| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কর ছাড়া দেশ চলে না। প্রায় সব কিছুর উপরই কর আরোপ করা হয়। মাসকয়েক আগে আমাদের মাল সাহেব প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি কর চাপিয়ে দেবার চেষ্টা করে বেশ বিনোদন দিয়েছিলেন জাতিকে। তারও আগে এমন কিছু কর ছিল যা আজও মানুষকে বিনোদন দেয়। তেমন কয়েক্টা কর:
তাসখেলায় কর:জনপ্রিয় কিছুর ওপর কর আরোপ করার ক্ষেত্রে এটি এক দূর্দান্ত দৃষ্টান্ত।যখন কর আরোপ করা হয় তখন টিভি,কম্পিউটার, ফেস্বুক ছিল না। তাস খেলাই ছিল বিনোদনের মাধ্যম। রাতের খাবারের পর তাস খেলা ছিল ভীষণ জনপ্রিয়। রাজাও ঝোপ বুঝে কোপ মারতে দেরী করেনি।ষোড়স থেকে সপ্তদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডের প্রথম জেমসের শাসন আসনে প্রচলিত হয় এই কর।
ক্যান্ডির উপর কর:কি ভাবছেন? ক্যান্ডিই আবার কি করল
?২০০৯ সালে সেপ্টেম্বরে স্টেট অফ ইলিয়ন কর্তৃপক্ষ করটি চালু করে। এ ক্ষেত্রে অন্যসব খাবারের চেয়ে ক্যান্ডির উপরই বেশি কর আরোপ করা হয়।ইলিয়নের রাজস্ব বিভাগের মতে যদি কোনো খাবারে ময়দা থাকে তবে তার উপর অন্যসব খাবারের মতই কম কর আরোপ করা হবে।
কাপুরুষতার মাশুল:যুদ্ধে লোক নেবার জন্য আগের রাজারা অনেক কিছুই করত। মড়ার উপর খাড়া ঘা হিসেবে যুদ্ধে না গেলে কাপুরুষ হিসেবে কর!! ১১০০-১১৩৫ সালে রাজা প্রথম হেনরী এটি চালু করেন। পরে রাজা জন আরো ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করেন করের পরিমাণ। যে বছর যুদ্ধ হতো না সে বছর কর দিতে হতো সব যোদ্ধাদের!! এটি তিনশ বছর চালু ছিল
টুপির উপর কর:১৭৮৪ সাল থেকে ১৮১১ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার এটি প্রচলন করে।তখনকার সময়ে ধনবানদের অনেকরকম ও দামি টুপি থাকত, অন্যদিকে গরীবদের একটি মাত্র সস্তা টুপি। টুপি ছিল তখনকার আর্থিক অবস্থার মাপকাঠি।
দাড়ির উপর কর:১৫৩৫ সালে রাজা অষ্টম হেনরি করটি চালু করেন। তার নিজেরও দাড়ি ছিল।ব্যক্তির সামাজিক অবস্থানের উপর ভিত্তি করে করের পরিমাণ করা হতো।পরে এলিজাবেথ নতুনভাবে এ কর আরোপ করেন। তিনি নিয়ম করেন দাড়ির বয়স দুই সপ্তাহের বেশি হলে কর দিতে হবে।রাশিয়াতেও এ কর প্রচলন ছিল তবে অন্যকারণে। তৎকালীন রুশসমাজ দাড়িকে "অপসংস্কৃতি" মনে করত।
আপাতত এ পর্যন্তই।।
©somewhere in net ltd.