| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৩২ সাজদা, ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
২২। যে ব্যক্তি তার রবের আয়াত দ্বারা উপদেশ প্রাপ্ত হয়ে তা হতে মুখ ফিরায় তার অপেক্ষা অধিক যালেম আর কে? আমি অবশ্যই অপরাধীদিগকে শাস্তি দিয়ে থাকি।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
* রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজে আল্লাহর ক্ষমা থাকায় এ বিষয়ে তাঁদের সমালোচনা অচল এবং এটা তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্কের বিপরীত বিধায় এর সমর্থনও অচল।যেমন হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ করা ও লানত প্রদান।তাঁদের এসব কাজ আল্লাহর উপদেশ মত না হওয়ায় মানুষের হাত থেকে আল্লাহ তাঁদের জীবন ও সম্মানের নিরাপত্তা তুলে নিয়েছেন। ফলে অভিশপ্ত খারেজী হযরত আলীকে (রা.) হত্যা করেছে এবং অভিশপ্ত শিয়া হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) গালাগালি দেয়। খারেজীর পরিনাম তারা জাহান্নামের কুকুর হবে। শিয়ার জন্য আল্লাহ যুদ্ধ ও হত্যার ব্যবস্থা করেছেন। মুসলিম ও অমুসলিম সবাই তাদের সাথে যুদ্ধ করে ও তাদেরকে হত্যা করে।
সূরাঃ ১ ফাতিহা ৫ থেকে ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫। আমাদেরকে সিরাতাল মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে) হেদায়েত প্রদান (পরিচালিত) করুন।
৬। তাদের পথ যাদেরকে আপনি নেয়ামত (অনুগ্রহ) দান করেছেন।
৭। যাদের উপর আপনার ক্রোধ নেই। আর যারা পথভ্রষ্ট নয়।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ১০৬ কুরায়শ, ১ নং ও ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যেহেতু কুরায়শের আসক্তি আছে
২। আসক্তি আছে তাদের শীত ও গ্রীষ্মে সফরের
৩। কাজেই তারা ইবাদত করুক এ ঘরের মালিকের।
৪। যিনি ক্ষুধায় তাদেরকে খাবার দান করেছেন এবং ভয় থেকে তাদেরকে নিরাপদ রেখেছেন।
* নেয়ামত প্রাপ্তগণের পথকে আল্লাহ সিরাতাল মুসতাকিম বলেছেন। তাঁরা ছিলেন আলে ইব্রাহীমের (আ.) নবি-রাসূলগণ। পরে তাঁরা হয়েছেন আলে ইব্রাহীম কুরাইশ। সুতরাং হযরত আলী (রা.) ও মুয়াবিয়ার (রা.) কাজের অনুচিত অংশ বাদ দিয়ে তাঁদের কাজের অবশিষ্টাংশ হেদায়াত। সুতরাং আমরা তাঁদের মত পরস্পর যুদ্ধ ও লানত প্রদান বাদ দিয়ে তাঁদের মত দ্বীনের জন্য যুদ্ধ করব।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন হানাফী ফিকাহ (মাযহাব) কুরাইশ আব্বাসীয়দের সিরাতাল মুসতাকিম। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে আমরা হানাফী মাযহাবের সাথে মতভেদে লিপ্ত হব না। যারা এটা করে তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নামে দগ্ধ করবেন। তারা জান্নাতে গেলে জাহান্নামের চিহ্ন নিয়ে তারপর যাবে ।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
* ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফিক নিজের কথাকে রাসূল (সা.), সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ও তাবেঈগণের (রা.) হাদিস হিসাবে প্রচার করে রাসূল (সা.) প্রচারিত অভিন্ন ফিকাহ নষ্ট করলে আখারিনের (তাবে তাবেঈ) ইমাম আবু হানিফা (র.) আল্লাহর উপদেশমত প্রথম অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করেন। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ। সুতরাং এর বিরোধীতা করা অপরাধ। কারণ আল্লাহর অনুগ্রহের বিরোধীতা করা তাঁর সাথে চরম বেয়াদবী।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
* আখারিনের (তাবে তাবেঈ) আমির কুরাইশ ও আব্বাসীয় আহলে বাইত হারুনুর রশিদের শুরায় আল্লাহর অনুগ্রহ অভিন্ন হানাফী ফিকাহ পরিশোধীত হয়ে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদীত হলে তা’ দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক গৃহিত হয়। যা এখনো চলমান আছে। আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে গঠিত হানাফী মাযহাবের পরিবর্তে যে কারো যে কোন হাদিস বাতিল সাব্যস্ত হবে। সংগত কারণে হানাফী মাযহাবের বিরোধীতায় লিপ্ত একতৃতীয়াংশ মুসলিম বাতিল সাব্যস্ত হবে। কারণ তারা আখারিনের আমিরের অনুসরনের ফরজ তরক করে মুমিনদের পথ ছেড়ে অন্য অনেক পথে জাহান্নামী হয়। এরা জান্নাতে গেলেও জাহান্নামের শাস্তি ভোগের পরে জাহান্নামের চিহ্ন নিয়ে তারপর জান্নাতে যাবে। কারণ তারা আখারিনের আমিরের অনুমোদন বিহীন পথে চলে মুসলিমদের মাঝে বিভেদ তৈরীর মহাপাপে লিপ্ত।
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার মন্তব্য পাঠকের বোধগম্যতায় অত্যন্ত জরুরী। মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
২|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:০৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না।
কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
..................................................................................
এর পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা কি ?
আপাত দৃষ্টিতে সাধারন মানুষ বলে থাকেন যে, তাহলে আমরা যা
করছি তার জন্য অপরাধ বা দ্বায় আমরা নেবো কেনো ???
..................................................................................
সমগ্র জাতি ও মহা বিশ্ব মহান আল্লাহ তায়ালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত !
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
তাঁদের প্রতি আল্লাহর উপদেশ ছিল মতভেদে লিপ্ত না হওয়া। আল্লাহর এ উপদেশ বাস্তবায়নে তাঁদের পর্যাপ্ত চেষ্টা না থাকায় আল্লাহ তাঁদের যুদ্ধ বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। সাধারণ মানুষকে দায় নিতে হবে কারণ তাদের কারণেই আল্লাহ তাদের অকাজ হতে দেন। কেউ যদি নিয়ত করে সে অকাজ করেই ছাড়বে, তাহলে তার অকাজে বাধা দেওয়ার আল্লাহর কি দায় পড়েছে? আর আল্লাহ বাধা দেন না বলেই তার অকাজ সংঘটিত হয়ে যায়। তবে আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদের অকাজ বন্ধ করতে পারেন, এ সরল সত্য কথাই আল্লাহ বলেছেন।
৩|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:২২
আলামিন১০৪ বলেছেন: আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না।
কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন
শঙ্খচিল- এর প্রশ্নের জবাবে
- আল্লাহ কোন সময় অন্যায় বা যুলুম করেন না- আল কোরআন অনেক আয়াতে এটা বলা হয়েছে
আল্লাহ যখন কিছু (অতীত কৃতকর্ম যা আমরা জানি না) ভুলিয়ে দেন তখন তা অপেক্ষা উত্তম আয়াত অবতীর্ণ করেন- আর এখানে সে আয়াত হলো- তিনি যা ইচ্ছা তাই করেন।
কঠোর আরোপিত শাস্তি রহিত করে তিনি অল্প শাস্তি দেন আর কারণ উল্লেখ না করে বলেন- তিনি যা ইচ্ছা তাই করেন।
“আর তোমাদের উপর যে বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের নিজেদের হাতের উপার্জনের (কর্মের) ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গুনাহ ক্ষমা করে দেন।” (সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৩০)
আর আল্লাহ ভালো জানেন।
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সুমন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৪|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:২৯
আলামিন১০৪ বলেছেন: মহাজাগতিক বহু দিন পর স্বরূপে আবির্ভূত-
মহোদয়-
আপনার বক্তব্য অনুযায়ী মুয়াবিয়ার অন্যায় যুদ্বের অপরাধ ক্ষমা করা হয়েছে- আপনার বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি দিন
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সূরা: ৮, আনফাল ৬৭ নং আয়াত অনুযায়ী সাহাবা হিসাবে হযরত মুয়াবিয়ার (রা) কাজকে অন্যায় না বলে অনুচিত বলুন এবং সূরা: ৪৮ ফাতেহ ২৯ নং আয়াত অনুযায়ী তাঁকে ক্ষমাপ্রাপ্ত মেনে নিন। রাসূলের (সা) নেতৃত্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান আছে।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* উপরযুক্ত আয়াত অনুযায়ী আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়াকে (রা) ৪২ বছর মুসলিমদের শাসন ক্ষমতায় নিযুক্ত রেখেছেন। হযরত আলী (রা) বরখাস্ত করেও তাঁর হাত থেকে মুসলিমদের শাসন ক্ষমতা কেড়ে নিতে সক্ষম হননি।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
* উপরযুক্ত আয়াত অনুযায়ী আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়াকে (রা) মানুষ হতে রক্ষা করেছেন, হযরত ওসমান (রা) হত্যাকারীরা অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে হত্যা করতে পারে নাই। খারেজিরা হযরত আলীকে (রা) হত্যা করতে পারলেও হযরত মুয়াবিয়াকে (রা) হত্যা করতে পারে নাই।
সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।
* মক্কা বিজয় হয়েছে হযরত মুয়াবিয়ার (রা) বন্ধু খালিদ ইবনুল ওয়ালিদের নেতৃত্বে। মিশর জয় করেছেন তাঁর বন্ধু আমার ইবনুল আস (রা)। হযরত মুয়াবিয়া ইস্তাম্বূল জয় করেন। মক্কা বিজয়ে যারা দলে দলে ইসলামে প্রবেশ করেন তারা মক্কার রাজা হযরত আবু সুফিয়ানের প্রজা ছিলেন। আর হযরত মুয়াবিয়া (রা) ছিলেন মক্কার যুবরাজ। বড় একটা জনগুষ্ঠির উপর প্রভাব বিবেচনায় রাসূল (সা) হযরত আবু সুফিয়ান (রা) ও হযরত মুয়াবিয়াকে (রা) মুয়াল্লিফাতে কুলুব বিবেচনায় হুনায়নের গণিমতের মাল থেকে একশতটি করে উট উপহার দেন। ইসলামের সাথে দুষমনি ত্যাগ করে ইসলাম কবুল করায় আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন। হযরত ওমর তাঁকে শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন, হযরত ওসমান (রা) তাঁকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। আল্লাহ তাঁকে প্রধান শাসক পদে পদন্নতি প্রদান করেন। আল্লাহ কিন্তু নিজেই বলেছেন শাসন ক্ষমতা তিনি প্রদান করেন। সুতরাং হযরত মুয়াবিয়ার বিরোধী হযরত আলী (রা) উত্তম হলে হযরত মুয়াবিয়া (রা) তাঁর চেয়ে বেশী উত্তম। হযরত ওসমান (রা) আল্লাহর ক্ষমাপ্রাপ্ত হিসাবে তাঁর হত্যাকারীরা আল্লাহর ক্ষমার কুফুরী কারী কাফের। হযরত আলী (রা) ছিলেন সেই কাফেরদের মাওলা। সেজন্য আল্লাহ মানুষ থেকে তাঁর নিরাপত্তা তুলে নিলে খারেজিরা তাঁকে হত্যা করতে সক্ষম হয়। কিন্তু হযরত মুয়াবিয়া (রা) ও হযরত আমরকে (রা) তারা হত্যা করতে সক্ষম হয়নি। ইসলামে হযরত মুয়াবিয়া (রা) গ্রুপ অত্যন্ত শক্তিশালী গ্রুপ ছিল। হযরত আলী (রা) তাঁদের শক্তি পরখ করতে গিয়ে তাঁদের হাতে শাসন ক্ষমতার একাংশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।
৫|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২৭
আলামিন১০৪ বলেছেন: মহোদয় তো আসল কথা না বলে ত্যানা প্যাঁচাইলেন-
মানুষের হাত থেকে রক্ষা করার ব্যাপারে আয়াতটি রাসুল (সঃ) কে উদ্দেশ্য করে বলা- আর আপনি সেটাকে মুয়াবিয়ারূপে কদর্থ করলেন- দুঃসাহস বটে।
মুয়াবিয়াকে শাসন ক্ষমতা দেয়াটা আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া হয় নাই- কিন্তু তার অর্থ এই না যে- সে ঐ কারণে ক্ষমা প্রাপ্ত হয়েছে
ইংরেজদেরও আল্লাহ সিরাজ-উদ্দৌলার বিরুদ্ধে জয় দিয়েছে-
কিংবা- ফ্রান্সে মুসলিম বাহিনী গণিমতের লোভের কারণে খ্রিস্টানদের সাথে যুদ্ধে হেরেছিল-
তাহলে কি খ্রিস্টানরা মাফ পেয়ে গেছে? কী চমৎকার যুক্তি আপনার-
আবার রাসুল সঃ মুয়াবিয়াকে অমুসলিম অবস্থায় উট উপহার দেয়াত তার অপরাধ মাফ হয়ে গেছে?- কুযুক্তিরও তো একটা সীমা আছে।
শয়তানের প্ররোচনায় পা দিয়েন না- কবি সাহেব-
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
* রাসূল (সা) এবং তাঁর সাহাবায়ে কেরাম (রা) ক্ষমাপ্রাপ্ত। সেটা আপনে না বুঝলে আপনাবে বুঝাবার দায়িত্ব আমার নয়।
৬|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০
রাজীব নুর বলেছেন: নবীজির আমলে এআই থাকলে ভালো হতো।
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কথাটা মন্দ বলেননি।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:০৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পবিত্র কোরআনের আলোকে ঐক্য, ন্যায়বিচার, পারস্পরিক সহনশীলতা ও দ্বীনের সঠিক জ্ঞান অর্জনের গুরুত্ব তুলে
ধরা হয়েছে। তবে রাসূলুল্লাহ (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) ইতিহাস মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোরআনের
আয়াতের প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা, নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক তথ্য এবং আলেমদের মতামত বিবেচনা করা জরুরি। মতভেদ
থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখা, বিদ্বেষ ও বিভেদ পরিহার করা এবং চূড়ান্ত বিচার আল্লাহর ওপর ছেড়ে
দেওয়াই মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও কল্যাণের পথ।
কোরানের প্রতিটি অক্ষর ও আয়াতের ওজন বিশাল । একটি দুটি আয়াত দিয়েই আপনার বক্তব্যের খুবই জোড়ালো
যুক্তি দেয়া সম্ভব ছিল বলে মনে করি । সুরা ইমরানের ১০২-১০৪ পর্যন্ত মাত্র তিনটি আয়াতের উপর আমার লেখা
২৫ পৃষ্টার একটি দারস কোরান লেখা আছে । পরে কোন এক সশয়ে লেখাটি সামুতে প্রকাশ করব ইনশাল্লাহ।
শুভেচ্ছা রইল