নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ

আসকান১২৩

সত্যি কথা অকপটে লিখতে ও পড়তে ভালবাসি

আসকান১২৩ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কুখ্যাত ভন্ড পীর সমাচার-

১৬ ই মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:২৭

কুখ্যাত ভন্ড পীর সমাচার

এশিয়ান দেশগুলোর ভিতর বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে[/ংন]র জনসাধারণ আবেগপ্রবণ। তিন দেশের ভেŠগোলিক দূরত্ব যাই থাকুক না কেন, কিছু সাধারণ কর্মকান্ডে মিল আছে; যেগুলো তিনটি দেশেই এক রকম। পাকিস্তানের বিশেষ কিছু জায়গায় আইন শৃঙ্খরার চরম অবনতি দেখা যায়। আইন শৃঙ্খলার অবনতির সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম ও অপরাধ গাণিতিক হারে বাড়ে। আর অপরাধ জগতের নতুন এক মাত্রা হচ্ছে ধর্ম ব্যবসা। বিনা পুঁজিতে সবচেয়ে লাভজনক ধর্মব্যবসা হচ্ছে ‘পীরত্ব’। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই প্রমাণিত হয়েছে এরা ভন্ড। পাকিস্তান সরকারের নাকের ডগার উপর দিয়ে এ ধরনের ভন্ডরা বিভিন্ন রকম ভাওতাবাজী দিয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষকে ?কাচ্ছে।

ভারতবর্ষেও তাই। ভারতের অলিগলিতে ভন্ড পীরের অভাব নেই। মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ঐ সমস্ত পীর নামধারী ভন্ডরা মানুষকে নিঃস্ব করছে। যার ভুরি ভুরি প্রমাণ পত্র পত্রিকায় প্রায়ই ছাপা হচ্ছে বা ইউটিউবেও রয়েছে এর অজস্র প্রমাণ। ভারত সরকার যেহেতু কোন ধর্মে বিশ্বাস করেনা, সেহেতু এ ধরনের ভন্ড বাবাদের ব্যাপারে তার কোন ধরনের মাথা ব্যাথা নেই। বরং এ ধরনের ভন্ড বাবাদেরকে সরকার অনেকক্ষেত্রেই সাধুবাদ জানায়। দুনিয়ার আদিম জাতিগত সব ধরনের নোংরা প্রথাগুলো ভারতীয় ভন্ডপীর বাবাদের দেখা যায়। উদাহরনস্বরূপ বলা যেতে পারে - লেংটা মেলা বা উলঙ্গ সম্মেলনের কথা। বর্তমান বিংশ শতাব্দীতেও এ ধরনের বর্বর সম্মেলন ভারত বর্ষ কিভাবে সাধুবাদ জানায়, তা আমার জানা নেই।

এবার আসা যাক, বাংলাদেশের ভন্ডপীরদের কথায়। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, এক শ্রেণীর বিতর্কিত বাংলাদেশী ভারত-প্রেমীরা ভারতকে অন্ধভাবে অনুসরণ করতে পছন্দ করে। ভারতের যতো আবর্জনা, সব এসে জমা হয় ঐ ধরনের বিতর্কিত বাংলাদেশী ভারত-প্রেমীদের মাথায়। ভারতকে শতভাগ অনুকরণের মাধ্যমেই তাদের অর্ন্তনিহিত সার্থকতা খুজে পায়। আর তাইতো ভারতীয় রকমারি ভাইরাস আজ বাংলাদেশের অলিতেগলিতে। এহেন জঘন্য বর্বর ও পৈশাচিক নোংরা কাজ নেই, যা নাকি ভারতে হয় না। আর তারই বাতাস লেগেছে আমাদের দেশেও। এর মাধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ভন্ডপীর। বিভিন্ন ধরনের বিকৃত রুচির ভন্ডদের উপদ্রবে জনসাধারণ অতিষ্ট। কেউ কেউ বাড়ী বাড়ী যেয়ে পানি পড়ার ব্যবসা করে। সুযোগ বুঝে চুরি, ডাকাতিও করে। পাড়ায় পাড়ায় আরেক ধরনের ভন্ডপীর ব্যবসায়ীদের দেখা যায় লাল কাপড় শরীরে পেঁচিয়ে আছে, যার দ্বারা শরীরের বেশীর ভাগ গোপন অঙ্গ নজরে আসে। এরা হুজুরায় বসে সংঘবদ্ধ ভন্ডামীর দ্বারা মানুষ ঘায়েল করে। থানা, পুলিশ ও পাড়ার বখাটে উ?তি মাস্তানদেরকে সপ্তাহান্তে মদ ও নারীর চালানের ব্যবস্থা করে থাকে। শুধু তাই নয়, এ ধরনের ভন্ড পীর পিপাসুরা বিভিন্ন জায়গায় বিয়ের ছলে নারীর সম্ভ্রমহানী করে থাকে। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়, প্রায় প্রতিটি এলাকায় এ ধরনের ভন্ডদের দেŠরত্মে আজ সরকারের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ। কোন সরকারের আমলেই এদের বিচার হয় না। এমনকি বেশীরভাগ ক্ষেত্রে এদের খবরও ছাপা হয় না।

এ ধরনের ভন্ডরা সর্বদিকে মানিয়ে চলে। স্থানীয় ও প্রশাসনের কর্ণধারদের সবার জন্য আলাদা আলাদা নজরানার ব্যবস্থার কথা সবারই জানা। বিশেষ করে, এলাকার উ?তি বখাটে মাস্তানদেরকে সর্বাবস্থায় খুশী রাখতে এরা সদা-সচেষ্ট। এ ধরনের ভন্ডপীর নামধারীরা আমাদের সমাজের ভাইরাস। এরা সমাজের ক্যান্সার। ভন্ড পীরদের বিরুদ্ধে কোন মামলা বা সাজা আজ অবধি কেন হয় না? এ ধরনের প্রশ্নের জবাব দিয়েছে যাত্রাবাড়ীর এক নামকরা ভন্ডপীরের সাবেক দেহরক্ষী, যিনি সিডনিতেই বর্তমানে বসবাস করছেন। অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে সেই দেহরক্ষী থেকে। তার ভাষ্য অনুযায়ীঃ যাত্রাবাড়ীর সেই ভন্ড হুজুর ছিল নারী লোভী। ৬/৭ জন সুন্দরী অল্প বয়স্কা যুবতীরা তার খেদমতে সারাক্ষণ নিয়োজিত ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর বিপদগ্রস্থ শিক্ষিত, অশিক্ষিত লোক আসতো সেখানে। জীনে-ধরা রোগী এবং বন্ধ্যা রোগীকে খুব সহজে রেইপ করা যেত। কারন জ্বীনে ধরা রোগীকে আলাদা কামরায় নিয়ে দোয়া পড়ে তদবীর দিতে হবে বলে রোগীর নিয়ে আসা আত্মীয় স্বজন থেকে আলাদা করে ফেলতো। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে হাত পা বেধে ভন্ড পীর ও তার উচ্চ পর্যায়ের সরকারি রক্ষকরা যেŠন ক্ষুধা মিটাতো। ধর্ষিতা ঐ নর রাক্ষসের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে আত্মীয় স্বজনের কাছে অভিযোগ করলেও কেউ আমলে নেয় না। তাছাড়া, বন্ধ্যা মহিলাদেরকেও পাশের রুমে একা ঝার-ফুক করবে বলে নিয়ে একই চিকিৎসা দেয়া হতো। ঐ বিশেষ কক্ষের পিছনেই গোপন এক দরজা আছে, যেটা ভন্ডপীরের ইংগিতে ভিআইপি নষ্ট লোকদের জন্য খুলে দেয়া হয় অভাগী নারীকে পালাক্রমে ধর্ষনের জন্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বন্ধ্যা মহিলা মান-সম্মানের ভয়ে কিছু বলে না। কিছুদিন পর যদি সন্তান সম্ভবা হয়, তবে তাকে ভয় দেখিয়ে ফুসলিয়ে ঐ ভন্ডপীর প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করে লোকজন নিয়ে। বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ঐ ভন্ডপীরের মুরিদ। রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে ঐ ভন্ডের দরবারে ভিআইপি দের আনাগোনা বেড়ে যায়। মানুষ ভিআইপির গাড়ী দেখে অভিভূত হয়ে অন্য দশজনকে প্রমাণ দেখাত, পীর সাহেবের বিরাট ক্ষমতার ব্যাপারে! ঐ ভন্ডের বিশাল এক খানকায়ে তৈরী করে সেই ভন্ড নারী-পিপাসু রাষ্ট্রপতি। এক কক্ষে চলতো সেবার ও বাইচি নাচ, অন্য কক্ষে বিভিন্ন ধরনের নেশা। তবে, ভিআইপি ছাড়া ঐ আসরে সাধারণ মানুষের ঢোকা নিষেধ ছিল। তৎকালিন সময়ের কিছু অসৎ মন্ত্রী, পুলিশের অসাধু অফিসার ছাড়াও সমাজের কিছু প্রতিষ্?িত ব্যবসায়ীরা সামান্য দৈহিক চাহিদা মেটানোর জন্য সেখানে যেত। ঐ ভন্ড পীরের বিশাল বাহিনী ছিল। তারা ২৪ ঘন্টা পালাক্রমে কাজ করতো। হুজুগে মাতাল বাঙ্গালী সেখানে হুমড়ি খেয়ে পড়তো। কুফরি কালাম বা শয়তানের পুজা করে ২/১ টি যাদু দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে অসহায় মানুষের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে এ ধরনের ভন্ডরা। প্রতিদিন প্রচুর অর্থ উপার্জন করছেঃ বিনা চালানে ব্যবসা। এতো টাকা তারা আয় করে, যা সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করবে না। অসহায় মানুষ বিপদে পড়ে তাদের সব দুর্বলতা খুলে বলে। ঐ দুর্বলতার সুযোগের পরিপূর্ণ সৎ ব্যবহার করে প্রতিদিন অসহায় মানুষকে সর্ব শান্ত করে দিচ্ছে। পুরাতন ঢাকা, নতুন ঢাকা ছাড়াও গোটা বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এদের প্রকাশ্য আস্তানা সবারই জানা। এর মধ্যে পুরাতন ঢাকার ধুপখোলা, গেন্ডরিয়া, ওয়ারি, বাসাবো, লালবাগ, স্বামীবাগ, সুত্রাপুর, ফরাশগঞ্জ, মিল ব্যারাক, জুরাইন, যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, মতিঝিল, পুরানা পল্টন অতি পুরাতন ও কুখ্যাত। এরা বিভিন্ন ধরনের উদ্ভট নামে পরিচিত। কেউ দয়াল বাবা, কেউ সুরেস্বর, কেউ বড় ভাই, কেউ আবার বাবা, কেউ মামা, কেউ আট রশি, কেউ হুজুরে কিবলা, কেউ মাটি বাবা, কেউ লেংটা, কেউ ফুক বাবা ইত্যাদি। আরো কতো উদ্ভট নামে যে এরা পরিচিত, তা গবেষণার বিষয়! এরা আসল নাম গোপন রেখে সাচ্ছন্দে ব্যবসা করে যায়। অনেকেরই এদের মধ্যে পিছনের জীবনে কলঙ্ক অধ্যায় রয়েছে, অনেকে জেল খাটা মারাত্মক আসামী। তাই নাম গোপনের পিছনে অনেক রহস্য বিদ্যমান।

এ রকম হাজারো ভন্ডপীরদের মাঝে উল্লেখ্য সিরাজদিখানের খাস নগরের নিরক্ষর কুয়েত ফেরত আমজাদ হোসেন বেপারী, কদমতলীর টাইগার বাবা, কুমিল্লার বরুরা থানার খোশবাস গ্রামের বিড়ি বাবা, চান্দিনা কুমিল্লার লা?ি বাবা, কুমিল্লার ধর্মপুর গ্রামে গাজী বাড়ি আব্দুর রউফ বাবা, বেগমগঞ্জ নোয়াখালী -চন্দ্রগঞ্জে বাজারের অদূরে আইলাপুরের ভববতী গ্রামে মহিলা পির বিবি-সুরাইয়া, ভন্ড কবিরাজ ফেনীর আলিম খন্দকার, শাহাবুদ্দিন খনার। এছাড়াও পুরাণ পল্টনের নুরুল আলম নামের ভন্ড কবিরাজের তিন তলায় চলে বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কাজ। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের অসৎ ব্যক্তিরা আজ আলমের আজ্ঞাবাহী গোলাম!
উপরন্তু, হাই কোর্ট ভবনের পিছনে ছোট টংয়ের কথা হয়তো অনেকেই জানেন। সেখানে ২৪ ঘন্টা ঐ ভন্ডদের মাদক দ্রব্য সেবন কে না জানে? মাজারের নামে ভন্ডরা প্রতিরাত বসায় রমরমা গাঁজা আফিম সহ নান রকম মাদকের আসর। বছরে একবার শিন্নির নামে বিরাট ওরসের লোক দেখানো আয়োজন করে। বেশীরভাগ মেয়েরাই ঐ রাতে ধর্ষনের শিকার হয়।

এমনও ভন্ড আছে, যারা একই সময় মা ও মেয়েকে ধর্ষন করেছে। রোগী বেশী অসুস্থ্য হলে “পানি পড়া” দিয়ে বিশেষ এই তদবির দেয় অনেক ভন্ডপীর! এ যেন ডাক্তারের হোম ভিজিট!! একই রাতে দু’বোনকে ধর্ষন করেছে এক ভন্ডপীর, যার বিশাল সাম্রাজ্য লালবাগে। পুরানো পল্টনের তিন তলায় ভিআইপি দের তালিকায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা ছাড়াও প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের গুনিজনদের আনাগোনা সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে। পল্টনের ভন্ডপীর বিভিন্ন রকম সালসা বিক্রি করে নিরীহ কিছু অফিসারকে জিম্মি করে রেখেছে। পুলিশের কলঙ্কিত জেলখাটা, হাবিলদার, দীর্ঘদিন কারাভোগ করে শর্টকাট অর্থ উপার্জনের রাস্তা বের করে নিয়েছে পীর ব্যবসার মাধ্যেমে। কারাগারে থেকেই আরেক দাগী আসামী থেকে কিছু যাদু বিদ্যা শিখে নেয় সে। সেখান থেকে বের হয়ে পুরানা পল্টনের তিন তলায় গেড়েছে দূর্গম আস্তানা। রাতে অস্ত্রধারী কর্মচারীরা পাহারা দেয়। বিভিন্ন ভাবে ফুসলিয়ে বিভিন্ন বয়সের আকর্ষনীয় মেয়েদেরকে দালালের মাধ্যমে উক্ত পীরের কাছে পা?ানো হয়। ভন্ডপীরদের প্রতিটি দালাল মাস শেষে লাখ টাকা উপার্জন করে! এ সমস্ত দালালেরা সমাজে ছদ্মবেশে মুখোশের অন্তরালে লুকিয়ে আছে। এলাকায় তাদের অবস্থানও ভালো। প্রতিটি মানুষেরই কম বেশী সমস্যা থাকে। সমস্যার সমাধান দ্রুত কে না চায়? সমস্যায় পড়া মাত্র দালালেরা সুকেŠশলে ফাঁদ পাতে। বলে, যান - ওমুক পীরের কাছে; গেলেই সব বিপদমুক্তি হয়ে যাবে ইত্যাদি। ব্যাস, রুগী পীরের কাছে গেলেই উক্ত দালালের হাতে নির্ধারিত অর্থ চলে যায়। এ ধরনের দালালদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশী।

এ ধরনের ভন্ডপীর নাম ধারীরা আন্তর্জাতীক নারী পাচারকারীদের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই প্রকাশিত, আকর্ষণীয় মেয়েদেরকে কেŠশলে আটক করে গোপন কক্ষে ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখে। জৈবিক চাহিদা শেষ হবার পর ভারত হয়ে দুবাই চালান হয়ে যায়। বর্তমানে ভারতের সাথে করিডোর বা রেইল চুক্তির ফলে এ ধরনের নারী পাচারকারিদের জন্য স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। মাদক ও অস্ত্রের বিনিময়ে পাচার হচ্ছে নিরীহ মেয়েরা। ভারতে চিকিৎসার জন্য স্বাবাভিক ভাবেই অনেক মানুষ যায় বাংলাদেশ থেকে। এ সুযোগটি ঐ নারী পাচারকারিরা নিয়ে থাকে। দালালেরা মেয়েকে ঔষধ দিয়ে অবচেতন অবস্থায় এক দেশ থেকে আরেক দেশে নিয়ে যায়। কেউ জিজ্ঞেস করলে বলে, ভাই - ও আমার বোন বা মেয়ে বা বউ; মারাত্মক অসুস্থ্য। সুচিকিৎসার জন্য ভারত নিয়ে যাচ্ছি। ভারত ঢুকে গেলে তাদের কোন চিন্তা নেই। কারন, হাজারো ধরণের অপকর্মের এলাকা হচ্ছে ভারত। ওখান থেকে চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন রুটে পাচার হয়ে যায় আমাদের মেয়েরা। দুবাই ও ভারতে এ ধরনের অগণিত বাংলাদেশী অসহায় রমনীর আবাসস্থল গড়ে উ?েছে। আমাদের তিন দেশের মানুষই আবেগপ্রবণ, ধর্ম সম্পর্কে উদাস, পারিপাশ্বিকতার শিকার, মূর্খ্য ও অল্পতে না জানা বিষয়েও রাজী হয়ে যায়। যার কারনে খুব দ্রুত এ ধরনের ভন্ডপীরদের খোরাকের বস্তুতে পরিণত হয়। এ ধরনের ভন্ডপীরেরা ক্যন্সারের ভাইরাস। এরা দেশ ও জাতির এক বিরাট শক্র, এ কথা কখন আমাদের বুঝে আসবে? একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানেন।
প্রতিটি এলাকায় যুব সমাজকে এর প্রতিকারে এগিয়ে আসতে হবে। প্রশাসনের এই ধরনের অসৎ জড়িত ব্যক্তিদেরকে চিহ্নিত করতে হবে, ভন্ডদেরকে উপযুক্ত বিচারের আওতায় আনতে হবে। ওরা মানুষ নামে জানোয়ার! এদেরকে পাকড়াও করে প্রথমেই মিডিয়ার মাধ্যমে তার পরিচয় ও ঘটনা তুলে ধরে সমাজের সাধারণ জনগণকে সজাগ করে তারপর পুলিশে দিয়ে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন সংগ?নগুলো বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। নিকটস্থ থানায় নয়, প্রথমেই পুলিশের সবোর্চ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করে পরিস্থিতির ভয়াবহতা বর্ণনা করে অনুমতি পাশ করে নেয়া জরুরী। তারপর এলাকার যুবকেরা অতর্কিত যেয়ে ভন্ডকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা জরুরী। স্থানীয় থানার পুলিশ যাতে ভন্ডপীরের সমর্থন না করতে পারে, এ জন্য আগেই পুলিশ হেড কোয়ার্টারে জানিয়ে অনুমতি নিয়ে রাখতে হবে। এদের জামীন যাতে না হয়, এদিকে ক?িন ভাবে নজর রাখতে হবে। উপযুক্ত স্বাক্ষী প্রমানের মাধ্যমে ঐ ধরনের ভন্ডদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আমাদের বর্তমান বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘন্য ধর্মব্যবসায়ী এইসব ভন্ডপীরদের কুকর্ম সম্পর্কিত সংবাদ ও ভিডিও ক্লিপ পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। লাখো-কোটি মানুষের সরল ধর্ম বিশ্বাসকে পুঁজি করে এসব ভন্ডদের ব্যাপারে আমাদের দেশীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যেন, “চোখ থাকিতেও অন্ধ!” বিশাল পরিমাণ উৎকোচ আর অন্যান্য অসামাজিক কাজের অফুরন্ত সুযোগের বন্দোবস্ত যে এদের চোখে ?ুলি পরিয়ে দিয়েছে – তা এখন সবাই জানা।
তবুও এসব কুকীর্তির চাক্ষুষ প্রমাণ আমাদের প্রতিবাদী হতে সাহায্য করবে নিশ্চিত। আর অদূর ভবিষ্যতে কোন এক ন্যায়পরায়ণ শাসক এর প্রতিকারের জোর পদক্ষেপও গ্রহণ করবেন বলে আমরা দৃঢ় আশাবাদী। আর সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই কিছু লিংক পা?কদের জন্য উল্লেখ করছিঃ

1| https://www.youtube.com/watch?v=iELKyRYWCBk
2| https://www.youtube.com/watch?v=Yod7Zfdu4s8
3| https://www.youtube.com/watch?v=byvBiR3M8kE
4| https://www.youtube.com/watch?v=YUzCrZH31eQ
5| Click This Link
6| Click This Link


হাক্কানীপীর হতে হলে বড় আলেম ও হাফেজ হওয়া জরুরী। ইমাম গাজ্জালী (রহঃ) এর বর্ণনায় এটাই জানা যায়। কারন, ইসলামী জ্ঞানহীন লোক নিজেই হাজারো ভুলে জর্জরিত; সে মানুষকে স?িক রাস্তা কিভাবে দেখাবে? স?িক ইসলামি জ্ঞান ও তার সাথে চর্চা থাকতে হবে। শুধু জ্ঞান থাকলেও চলবেনা। তাহলে শয়তানের নেক সুরতের ৭০ হাজার ধোকার মধ্যে পড়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে এক ভন্ডের নাম উল্লেখ না করলেই নয়। সে ব্যক্তি প্রকাশ্যে শিরক করে চলছে। নবী (সাঃ) এর বংশ নিয়ে উল্টা পাল্টা বলে চলছে। যা নাকি আমি লিখতেও ভয় পাচ্ছি। ঐ ভন্ড “--- বাগী” আপাদমস্তক একটি মাতাল পশু!! নিত্য নতুন কেŠশলে, নানা ঢঙ্গে আল্লাহ্ ও রাসুল (সাঃ) এর বিরুদ্ধে আজেবাজে কথা বলে চলছে। আশ্চর্য্য, ধর্মপ্রাণ কোনো মানুষের প্রতিবাদ নাই! কেউ কথা বলে না! এ ব্যাপারে সরকার বিশেষভাবে এগিয়ে আসতে পারে। সরকারের বিশাল একটি ভুমিকা থাকা অবশ্য বাঞ্ছনীয়। কারণ, মানুষের দেয়ালে পি? ?েকে গেলেই মানুষ তখন উগ্র হয়ে যায়। উগ্র হলে হিতাহিত জ্ঞান লোপ পায়। হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেলে মানুষ যে কোন কিছু করতে দ্বিধা বোধ করে না।
নাম মাহবুব এ খোদা, সর্বস্তরে দেওযানবাগী নামে পরিচিত। জন্ম ২৭ শে অগ্রহাযন ১৩৫৬ বাংলা মোতাবেক ১৪ ই ডিসেম্বর ১৯৪৯ ইংরেজী। জন্মস্থান ব্রাক্ষনবাডীয জেলার আশুগঞ্জ থানাধীন বাহাদুরপুর গ্রামে। পিতা সৈযদ আব্দুর রশিদ সরদার। মাতা জোবেদা খাতুন । ছয ভাই দুই বোন। ভাইদের মধ্যে সর্ব কনিষ্?।এক নজরে দেওযানবাগীর লিখা এবং বলা কিছু আকিদা ও উক্তি এবং একই সাথে আকিদা ও উক্তিগুলোর রেফারেন্সও দেযা হল। বিঃদ্রঃ- দযা করে প্রতিটা আকিদা ও উক্তি পডার পর "নাউজুবিল্লাহ" বলতে ভুলবেন না।
▣ “আমার অসংখ্য মুরিদান স্বপ্ন ও কাশফের মাধ্যমে আল্লাহর দীদার
লাভ করেছে। আমার স্ত্রী হামিদা বেগম ও আমার কন্যা তাহমিনা এ খোদা স্বপ্নের
মাধ্যমে আল্লাহকে দাডী গোফ বিহীন যুবকের ন্যায দেখতে পায।
” –(সুত্রঃ আল্লাহ কোন পথেঃ২৩)
▣ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন “শুধু আমি নই, আমার স্ত্রী কন্যা
সহ লক্ষ্য লক্ষ্য মুরিদানও আল্লাহকে দেখেছেন” সুত্রঃ (সাপ্তাহিক দেওযানবাগ)
▣ “দেওযানবাগে আল্লাহ ও সমস্ত নবী রাসূল, ফেরেস্তারা মিছিল
করে এবং আল্লাহ নিজে শ্লোগান দেন।” –সুত্রঃ (সাপ্তাহিক দেওযানবাগ, মার্চ ১৯৯৯ ইং)
▣ “আমি এক ভিন্নধর্মের লোককে ওজীফা ও আমল বাতলে দিলাম।
ক’দিন পর ঐ বিধর্মী স্বপ্নযোগে মদিনায গেল। নবিজীর হাতে হাত মিলালো। নিজের সর্বাঙ্গে জিকির অনুভব করতে লাগলো। তারপর থেকে ওই বিধর্মী প্রত্যেক কাজেই অন্তরে আল্লাহর নির্দেশ পেযে থাকে।” –সুত্রঃ (মানতের নির্দেশিকাঃ২৩, সূফী ফাউন্ডেশন, ১৪৭ আরামবাগ, ঢাকা)
▣ “কোন লোক যখন নফসীর মাকামে গিযে পেŠঁছে, তখন তাঁর আর
কোন ইবাদাত লাগেনা।” – সুত্রঃ (দেওযানবাগী রচিত, আল্লাহ কোন পথে,পৃঃ ৯০)
▣ “জিব্রাইল বলতে আর কেও নন,স্বযং আল্লাহ-ই জিব্রাইল।” – সুত্রঃ (মাসিক
আত্মার বাণী, ৫ম বর্ষ, ১ম সঙ্খ্যাঃ২১)
▣ “সূর্যোদয পর্যন্ত সাহরী খাওযার সময। সুভে সাদেক অর্থ
প্রভাতকাল। হুজুরেরা ঘুমানোর জন্য তারাতারি আযান
দিযে দেয। আপনি কিন্তু খাওযা বন্ধ করবেন না। আযান দিযছে
নামাজের জন্য। খাবার বন্ধের জন্য আযান দেযা হযনা।
” –সুত্রঃ (মাসিক আত্মার বাণী, সংখ্যাঃ নভেম্বরঃ ৯৯, পৃঃ ৯)
▣ “মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যুপর্যন্ত হাযাতে জিন্দেগী কে পুলসিরা বলা হয়।” –
সুত্রঃ (দেওয়ানবাগী রচিত, আল্লাহ কোন পথে, তৃতীয সংস্করনঃ ৬০)
▣ “আল্লাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওযার ফলে আত্মা এক বিচ্ছেদ যাতনা
ভোগ করতে থাকে। প্রভূর পরিচয নিজের মাঝে না পাওযা অবস্থায
মৃত্যু হলে সে বেঈমান হযে কবরে যাবে। তখন তাঁর আত্মা এমন এক অবস্থায়
আটকে পডে যে, পুনরায আল্লাহর সাথে মিলনের পথ খুঁজে পায়না। আর তা আত্তার জন্য ক?িন যন্ত্রনাদাযক। আত্মার এরূপ চিরস্থাযী যন্ত্রনাদাযক
অবস্থাকেই জাহান্নাম বা দোযোখ বলা হয।” সুত্রঃ (দেওযানবাগী রচিত, আল্লাহ কোন পথেঃ ৪৪▣ দেওযানবাগী নিজেকে ইমাম মাহদী দাবী করেন। অতঃপর দরুদে মাহদী রচনা কর্নে ।দরুদে মাহদীঃ “আল্লাহুম্মা ছাল্লী আ’লা সাইয্ ওযালা আ’লা ইমাম মাহদী রাহমাতাল্লিল আলামীন ওযালিহী ওযাছাল্লীম।”
মযলার স্তূপে অর্ধমৃত ও বিবস্ত্র অবস্থায় রাসুল (সাঃ) কে দেখেছি।
▣ দেওযানবাগী ১৯৮৯ সালে নাকি একটি ব্যতিক্র মধর্ দেখে ফেলেন।
এ স্বপ্ন সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি দেখি ঢাকা ও ফরিদপুরের মধ্যবর্তী স্থান জুডে এক বিশাল বাগান ফুলে- ফলে সুশোভিত। ওই বাগানে আমি একা একা হেটে বা হ?াত বাগানের একস্থানে একটি মযলার স্তূপ আমার চোখে পড।েআমি দেখতে পাই ওই ময়লার স্তূপে রাসুল (সাঃ) এর প্রানহীন দেহ
মোবারক পডে আছে। তাঁর মাথা মোবারক দক্ষিন দিকে আর পা মোবারক
উত্তর দিকে প্রসারিত। বাম পা মোবারক হাটুতে ভাজ হযে খারা অবস্থায রযছে।আমি তাকে উদ্ধার করার জন্য পেরেশান হযে গেলাম। আমি এগিযে গিযে তাঁর বাম পায়ের হাটুতে আমার ডান হাত দ্বারা স্পর্শ করলাম। সাথে সাথেই তাঁর দেহ মোবারকে প্রাণ ফিরে এল। তিনি চোখ মেলে আমার দিকে তাকালেন। মূহুর্তের মধ্যেই রাসূল (সাঃ) সুন্দর পোশাকে সুসজ্জিত হযে গেলেন। তিনি উ?ে বসে হাসি মুখে আমার দিকে তাকিযে বললেন, হে ধর্মপূনর্জীবন দানকারী!ইতমধ্যেই আমার ধর্ম আরও পাঁচবার পূনর্জীবন লাভ করেছে।একথা বলে রাসূল (সাঃ)উ?ে দাঁডযিে হেটে হেটে সাথে চলে এলেন। এরপর আমার ঘুম ভেঙে গেল। ” – সুত্রঃ (দেওযানবাগীর স্বরচিত গ্রন্থ “রাসূল স. সত্যিই কি গরীব ছিলেন?” ১১-১২ প্রকাশকালঃ জুন ১৯৯৯।)
আরেক সয়তানের নাম সুরেস্যর বা দয়াল বাবা। স¤প্রতি ঢাকা থেকে এক পরিবার তাদের যুবতী মেয়েকে নিয়ে যায় চিকিত্সার জন্য। লম্পট ওই সুন্দুরী মেয়েটির দিকে নজর যায়। ভন্ড সুরেস্যর তাকে জাদু করে।মেয়েটি তার মায়ের সাথে বাসায় ফিরতে রাজি হয় না,শত চেষ্?া করেও মেয়েকে বাসায় ফেরত নিতে পারেনি। মেয়েটির নাকি পীরের আস্তানা ভালো লাগে,পীরের খাবার খুব পছন্দ। পীরের গায়ের গন্ধ ছাড়া সে মেয়ে নাকি মরে যাবে। অবশেষে মেয়েকে জোর করে ঢাকায় নিয়ে যায়। কয়েকদিন পরে ভন্ড পীরের দলবল যেয়ে ঢাকা থেকে কিডনেপ করে নিয়ে যায়। এ নিয়ে মেয়ের বাবা হার্ট এটাক করে মারা যায়। সুরেস্যরের ওই শুকরের বিরুদ্ধে জিডি করা হয়েছে।ঢাকা শহরের অভিজাত্য এলাকায় তার বেশ অনেকগুলি বিউটি পার্লার আছে। ধানমন্ডি ,বনানী,গুলশান,বারিধারার এ সমস্ত বিউটি পার্লার গুলি মিনি পতিতালয় বল্লে কম হবে না। খদ্দেরের পছন্দ অনুযায়ী মেয়ে সাপ্লাই দেয়া হয় বিভিন্ন হোটেল ও বাসায়।গতবছর এক ভন্ডপীরের ঘরে ৫/৬ জনকে জবাই করে ফেলে রেখেছিল অজানা কেউ। ভন্ডপীরের পরিবারের সদস্য ছাড়াও কয়েকজন খেদমতদার লোককেও গলা কেটে হত্যা করা হয় ঢাকা শহরে।

যারা এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিজদা করলো,তারা আল্লাহর সাথে শরিক করলো। এক আল্লাহকে ছাড়া অন্য কাউকে সিজদা করলে কুফর করে কাফির হয়ে যায়। তখন তারা মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যায়। যে লোক শিরিক করলো সে লোক বেহেস্তে যাওয়া দুরের কথা বেহেস্তের গন্ধও পাবেনা। নরকের আগুনে অনন্ত কাল জলবে। শয়তান মানুষকে ৭০ হাজার নেক সুরুতে ধোকা দেয়। যারা ভন্ড পীরের ভন্ড শিরিকি মুরিদ তারা আপাত: দৃষ্টিতে খুব ভালো কিছু একটা করছে বলে মনে হলেও আসলে সেটা সয়তানের রাস্তা। কোন বিবেকবান,সুস্থ্য ,স্বাভাবিক মানুষ ভন্ড পীরের মুরিদ হতে পারে না ।৯৯% সময় অর্থাৎ বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, অশিক্ষিত ও বিদ্যাহীন মানুষই ঐ ভন্ডদের মুরিদ।

অনুসন্ধানে জানা যায়,সুরেশ্বর পির(দয়াল বাবা) পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে বহুদিন যাবত কাজ করে আসছে। পীর একটি কাভার মাত্র। তার সাগরিদ মনিরুল চোধুরী, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে মানুষ এ ছদ্দবেশীকে ডাকে।কেউ তাকে ইলিয়াস ,কেউ বা তাকে মিনার ,কেউ বা তাকে চেŠধুরী আবার অনেকে তাকে কায়দা আজম আবার অনেকে নুরুল আলম বা মনিরুল বা মনিার বা এম,এস চেŠধুরী ডাকে । ৪২/১ বি পুরাণ পল্টন, ৩য় তলা দীর্ঘ দিন যাবৎ পাকিস্তান সরকারের অত্যান্ত বিশ্বস্তভাজন হয়ে কাজ করে আসছে। ভুয়া সালসা বিক্রেতা মনিরুল চোধুরী(এম,এস চেŠধুরী) অবৈধ অস্র বেচা কেনায় বেশ নাম ডাক আছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। তাছাড়া গাজা,ভাং এর গন্ডি পেরিয়ে ইয়াবা ও আইস এর রমরমা বানিজ্যে তার এখন পোয়া বারো।অস্র,নারী ও মাদক সম্রাট নামে সুপরিচিত এ কুখ্যাত সন্ত্রাসী গোটা বাংলাদেশে তার এক গোপন সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। নেচারেল মেডিকেল সেন্টার ৪১/বি পুরানা পল্টন,নবীন টাওয়ারের পিছনে,৩য় তলায় বাসা ও অফিস। এ ধরনের ছোট ছোট বাসা ও অফিস প্রায় ১০০ টি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বাংলাদেশে। কিছু দিন পর পর খবরের কাগজে নিত্য নুতন কেŠশলে,আকর্ষনীয় ভাষায় বিজ্ঞাপন ছাপেন। শুধূ মাত্র যুবতী -সুন্দরী মেয়েদেরকে চাকুরিতে নিয়োগ দেন। প্রথম কিছু দিন অগ্রিম বেতন-সময় সময় গাড়ী পা?িয়ে বাসা থেকে নিয়ে যায় আবার কাজ শেষে বাসায় নামিয়ে দেয়। পরে এক সময় মেয়েকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে নিয়ে যায় তাদের গোপন আস্তানা কাজলায়(সামাদ নগর,মোল্লা কলেজের পিছনে,মোস্তাক মিয়ার বিল্ডিং,পুকুরের সাথে)। নিচ তলায় অন্য মালিকের কারখানা,উপরের তলায় বছরে ৩৬৫ দিন তালা জুলতে থাকে। বাইরে থেকে সব সময় বন্ধ রাখার করা নির্দেশ।বাহির থেকে মোবাইল ফোনে কল করে পরিচয় না দিলে দরজা খোলা নিষেধ। অতিরিক্ত সাবধানতা ও কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশের সহযোগিতার কারণে এখন পর্যন্ত এ অস্র,নারী ও মাদক সম্রাট মিডিয়া ও প্রশাসনকে ধোকা দিয়ে নাকের ডগায় দিব্বি এ ধরনের অসৎ কর্ম কাণ্ড করে যাচ্ছে। যেখানে কারখানার নামে ভাড়া নিয়ে পাশের রুমে চলে নারী ও মাদকের ভর পুর বানিজ্য। মেয়েদেরকে জোর করে ভয় দেখিয়ে বাধ্য করে দেহ বেবসায়। বাংলাদেশের প্রায় ১০০ টি শো রুম নামে নারী আটকানো গোপন আস্তানা বিদ্যমান। এদেরকে নিজেরা ভোগ করার পর সরকারের এক শ্রেনীর দুর্নীতি পরায়ন লম্পটদের দিয়ে ভোগ করায় । অবশেষে তাদের হেড অফিস সুরেশ্বরের গোপন আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে তাদের বিশাল কেডার বাহিনী ২৪ ঘন্?া পাহারা দেয়। ওখান থেকে খুব দ্রুত বিভিন্ন বর্ডার দিয়ে ভারত হয়ে দুবাইতে পাচার হয়ে যাচ্ছে অনেক নিরীহ বিভিন্ন শ্রেনীর যুবতী মেয়েরা।

সাবাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সে বিয়ে করেছে। কোনো বউ নেই। সবাইকে পাচার করে দিয়েছে। এককালের অসৎ পুলিশের হাবিলদার থাকা কালীন সময়ে এক গুরুতর ক্রাইম করে ফেসে যায়। অবশেষে হাজত খেটে তার পর বের হয়। যার ফলে পুলিশের কাজটি তার চলে যায়। সালসার বেবসা তার কাভার মাত্র। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্পটে জঙ্গি হামলার রসদ যোগান হচ্ছে মনিরুল হক চোধুরীর কাজ। ভন্ড পীর সুরেশ্বরের আস্তানায় গোলা -বারুদ রাখার গোডাউন আছে। যা শুধু মাত্র সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্যে নিত্য নুতুন পলিসি করে নাশকতা মূলক কর্ম কান্ড চালাতে বেবহার করা হচ্ছে।

সমাজের আনাসৃষ্টিকারি, নরকের কীট এধরনের অসুস্থ্যদেরকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া প্রতিটি দায়িত্বশীল সরকারের নীতিগত দায়িত্ব; যেমনটি দায়িত্ব দেশের জনগণকে নিজ হাতে আইনকে তুলে নেয়া থেকে বিরত রাখা। দেশের ধর্মপ্রাণ সাধারণ মুসলমান হিসেবে তাই আজ আমরা তাকিয়ে আছি সরকারের দিকে।
লেখক পরিচিতিঃ

লেখক একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও গবেষক। তিনি নানাবিধ সামাজিক ব্যাধি নিয়ে প্রবন্ধ রচনা করে থাকেন জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:২৫

সেয়ানা পাগল বলেছেন: যা বুজলাম ভাত খেয়ে হাগা নাহলে সেটাও ভারতের দোষ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.