| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাভার- সরাসরি আপলোড না হওয়াতে!!
ওয়ান-ইলেভেন: স্মৃতিহীন জাতির হঠাৎ জাগরণ!
জেনারেল মাসুদের গ্রেপ্তার হতেই হঠাৎ দেখি-
সবাই একসাথে ওয়ান-ইলেভেন-কে ধুয়ে দিচ্ছে!
মনে হচ্ছে, এই জাতির কোনো অতীতই নেই।
বাঙালির স্মৃতিশক্তি আসলেই কচুপাতার পানির মতো-এক ঝাপটায় উধাও।
প্রশ্নটা খুব সহজ-
ওয়ান-ইলেভেন না হলে তখন কী হতো?
রাষ্ট্র ভেঙে পড়ছিল, সেটা কি ভুলে গেছেন?
২০০৬ সালের শেষ দিকে দেশটা কার্যত অচল হয়ে গিয়েছিল।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–জামায়াত জোট সংবিধান পর্যন্ত বদলে ফেলল,
শুধু এই জন্য—যাতে কে এম হাসান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হতে পারেন।
একজন সাবেক দলীয় নেতা-
তাকে নিরপেক্ষ প্রধান উপদেষ্টা বানানোর চেষ্টা!
এটা কি নির্বাচন ছিল, নাকি সরাসরি ক্ষমতা দখলের ব্লুপ্রিন্ট?
রাজপথে রক্ত, রাষ্ট্রে পক্ষপাত
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আন্দোলনে নামল,
রাজপথে সংঘর্ষ, মৃত্যু, রক্ত।
রাষ্ট্র তখন নিরপেক্ষ না-
রাষ্ট্র নিজেই হয়ে গেল পক্ষ।
তারপর কী হলো?
ইয়াজউদ্দিন আহমেদ নিজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান!
এটা গণতন্ত্র না-
এটা ছিল সরাসরি রাজনৈতিক প্রহসন।
তখন মানুষ কী বলছিল-মনে আছে?
“আর্মি কই?”
“দেশটা কে বাঁচাবে?”
এই কথাগুলো কিন্তু আজকের না—
সেই সময়ের মানুষের মুখের কথা।
রাষ্ট্র যখন ব্যর্থ, রাজনীতি যখন অচল—
তখনই আসে ওয়ান-ইলেভেন।
শুরুটা শৃঙ্খলা, শেষটা ষড়যন্ত্র
প্রথম কয়েক মাস-
কেউ অস্বীকার করতে পারবে?
আইন-শৃঙ্খলা ছিল,
দ্রুত বিচার ছিল,
একটা নিয়ন্ত্রণ ছিল।
কিন্তু তারপর?
“মাইনাস টু” ফর্মুলা!
রাজনীতিকে সরিয়ে “নতুন বাংলাদেশ” বানানোর নাটক!
এটা ছিল না সংস্কার—
এটা ছিল ক্ষমতা দখলের আরেক সংস্করণ।
জেনারেল মাসুদ—ব্যক্তি না প্রতীক?
জেনারেল মাসুদ আজ গ্রেপ্তার-
অনেকে খুশি।
কিন্তু প্রশ্ন হলো-
সে কি একা দায়ী?
নাকি পুরো একটা ব্যবস্থার প্রতীক?
ভণ্ডামির উৎসব
আজ যারা সবচেয়ে বেশি চিৎকার করছে,
তারা অনেকেই তখন চুপ ছিল।
কেউ কেউ সুবিধা নিয়েছে,
কেউ আবার সেই ব্যবস্থার অংশ ছিল।
আজ তারা নীতির কথা বলে-
এটাই সবচেয়ে বড় কৌতুক।
নির্মম সত্য
ওয়ান- ইলেভেন হঠাৎ আসেনি।
এটা এসেছে—
ব্যর্থ রাজনীতি,
লোভী ক্ষমতালিপ্সা,
আর অচল রাষ্ট্রের গর্ভ থেকে।
শেষ কথা (কঠিন সত্য)
রাজনীতি বাদ দিয়ে দেশ চালানোর স্বপ্ন-
এটা সবচেয়ে বিপজ্জনক ভ্রম।
কারণ ইতিহাস বলে-
যেখানে রাজনীতি থাকে না,
সেখানে অরাজনীতি নয়- স্বৈরাচার জন্ম নেয়।
আর আজ যারা হাততালি দিচ্ছে-
তাদের মনে রাখা উচিত-
এই খেলায় শেষ পর্যন্ত কেউই নিরাপদ না।[
২|
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭
রাজীব নুর বলেছেন: চরম সত্য কথা বলেছেন।
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০৮
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব নূর ভাই।
৩|
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৩২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তারেক রহমানের উপর নির্যাতন সমর্থন করি না।
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১০
এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: শুধু একজনের কেন? কারো উপর নির্যাতন সমর্থন করা উচিত না।
৪|
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫
ক্লোন রাফা বলেছেন: এটা একটি ভালো দৃষ্টান্ত হবে, যদি প্রকৃত পক্ষে বিচার হয় । আরো অনেক বিচার হবে এর ধারাবাহিকতায়। যেমন একুশে আগস্টের পুনর্বিচার । ২০২৪-এর কুশীলবদের বিচার। ইউনুস আমলের সকল মবোক্রেসির বিচারের পথ সুগম হয়েছে ।
আমি চাই বিএনপি অন্তত একটিমাত্র বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক।এর ধারাবাহিকতায় আরো অনেক বিচারের পথ খুলে যাবে ।
৫|
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯
রাসেল বলেছেন: লেখক বলেছেন: শুধু একজনের কেন? কারো উপর নির্যাতন সমর্থন করা উচিত না।
তর্কের খাতিরে আমরা ইহা বলি। সময়মতো আমরা নিষ্পাপ হয়ে যাই।
৬|
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:০২
গহীনে রক্তক্ষরণ বলেছেন: এই দেশের ম্যক্সিমাম মানুষ মোনাফেক । দেশ প্রেম কেবল মুখে মুখে । এই দেশের অধিকাংশ মানুষের কথায় আর কাজে মিল নেই । এত বড় মোনাফেক জাতি কখনোই দুনিয়াতে সফল হতে পারে না । দেখবেন, যারা সরাসরি কাফির, তারা প্রায় সবাই দুনিয়াতে সুখেই আছে । কেননা তাদের বিষয় হিসাব চুড়ান্ত হয়েই আছে । বিনা হিসাবে জাহান্নাম । কিন্তু মাঝখানে যারা ইমানের দাবীদার , সমস্যা করছে তারাই বেশী । দুনিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে এই ইমান আনা লোকদের মোনাফেকীর কারণে । এ কারণে এদের জন্য দুনিয়াতে রয়েছে লাঞ্চনা, আখেরাতে কাফিরদের চেয়েও নিকৃষ্ট জাহান্নাম । এই ফর্মুলায় ফেলে বাংলাদেশ এর সকল সমস্যার সরল অংকের হিসাব খুব সহজেই মেলানো যায় । পাকিস্তান সৃষ্টির কারণ ছিল খুব পরিস্কার । কারণ এলিট জমিদার হিন্দুদের ঘৃণা থেকেই পাকিস্তানের সৃষ্টি । সেই পাকিস্তান যে কারণে সৃষ্টি হয়েছিল, শাসকরা কেবল মুখে মুখে মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান এর গল্প সাজাত । বাস্তবে তারা প্রায় সবাই ছিল মোনাফেক । এ কারণে আল্লাহ তাদেরকে সফল হতে দেননাই । এর পর যে কারণে বাংলাদেশের সৃষ্টি, তার পুরোটাই গড়া হয়েছে হয়ে ডাহা মিথ্যা দিয়ে । এত বড় মিথ্যাচার আল্লাহ সহ্য করেননাই বলে খুব দ্রুত স্বাধীনতার অংকুরেই বাংলাদেশ রাষ্ট্রটিকে মূলতঃ ভারত পরোক্ষভাবে কব্জা করে নেয় । শেখ মুজিবের মত একজন অযোগ্য নেতার হাত ধরে এই দেশটাকে কোন সর্বনাশার গর্তে নিপতিত করেছিল, তা যতই মিথ্যাচার করে ঢেকে রাখার চেষ্টা করা হোক না কেন, ঢেকে রাখা যায়নি । খোদ শেখের বেটি রাষ্ট্র ক্ষমতার অপব্যবহার করে, জোর করে আইন পাস করিয়ে শেখকে উচ্চমার্গে উঠিয়ে রাখার এত চেষ্টা করেও তা সফল হয়নাই । বরং দিনের আলোর মত ৫৫ বছর পরের জেনারেশনের কাছে তা স্পষ্ট করে দিয়েছে সাইকো মহিলাটা। এটাই হচ্ছে সেই ফর্মুলা । যে অংক একেবারেই নির্ভূল । আল্লাহর অংকের হিসেবে কোন গোজামিল নেই । ভারতের উচ্চ বর্ণের হিন্দু এলিটরা বৃটিশ আমল থেকেই যে হিন্দুত্ববাদী ভারত গড়ার জন্য তথাকথিত উদার গণতন্ত্রের নামে মোনাফেকীর চাদর জড়িয়ে যে পরিমাণ অপরাধ করে আজকের সন্ত্রাসবাদী-বর্ণবাদী নেতৃত্বের কবলে ভারত গড়তে সহায়তা করেছিল, সেই ইতিহাসও আর চেপে রাখা যায়নাই । তাদের দেশের জেন-জি প্রজন্ম সেসব ইতিহাসের নাড়ি টেনে বের করে আনছে । এটাই হওয়ার কথা । বাংলাদেশের ১/১১তো অতি তুচ্ছ ব্যাপার । এই রাষ্ট্রকে ১৯৭২ সালে ভারতের কাছে ইজারা দেয়া হয়েছিল, যা ১৯৭৫ সালে মুক্ত করে আনলেও সেই সময় শাসকদের চরিত্রে মোনাফেকী ছিল বলে তারা সফল হতে পারেনাই । এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে আরো বড় বড় মোনাফেক তৈরী করা হয়েছে সিভিল -মিলিটারী ব্যুরোক্র্যাসিতে, বিচারালয় সহ সকল সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক ইনষ্টিটিউশনগুলোতে, মিডিয়া জগতের ৯৯.৯৯% মানুষকে। এই দেশের অযোগ্য পলিটিশিয়ানরা জনগনের ট্যাক্সের টাকায় বেতন খাওয়া প্রজাতন্ত্রের চাকরগুলোকে এতটাই ক্ষমতায়িত করেছে যে, তারা এই দেশের জমিদার বনে গিয়েছে এবং ভারত সেই সব জমিদারদের মাধ্যমেই তাদের ইজারা পাকাপোক্তভাবে বুঝে নিয়েছে । ২০২৪ এর ৫ আগষ্ট সেই খপ্পর থেকে বাচ্চা বাচ্চা ছেলে মেয়েগুলো জীবন দিয়ে, পংগুত্ব বরণ করে মুক্ত করে দিলেও তা আবার দখল করেছে আমাদের অযোগ্য , মোনাফেক রাজনীতিবিদ এবং সেই মোনাফেক জমিদাররা এক জোট হয়ে । অতএব কেবল ১/১১ এর স্মৃতী ধুইয়ে কি হবে ?? এই জাতি মোনাফেকী ছেড়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটা সুশাসন-ইনসাফ ভিত্তিক শক্তিশালী সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠণ করতে ব্যর্থ হলে এরা অচিরেই ইতিহাসের অতল গহবরে নিমজ্জিত হবে । যদি আল্লাহ ব্যতিক্রম কিছু চান, সেটা ভিন্ন কথা ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৪৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জেনারেল মাসুদ কট খাওয়ায় আপনার মন খারাপ কেন ? উহাকে শেখ হাসিনা এমপি বানিয়েছিলো তারেক রহমান কে পেটানোর award হিসাবে ।