নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

যে বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনের তুলনা করা যায়। ১৯৭৩ সালের নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথম নির্বাচন অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচন হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে। আম্লিগ সিট পায় ২৯৩ যার মধ্যে ১১ ছিল বিনা প্রতিদ্বন্দীতায়; মজিবর, নজরুল, জিল্লুর ও তোফায়েল বিপরীতে কোন প্রার্থী ছিলোনা। মানে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। মজিবরের বিপক্ষে দাঁড়ানো আজহারউদ্দিনকে (মেজর হাফিজের বাবা) অপহরণ করা হয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে হাসিনার নির্বাচনে ১৫৩ টি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় হাতিয়ে নেয়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে দিনের ভোট রাতেই হয়ে যায় হাতিয়ে ২৮৮টি আসন। ২০২৪ সালের নির্বাচন হয় আমি ডামি নির্বাচন। বাবার সংগে মেয়ের নির্বাচনের কি অপূর্ব মেলবন্ধন!

মজিবর একদলীয় শাসন বাকশাল চালু করে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বন্ধ করে দেয় হাসিনাও ডিজিটাল নিরাকত্তা আইন ও ঘুম, খুন ও আয়না ঘরের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করে দেয়।

সিরাজ সিকদাকে হত্যা করে মজিবর প্রথম ক্রশফায়ার চালু করে হাসিনাও RAB এর মাধ্যমে শতশত মানুষকে হত্যা করে বাবার পথে হেঁটেছে।

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে মজিবরকে গ্রেফতার করে তার আগে তাজ উদ্দিন মজিবরকে লুকানোর পরামর্শ দেয় কিন্তু মজিবর না লুকিয়ে পরিবারের জন্য পাকিস্তানী সরকারের কাছে ১৫০০ টাকা ভাতার ব্যবস্থা করে এবং স্যুটকেস গুছিয়ে নেয় সেই সময়ও মজিবর পাইপ ও তামাকের কথা ভোলেনি সর্বশেষ পরিবারের কাছে বিদায় নেয় অর্থাৎ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেঅ কিন্তু জনগনের কথা একবার ভাবেনি।

তাজ উদ্দিন মজিবরের স্বাধীনতার ভাষন রেকর্ড করতে চাইলে মজিবর কোন ভাবেই রাজি হয়নি এমন কি স্বাধীনতার লিখিত ভাষনেও সই করতে রাজি হয়নি।

অনুরূপভাবে হাসিনাও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার আগে তার জ্ঞাতিগোষ্টিকে আগেই বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছিল এবং সর্বশেষ রেহানাকেও সংগে নিতে ভুল করেনি। তার বড় আমলা কামলা সহ মন্ত্রী, এমপি, স্পিকার, ডিপুটি স্পিকার সহ চেয়ারম্যান মেম্বার এমনকি ইমাম পর্যন্ত পালিয়ে গেলো।

নিজেদের জ্ঞাতিগোষ্টি নিরাপত্তার বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

মন্তব্য ২১ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: তাহারা ছিল ভারতীয় ডিএনএ। সুতরাং কর্ম চিন্তায় একই হবে এটা ধরে নেওয়া যায়।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সঠিক বলেছেন।

২| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৬

অরণি বলেছেন: শেখের জ্ঞাতিগোষ্টি নাতিপুতি যে যেখানে ছিল সেখান থেকেই পগার পার। হাসিনা আগে তাদেরকে ক্ষুদেবার্তা দিয়ে ভেগে যেতে বলেছিল।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: হ্যাঁ হাসিনা ম্যাসেজ দিয়ে তার জ্ঞাতিগোষ্টিকে যতদ্রুত সম্ভব দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলেছিল এমনটাই বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়।

৩| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩

অরণি বলেছেন: যারা এখন হাসিনার জন্য লাফাচ্ছে তাদের কথা কিছু বলে যায় নি হাসিনা?

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ওদেরকে বলেছে যে, বলদেরা তোরা লাফা আবার যখন মধু খাওয়ার সময় হবে তখন আমরা জ্ঞাতিগোষ্টি সবাই এসে হাজির হবো। :D

৪| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬

অরণি বলেছেন: আওয়ামীলীগের লোকজন কতটা বোকা এরা একবারও ভাবেনা যে সব রুইকাতলা বিদেশে পালিয়ে গিয়ে আয়েশি জীবন যাপন করছে আর মাঝে অডিও বাণী দিচ্ছে এতেই তাদের কাজ শেষ অন্যদিকে বলদগুলো দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করে জেলে যাওয়ার পথ সুগম করছে।

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৩

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন। বলদেরা এগুলো দেখেও কি কিছু বোঝেনা?!

৫| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: তার ছিল একই অঙ্গে অনেক রূপ। তিনি কাপড় সেলাই করতেন, নিজ হাতে রান্না করতেন, গাছে পানি দিতেন, ১৮ ঘন্টা দেশের জন্য কাজ করতেন এরই মাঝে আবার তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে কোনদিন মিস করতেন না। এতো রূপ ছিল তার!!!

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০১

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ক্যামেরাম্যান ঠাঁই দাড়িয়ে থাকতো কখন তাহাজ্জুতি বেগম তাহাজ্জুতের নামাজ পড়বে সেই অপেক্ষায়। আহা কি কষ্ট বেচারার। তার দুই পাঁ ফুলে ঢোল হয়ে গিয়েছিল তাহাজ্জুতি বেগমের তাহাজ্জুত নামাজ পড়ার একটা শর্ট নেওয়ার অপেক্ষা করতে করতে।

৬| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনের সাথে শেখ হাসিনার শাসনের কোনো মিল নেই । শেখ মুজিবুর রহমান বৈধ রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন । সে সময় আর কোনো রাজনৈতিক দল ছিলো না । বাংলাদেশের মানুষ খুব ডেমোক্রেটিক হয়ে উঠেছিলো বলে মনে হয় না । পাকি মিলিটারীর শাসন থেকে মাত্রই মানুষ মুক্ত হয়েছিলো। শেখ মুজিবুর রহমান যতই খারাপ শাসক হন তার কারণে উনাকে হত্যা করা আরো বড়ো ক্রাইম । তাকে জেলে নেয়া যেত , বিচার হতো যদি তার অন্যায় করেন । সে সুযোগ কেন দেয় হলো না ? কারণ রাজাকার গোষ্ঠী জানতো যে শেখ মুজিবুর রহমানকে জেলে আটকিয়ে রাখা যাবে না । শিশু রাসেল কে খুন করার মাধ্যমে বোঝা যায় যে আসলে ভয় টা কোথায় ছিলো। ;)

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০৯

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: মজিরর বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা ও মানুষকে অত্যাচার করা তার জন্য কাল হয়েছিল। মজিবর মোটেও ভালো মনের মানুষ ছিলোনা সে ছিল ভারত তথা র এর ক্রীড়নক। তাজ উদ্দিনের মেয়ে লেখা থেকে জানা/বোঝ যায় তার ধান্ধা ছিল পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী হওয়া বাংলাদেশে স্বাধীনতা মজিবর চায়নি।

৭| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

একজন নিষ্ঠাবান বলেছেন: মুজিবুর ও হাসিনা এখন ইতিহাস।

৮| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: ঘুমত মানুষের পারালাগবি তাই না
ঘুমের মধ্যে স্বপ্নটাও চলে আসে
এটা দোষের কিছু না আপনে আপনি
বুঝছে ফেলবে পাবলিক তারপরও
যদি বুঝতে না পারে তাহলে মরাই ভাল!

৯| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:১৮

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: বাক-স্বাধীনতা আর গণতন্ত্র বলতে কী বোঝেন? রাজাকারের বাচ্চাদের যা খুশী বলা আর রাজনীতি করতে দেওয়া যা জিয়াউর রহমান করেছিলেন জামায়াত ইসলামকে রাজনীতি করতে দিয়ে? শেখ মুজিব সরাসরি হত্যার নির্দেশ না দিয়েও সিরাজ শিকদারের খুনি, তাহলে জিয়াকে উদ্ধার করা তাহেরকে হত্যার মাধ্যমে জিয়া যে মীর জাফরি করেছে, সেটা বলার সাহস আছে? সেনা বিদ্রোহের নামে জিয়া যে এত এত সেনা কর্মকর্তা মারল, সেসব নিয়ে কিছু বলতে পারবেন?

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি? আন্তর্জাতিক কয়টা রেফারেন্স লাগবে যে ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে শেখ মুজিব স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন? সংবিধান পড়েছেন কখনো? সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে প্রণীত একটি ঘোষণাপত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণাপত্র প্রচার করা হয়। ইংরেজিতে এটিকে বলা হয়েছিল “প্রোক্লেমেশন অব ইনডিপেনডেন্স”। এর মাধ্যমে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চল বাংলাদেশ নামে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুসারে ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কারণ বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। তাহলে?


১০| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৩৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তাজউদ্দীন কে কেন মারা হলো ? ১৯৪০-এর দশকে মুজিবুর রহমান ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং অল ইন্ডিয়া মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের সাথে কাজ করেন। ১৯৪৭ সালে কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজে পড়ার সময় তিনি মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠনের নেতা ছিলেন এবং পাকিস্তান আন্দোলনের পক্ষে সংগঠক হিসেবে কাজ করেন। আমাদের জাতীয় নেতা (শেরে বাংলা , ভাসানী ) এবং সে সময়কার রাজনীতিবিদ ( সোহরাওয়ার্দী ও শেখ মুজিবুর রহমান) সবাই এক পাকিস্তানের পক্ষে ছিলো। পরে তারা ভুল বুঝতে পারে এবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে ইলেকশন করে মুসলীম লীগ কে পরাজিত করে । ভারত এখানে কোথাও ছিলো না ...।

১১| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০৩

অন্তর্জাল পরিব্রাজক বলেছেন: শেখ মুজিব এমন একজন ব্যক্তি যিনি একসময় হিরো থাকলেও দেশের ক্ষমতা হাতে পেয়ে ভিলেনে পরিণত হতে মোটেও সময় নেন নি। এদেশের যে এতো দুর্গতি এর জন্য তিনি এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা অন্যতম প্রধানভাবেই দায়ী। স্বাধীনতার পরের বাংলাদেশের ইতিহাস আমাদের কাছে এতদিন যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে তার মধ্যে অনেক ফাঁকিবাজি, মিথ্যে আর চাতুরীপূর্ণ ব্যাপার সেপার রয়ে গেছে। এগুলো প্রকাশ করা উচিৎ। প্রায় একই ধরণের অনেক কিছুই রয়ে গেছে তার "সুযোগ্য" কন্যা শেখ হাসিনার ব্যাপারেও। বাপ আর বেটিতে ভালোই মিল আছে।

১২| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০৫

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: ৥সৈয়দ কুতুব, জাতীয় চার নেতা যদি মুশতাকের সরকারে যোগ দিতেন, বেঁচে যেতেন। তারা তো বেঈমান ছিলেন না, তাই এই কাজ করেননি। রাজাকারের বাচ্চারা শেখ হত্যার জাস্টিফিকেশন সাজাতে গিয়ে যা খুশি তাই বলে বসে, ওদের সাথে আপনি যুক্তি দিলে কাজ হবে না। আপনার বুঝতে হবে যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা। রাজাকারের বাচ্চারা দেখবেন তাদের বাপদের হত্যারও বিচার চায়।

১৩| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০৭

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: অন্তর্জাল পরিব্রাজক, বিএনপির ২০০১-২০০৬ শাসন দেখেছেন বোধহয়। কেমন ছিল? তারেক রহমানের বর্তমান শাসন কেমন দেখছেন? আর স্বাধীনতা পরবর্তী ভঙ্গুর দেশটা আর কতটুকু ভালো চলতে পারত বলে আপনার মনে হয়?

১৪| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩২

মাথা পাগলা বলেছেন: শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে - এ জন্য বাংলাদেশের মানুষ তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। আর শেখ হাসিনা ছিলেন একজন আয়রন লেডি, রাজাকার-জঙ্গিদের তিনি সবসময় দৌড়ের উপর রেখেছিলেন। জুলাই ক্যুয়ের পর ইউনুসের নেতৃত্বে রাজাকার-জঙ্গিরা দেশে আবার স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে।

১৫| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৬

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: তথাকথিত ভারতীয় আধিপত্যের কিসসা শুনে মগজ ধোলাই হওয়া ২.০ প্রজন্মের লাল বদর রাজাকারদের ভারতের কেন্দ্র শাসিত কাশ্মীরে deport করা উচিত। তাহলে তারা মন প্রান দেহ দিয়ে উপলব্দি করবে যে আধিপত্য কি জিনিষ, আগ্রাসী আচরন কি বস্তু, বাস্তবিকভাবেই।

এরপর পাঠানো উচিত বেলুচিস্তানে। ৭১ এ বাঙ্গালীদের ওপর পাকিস্তানের পাঞ্জাবীদের আধিপত্য, আগ্রাসী মনোভাব, নিপীড়ন, বৈষম্যের ইতিহাস যেহেতু এই বরাহ শাবকরা বিশ্বাস করেনা তাই।

তবে deport করার আগে, তাদের এন আই ডি, পাসপোর্ট, জন্মসনদ perforate করে বাতিল করে দেয়া। যে দেশের পরিচয়কে তারা নিছক ভারতীয় ষড়যন্ত্রের ফলাফল ছাড়া কিছুই মনে করেনা তাদের উচিত, তাদের নৈতিক অবস্থানকে সম্মান করে সেই দেশ অনতিবিলম্বে ত্যাগ করা। তাদের আব্বা হুজুরের দেশ পাকিস্তানে আশ্রয় প্রাথনা করা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.