| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ছবি- নিজ সংগ্রহ
যখন প্রথম তোর চিঠি পেলাম
খুব অবাক হয়েছিলাম সাথে রোমাঞ্চিতও
এর আগে যাদের চিঠি পেতাম তারা ছিল অযাচিত পাড়ার ছেলে
প্রেম নিবেদনের সেই চিঠিগুলো বাড়ির বড়রাই পড়তো
খুবই বিরক্তিকর ছিলো চিঠিগুলো আমার জন্য
প্রথম তোর চিঠিই আমাকে চিঠি পাওয়ার আনন্দ দিয়েছিলো সেসময়
খুব সুন্দর করে লিখতি তুই
চিঠিগুলো পড়ে এতটাই ভালো লাগতো আমার
সাথে সাথেই লিখতে বসতাম তোকে
কিন্তু শেষে আর পৌঁছোনো হতো না ,
তাই বলে উত্তর দিতাম তোকে এমনটা কখনোই বলতে পারবিনা।
অনেক ভেবে নিজেই পৌঁছে যেতাম তোর বাড়ি।
খুব যত্ন করে রেখেছিলাম তোর চিঠিগুলো
একদিন তোর চিঠিসহ আমার যত্নের জিনিসগুলো ছাই করে দিয়েছি
রাগ করিস না লক্ষ্মী ।
হঠাৎ দেখি যত্নের ভাঁজে ভাঁজে অবহেলায় আক্রান্ত চিঠিগুলোও
তবে তোর চিঠিগুলোর মিষ্টি একটা গন্ধ বাতাসে অনুভব করছি আজও
আমি তিক্ততাকে অস্তিত্বহীন করেছি মিষ্টতাকে নয়
স্মৃতিতে ঠাঁই দেইনি কোন অমীমাংসিত অংকেরও
তাই তোকে আমার প্রথম চিঠিটি পোস্ট করছি
খুব ভালো হোক এই বন্ধুত্বের স্রষ্টার কাছে এই আর্জি রইল।
১২ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:০০
সামরিন হক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা রইলো।
২|
১২ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫
শায়মা বলেছেন: কবিতা চিঠিটাও সুন্দর হয়েছে আপুনি!!!!!!!!
১২ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১২
সামরিন হক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো।
৩|
১২ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: খুব যত্ন করে বুকে চেপে রেখেছিলাম তোর প্রতিটি চিঠি,
ভেবেছিলাম ওরাই তো আমার বেঁচে থাকার পরম তিথি।
তোর হাতের ছোঁয়া লেগে থাকা আমার যত আদরের ধন,
সবকিছু আগলে রেখে কেটেছিল কত সহস্র ক্ষণ।
অভিমানের আগুনে পুড়লো আজ সেই যত্নের সংসার,
তোর চিঠির সাথে ছাই হলো আমার চেনা পৃথিবীটা আর।
আগুনের শিখায় জ্বললো স্মৃতি, উড়লো মেঘের মতো কালো ধোঁয়া,
পুড়ে খাক হলো ভালোবাসা, তোর শেষবারের মতো ছোঁয়া।
কাগজ তো পুড়ে শেষ হলো, কিন্তু বুকের ভেতরের ক্ষতের কী হবে?
তোর দেওয়া প্রতিটি স্মৃতি যে, আজও রক্তক্ষরণ ঘটায় নীরবে।
চিঠিগুলো পুড়িয়েছি ঠিকই, মুক্ত করতে চেয়েছি এই মন,
তবু কেন এই পোড়া ছাঁইয়ের মাঝেই তোকে খুঁজছি সারাক্ষণ?
১৩ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৫
সামরিন হক বলেছেন: শুভেচ্ছা রইলো ।
৪|
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯
রাজীব নুর বলেছেন: কবিতা পাঠ করিলাম।
১৩ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫
সামরিন হক বলেছেন: ধন্য হলাম )
৫|
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০৩
কিরকুট বলেছেন: তার মানে পাড়ার অসহায় ছেলেদের ছিঠি গুলা আপনি বড়দের হাতে তুলে দিয়ে মানুষ্য সমাজে সেইসকল অবলা প্রেমীকুল কে আপনি হেয় প্রতিপন্ন করেছেন । আর সেই কোথাকার কোন তুই এর চিঠি পড়ে আপনি ব্যকুল হলেন । অথচ পাড়ার ছেলেদের অধিকার আপনার উপরে বেশি । যেমন আপনার তাদের উপরে অধিকার আছে । আপনার কিছু হলে সেই তুই ব্যাটা কিন্তু আসবে না পাড়ার ওয় অবহেলতি গন্ড মূর্খরাই এগিয়ে আসবে ।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫২
সামরিন হক বলেছেন: হা হা হা! মজা পেলাম মন্তব্য পড়ে।
সেই সকল প্রেমিক যাদের আমি ঠিক করে চিনতামও না তাদের জন্য বড়দের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে অনেক।
কত কত চোখ রাঙানি খেতে হয়েছে তার হিসেব নেই ।
বান্ধবী এখনো আসে কিন্তু সিজনাল প্রেমিকরা পাথরও ছোঁড়েনা এখন।হি হি হি।
কিরকুট পাড়ার মেয়েদের জ্বালাতন করেন না।হা হা হা
৬|
১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৪০
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫
সামরিন হক বলেছেন: এত কিছু কেমনে করেন !!?
৭|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৩৪
মিরোরডডল বলেছেন:
আমি তিক্ততাকে অস্তিত্বহীন করেছি মিষ্টতাকে নয়
so sweet
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৪
সামরিন হক বলেছেন: হ্যালো মিরোরডডল। অনেক দিন পর দেখলাম ।
কেমন আছেন ?
৮|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:১৪
মিরোরডডল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হ্যালো মিরোরডডল। অনেক দিন পর দেখলাম ।
কেমন আছেন ?
আমি ভালো আছি।
সামরিন কেমন আছে জানতে চাইলাম না, জানি ভালো আছে।
তাইতো এতো চমৎকার কবিতা লিখেছে
কিরকুটের মন্তব্য পড়ে হাসলাম। মজার
প্রেম নিবেদনের সেই চিঠিগুলো বাড়ির বড়রাই পড়তো
আমরা অনেকগুলো বোন ছিলাম, স্বাভাবিকভাবেই বাসায় অনেক চিঠি আসতো। কেউবা বাইরে থেকে ছুঁড়ে দেয়।
কেউ পোষ্ট করে। আবার কেউ কারো হাতে পাঠায়। সেসব চিঠি কখনোই আমাদের হাতে পৌঁছাতো না। কিভাবে যেন বাবার কাছে যেতো। কিন্তু আমাদের জানতে আগ্রহ ছিলো, কি লেখা আছে চিঠিতে। কে দিলো বা কাকে দিলো, এতোগুলো মেয়ে আমরা।
বাবা বাসায় না থাকলে বড়পা খুঁজে নিয়ে আসতো, আমরা বোনরা একসাথে পড়ে আবার যেখানে ছিলো সেখানে রেখে আসতাম
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:০৯
সামরিন হক বলেছেন: বাহ্! দারুণ । মিরোরডডলের ছোটবেলার কিছু অংশ জানা গেল।ভালো লাগলো ।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯
বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: সুন্দর। "অসমাপ্ত অংক" হবে কি?
সম্পর্কের সুন্দর স্মৃতিগুলোই ভবিষ্যতের জন্য বুঝি জমা থেকে যায়...