| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গতকাল রাতে একটা বাচ্চার পা**র ছবি দেখেছিলাম ফেইসবুকে, অনেকেই শেয়ার করেছেন। পা কেটে হাসপাতালে আসার পর ডাক্তার সাপোজিটরি দিতে গিয়ে দেখে গর্তের মতো হয়ে গেছে। মাদ্রাসার হুজুরে বিকৃত কাজ করতে করতে বাচ্চাটাকে এই অবস্থা করে দিয়েছে। দরিদ্র বাবা-মা'র সাহসও নাই ঐ মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কিছু বলার বা করার। সামর্থ্য তো নাই ই।
এতো ভয়াবহ এবং মর্মান্তিক যে, এটা শেয়ার দেয়ার সাহস আমার নাই। কিন্তু এটা আমার মাথার ভেতর ঢুকে গেছে। কারণ এই বয়সী আমার একটা বাচ্চা আছে। চিন্তা করলাম, যদি তার এই অবস্থা হয় তাহলে বাবা হিসেবে আমার কি করার থাকবে?
যদি আমাকে বাছাই করতে হয়, এই অবস্থা হবে অথবা ইসলাম শিখবে না, দুই অপশনের কোন একটা নিতে হবে। আমি নির্দ্বিধায়, এক মূহুর্ত চিন্তা না করেই বলবো, ইসলাম শেখার দরকার নাই। এই যদি হয় অবস্থা, তাহলে এই সম্ভাব্য অবস্থার ভেতর দিয়ে গিয়ে কোন শিশুকে মুসলমান বানানোর কোন চেষ্টারও দরকার নাই। কেউ মুসলমান হবে কি হবে না এইটা আল্লাহর হাতে। এইসব বিকৃত কুশিক্ষিত জানোয়ার হুজুরদের কাছ থেকে একটা মানুষকে আঠারো-বিশ বছর হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ আলাদা রাখাটা অনেক বেশি জরুরী।
বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা একটা বাতিল মালের কারখানা। এইখান থেকে আবর্জনা উৎপাদন হওয়া ছাড়া অন্য কিছু হয় না। শিশুকামিতা হলো প্রচন্ড অক্ষমতার এক বিকৃত বহিঃপ্রকাশ। মাদ্রাসা শিক্ষিতরা যেহেতু কোন কাজের কিছু জানে না, দুনিয়াতে তাদের কোন উপযোগিতা নাই, সুতরাং তারা অস্বাভাবিক ও অপ্রাকৃতিক এইসব বিকৃতির দিকে যায়।
আল্লাহ যে বলেছেন তিনি যাকে খুশি হেদায়েত দেন আর যাকে খুশি পথভ্রষ্ট করেন, তার একটা নমুনা আমরা চোখের সামনে দেখতেছি। মাদ্রাসা ব্যবস্থার মাধ্যমে সব পথভ্রষ্ট বিকৃত জানোয়ার দলে দলে বের হচ্ছে। অন্যদিকে আপনার বাচ্চাকে এই জানোয়ারদের কাছ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রাখলে হয়তো আল্লাহ তাকে তার জীবনে হেদায়েত দিয়ে ভালো মুসলমান বানাতেও পারেন।
এরা সাধারণ মানুষের দুর্বলতার কারণেই টিকে আছে এবং শক্তি পায়। এইসব ক্লাউনদের ওয়াজ নামের গলাবাজি শুনবেন না, এদের কোন কাজে বা মসজিদে কোন টাকা দিবেন না, এদের মাদ্রাসায় পাঠিয়ে বাচ্চাকে বিকৃতির শিকার বানাবেন না, এমনিতেই ধীরে ধীরে এরা হারিয়ে যেতো। কিন্তু মানুষ যেহেতু শর্টকাটে জান্নাত কিনতে চায়, এবং তারচেয়েও বড় কথা হলো, বাংলাদেশের মানুষ যেহেতু দরিদ্র, তারা পারবে না। ঐ ডাক্তারের লেখা যখন পড়তেছিলাম, গ্রামের ঐ হতদরিদ্র বাবা-মায়ের কাছে বিনাপয়সার মাদ্রাসা ছাড়া আর কোন সুযোগ নাই এবং কুকুর হুজুর সম্পর্কে কিছু বলার সামান্যতম সাহসও তারা রাখে না, বাস্তবতা চিন্তা করে কেবল একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়েছিলো। দারিদ্রতা অনেক বড় একটা অভিশাপ, মানুষকে ন্যুনতম জীবনও যাপন করার সুযোগ দেয়না।
আমাদের মাদ্রাসায় একটা ছেলে ছিলো। ধরা যাক তার নাম নাসির। সবাই জানতো নাসিরকে ফরহাদ হুজুর করেন। অফিসিয়ালি নাসির ছিলো ফরহাদ হুজুরের খাদেম। এতিম ছেলে, ফি সাবিলিল্লাহ থাকে এবং খায়, তার জীবনে অন্য কোন উপায় ছিলো না। কিন্তু ঐ বয়সে তো আমরা এসব বুঝতাম না। আমরা যারা সুবিধাভোগী এবং ক্ষমতাবান অংশের ভাগীদার ছিলাম, আমরা নাসিরকে ক্রিকেট খেলায় নিতাম না। তাকে নিয়ে নানা উপলক্ষে নানা রকম কৌতুক করতাম এবং প্রচন্ড অট্টহাসিতে ফেটে পড়তাম। এখন পেছনের তাকিয়ে চিন্তা করলে বুঝি আমরা কতটা বর্বর ছিলাম। সমাজ এবং সমস্ত পদ্ধতিটাই এমন যে, বর্বরতা এবং পাশবিকতা হলো এখানে প্রচলন।
(Aman Abdullah এর পোস্ট থেকে)
২|
২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাদরাসায় না পড়লে জানাযার নামাজ কিভাবে শিখবে ? সুরা ইয়াসিন পড়তে শিখবে না কেউ মারা গেলে । নীতি নৈতিকতা না শিখলে বুড়ো বয়সে বাবা মাকে দেখবে না সন্তান ।
৩|
২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০০
আহমেদ রুহুল আমিন বলেছেন: “দারিদ্রতা অনেক বড় একটা অভিশাপ, মানুষকে ন্যুনতম জীবন ও যাপন করার সুযোগ দেয়না ।”- আমরা সচেতনমহল যতই বুঝাইনা কেন দরিদ্র মানুষেরা পরিস্থিতির চাপে পড়ে তাদের ছেলে মেয়েদের মক্তব-মাদ্রাসায় দিতেই থাকবে এবং বর্তমানে ২০২৬ সালে এসেও বিকৃত মানসিকতার জানোয়ারেরা তাদের এই কুপ্রবৃত্তি চরিতার্থ করতেই থাকবে যা দেখার কেউ নেই ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪১
নতুন বলেছেন: ধর্ম শিক্ষার বিষয়কে ব্যবসা বানিয়ে নিয়েছে মোল্যারা।