নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সাদামাটা মানুষ। ভালবাসার কাঙ্গাল। অল্পতেই তুষ্ট। সবাই আমাকে ঠকায়, তবুও শুরুতে সবাইকে সৎ ভাবি। ভেবেই নেই, এই মানুষটা হয়ত ঠকাবেনা। তারপরেও দিনশেষে আমি আমার মত...

অপলক

তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।

অপলক › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক আশাক, চিন্তা ভাবনা বা ধর্ম বিশ্বাস, কি নেই যে পার্থক্য চোখে পড়ে না।

ইদানিংকালে এপার বাংলার টিভি চ্যানেলগুলো বস্তুত ওপার বাংলাকে অনেক বেশি ফলো করছে বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের এপার বাংলার স্বকীয়তা বিলীন হোক সেটা কোন অযুহাতেই চাই না।

আমার চাই না লিস্ট খুব ছোট:
১). ওড়না ছাড়া শুধু থ্রি পিস বা ফতুয়া পড়া অবস্থায় বুক বের করে কোন নারী শরীর উপস্থাপিত হোক সেটা চাই না। সেটা এ্যাড হোক, নাটক বা সংবাদ পাঠীকা...

২). বাচ্চাদের দিয়ে সংবেদনশীল বক্তব্য উপস্থাপন বা আবেগময়ী ঘটনা প্রদর্শন বা বাকপটু ভাবে বাচ্চাদের উপস্থাপন দেখতে চাই না। কোন একটি ঘটনা সত্য হতে পারে। কিন্তু দেশের ২ কোটি বাচ্চার ভেতরে একটি মাত্র সংবেদশীল ঘটনা সব শিশু কিশোরদের মাঝে ছড়ানো ঠিক মনে করি না। ব্যবসায়ীক মনোভাব রাখুন কিন্তু বিপর্যয় ঘটিয়ে নয় বা কটু/উদ্ভট/অশালীন ভাবে নয়।

৩). কোন কোন টিভি চ্যানেলের সঞ্চালক/সংবাদ পাঠক/পাঠীকা বা অংশগ্রহনকারীদের দেখলে মনে হয়, বাংলাদেশ ষড়ঋতুর কোন দেশ নয়, সারাবছর মাত্র একটি ঋতু: শীতকাল। এত এত মোটা ভারি কাপড় পড়ে যে বোঝা মুশকিল এখন গরমের সময়। বর্তমানে দেশে কোন কোন জেলায় ৩৮-৪০ ডিগ্রী তাপমাত্রা। কিন্তু টিভির পর্দায় তাদের দেখলে মনে হয় তেঁতুলিয়ায় বসে অনুষ্ঠান করছে মাঘ মাসের শীতে। এরকম স্ট্যুপিড মানুষদের টিভির পর্দায় দেখলে মনে হয়, আমরা এপার বাংলার সবাই স্ট্যুপিড। পোশাকে কর্তৃপক্ষের এমন বিদেশিনী মনোভাব দেখতে চাই না। আমাদের পোশাক, আমাদের সংস্কৃতি বা কৃষ্টি কালচার আমাদের গর্ব।

৪). এখন আর ঐ সব টিভি সেট নেই যে, উঠে গিয়ে চ্যানেলের কট/নব ঘুরাতে হবে। এখন রিমোট কন্ট্রোল টিভি ঘরে ঘরে। তাই ১৫ সেকেন্ডের বেশি লম্বা এ্যাড হলে আমরা অন্য চ্যানেলে চলে যাই। আর ফিরি না। এখন আর ৩০ সেকেন্ড থেকে ২ মিনিট পর্যন্ত দীর্ঘ এ্যাড দেখার ধের্য্য শিশু বৃদ্ধ কারো নেই। তাই লম্বা এ্যাড চাই না।

খবর বা অন্য অনুষ্ঠানের মাঝে ১৫ সেকেন্ডের এ্যাড ৪ বার চলুক। বাকি এ্যাড বা বিজ্ঞাপন খবর বা অনুষ্ঠান শুরুর আগে ১০-২০মিনিট ধরে দিক। যার ইচ্ছা সে বসে বসে দেখবে। কিন্তু বর্তমানে এমন অবস্থা যে সব টিভি এখন বিটিভি। এ্যাডের ফাকে ফাকে অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের ফাকে ফাকে নয়। এসব চাই না...

৫). এ্যাডের একটা টাইমিং ক্যাটাগরি করা দরকার। সেই ক্যাটাগরি অনুসারে সেগুলো সম্প্রচার করতে হবে। যেমন, জন্ম-নিয়ন্ত্রন পিল বা কনডমের এ্যাড রাত ১০টার আগে দেখানো ঠিক না। বাচ্চারা আগ্রহ বসে অনেক সময় লজ্জাজনক প্রশ্ন করে বসে। বয়োবৃদ্ধরা অস্বতির ভেতরে পড়েন।

আবার যুদ্ধের বা ক্রাইমের লাইভ বা সংগৃহীত ফুটেজ যেমন, বম ফাটানো, ট্যাঙ্ক চালনা, বন্দুক থেকে গুলি বের হওয়া বা ড্রোন দিয়ে ফায়ার করা.. এ ধরনের ভিডিও ব্লার করে দেখানো উচিত। নয়ত বাচ্চারা ঐ ধরনের গেম খেলতে উদ্বুদ্ধ হয়। ক্লিয়ার ভিডিও রাত ১০ টার পরের খবরে বা অনুষ্ঠানে দেখাতে পারে। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মনের উপর চাপ তৈরী হোক টিভির পর্দায় বসে, সেটা চাই না। টিভি চ্যানেলগুলো ইচ্ছে করলেই এসব ব্যবস্থা নিতে পারে।


মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:০৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: টিভি না দেখলেই হয় । এখন টিভিতে খবর ছাড়া দেখার মতো কিছুই নেই ।

১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩৯

অপলক বলেছেন: বুঝলাম, আপনি লেখাটা না পড়েই কমেন্ট করে ফেলছেন। ব্যাপার না, সারাদিনে কত আর পড়ালেখা করবেন। বয়স হইছে তো... :(

২| ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মনের উপর চাপ তৈরী হোক টিভির পর্দায় বসে,
সেটা চাই না। টিভি চ্যানেলগুলো ইচ্ছে করলেই এসব ব্যবস্থা নিতে পারে।

.......................................................................................................
আপনার জন্য কেউ আলাদা ভাবে টিউন করবেনা ।
জামানা পাল্টায়াছে , নিজে কি দেখবেন সেভাবে টিউন করুন ,
সেভাবে চলুন । বস্তত আমরা বাবা / মা' রাই জানিনা কি ভাবে একটা বাচ্চা বড়
করতে হয়, এখন ইউরোপের যেখানে আছি , কোথাও দেখিনা বাচ্চারা, কিশোররা
ইউটিউব বা টিকটক বা রীল দেখে না । দেখার সুযোগও নাই ।

১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪০

অপলক বলেছেন: হুম... দারুন বলেছেন।

না পারলে লাতি ভাতার আর কি !!!

৩| ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:১৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা পড়েই বলেছি। আপনি অন্য মানুষের সাথে আমাকে গুলিয়ে ফেলেছেন যদিও আমি কারণটা কিছুটা বুঝতে পেরেছি। আপনি যে সমাধান চান প্রাইভেট টিভি চ্যানেল সেটা করতে বাধ্য নয় । আপনার হয়তো মনে হতে পারে যে সরকার চাইলে সব পারে। আসলে পারে না । তাই আমার পরিবার ডিশ নেয়া থেকে বিরত ছিলো। শুধু বিটিভি দেখতাম । এখন আর টিভিই দেখি না। আমার পক্ষ থেক আপনাকে ফুল সাপোর্ট ।

১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩০

অপলক বলেছেন: ধন্যবাদ কুতুব সাহেব। ২০০১ থেকে ২০২১ পর্যন্ত আমিও টিভি দেখিনি। করোনার সময় থেকে কিছু কিছু দেখা শুরু। গত দু বছর হল অবসরে আছি। তাই টুকটাক খবর দেখি। কিন্তু তাতেও অস্বস্থি... তাই পর্যবেক্ষণ করা ব্যাপার গুলো তুলে ধরলাম। যদি মিডিয়ার কারও উপকারে আসে। ওরা তো আর জরিপ করে না কখনও যে, দর্শক কি চায়।


ভাল থাকবেন।

৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৩

সাইবার পথিকৃৎ বলেছেন: টিভি, সংবাদপত্র এখন মেইনস্ট্রিম মিডিয়া নেই। এগুলো এখন সাবস্ট্রিম মিডিয়া। ২৪এর জুলাইয়ে এদের ভন্ডামি ধরা পড়ে গেছে। এখন কেউ এসব দেখেও না, ভরসাও করে না।

১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৬

অপলক বলেছেন: সরকারের কাছে কিছু আশা করি না ব্রো... কথাগুলো ছিল মিডিয়াকে উদ্দেশ্য করে।

শহরের মানুষ বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোতে খুব কমই ঢোকে... গ্রামে গজ্ঞে এখনও যা দেখে তার বেশির ভাগ হল জি-বাংলা আর স্টার জলসা। এই হল এপার বাংলার অবস্থা...

৫| ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এখন মানুষ খুব একটি টিভি দেখে না- এখন হচ্ছে টিকটক, শর্টস, রিলসের যুগ।
ইউটিউব আর ফেসবুকারারাই হচ্ছে এখন বড় মিডিয়া। এদিকে আবার ধেয়ে আসেছে এআই আর কিছুদিন পর শুধুমাত্র এআই দিয়েই মানুষ পুরো সিনেমা, নাটক বানাবে। টেলিভিশনের যুগ শেষ হবার পথে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.