নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

গণতন্ত্র হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের মত এবং শরিয়া আইন হলো সকল পক্ষের সম্মতি বিশিষ্ট ইসলামী হুকুমতের আইন

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৯



সূরাঃ ৬ আনআম, ১১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৬। যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অনুমানের অনুসরন করে: আর তারা শুধু অনুমান ভিত্তিক কথা বলে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

* গণতন্ত্রে সংখ্যা গরিষ্ঠের মত সংখ্যা লঘিষ্টের উপর জবরদস্তি চাপিয়ে দেওয়া হয়।ইসলাম এটা অনুমোদন করে না। বদর বন্দ্বী বিষয়ে রাসূল (সা.) সংখ্যা গরিষ্ঠের মত একজনের মতের উপর চাপিয়ে ছিলেন।আল্লাহ এর সমালোচনা করেছেন। উচিত কাজে ইসলামে একজনের মতও গৃহিত হতে পারে।আর অনুচিত কাজে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতও ইসলামে গৃহিত হয় না। আর শরিয়া বিশিষ্ট ইসলামী হুকুমত চালাতে সকল পক্ষের মত লাগে। সেজন্য রাসূল (সা.)মদীনা সনদে মদীনার ইহুদী ও খ্রিস্টানের সম্মতি নিয়েছেন।মোহাজির প্রধান মহানবির (সা.) আনুগত্য স্বীকার করেছে মদীনার বড় দুটি গুষ্ঠি আউস ও খাজরাস। সেহিসাবে তিনি মদীনার সংখ্যাগরিষ্ঠের নেতা ছিলেন। সংখ্যা গরিষ্ঠতার জোরে তিনি তাঁর ইসলামী হুকুমত মদীনার সংখ্যা লঘিষ্ঠ ইহুদী খ্রিস্টানদের উপর চাপিয়ে দেননি। তিনি মদীনার শাসনতন্ত্র মদীনা সনদে ইহুদী ও খ্রিস্টানদের সম্মতি স্বাক্ষর নিয়েছেন। বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালু করতে বাংলাদেশ সনদে বাংলাদেশের সকল পক্ষের সম্মতি স্বাক্ষর লাগবে। বাংলাদেশ সনদে বাংলাদেশের হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধদের সম্মতি গ্রহণ করে বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালাতে হবে।যিনি শরিয়া আইনের শাসক হবেন তাঁর পক্ষে মুসলিম সকল পক্ষেরও সম্মতি লাগবে। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) হযরত ইমাম হাসানের (রা.) জবরদস্তি সম্মতিতে তাঁর ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ইমাম হাসান (রা.) যুদ্ধ এড়াতে এ ক্ষেত্রে সম্মতি প্রদান করেছেন। সাহাবায়ে কেরাম হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) আমিরুল মুমিনিন স্বীকার করেননি। তাঁরা তাকে বাদশা স্বীকার করতেন।ইমাম হাসানের (রা.) জবরদস্তি সম্মতির পূর্ব পর্যন্ত ইসলামী হুকুমত ছিল। হেজাজে হযরত আলীর (রা.) বিরোধীতা হযরত আয়েশা (রা.) তাঁর ভুল হিসাবে মেনে নেওয়ায় হযরত আলীর (রা.) খেলাফত ইসলামী হুকুমত ছিল। একই কাজে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ভুল স্বীকার না করলেও তাঁর কাজ ভুল সাব্যস্ত হয়ে হযরত আলীর (রা.) খেলাফত সঠিক সাব্যস্ত হবে। সিরিয়ায় হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) শাসন হযরত আলী (রা.) যুদ্ধ এড়াতে মেনে নেওয়ায় তখনও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) শাসন ইসলামী হুকুমত ছিল না। জবরদস্তি ইসলামী হুকুমত হয় না বিধায় রাসূলের (সা.) দশ বছর ও খোলাফায়ে রাশেদার ত্রিশ বছর ইসলামী হুকুমত ছিল। বাংলাদেশেও কোন পক্ষের উপর কোন রকম জবরদস্তি ছাড়া শরিয়া আইন চালানো গেলে তবেই এখানে শরিয়া আইন চালানো যাবে। শরিয়া আইন চালু হওয়ার পর একজনের মতের উচিত কাজও সকলের উপর চালানো যাবে এবং সকলের অনুচিত কাজ একজনের উপর চালানো যাবে না। শরিয়া আইনের ইসলামী হুকুমত এরকমই।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: প্রতিটি আয়াতের আলাদা কনটেক্সট আছে । B:-)

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কয়েকটি আয়াতের মিলিত মর্মে ফিকাহ হয়।

২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৪৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: গনতন্ত্রর মাধ্যমে যদি কেউ ক্ষমতা গ্রহন করে
তবে তিনি বা তার দল কিভাবে
শরীয়া আইন প্রয়োগ করবে ???

...........................................................
তাকে ওয়াদাভঙ্গকারী হিসাবে শাস্তি যোগ্য মনে করি ।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইসলাম জবরদস্তির বিষয় নয়। শরিয়া চালু করতে দেশের সকল পক্ষের সম্মতি লাগবে।

৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৫৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




খলিফা = নবীজির প্রতিনিধি, জনগণের নয়।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কিন্তু খলিফা জনগণের পরিচালক। জনসমর্থন ছাড়া খলিফা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। ইদানিং আলী খমিনির পক্ষে জনগণ রাস্তায় নামায় বিদ্রোহীদের পিছু হটতে হয়। কিন্তু শেখ হাসিনার পক্ষে জনগণ রাস্তায় না নামায় তাঁকে পাশের দেশে চলে যেতে হয়।

৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৪১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



হিকমাত থাকলে কিতাব নাই, কিতাব থাকলে হিকমাত নাই, কিতাব ও হিকমাত একসাথে নাই, এ কেমন আলেম?

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* কিতাব ও হিকমাত শিক্ষার পূর্বে উম্মীগণ ঘোর বিভ্রান্তিতে ছিলেন। আল্লাহ কথাটা স্পষ্ট করেই বলেছেন।ডা. শফিকের হিকমাত আছে কিতাব নাই। চরমোনাই পীরের কিতাব আছে হিকমাত নাই। কিতাব ও হিকমাত এক সঙ্গে আছে এমন বড় নেতা নাই। সেজন্য জাতি মতভেদে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন পথে জাহান্নামে চলে যাচ্ছে।

সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?

* কিতাব বিহীন এলেমে হযরত আদম (আ.)শয়তানের ধোকায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারপর তিনি কৃষি হিকমাতে কৃষিবীদ হয়ে কিতাব পেয়ে আলেম হওয়ার পর আর তিনি শয়তানের ধোকায় পড়েননি। পরের সকল নবি ও রাসূল হিকমাত ওয়ালা হয়ে কিতাবের মাধ্যমে জাতিকে পথ দেখিয়েছেন।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে কিতাল (যুদ্ধ) করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহতো এর দর্শক।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

* নবি বা রাসূলের পর কিতাবের ফিকাহ থাকতে হয়। তা’ না থাকলে মতভেদ হয়ে ফিতনা হয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতে হয়। তাতে কাফের সংখ্যা বেড়ে যায় এবং ঈমান ঘরছাড়া হয়। সেজন্য কারবালায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি।তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়।তারপর ব্যবসায় হিকমাত ওয়ালা ইমাম আবু হানিফা (র.) আল্লাহর অনুগ্রহে ফিকাহ প্রাপ্ত হলে ঈমান ঘরে ফিরতে শুরু করে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

* ইব্রাহীম বংশিয় বিশ্ব ইমাম আমির হারুনুর রশিদ ইমাম আবু হানিফার (র.) ফিকাহ পরিশোধন করিয়ে অনুমোদন করলে ঈমান পাকাপোক্ত হয়ে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম হানাফী ফিকাহের অনুসারী হয়। এক তৃতীয়াংশ মুসলিম হানাফী ফিকাহের অনুসারী না হয়ে কাঁচা ঈমানে বহু পথে জাহান্নামে চলে যায়।

সূরাঃ ৩৬ ইয়াসীন, ২ নং আয়াত থেকে ৬নং আয়াতের অনুবাদ-
২। মহাবিজ্ঞানময় কোরআনের শপথ
৩। নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহর রাসূল
৪। সরল সঠিক পথে আছেন

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

* পশুপালন, ব্যবসায়, সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাত সমৃদ্ধ শ্রেষ্ঠ কিতাব প্রাপ্ত ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় বিশ্ব ইমাম হযরত মোহাম্মদ (সা.) মুসলিম জাতিকে সরল সঠিক পথ দেখিয়েছেন। এখনো তাদেরকে সরল সঠিক পথ দেখাতে হিকমাত ও অভিন্ন ফিকাহের জ্ঞান সমৃদ্ধ ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় বিশ্ব ইমাম লাগবে। সেই রকম ইমামের পিছনে দৃঢ় চরিত্রের বিশ্বের একতৃতীয়াংশ নাগরিক জড়ো হলে তারা বিশ্ব জয় করবে। চরমোনাই পীরের মত অস্থির চরিত্রের লোক দ্বারা মুসলিম জাতি উন্নতি করতে পারবে না। ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় জাতীয় ইমামের পিছনে জাতির এক তৃতীয়াংশ নাগরিক জড়ো হয়েছে কি? চরমোনাই পীর কোথায় শরিয়া আইন চালু করতে ঐক্য ছেড়েছে? হিকমাতের এলেম না থাকায় তার এমন অস্থির চরিত্র।বেচারা ডা. শফিক হিকমাতের জ্ঞানে সমৃদ্ধ থাকায় চরমোনাই পীর থেকে কিছুটা কম অস্থির। তবে ঐক্য ধরে রাখার মত যোগ্যতা তাঁর মধ্যেও নাই। সুতরাং এখন ইসলাম হবে না। ফিতনাই চলমান থাকবে। ইসলামের কাজ না করে ইসলামের জন্য আক্ষেপ করে মূলত কোন লাভ নাই।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সঠিক আলেম না হওয়ায় আলেম পরিচয়ের লোকগুলা হেদায়াতের বদলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

৫| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৩২

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি শরিয়া বা প্রাচীন যুগে আরবে কিভাবে পশুপালন হতো সেটা নিয়ে নিশ্চয়ই লিখবেন।

কিন্তু গণতন্ত্র নিয়ে লিখতে গেলে বা শরিয়ত কে গণতন্ত্রের সাথে তুলনা করতে হলে শুধু শরিয়া বিদ্যা দিয়ে কাজ হবে না। সেটা করতে গেলে, এই যেমন ধরেন প্রথমে জা জাক রুশো বলে ফরাসী দেশে কি একটা লোক ছিল, সে কিসব "সামাজিক চুক্তি" নিয়ে কথা বলেছে। সেখানে না কি সমাজে মানুষের মধ্যে কি একটি সমঝোতা হয়। যেখানে আইন সবার সমান, সুরক্ষিত এবং সিদ্ধান্তগুলি সমষ্টিগত। এই সব বিষয় নিয়ে আপনাকে জানতে হবে।

তবে রুশোর "সামাজিক চুক্তি" কেবল শুরু, এরপরে আরও এরকম আরও যে কত আছে!!!

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: শনিয়া আইন বাস্তবায়নের জন্য দেশের সকল পক্ষের সম্মতি লাগে। গণতন্ত্রের মাধ্যমে যারা শরিয়া আইন চালুর কথা বলছে তারা পাবলিক ইমোশানকে পুঁজি করে ক্ষমতা পেতে চাচ্ছে। সৌদি বলছে তারা শরিয়া চালু করেছে, অথচ তারা অপচয়ে লিপ্ত যা শরিয়া আইনের পরিপন্থী।

৬| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


নির্বাচনে কাকে বা কোন দলকে ভোট দিবেন, কোরআন কি বলে?

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* প্রথমত সত্যবাদীদেরকে ভোট দিবেন। পুরা সত্যবাদী না পেলে যারা বেশী সত্যবাদী তাদেরকে ভোট দিবেন।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

* আপনার দেশ কি অন্য দেশের ভয়ে সন্ত্রস্ত? নাকি অন্য দেশ আপনার দেশের ভয়ে সন্ত্রস্ত? অন্য দেশ আপনার দেশের ভয়ে সন্ত্রস্ত হলে তাদের দেশ থেকে তাড়া খেয়ে পালিয়ে আসা তের লক্ষ নাগরিক বিষয়ে আপনার দেশ কি করছে? আর আপনার দেশ থেকে তাড়া খেয়ে পাশের দেশে পালিয়ে যাওয়া লোকদের বিষয়ে আপনার দেশ কি করছে? বুঝা যাচ্ছে অন্য দেশ আপনার দেশের ভয়ে সন্ত্রস্ত নয়। যারা আল্লাহর আইনে দেশে দেশ চালানোর কথা বলছে তারা পাশের দু’টি দেশকে সন্ত্রস্ত রাখতে পারবে কি? নাকি তারা নিজেরাই ভয় পেয়ে জাতিকে বিপদে ফেলে পালাবে? যারা আল্লাহর আইনে দেশ চালানোর কথা বলছে না, তারা অন্য দেশ সমূহের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে দেশ চালাবে এবং এ ভাবেই দেশ চলে আসছে।অন্য দেশ সমূহের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে আল্লাহর আইনে এখন দেশ চালানো যাবে কি? উত্তর ‘না’ হলে যারা আল্লাহর আইনে দেশ চালাবে বলছে তাদেরকে আপাতত ভেটের বিবেচনায় রাখার দরকার নাই।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

সূরাঃ ১৭ বনি ইসরাঈল, ২৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৭। নিশ্চয়ই যারা অপচয় করে তারা শয়তানের ভাই এবং শয়তান তার রবের প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ।

* আল্লাহর আইনে দেশ চালাতে এক তৃতীয়াংশ আল্লাহর আইনে চলা জনবল লাগে? দেশে আল্লাহর আইনে চলা একতৃতীয়াংশ জরবল আছে কি? উত্তর ‘না’ হলে যারা আল্লাহর আইনে দেশ চালাবে বলছে এখনো তাদেরকে ভোট দেওয়ার সময় হয়নি। ইসলামের সবচেয়ে বড় হুকুম নামাজ এবং হালাল খাওয়া। ইসলামী হুকুমত কায়েমে একতৃতীয়াংশ হালাল খোর নামাজী জনবল লাগবে। চরমোনাই আগে এ শর্ত পূরণ করুক তারপর না হয় তাদেরকে ইসলামী হুকুমত কায়েমের জন্য ভোট দেওয়া যাবে। কথায় বলে আগের কাজ আগে তুমি সারো পরের কথা ভাববে পরে আরো। ক্ষমতার লোভে চরমোনাই পরের কথা আগে ভাবতে শুরু করেছে। যে লক্ষ্যে চরমোনাই ভোট চাচ্ছে তারা আপাতত সেই লক্ষ্যের ধারেকাছেও না থাকায় এ ক্ষেত্রে তাদের যাবতীয় ব্যয় অপচয় সাব্যস্ত হবে।আর অপচয়কারী মূলত শয়তানের ভাই। আর শয়তানের ভাইকে ভোট দেওয়া সঙ্গত নয়। চরমোনাই আগে এক তৃতীয়াংশ হালাল খোর নামাজী জনবল তৈরী করবে। তারপর তারা ভোট চাইবে। মহানবি (সা.) মদীনায় যখন ইসলামী হুকুমত কায়েম করেছেন তখন মদীনার এক তৃতীয়াংশ জনবল হালাল খোর নামাজী জনবল ছিল। সুতরাং এ ক্ষেত্রে চরমোনাইয়ের কোন অযুহাত চলবে না।

সূরাঃ ৪ নিসার ৭৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। তোমাদের কি হলো, তোমারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো না? অথচ নারী-পুরুষের এবং শিশুদের মধ্যে যারা দূর্বল তারা বলে, হে আমাদের রব আমাদেরকে অত্যাচারী অধিবাসীদের এ নগর থেকে বের করে দিন। আর আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য ওলী (অভিভাবক) এবং আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী পাঠান।

* যারা অত্যাচারিত ছিল তাদের জুলাই আন্দোলনের ফসল এ নির্বাচন। তাদের দাবী ইনসাফ। ইনসাফের দাবী চাঁদাবাজ ও দূর্নীতিবাজ প্রতিরোধ করা। এ ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় যারা বিশ্বস্ত জুলাই আন্দোলনের ফসল এ নির্বাচনে তাদেরকে ভোট দেওয়া হলো ইনসাফ।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

* যে দলে কিতাব এবং হিকমাতের যোগফল বেশী সে দল ভোট পাওয়ার সবচেয়ে বেশী যোগ্য।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরাঃ ৩১ লোকমান, ১২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২। আমরা লোকমানকে হিকমাত দান করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে তো তা’ করে নিজের জন্য। আর কেউ অকৃতজ্ঞ হলে আল্লাহ তো ধনি ও প্রশংসিত।

* কিতাবে দল সমূহ সমান হলে হিকমাতের প্রধান্য দেখতে হবে। হযরত লোকমানকে (আ.) চিকিৎসা, ভাস্কার্য ও কাঠের কাজের হিকমাত দেওয়া হয়েছে। আমাদের নবির (সা.) ছিল পশুপালন, ব্যবসায়, সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাত। আমাদের নবি (সা.) ও হযরত লোকমানের মধ্যে চিকিৎসা হিকমাত কমন। যে দলের দলনেতার মধ্যে এটি পাবেন সে দলকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেওয়া যায়। কোরআনের এমন আরো অনেক আয়াত আছে যা দ্বারা ভোটার বুঝতে পারবেন তাদেরকে কোন দল বা ব্যক্তিকে ভোট দেওয়া উচিত।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যারা যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিবেন এ পোষ্ট তাদের জন্য নয়। যারা ভোটের সাথে ইসলাম মিলাচ্ছেন এ পোষ্ট তাদের জন্য।

৭| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২

রাজীব নুর বলেছেন: এই পোষ্ট পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির জন্য।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: এ পোষ্ট আপনার জন্য নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.