| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুসনাদে আহমাদের মধ্যে হযরত আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,“ যখন কোন মুসলমানকে বিপদ ঘিরে ফেলে, এর উপর যদি দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হয়ে যায়, অতঃপর আবার তার স্মরণ হয় এবং সে পূনরায় “ইন্নালিল্লাহ” পাঠ করে, তবে বিপদে ধৈর্য্য ধারণের সময় যে পূণ্য সে লাভ করেছিলো ঐ পূণ্য এখনো সে লাভ করবে।
সুনানে ইবনে মাজাহর মধ্যে হজরত আবু সিনান (রাঃ) হতে রর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন,“ আমি আমার এক শিশুকে সমাধিস্থ করি। আমি তার কবরেই রয়েছি, এমন সময় হযরত আবু তালহা খাওলানী (রাঃ) আমাকে হাত ধরে উঠিয়ে নেন এবং বলেন,“ আমি কি আপনাকে একটি সুসংবাদ দেবো না?” আমি বলি হ্যা, তিনি বলেন,” হযরত আবু মুসা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনে,“ আল্লাহ তায়ালা বলেন, “হে মরণের ফেরেশতা! তুমি আমার বান্দার ছেলে, তার চোখের জ্যোতি ও কলিজার টুকরোকে ছিনিয়ে নিয়েছ?” ফেরেশতা বলেন- হ্যাঁ। আল্লাহ বলেন, “ তখন সে কি বলেছে?” ফেরেশতা বলেন,“ সে আপনার প্রশংসা করেছে ও ইন্নালিল্লাহ পাঠ করেছে।” তখন আল্লাহ তায়াল বলেন,“ তার জন্যে বেহেশতে একটি ঘর তৈরী করো এবং ওর নাম ‘বায়তুল হামদ বা প্রশংসার ঘর রেখে দাও’।
(ফেবু থেকে সংগৃহীত)
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:১০
ঘূর্নী বলেছেন: ধন্যবাদ ...
২|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:০৫
মোঃ আমানউল্লাহ বলেছেন: জাজাকাল্লাহু খয়রান
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:১১
ঘূর্নী বলেছেন: ধন্যবাদ ..
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:৫৮
আশরাফুল ইসলাম মাসুম বলেছেন: ধন্যবাদ!
Click This Link