নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আহলে হাদিস একটি সুনিশ্চিত পথভ্রষ্ট ও জাহান্নামী দল

২৪ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৫৮




সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর সুন্নাত। এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল। যারা এর সাথে মতভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। তাদের সে মহাশাস্তি হলো আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নামে দগ্ধ করবেন। অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদের কারণে আহলে হাদিস দলটি সুনিশ্চিতভাবে পথভ্রষ্ট ও জাহান্নামী।

সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানতো না।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে কিতাল (যুদ্ধ) করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহতো এর দর্শক।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* রাসূল (সা.) প্রচার করেছেন অলিখিত অভিন্ন ফিকাহ।তাতেই আল্লাহ তাঁকে মানুষ হতে রক্ষা করেছেন। লিখিত অভিন্ন ফিকাহ প্রস্তুতের দায়িত্ব ছিল বেলায়াত, খেলাফাত ও ইমামাতের।তাঁরা সে দায়িত্ব পালন না করায় প্রথম খলিফার জীবন কেটেছে ফিতনার সাথে যুদ্ধ করে। অন্য তিন খলিফা ও দুই ইমাম নিহত হয়েছেন। তাঁদের ছয় জনের কোন জনকে আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করেননি। আল্লাহ ইচ্ছা করলে ফেরেশতা পাঠিয়ে তাঁদেরকে মানুষ থেকে রক্ষা করতে পারতেন।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

* রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পূর্বে বেলায়াত ঘোষণা হলেও রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পূর্বে বেলায়াতের দায়িত্ব পালন শুরু হয়নি। সেজন্য রাসূল (সা.) ইন্তেকালের সময় তাঁর সাহাবায়ে কেরামের (রা.)মাঝে মতভেদ ও ফিতনা দেখেছেন। প্রথম খলিফার সময়েই ফিতনা প্রবল আকার ধারণ করে। দুই খলিফা নিহত হওয়ার পর মাওলা ও চতুর্থ খলিফার সময় মুসলমান পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হন।সেই সব যুদ্ধ-বিগ্রহে ক্ষমাপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মুমিন থাকলেও অসাহাবার সবাই কাফের হয়ে যায়। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতেন না। কিন্তু আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) সুন্নাতকে প্রধান্য দেওয়ায় আল্লাহ তাঁদের পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। পরবর্তীতে কাফের সংখ্যা এমন বেড়ে যায় যে সাহাবায়ে কেরামের (রা.) শেষ ইমাম হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা ইমামের মাথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। সেই যুদ্ধে ইমামের পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ না করে হুসাইনী ব্রাহ্মণ যুদ্ধ করে।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

* অবশেষে ইমাম আবু হানিফার (র.) নেতৃত্বে আখারিনের শুরায় অভিন্ন ফিকাহ লিখিত হলে ইমাম এটি আমির আবু জাফর আল মানসুরের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করেননি। আল্লাহ তাঁকে আমির থেকে রক্ষা করলেন না। তিনি আমির প্রদত্ত প্রধান বিচারপতির পদ গ্রহণ না করায় আমিরের অবাধ্যতার কারণে আমির তাঁকে মুত্যুদন্ড প্রদান করেন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

* অবশেষে ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় মুসলমানদের মধ্যে সবচেয়ে পরাক্রান্ত ক্ষমতাশালী আমির হারুনুর রশিদের শুরায় প্রধান বিচারপতি ইমাম আবু ইউসুফের (র.) নেতৃত্বে আখারিনের শুরায় লিখিত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হয়ে আমির কর্তৃক অনুমোদীত হলে এটি দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক অনুসারিত হয়। যা এখনও অব্যাহত আছে। আমির হারুনুর রশিদ ও ইমাম আবু ইউসুফকে (র.) আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করায় বুঝাগেল লিখিত অভিন্ন ফিকাহের বিষয়ে অবশেষে তিনি সন্তুষ্ট হলেন। তারপর আল্লাহ আহলে বাইতের আব্বাসীয় দলকে প্রায় সাতশত বছর ক্ষমতা প্রদান করে গেছেন। তারপর অভিন্ন ফিকহের অনুসারী তুর্কীদেরকে আল্লাহ চারশত বছর ক্ষমতায় রাখেন। এখনো মুসলিমদের অধিকাংশ অঞ্চল ও দেশ অভিন্ন ফিকাহের অনুসারীদের হাতে রয়েছে। তাদের পাকিস্তানের হাতে নিজেদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পরমাণূ অস্ত্র আছে।ইদানিং পাক-ভারত যুদ্ধে তারা জয়ী হয়েছে। আফগানরা অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী হলেও তারা ইসরায়েলের বন্ধু ভারতের বন্ধু। আর পাক-আফগান যুদ্ধে আল্লাহ তাদের প্রতি বিরক্ত হতে পারেন। তবে এখনো অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী হানাফীরা ভালো অবস্থানে আছে। আহলে হাদিসরা হানাফীদের প্রধান বিরোধী। অভিন্ন ফিকাহ হলো সবাই একই নিয়মে ইবাদত করা। একই নিয়মে ইবাদত করার বিষয়টি আহলে হাদিসের মাঝে অনুপস্থিত বিধায় তাদেরকে বিভ্রান্ত নয় বলার সুযোগ নাই।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) সুন্নাতকে প্রধান্য দেওয়ার সময় মোনাফেক ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে প্রচুর মিথ্যা হাদিস প্রচার করে। অভিন্ন ফিকাহের অনুসরন ছাড়া এসব মিথ্যা হাদিস থেকে আত্মরক্ষার কোন সুযোগ নাই। অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী না হয়ে আহলে হাদিস আল্লাহর আদেশ লংঘণ করে এসব মিথ্যাবাদী মোনাফেকের সঙ্গী হয়েছে। সুতরাং তাদের সাথেই তারা জাহান্নামের নিস্নস্তরে থাকবে। ইসরায়েলের বন্ধু আমেরিকা সালাফী রাষ্ট্র সৌদি আরবকে তাদের বন্ধু রাষ্ট্র বলেছে।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি আসলে চারটা ভিন্ন ধারার ধারণা একসাথে জোড়া লাগাচ্ছেন-শিয়াদের ইমামত, খারিজিদের তাকফির, কুরআনবাদীদের হাদিস অস্বীকার, আর পাকিস্তানি সামরিক জাতীয়তাবাদের একটা মিশ্রণ। এগুলো মিলিয়ে আপনি এমন একটা নতুন “কাল্ট” দাঁড় করাচ্ছেন, যেটার লক্ষ্য ধীরে ধীরে মানুষকে প্রচলিত আকিদা থেকে সরিয়ে এনে আপনার তৈরি এই তথাকথিত অভিন্ন ফিকাহ এর অধীনে নিয়ে আসা। ;)

২৫ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৪৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ফিকাহ মানে বুঝা। বিভিন্ন জন কোরআন বিভিন্ন রকম বুঝবে এটা আল্লাহর কাম্য নয়। আল্লাহর কাম্য কোরআনের অভিন্ন বুঝ কিভাবে গঠিত হবে আমি সেটা উপস্থাপন করেছি। আপনি তথাকতিথ কেন বললেন? আমি তো প্রমাণ ছাড়া কিছু বলিনি।

২| ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



মুসলমানগন কোরানের বিধান ও রাসুল (সা.) এর সুন্নাহর এর আলোকেই ধর্ম ও জীবনাচার পালন করেন ।
আমি বিখ্যাত হাদিস গ্নন্থ গুলির মধ্য সবচেয়ে বিখ্যাত হাদিসগ্রন্থ সহি বোখারী এর প্রসঙ্গ ধরে্‌ই আলোচনাটি
এগিয়ে নিতে চাই ।

ইমাম মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল আল-বুখারী (রহ.) দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর ভ্রমণ করে মক্কা, মদিনা, বসরা, কুফা,
বাগদাদ, শাম, মিসরসহ ইসলামী বিশ্বের বিভিন্ন জ্ঞানকেন্দ্রে ঘুরে ঘুরে হাদিস সংগ্রহ করেন। এই দীর্ঘ সফরের
সময় তিনি প্রায় ছয় লক্ষ (৬,০০,০০০) হাদিস সংগ্রহ করেছিলেন বলে ঐতিহাসিকভাবে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে এই বিপুল সংখ্যক হাদিস থেকে সহীহ বুখারীতে স্থান পেয়েছে প্রায় ৭,০০০-এর কিছু বেশি হাদিস
(পুনরাবৃত্তিসহ), আর পুনরাবৃত্তি বাদ দিলে সংখ্যা দাঁড়ায় আনুমানিক ২,৬০০–২,৭০০-এর মতো।

এত বিশাল ভাণ্ডার থেকে অল্পসংখ্যক হাদিস সংকলনের পেছনে ছিল ইমাম বুখারীর কঠোর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি
ও আধ্যাত্মিক সতর্কতা ছিল বলে শুনা যায়।

তিনি প্রতিটি হাদিস গ্রহণের আগে রাবীদের (বর্ণনাকারীদের) জীবন, চরিত্র, স্মৃতিশক্তি এবং তাদের পারস্পরিক
সাক্ষাতের সম্ভাবনা গভীরভাবে যাচাই করতেন। শুধু তাই নয়, হাদিসের সনদ (বর্ণনাশৃঙ্খল) এবং মতন
(মূল বক্তব্য) উভয় দিকেই তিনি নিখুঁত সামঞ্জস্য ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতেন। বর্ণিত আছে যে, তিনি
কোনো হাদিস গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করার পূর্বে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করতেন এবং আল্লাহর
নিকট ইস্তিখারা করতেন।

ইমাম বুখারী (রহ.)-এর হাদিস সংকলন পদ্ধতি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করলে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে
আসে তিনি কীভাবে “সহীহ” হাদিস নির্ধারণ করতেন? তিনি কি কেবল সনদের (বর্ণনাশৃঙ্খল) ওপর নির্ভর
করতেন, নাকি মতন (বক্তব্য) এবং কুরআনের সাথে সামঞ্জস্যও যাচাই করতেন? আবার, সে সময়কার
ফিকহবিদদের মতামতের কি কোনো ভূমিকা ছিল?

প্রথমত, এটি স্পষ্ট যে ইমাম বুখারী (রহ.)-এর পদ্ধতির কেন্দ্রবিন্দু ছিল সনদের কঠোর যাচাই। তিনি প্রতিটি
বর্ণনাকারীর চরিত্র (‘আদালাহ), স্মৃতিশক্তি (দাব্‌ত), এবং তাদের মধ্যে সরাসরি সাক্ষাৎ (লিকাআ) হওয়ার
সম্ভাবনা অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করতেন। শুধু একই যুগে থাকা যথেষ্ট ছিল না; বরং তিনি নিশ্চিত হতে
চাইতেন যে একজন রাবী অন্য রাবীর কাছ থেকে বাস্তবিকই হাদিসটি শুনেছেন।

তবে এ ধারণা যে তিনি শুধুমাত্র সনদের ওপর নির্ভর করতেন, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। বরং, তাঁর পদ্ধতি ছিল
বহুমাত্রিক যথা :-
১. মতন (বক্তব্য) যাচাই,যদি কোনো হাদিসের বক্তব্য কুরআনের স্পষ্ট আয়াত, প্রতিষ্ঠিত সুন্নাহ বা সুপরিচিত
বাস্তবতার সাথে সাংঘর্ষিক হতো, তবে তিনি তা গ্রহণ করতেন না। যদিও তিনি সরাসরি মতন সমালোচনা নিয়ে
আলাদা তত্ত্ব লিখে যাননি, কিন্তু তাঁর বাছাই প্রক্রিয়ায় এটি কার্যকর ছিল।

২. ইমাম বুখারী (রহ.) গভীর কুরআনজ্ঞ ছিলেন। তিনি হাদিসকে কখনোই কুরআনের বিপরীতে দাঁড় করাননি।
বরং তাঁর গ্রন্থের অধ্যায় বিন্যাসেই দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রে কুরআনের আয়াতকে শিরোনাম হিসেবে এনে
সংশ্লিষ্ট হাদিস উপস্থাপন করেছেন। এতে বোঝা যায়, তিনি হাদিসকে কুরআনের আলোতেই ব্যাখ্যা ও যাচাই
করতেন।


৩.তিনি তাঁর যুগের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ও ফকিহদের সংস্পর্শে ছিলেন যেমন ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (রহ.),
ইসহাক ইবন রাহাওয়াইহ (রহ.) প্রমুখ। তাঁদের কাছ থেকে তিনি শিক্ষা গ্রহণ করেছেন এবং হাদিসের বিভিন্ন
বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন
। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তিনি নিজস্ব গবেষণা ও মানদণ্ডকেই প্রাধান্য দিতেন।

৪.তিনি একক হাদিসকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে, অন্যান্য বর্ণনা, সহায়ক সূত্র এবং সামগ্রিক সুন্নাহর আলোকে
বিচার করতেন। এজন্যই অনেক সময় তিনি একই বিষয়ের একাধিক হাদিস বিভিন্ন অধ্যায়ে এনেছেন, যাতে
একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র স্পষ্ট হয়।

সংক্ষেপে বলা যায়, বুখারী শরীফে থাকা সহিহ হাদিস নির্নয়ের পদ্ধতি ছিল না একমাত্রিক। সনদের নির্ভুলতা
ছিল তাঁর মূল ভিত্তি, কিন্তু তার সঙ্গে তিনি মতনের গ্রহণযোগ্যতা, কুরআনের সাথে সামঞ্জস্য, এবং সামগ্রিক
সুন্নাহর প্রেক্ষাপট সব কিছুকেই বিবেচনায় নিয়েছিলেন। আর এই সমন্বিত ও সূক্ষ্ম পদ্ধতির কারণেই তাঁর
সংকলিত সহীহ বুখারী আজও হাদিসশাস্ত্রে সর্বোচ্চ নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

এখন দয়া করে বলুন সহি হাদিস অনুসরনকারী আহলে হাদিস দের কী ঢালাওভাবে পথভ্রস্ট ও জাহান্নামী
বলা যায়? তবে হ্যাঁ যারা জাল হাদিস অনুসরণ করে তারা নিস্সন্দেহে পথভ্রষ্ট ।

শোখেচ্ছা রইল

২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৩৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সব কিছুর পরেও ইমাম বোখারী (র) একজন মানুষ। তাঁর মধ্যে ভুল থাকা অসম্ভব নয়। আর বোখারীতে বৈপরিত্ব আছে। এটা পূর্ণাঙ্গ দ্বীন নয়। অভিন্ন ফিকাহ যেমন শুদ্ধতার মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ এটা সেরকম নয়। আর আমি যা উপস্থাপন করেছি সেটা কোরআনের বাইয়ানের ভিত্তিতে উপস্থাপন করেছি। আমি নিজেও একজন মোহাদ্দিস। আমি যা জানি সেটা অন্যদেরকে জানিয়ে দেওয়া আমার দায়িত্ব। তথাপি কেউ নিজের মত করে ইবাদত করে পরকালে সাফল্য পেলে সেটা আমার সমস্যা না। ফেসবুকের দশটি গ্রুপে ফেসবুক আমাকে পোষ্ট করতে দেয়। বড় দশটি গ্রুটে আমার পোষ্টটি চলমান আছে। কেউ আমার সাথে মতভেদ করেনি। আমি যে মাদ্রাসায় পড়েছি সেটিকে (তামিরুল মিলালাত, ঢাকা) একনম্বর মাদ্রাসা হিসাবে গণ্য করা হয়। আর স্বপ্নে আল্লাহর সাথে আমার তিরবার কথা হয়েছে। একবার স্বপ্নে আরশে আজীমে আমি তাঁর কাজ দেখেছি। তাঁর কাজ দেখে তিনি আমার প্রতি সন্তুষ্ট এটা আমি অনুভব করেছি। রাসূলকে (সা) আমি চারবার স্বপ্নে দেখেছি। একবার আমি তাঁর খেদমত করেছি। তাঁকেও আমি আমার প্রতি সন্তুষ্ট দেখলাম। সুতরাং আমার বক্তব্যে আমার শতভাগ আত্মবিশ্বাস আছে।

৩| ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৪০

আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনি মুসলিমদের এক দলকে জাহান্নামী বলায় সেই উপাধি না আপনার উপরে এসে যায়-

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি, বনী ইসরাঈলের মধ্যে দু’জন ব্যক্তি ছিল। তাদের একজন পাপ কাজ করত এবং অন্যজন সর্বদা ইবাদতে লিপ্ত থাকত। যখনই ইবাদতরত ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে দেখত, তখনই তাকে খারাপ কাজ পরিহার করতে বলত। একদিন সে তাকে পাপ কাজে লিপ্ত দেখে বলল, তুমি এমন কাজ থেকে বিরত থাক। পাপী ব্যক্তি বলল, আমাকে আমার রবের উপর ছেড়ে দাও! তোমাকে কি আমার উপর পাহারাদার করে পাঠানো হয়েছে? সে বলল, আল্লাহর কসম! আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করবেন না, অথবা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না।

অতঃপর দু’জনকেই মৃত্যু দিয়ে আল্লাহর নিকট উপস্থিত করা হ’ল। আল্লাহ ইবাদতগুযার ব্যক্তিকে প্রশ্ন করলেন, তুমি কি আমার সম্পর্কে জানতে? অথবা তুমি কি আমার হাতে যা আছে তার উপর ক্ষমতাবান ছিলে? আর পাপীকে বললেন, তুমি চলে যাও এবং আমার রহমতে জান্নাতে প্রবেশ কর। আর অপর ব্যক্তির ব্যাপারে তিনি বললেন, তোমরা একে জাহান্নামে নিয়ে যাও। আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) বলেন, সেই মহান সত্তার কসম! যার হাতে আমার জীবন! সে (ইবাদতগুযার ব্যক্তি) এমন উক্তি করেছে, যার ফলে তার দুনিয়া ও আখেরাত উভয়েই বরবাদ হয়ে গেছে’ (আবূদাঊদ হা/৪৯০১; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৪৫৫; সনদ ছহীহ)।

২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ৬০৩ সালে জন্ম নেওয়া হযরত আবু হোরায়রা ৬৩২ সালে রাসূলের (সা।) ইন্তেকালের সময় ২৮ বছর বয়সের ছিলেন। অথচ চল্লিশের আগে রাসুলকে (সা) আল্লাহ কোরআন শিক্ষা দেননি। হযরত আবু হোরায়রার (রা।) হাদিসে হযরত আয়েশা (রা) সন্দেহ পোষন করতেন। হযরত ওমর তাঁকে শাসন কর্তার পদ থেকে বরখাস্ত করেছেন। তাঁর মধ্যে ভুল-ত্রুটি থাকা অসম্ভব নয়। আর আমাদেরকে অবশ্যই কোরআনকে হাদিসের উপর প্রাধান্য দিতে হবে। আর আমি যা বলছি তার স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করছি। আমি মুখস্ত কথা বলছি না। আমি যা জানি সেটা জানানো আমার দায়িত্ব মনে করি। আপনার মত করে চলে আপনি সাফল্য লাভ করলে আমার ক্ষতি কি?

৪| ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি সূরা মূলক বেশি বেশি করে পড়ুন।

২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আচ্ছা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.