| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বন্ধু তুহিন প্রাঙ্গনেমোর
আসুক শুভ্র সকাল, আসুক আবার শুদ্ধ সময়..
একটি অত্যাবশ্যকীয় গল্পের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা উচিত;
গল্পের শুরুটা না ভাবলেও চলবে, তবে শেষটা চাই।
শেষের চার আঙুল নিচে তুই বলেছিলি একটি কথা— “থাকিস।”
অথচ অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হয়ে প্রতীক্ষায় রূপান্তরিত হল।
আচ্ছা, তুই কখনো কষ্ট পেয়েছিলি নিভৃতে?
ঠাকুরের ফ্রেমবাঁধা ছবি দেখে কখনও কেঁদেছিস, যাকে বলে ভীষণ কান্না?
উপলব্ধি হয়তো করতে পারিস, কান্নারও রং আছে।
আজ না হয় রংটাই দিলাম তোকে।
খেয়াল করেছিস, কান্নার রং আর বৃষ্টির রং অনেকটা এক।
আধা-ভাঙা কংক্রিটের রাস্তায় গলে যাওয়া আলকাতরায়
হঠাৎ বোবা বৃষ্টির কান্নার রংটা মিলিয়ে নিস— সেই এক।
থাক, এই সব কান্না-ফান্না, ঘেন্না— আর না...
চল, কিছু সুখের কথা বলি— শুধু তোর সুখ... বলবি?
এ যেমন ধর, যখন তোকে ছুঁয়েছিলাম, তোর সারা গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল,
ঠোঁট কাঁপছিল ভীষণ। আমি ভেবেছিলাম, এ বুঝি কোনো অসুখ—
আর তুই বললি, এটাই নাকি সুখ!
আসলে সুখের গন্ধটা কী, সেইটাই তো অজানা থেকে গেল।
যেমন করে তুই এখন ভাসিস ঝর্ণাধারায় অন্য কারোর সিঁদুরে;
আর আমি অপেক্ষায় থাকি— মহাজন দেবে জল, ৯টা–৫টার অফিসে।
শরীরটা যে কবে ধুয়েছি নিজের মতো করে, মনে নেইরে— নেই।
সেদিন ছিল একাদশীর দিন, মনে আছে? মা সাগু খাচ্ছিলেন।
আর তুই এসে বললি, “চল, চল, ঘরে মাটন।”
আমি একাদশীকে উপেক্ষা করে দৌড়ে গেছি মাংসের গন্ধে;
আর সেদিন তুই পেয়েছিস সুখ, আর আমি বুঝেছি অসুখ।
তার ঠিক দুদিন পর তুই উড়াল দিলি সুখটুকু নিয়ে,
আর আমি অসুখের যন্ত্রণায় এদিক-ওদিক নৈঋত কত খুঁজেছি,
যেমন করে অন্ধ পিঁপড়ে হারিয়েছে তার দল।
একি পাকে ঘুরতে ঘুরতে কখন যে মধ্যবিত্ত হলাম, টাক পড়ল— ভুলেই গেলাম।
তাই সুখ আর ধরা হল না— বৃষ্টি আসুক, জোস্না বসুক, অথবা টগবগে রোদ....
............................................................................
প্রেরক: কবরস্থানের গলি
রাত ৩টা ১২ মিনিট
অগ্রহায়ণ, ১৪২৫
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৪৮
সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+