| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট),দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ সুবিজ্ঞ।
সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।
* মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট) যাকাত প্রদানের একটি খাত। মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট)এমন ব্যক্তি যারা পক্ষে থাকলে মহাউপকার এবং বিপক্ষে গেলে মহাক্ষতি।হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তাঁর সহযোগী বৃন্দ ছিলেন- হযরত মুয়াবিয়া (রা.), হযরত খালিদ বিন ওলিদ (রা.), হযরত আমর ইবনুল আস (রা.), হযরত মুগিরা বিন শোবা (রা.) ও হযরত ওসমান বিন তালহা (রা.)।মক্কার এ গ্রুপটি ইসলাম গ্রহণ করায় মক্কা মুসলিমদের মোকাবেলার যোগ্যতা হারায়।অবশেষে হযরত খালিদ বিন ওলিদ (রা.) মক্কা জয় করেন।তখন দলে দলে মানুষ আল্লাহর দীনে প্রবেশ করে। যারা ছিল হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষের লোক।এরপর হুনায়নের যুদ্ধে রাসূল (সা.) গণিমতের মাল থেকে হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) একশত উট প্রদান করে এবং তাঁকে ওহী লেখক পদে নিয়োগ দিয়ে প্রমাণ করলেন তিনি মোয়াল্লেফাতে কুলুব। হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.) তাঁকে সিরিয়ার শাসক পদে নিযুক্ত রাখেন। হযরত আলী (রা.) তাঁকে বরখাস্ত করে দেখলেন ঘটনা কি ঘটে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
* হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) বরখাস্ত আদেশের পর হযরত আলী (রা.) ও মুয়াবিয়া (রা.) পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হন। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতেন না। কিন্তু আল্লাহ তাঁদের পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। কারণ এ ক্ষেত্রে হযরত আলী (রা.) মোয়াল্লেফাতে কুলুবের বিধি ভঙ্গ করেছেন এবং হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ইমারতের বিধি ভঙ্গ করেছেন। এরপর মানুষের তাঁদের হত্যা প্রচেষ্টায় আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) মানুষ হতে রক্ষা করলেন, কিন্তু তিনি হযরত আলীকে (রা.) মানুষের হত্যা প্রচেষ্টায় মানুষ হতে রক্ষা করলেন না। কারণ হযরত আলী (রা.) আগে মোয়াল্লেফাতে কুলুবের বিধি ভঙ্গ করেছেন।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* হযরত আলী (রা.) শাসন কর্তার পদ থেকে হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) বরখাস্ত করে তাঁকে খেলাফতের এককাংশের খলিফা মেনে নিলেন। পরে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তাঁর সহযোগী মারওয়ান ও তাদের বংশে আল্লাহ নব্বই বছরের মুসলিম বিশ্বের শাসন ভার প্রদান করলেন। তারা তুরস্ক, স্পেন ও সিন্দু জয় করে মুসলিম শাসনকে আরো শক্তিশালী করেন। পক্ষান্তরে হযরত আলী (রা.), তাঁর সহযোগী, বংশ, ভক্ত ও তাদের বন্ধুদের মাঝে হত্যাকান্ড চলমান আছে। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) পক্ষের নব্বই বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতার বদলে হযরত আলী (রা.) পক্ষে মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা ছিল মাত্র ছয় বছর। অথচ রাসূলের (সা.) আহলে বাইত তাঁর চাচা আব্বাসের বংশে মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা ছিল প্রায় আটশত বছর। তাদের অনুসারী হানাফী পক্ষে আরো চারশত বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা ছিল। আহলে বাইত হিসাবেও হযরত আলী (রা.) পক্ষে আল্লাহর বন্টনে মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা আর ফিরেনি।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরাঃ ১০ ইউনুস, ১০০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০০। আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত ঈমান আনা কারো সাধ্য নহে এবং যারা বুঝে না আল্লাহ তাদেরকে কলংকযুক্ত করেন।
* রাসূলের (সা.) সাহায্যকারী তাঁর সাহাবী (রা.)। তাঁদের বিষয়ে আল্লাহর পূর্ব বিধান ক্ষমা ও মহাপুরস্কার বিধায় হযরত মোয়াবিয়ার (রা.) প্রতি লানত প্রদান করে হযরত আলী (রা.), তাঁর সহযোগী, বংশ, ভক্ত ও তাদের বন্ধু মহল হত্যাকান্ডে আক্রান্ত ছিল এবং আছে। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) হযরত আলীকে (রা.) লানত দিয়ে তিনি ও তাঁর পুত্র মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা পেয়েছেন চব্বিশ বছর।পক্ষা্ন্তরে মারওয়ান ও তার বংশ মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা পেয়েছেন ছিষট্টি বছর। মারওয়ান হযরত ওসমানের (রা.) বিদ্রোহী মোহাম্মদের শাসন ক্ষমতা না পাওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে আল্লাহর দয়া পেয়েছেন। সবচেয়ে বেশী দয়া পেয়েছে হযরত আব্বাসের (রা.) বংশ। কারণ হযরত আব্বাস (রা.) মহানবির উম্মতদের সাথে মতভেদে লিপ্ত হননি। এ আহলে বাইতের বংশ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হানাফী এখন দুই তৃতীয়াংশ মুসলিমের সব চেয়ে বড় দল। এরা একসাথে এগারশ বছর মুসলিম বিশ্ব শাসন করেছে। এখনো তাদের হাতে রয়েছে মুসলিমদের অধিকাংশ অঞ্চল, দেশ ও জনসংখ্যা। তাদের পাকিস্তানের হাতে আছে পরমাণূ অস্ত্র। বিশ্ব জন সংখ্যার একতৃতীয়াংশ জনসংখ্যা হওয়ার ক্ষেত্রেও তারাই এগিয়ে আছে।সুতরাং লানত প্রাপ্ত হযরত আলী (রা.) পক্ষের পক্ষ নিয়ে রাসূলের (সা.) অন্য সাহাবায়ে কেরামের নিন্দা করা সঠিক কাজ নয়। কারবালায় পাঁচ হাজার ফেরেশতা হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পক্ষে যুদ্ধ করলে করলে তিনি সুরক্ষা পেতেন। কিন্তু ফেরেশতার বদলে তাঁর পক্ষে যুদ্ধ করেছে হুসেনী ব্রাহ্মন। হযরত আলীর (রা.) পক্ষের লোকজন তাদের কথা বিভিন্নভাবে মুসলিমদেরকে বুঝিয়ে থাকে। কিন্তু খুব বম লোক তাদের পক্ষে সাড়া দেয়। এরা তারা যারা মূলত ইসলাম বুঝে না।
২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৪৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: গাজাকে ইসরাইল দ্বারা সাজা দেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে।
২|
২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:২৩
রাজীব নুর বলেছেন: যে ব্যাক্তি ইসলাম বুঝে না, সে ব্যাক্তি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বুঝে, ফিজিক্স বুঝে।
২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইসলাম একটা আলাদা সাবজেক্ট এটা বুঝতে আলাদা যোগ্যতা লাগে।
৩|
২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: গাজাকে ইসরাইল দ্বারা সাজা দেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে।
কে দিচছে ?
২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যে যুদ্ধে জয়ী হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না এমন যুদ্ধ আল্লাহর পছন্দ না। তেমন এক যুদ্ধ শুরু করেছে গাজা। সেজন্য তারা যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছে তাদেরকে দিয়েই আল্লাহ গাজাকে শাস্তি দিয়েছেন।
৪|
২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১
নতুন বলেছেন: রাসুল সা: সবচেয়ে প্রিয় মেয়ের জামাই আলী রা:
রাসুল সা: এর নাতি কারবালায় যুদ্ধে মারা গেলো আর আল্লাহ সেটা হতে দিলো? এক সাহাবীকে জয়ী করতে?
২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:০৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
* হযরত ওসমান (রা) আল্লাহর ক্ষমার মধ্যে ছিলেন। আল্লাহর ক্ষমাপ্রপ্তকে হত্যা করা আল্লাহর ক্ষমার কুফুরী। সংগত কারণে হযরত ওসমানকে (রা) যারা হত্য করেছে তারা কাফির ছিল। হযরত আলী (রা) তাদেরকে মুসলিম বাহিনীতে চাকুরী দিলেন। আর চাকুরী থেকে বরখাস্ত করলেন হযরত মুয়াবিয়াকে (রা)। যিনি বাইশ বছরে সিরিয়াকে মুসলিমদের একটি শক্তিশালী ঘাটিতে পরিণত করলেন। অবশেষে হযরত মুয়াবিয়া (রা) খলিফাকে আক্রমণ করলে খলিফা তাঁকে খেলাফতের একাংশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এসব ঘটনায় বিরক্ত খারেজী হযরত আলী (রা) ও হযরত মুয়াবিয়াকে (রা) হত্যার চেষ্টা করলে আল্লাহ তাদের থেকে হযরত মুয়াবিয়াকে (রা) রক্ষা করলেও হযরত আলীকে (রা) রক্ষা করলেন না। এরপর থেকে হযরত আলীর (রা) বংশে হত্যাকান্ড চলমান আছে। এতে বুঝাগেল আল্লাহ রাসূলের (সা) জামাই ও নাতিকে বিবেচনায় নেননি। রাজনীতির ক্ষেত্রে তাঁদের কার্যক্রম আল্লাহর পছন্দ না হওয়ায়। আল্লাহ তাঁদের পক্ষ অবলম্বন করেননি।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:২৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনার বক্তব্য অনুসারে বলা যায় যে,
গাজাঁ বাসী আল্লাহর লানতপ্রাপ্ত,
এবং তিনি ইসরাঈলের প্রতি আর্শীবাদ প্রদান করছেন ?
..............................................................................
যদি ভূল বলে থাকি ব্যাখ্যা দিন ।