নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাড়ির কাছে আরশিনগর সেথা পড়শি বসত করে, একঘর পড়শি বসত করে আমি একদিনও না দেখিলাম তারে।

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য

মানুষ পথিক বেশে ঘুরছে দেশে দেশে একটু ছায়াতলে থমকে দাঁড়ায়, স্মৃতিটুকু রেখে শুধু একদিন তো চলে যায়।

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

চেয়ে চেয়ে দেখুন

১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩১


আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ; স্বাভাবিকভাবেই তারা অনলাইনে কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছে। মাঝেমধ্যে ঝটিকা মিছিল করে তাদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে।

রাজনীতিতে সক্রিয় বিএনপি ও জামায়াত-এনসিপি গং। বিএনপি ও জামায়াত আগে জোটবদ্ধ রাজনীতি করেছে। ওদের এখনকার রাজনীতি দুই ভাইয়ের আলাদা হয়ে যাওয়ার মতো। আওয়ামী লীগের অবর্তমানে বিএনপি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। এসব যে বাকওয়াজ, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেদিনও কিশোরগঞ্জে এক মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বিএনপির চোখেই পড়েনি মনে হয়। ৫ আগস্ট পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনা ধ্বংস যেমন চোখে পড়েনি।

অপরদিকে জামায়াত-এনসিপি তাদের নিজস্ব রাজনীতি করছে। তাদের বড় আইকন গোলাম আজমকে যেহেতু প্রতিষ্ঠিত করা যাচ্ছে না, তারা আরেকজনকে মহান নায়ক বানানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তার নাম সামনে এলে লোকে শুধু শাউয়া মাউয়া গাল পারে।

তবে তারা খেলার মাঠে বেশ দাপটেই আছে। একাত্তরে এত অপকর্ম করার পরও তারা সংসদে যেতে পারছে। ক্ষেত্রবিশেষে প্রমাণ করেছে তারা বিএনপির চেয়ে কম না। জিয়া যখন দল গঠন করলেন, তাদের বাপ-দাদাদের নিয়েই তো করছিলেন। পাশাপাশি ছিল সেনা কর্মকর্তা ও মুসলিম লীগের কিছু লোকজন। সম্পত্তির ভাগাভাগি হলে যেমন ঝগড়া-বিবাদ হয়, এখন তাদের মধ্যে তাই হচ্ছে। আদতে তারা এক।

সুশীলরা মনে করেছিল আওয়ামী লীগকে হঠিয়ে বিরাট বিপ্লব করবে। এখন তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলে ভারতীয় দালাল ট্যাগ খাচ্ছে। প্রমাণ দিতে হচ্ছে তারা আওয়ামী লীগের কেউ না। আওয়ামী লীগের পতনের সব ফল যে জামায়াত শিবির নিয়ে নিয়েছে, এ কথা তো নতুন করে বলার কিছু নেই। বাম ও সুশীলরা সব বাতিল।

বিএনপি সরকারে আছে বটে, তবে তারা খুব বেশি এগিয়ে আছে বলে মনে হয় না। দেশে এত খুন, ধর্ষণ আগে কখনও হয়েছে কি না মুরুব্বিরা বলতে পারবেন। তাও এসব নিয়ে আপনি কথা বলতে পারবেন না। দালাল ট্যাগ খাবেন। চাঁদাবাজির শিকার হয়েও চুপ করে যেতে হবে। শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে কথা বললে তৌহিদি জনতার দৌড়ানি খেতে হবে। সুতরাং চেয়ে চেয়ে দেখুন।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৫

মাথা পাগলা বলেছেন: জুলাই স্পিরিট বুকে ধারন করে সরকারি মন্ত্রানলয়ের সমস্ত কক্ষে হাদির শা*মা* স্লোগানটি বাঁধিয়ে রাখার প্রস্তাব জানাচ্ছি। আমার মনে হয় বিএনপি জঙ্গি-রাজাকারদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। দেশ এখন তাদের হাতে।

১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:২১

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: বিএনপির এককভাবে সরকারে আসা এই প্রথম। কূলকিনারা খুঁজে পাচ্ছে না কী করবে।

২| ১৬ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আওয়ামী লীগ ভুল পথে হাঁটছে। কলকাতায় মোশাররফ করিমের ওপর হামলার ঘটনা তাদের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মোশাররফ করিম কিংবা তাঁর সহকর্মীরা কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থক নন। পেশাগত প্রয়োজন ও জনমতের প্রতি দায়বদ্ধতার কারণে গত জুলাইয়ে তারা আওয়ামী লীগের সমালোচনামূলক অবস্থান নিয়েছিলেন। বাংলাদেশের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষ সাধারণত রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে থেকে নিজেদের কাজের ক্ষেত্রটিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। মোশাররফ করিম এখনও তাঁর কাজের মাধ্যমে সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্তু তাঁর ওপর হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে যে তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়েছে এবং ভিন্নমত সহ্য করার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। :)

১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:২০

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন:

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.