| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সালমান মাহফুজ
সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা সেই কৈশোর থেকেই । মাঝে মাঝে লিখতেও চেষ্টা করি । যেই সাহিত্য আমাকে ধরেছে, সেই সিলেবাস আমাকে দূরে সরিয়ে দিছে । সুতরাং একাডেমিক কন্ডিশন চরম বাজে । প্রচণ্ড অলস এবং অসামাজিক । নিজের কাজের প্রতি চরম বিশ্বাসহীনতা । মাঝে মাঝে সবকিছুকেই অনর্থক ফাও ফাও মনে হয় । এমনকি বেঁচে থাকাটাও । তবুও বেঁচে আছি । কেন ? জানি না । শুধু জানি, কিছু একটা করতে হবে । কী সেটা ? তাও জানি না । মানবজন্মটাকে এভাবে বৃথা চলতে দেয়া যায় না, এই ভেবেই বোধোহয় আরেকটু বাঁচবার লোভ হয় ।
মারো, নইলে মারা খাবে
একে একে সরে যাবে
সব ছায়া, সমস্ত আশ্রয় ।
আমি চাই নি কখনো
আমি চাই না এখনো
মধ্যপথে চাকাহীন গাড়ি হয়ে
নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকুক জীবন
কিংবা কাকতাড়ুয়ার মত
রোদের চাবুক মুখ বুজে
সয়ে যাও, মেনে...
এই সকালের অনুভব, শরীরের আলিঙ্গনে শরীর
বিমুগ্ধ জানলায় হঠাৎ সতেজ রোদের চিৎকার
যেন ভেঙে চুরমার করে দিছে অবসাদের চার দেয়াল !
আমি ছিঁড়ে ফেলেছি সমস্ত ফুলের শেকল
মাতাল প্রজাপতিটা এবার দেয়ালের মায়া ছেড়ে আসুক
বসুক,...
নারীবাদী মঞ্চে পাঁচটা পাপেটের অনর্গল চিৎকারে
কবির চোখে নিদ্রা নামে । সেমিনার রুমের যান্ত্রিক হাওয়ায়
দুপুর দুটা থেকে বিকেল চারটা--
ভিজে ভোরের স্তব্ধতা আর নিশাচর রাত্রির প্রলাপ ।
বিষণ্ণ আঁধারের বাঁকে বাঁকে লেজে মাথায়
ঝুলে...
আমি ক্রমশ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছি আমার ভেতর
হৃৎপিণ্ডে বসে বিন্দু বিন্দু হিসাব কষে পোড়া রক্ত
মগজের অন্ধকারে মারা খাচ্ছে বিবেক, মারা খাক
প্রেম-প্রীতি, গুহামানবের আদিম আবদার
আর স্বপ্নের যাত্রাপথে টলমলরত...
নাগরিক ভালোবাসার দেয়াল ঘেঁষে
যে বৃক্ষ স্বপ্নের ডালপালা মেলতে চায়
তাকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দাও ।
তার শিকড়ে পুঁতে দাও হৃদয়ে যত রাখা আছে
কষ্টের কার্বন, সে নির্দ্বিধায় হজম করে নিবে
ভোর হলে টুপটাপ...
আমি তো এমন জীবন চাই নি;
যেখানে শুধু স্মৃতি আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা
আকাশে তাকালে, ছোট বড় সব আকাঙ্ক্ষা
সাদা মেঘের কাফনে ঢাকা!
যেখানে সকাল হলে, তাজা রৌদ্রের ভিতর
তোমার হাস্যোজ্জ্বল মুখের বদলে দেখি,
একটা পাতাঝরা...
নিষিদ্ধতার চাবুকে ক্রমাগত
ক্ষয়ে যাচ্ছে, ঝরে যাচ্ছে, রক্তাক্ত হচ্ছে
অলৌকিক লৌহদণ্ডে ঝুলন্ত
আমাদের যাপিত জীবনের ফাঁসগুলি—
আমরা বুঝে ফেলেছি, চলমান
পৃথিবীর ইস্পাতি ছদ্মবেশ!
বরফ-বরফ যুদ্ধে পরাস্ত পাখিরা
যখন ডানায় করে কিছু শুভ উল্লাস নিয়ে
আমাদের নগরে বেড়াতে আসে
তখনও...
(১)
সেইসব শীত-বিকেলের জানালায় মাঠজুড়ে
আজো সূর্য তার লাল আকাঙ্ক্ষার দাগ কাটে;
আজো আমার ব্যথিত চোখে শীতার্ত পাখিরা উড়ে
ঠোঁটে সিগারেট জ্বলে, স্মৃতিগুলো পোড়া রক্ত চাটে!
(২)
সমস্ত প্রত্যাখ্যানের ক্ষত চাঁদের নগ্ন শরীরে
আমি লেপ্টে দিতে চাই,...
লিওনেল, রোজারিও থেকে ঢাকা । বার্লিন থেকে নিউইয়র্ক । ২০০৬ থেকে ২০২৬ । উড়ন্ত কৈশোর থেকে পড়ন্ত যৌবন । ফুটবল পায়ে তোমার প্রতিটা পদক্ষেপের সাথে আমরা ছিলাম । আমরা...
তোমাদের সাদা দেয়ালে একটা জ্বলজ্বলে রাঙা পোস্টার
সেঁটে দিব বলে আমি ছেড়ে এসেছি ছেলেবেলা
পাখির কলতানে মুখরিত ভোর, মায়ের তুলতুলে হাতের
টাকি মাছের ঝোল, নরম সুখোষ্ণ কোল;
তোমাদের ভালোবাসা পাব বলেই তো ক্রমাগত লাথি...
সূর্যের শেষ ছোবলে আকাশটা রক্তাক্ত হওয়ার আগেই
তার শরীরজুড়ে চারজোড়া হাত
আটপাটি দাঁতের অবাধ্য বিচরণ !
সে চিৎকার করতে চেয়েছিল
ভয়াল হাতের থাবা চেপে ধরেছে কণ্ঠনালী
সে আগলে রাখতে চেয়েছিল
তার আগেই হিংস্র নখের আঁচড়ে ছিঁড়েফেঁড়ে...
অনুভূতির তলে ফকফকা চাঁদ জ্বলে আছে
অন্ধকার মাতৃগর্ভ থেকে টেনে আনা মৃত শিশুর মত !
চাঁদকে ঘিরে শোকার্ত জমাট মেঘের কান্না
গলে গলে ঝরে পড়ছে
ভিজিয়ে দিচ্ছে অচেতন পাথরের চোখমুখ;
আর আমি নরম বালিশের উপর...
(১)
অন্ধকার মুছে যাবে, অন্ধকার মুছে যায়
চোখ মেললেই দেখবে, তোমার শিয়রের পাশে
চোখ বুজে শুয়ে আছে চুপচাপ ভোর;
জানলাগুলিও মেলে দিও, তোমার তুলতুলে গাল
রাঙিয়ে দিয়ে যাবে চৈতালী রোদ্দুর ।
(২)
বুক-পকেট থেকে একমুঠো উত্তাপ
গুঁজে...
বিমানবন্দরে প্লেন উড়াল মারার পরও
ওরা কারা এখনো বুকের অন্দরে
এত এত যত্ম করে
জোড়-কবুতর পোষে
চোখের বাত্তি নিভায়ে জলজ্যান্ত আন্ধারে
ওরা কারা অমন শোঁ শোঁ করে ঘুমায়
আর স্বপ্নের ছিপি খুলে
স্মৃতির রক্ত...
১.
চাঁদের আলিঙ্গন ছিন্ন করে গুমোট আন্ধারে মেডিটেশনে মগ্ন বোবা মেঘমালার প্রতি আমার আর কোনো জিজ্ঞাসা নেই । আক্ষেপ নেই । অভিযোগও নেই । যাক, ঢুকে যাক । প্রেম এবং...
©somewhere in net ltd.