লাগলেই যেন সেই ঘ্রাণ একটা সুখের সাগরে ভেসে নিয়ে যায়, মাথায় ঠান্ডা রাখে সবসময়। এভাবে একসময় প্রায় শেষের দিকে চলে এলো শিশির সবটুকু।
ঢাকা থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি গেলাম। ব্যস্ততার কারণে ঈদের আগে আতরটা আবার কিনে নিতে পারিনি। যেহেতু সামান্য একটু ছিল, ভেবেছিলাম ১ সপ্তাহ পার হয়ে যাবে এটুকু দিয়ে, তারপর কিনে নেবো ঢাকায় ফিরে।
ঈদের ছুটি শেষ। ঢাকায় ফিরলাম, যথারীতি অফিস শুরু হয়ে গেলো। প্রথম দিন অফিস করে এসে রাতে খোঁজাখুঁজি করেও আমার আতরের শিশিটা আর খুঁজে পেলাম না। পুরো ঘর-বাড়ি বিন্যস্ত করে খুঁজলাম। নেই, কোথাও নেই।
মনে হলো, আমার কী যেন নাই হয়ে গেছে। সারারাত ঘুম নেই। সকালবেলা অফিসে জানালাম, আসতে ২ ঘণ্টা লেট হবে। বাসা থেকে বের হয়ে সোজা চলে গেলাম বায়তুল মোকাররম মার্কেট।
সকাল ৮:৩০টা বাজে। মার্কেটের সব দোকান বন্ধ। অপেক্ষা করতে করতে আস্তে আস্তে দোকানগুলো সব খুলতে লাগলো।
আমি সেই দোকানের কাছে গিয়ে একটু চমকে গেলাম। সেই আগের দোকানদার নেই। অন্য একটা মানুষ। জিজ্ঞেস করলাম, আগের মানুষ কোথায়? বললো, উনি তো দোকান ছেড়ে চলে গেছেন।
বললাম, তার মালামাল কি আপনার কাছেই বিক্রি করে গেছেন, নাকি নিয়ে গেছেন?
বললো, না, সব নিয়ে গেছেন।
জিজ্ঞেস করলাম, কোথায় গেছেন?
বললো, উনি আর এই বিজনেস করেন না। হয়তো দেশের বাড়ি চলে গেছেন একেবারে।মনটা ভেঙে গেলো একদম।
বের হয়ে মাকে কল করলাম। বললাম, একটা আতরের শিশি বাড়িতে রেখে এসেছিলাম, মনে হয় একটু খুঁজে দেখো।
ওপাশ থেকে মা বললো, ভিডিও কল দে। একটা শিশি পেয়েছিলাম, দেখ তো ওটা কিনা।
সাথে সাথে ভিডিও কল দিলাম। দেখলাম, হু, ঠিক আছে, ঐটাই। বললাম, ওটা রেখে দাও, আমি এসে নিয়ে যাবো।
রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার অবধি একটা অস্বস্তিকর অবস্থায় পার করলাম। বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে রাতেই আবার রওনা দিলাম বাড়িতে।ভোরে বাড়িতে পৌঁছেই ঘরে ঢুকে আগে শিশিটা হাতে নিয়ে হালকা করে হাতে ঘ্রাণটা মেখে নিলাম। মনে হলো, আমার পুরো দুনিয়া শান্ত হয়ে গেলো।অনেকেই ভাববেন, অতিরঞ্জিত করে বলছি। আসলে তা নয়। ওই মুহূর্তটা আমার জন্য কী ছিল, তা হয়তো লিখেও প্রকাশ করতে পারবো না।
বাড়িতে একদিন থেকে আবার ঢাকায় চলে এলাম। ওই শিশির তলানিতে থাকা সামান্য ঘ্রাণ নিয়েই আবার গেলাম বায়তুল মোকাররমে।প্রতিটা দোকানে দেখতে থাকলাম আর জিজ্ঞেস করলাম, এটা আছে কিনা। সবাই বলে যে নাই। কী পরিমাণ যে বিরক্ত লাগছিলো না পাওয়াতে, তা বলার মতো নয়।
এক দোকানদার বললো, পাওয়া যাবে। শিশিটা তাকে দিলে সে নিয়ে এসে দিবে, দুই দিন সময় লাগবে।
তাকে বললাম, কোথা থেকে আনবেন আমাকে বলেন, আমি যাবো।
সে বললো, মিটফোর্ড হাসপাতালের ওখানে যান। পাইকারি ঘ্রাণের সব দোকান ওখানে।
আর দেরি না করে চলে গেলাম। কয়েকটা দোকান ঘুরে একটা দোকানে পেয়ে গেলাম।
সবার আগে নাম জিজ্ঞেস করলাম। লোকটি বললো, “মিস্ক রিজালি”।
দাম জিজ্ঞেস করতে বললো, ২৫০ টাকা ml। আর দামদর না করে ৫০ ml নিয়ে নিলাম। লোকটা মোটের ওপর ১৫০০ টাকা কম রেখেছিলো।প্রায় আড়াই বছর ব্যবহার করেছি। এখন দেশের বাইরে থাকি। কত ধরনের পারফিউম ব্যবহার করলাম, কিন্তু না—ঐটা যেন আমাকে অন্যগুলোর কাছে থাকতে দেয় না।
এরাবিয়ান ঔদ, রিগাল পিক, ঔদ এলাইট, দির্রাহ—এসবের কয়েকটা পারফিউম ব্যবহার করলাম। ভালো লাগে, কিন্তু নেশা লাগে না।
আমার এক কলিগ ভ্যাকেশনে গিয়েছিলো ইন্ডিয়াতে। ওকে বলে আবার ২৪ ml আনিয়েছি।
দেশে গেলে আবার কিনে নেবো।
কারো কাছে এরকম পাগল করা, নেশার মতো ঘ্রাণের সন্ধান থাকলে অবশ্যই জানাবেন।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৪
মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। ঘ্রাণটা কি পেলেন ?
২|
২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৩
রাসেল বলেছেন: আপনার জীবনও এমনই সুন্দর, সুরভিত ও আনন্দময় হয়ে উঠুক—এই শুভকামনা রইল।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৫
মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
৩|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৩
রাজীব নুর বলেছেন: অদ্ভুত!!!
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৫
মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
৪|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯
মিরোরডডল বলেছেন:
I'm super sensitive about smell.
পারফিউম নিয়ে অনেক মজার মজার স্টোরি আছে, শেয়ার করবো?
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১০
মায়াস্পর্শ বলেছেন: I'm super sensitive about smell.
তাহলে তো বেশ।।।
পারফিউম নিয়ে অনেক মজার মজার স্টোরি আছে, শেয়ার করবো?
বিশেষ ভাবে আগ্রহী।।।। শুরু করুন দয়া করে।।।।
৫|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩
মিরোরডডল বলেছেন:
ফার্স্ট অভ অল, মার্শর লেখা পড়ে অনেক কিছু জানলাম কিন্তু আতর আমার একদমই ভালো লাগে না,
Never used, আশেপাশে অন্য কেউ ইউজ করলেও আমার সমস্যা হয়।
I am very selective about perfumes.
পারফিউমের স্মেল যদি বেশি তীব্র হয়, সেটাতেও আমার সিভিয়ার প্রবলেম।
একদিন অফিসে কোন একজন এমন এক পারফিউম দিয়ে আসছে যে আমি একদমই সিক হয়ে যাই,
দেন ছুটি নিয়ে বাসায় চলে আসি। বাসায় আসার পর বমি হয়।
আরেকজন অফিস কলিগ, sometimes she comes to our corporate office from service office.
I can tell the moment she arrives because the scent of her perfume is too strong.
এগেইন, এমন একটা পারফিউম যে আমার গা গুলিয়ে আসে। আমি চেষ্টা করি তাকে এভয়েড করতে।
আবার উল্টোটাও হয়, বলছি পরের মন্তব্যে।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩৫
মায়াস্পর্শ বলেছেন: এটা আসলেই হয়। সৌদিতে আসার পর প্রায়ই দেখি এরা এত্ত করা ঘ্রাণ ব্যবহার করে যে আশেপাশের সারা দুনিয়া একাকার হয়ে যায়। ঔদ যেগুলো সেগুলো বেশ ভালো লাগে। আবার কোনো কোনো টা একদম নেওয়াই যায় না।
তবে আমি যেইটা নিয়ে লিখেছি সেটা একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন।
মার্শের কথায় বিশ্বাস রাখতে পারেন।
আর আপনার ওই কলিগের থেকে দূরে থাকবেন
![]()
৬|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩৮
মিরোরডডল বলেছেন:
একবার কফি ডেইটে গেলাম।
he's a good looking smart guy.
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার।
যেই না টেবিলের ওপর প্রান্তে এসে বসলো,
সে এমন এক পারফিউম দিয়ে আসছে সাথে সাথে আমার মাথা ঘুরছে, বমি আসছে।
extremely strong perfume!!
কিসের ডেট, কিসের কি!
I said, unfortunately I'm not feeling well, I gotta go.
তাকে তো বলতে পারছি না, তার পারফিউমের ঘ্রাণ আমাকে অসুস্থ করে দিয়েছে
পরবর্তীতে সে অনেকবার কন্টাক্ট করেছে কিন্তু আমি আর যাইনি।
যত ভালো প্রোফাইল হোক, তার পারফিউম সিলেকশন আমার পছন্দ হয়নি
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২
মায়াস্পর্শ বলেছেন: এটা ভালো ছিলো
তার কন্টাক্ট ডিটেলইস পেলে আমি কারণটা বলে দিতাম
![]()
বেচারা পারফিউম কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করতো। ![]()
৭|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২
মিরোরডডল বলেছেন:
ছেলেদের পারফিউমের মাঝে giorgio armani এটা আমার খুবই প্রিয়, or anything similar.
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪৬
মায়াস্পর্শ বলেছেন: Thanks for sharing.. I will try to take and apply...
৮|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫১
মিরোরডডল বলেছেন:
যা বলছিলাম, উল্টোটাও হয়।
এটা অনেকবার হয়েছে যে লিফটে ঢোকা মাত্রই হিপনোটাইজড হয়ে যাবার মতো সুন্দর ঘ্রাণ,
বুঝলাম আমার আগে যে ছিলো এটা তার পারফিউম। এখন পর্যন্ত তার দেখা মেলেনি।
men's perfume.
who's it?
রহস্য মানব হয়েই রইলো
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৫
মায়াস্পর্শ বলেছেন: এটা আমার সাথেও হয়। আমি মাঝে মাঝে অনেককে জিজ্ঞেস ই করে বসি যে ভাই কি ইউস করেছেন?
কেউ হেসে বলে দেয় আবার কেউ একটু বিব্রত বোধ করে ,
তাতে আমার কি ? আমার জানার দরকার তাই জেনে নেই। ![]()
৯|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১৪
মিরোরডডল বলেছেন:
ভালো থাকবে মার্শ।
have a good night!
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০১
মায়াস্পর্শ বলেছেন: এটা আমার প্রিয় একটা গান।
আপনিও অনেক ভালো থাকবেন সবসময়।
১০|
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫২
শায়মা বলেছেন:
ভাইয়া কিছুদিন আগে এক প্যারেন্ট মা আমাকে এই পারফিউম দিয়েছেন!
আমি তো এটা দেখে আমার আরেক টিচারকে বলছি। শেষ মেষ জুতা দিলো!!
ঐ টিচার বলে রাগ কইরেন না। জুতা দিলেও দামী জুতা দিয়েছে।
যাইহোক ঘ্রান যাহাই হৌক আর তাহাই হৌক বটলটা কিন্তুক সাজায় রাখার মত! হোক না জুতা!!!
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:২২
মায়াস্পর্শ বলেছেন: এটার ঘ্রান নিশ্চয় ভালো হবে।
কি একটা কনফিউশনে পরে গেলাম এটা দেখে, কাওকে গিফট করলে হয়তো খুশিই হবে।
ছোট বেলায় ঈদের নতুন জুতার ঘ্রান নিতে বেশ লাগতো।
আজ আপনার লাল জুতোখানা দেখে মনে পরে গেলো।
একটা গান ও মনে পরে গেল।।।।।
শায়মা আপু যায়, লাল জুতো গায়
আমি তো এটা দেখে আমার আরেক টিচারকে বলছি। শেষ মেষ জুতা দিলো!!
ঐ টিচার বলে রাগ কইরেন না। জুতা দিলেও দামী জুতা দিয়েছে।
জি আপু, এটা বেশ আকর্ষণীয় একটা ডিজাইন। ব্যবহার শেষেও বোতলটা ফেলার মতো নয়।
১১|
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪
অপ্সরা বলেছেন: শায়মা আপু যায়, লাল জুতো গায়!!!!!!!!! হায় হায় গেছি!!! জুতো গায়ে পড়লে তো হয়েছেই..... তার থেকে বলো লাল জুতো পায়......
অবশ্য এই জুতো গায়েই পড়ে..... হা হা হা
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৯
মায়াস্পর্শ বলেছেন: আপু, আজকে অফিসে কাজ একটু কম। যা আছে সেটাও করার মতো বিন্দু মাত্র ইচ্ছে নেই। ১২ তারিখ হয়ে গেছে স্যালারি ক্রেডিট হয়নি এখনো। অফিসের GM আর তার একমাত্র দুলাভাই আমাদের HR হেড বেশ হেসেখেলে ঘুরাঘুরি করছেন।
তাই ভাবলাম দেখিতো এই লাল জুতো পারফিউম নিয়ে আরো কিছু ভাবা যায় কিনা
ব্যবহার শেষে এটাকে একটা মিনি ফুলদানি হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন। প্লাস্টিকের ফুল রাখবেন, সাদা রঙের। বেশ ফুটে উঠবে।
পোর্টেবল তেলের বোতল হিসেবেও ব্যবহার করা যায়, ধরুন মাথা গরম হয়ে গেলো বাহিরে কোথাও যেয়ে। তখন টুক করে ওই বোতলে ভরে রাখা নবরত্ন তেল বের করে মাথায় মালিশ করতে পারবেন। মাথা ঠান্ডা হলে সবাই বলবে ''জুতার ভেতর জাদু , মাথা গরম কাবু ''।।।।।
আবার এটা কিন্তু প্রতীকী জুতা মারার একটা সুন্দর উপাদান হতে পারে। হাসতে হাসতে এটা হাতে নিয়ে যাকে মারবেন তাকে দেখাবেন। সেও হাসবে কিন্তু মনে মনে ভাববে যে এটা কি হলো ???
তারপর এটা দিয়ে একটা লকেট বানানো যায়, কয়েকদিন আগে দেখলাম একটা মহিলা গলায় রেডিও ঝুলায়ে বলতেছে ঐটা লকেট, সেই হিসেবে এটা আরো ভালো হবে।
আজ আর নয়, আমার সালাম নিবেন, ভালো থাকবেন।
আইডিয়াগুলো কেমন হলো সেটা জানায় একটা ধন্যবাদ দিবেন আমাকে অবশ্যই।
১২|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৪
অধীতি বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে পারফিউম মুভির কথা মনে পড়ে গেল। আমার হালকা ঘ্রাণের পারফিউম ভালো লাগে। আপনার পাগলামিটা ঠিক আছে। বস্তু জগতে এমন কিছু উপাদান থাকা উচিত যার জন্য পাগল হওয়া যায়। দাদার কবরের উপরে একটা কামিনী ফুলের গাছ আছে। এখনো বৃষ্টি হলেই গাছটা চোখের সামনে ভাসে আর আমি মৃদু ঘ্রাণে অভিভূত হয়ে রই।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১
মায়াস্পর্শ বলেছেন: ধন্যবাদ। পোস্ট পড়ার জন্য এবং আপনার অনুভূতি জানানোর জন্য।
বকুল তলা এখন আর খুব একটা নেই কোথাও। সব এখন ইট পাথরের প্লাস্টারে ঢেকে গেছে।
কামিনী গাছ আরো হাজার বছর বেঁচে থাকুক, সাথে আপনার ভালো লাগার অনুভূতি।
১৩|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৯
সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: "লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। ঘ্রাণটা কি পেলেন"
আমি এই সুগন্ধিটা সংগ্রহ করেছি, একটু বেশি কড়া মনে হয়েছে।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩৫
মায়াস্পর্শ বলেছেন: এটা তো কড়া নয় ভাই। একদম মিস্টি আর হালকা। আপনি কোথায় থেকে নিয়েছেন? অনেক সময় দোকানদারেরা অন্যটা দিয়ে বলে মিস্ক রিজালি।
আমি দেশে এলে আপনাকে দিবো একটা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২১
সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: এতো সুন্দর করে পারফিউমটার বর্ননা করলেন আমি না দেখেই প্রেমে পরে গেলাম। আজকেই খুজে দেখবো।