নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি মোদি ভক্ত ! এটা জেনে আপনি দুঃখ পেলে আমি আনন্দিত হব।

গেছো দাদা

গেছো দাদা › বিস্তারিত পোস্টঃ

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো: পর্ন ভিডিও।

জানি রিস্ক আছে। এমন লেখা মানুষ পছন্দ করে না। অথচ দেখে সবাই। এই পোস্ট যে পড়বে, তার মধ্যে একজনও নাই যে জীবনে পর্ন দেখে নাই। আস্তিক, নাস্তিক, হুজুর, পুরোহিত, বামপন্থী, ডানপন্থী, এই এক জায়গায় এসে সবাই এক কাতারে। জাতীয় ঐক্য যদি কোথাও থেকে থাকে, সেটা শুধুমাত্র ফোনের ব্রাউজারে। পৃথিবীতে এরকম অনেক বিখ্যাত মুভি আছে যেটা অধিকাংশ মানুষই দেখেছে, তারপরও সবাই দেখেনাই। দশজনকে জিজ্ঞেস করলে দেখবেন ২/৩ জিন দেখেনি সেই মুভি। অথচ পর্ণ দেখেনি জীবনে, এমন মানুষ একটাও পাবেন না। যে মানুষটা সর্বোচ্চ ভালো তাকে জিজ্ঞেস করলেও বলবে, 'বান্ধবীর ফোনে একবার দেখেছিলাম। আর দেখিনি।'

এই পোস্টে লাইক পড়বে কম। কমেন্টে অনেকে লিখবে, "ছি ভাই, আপনার কাছে এটা আশা করি নাই।" তারপরও পুরোটা শেষ পর্যন্ত পড়বে। একটা লাইনও মিস করবে না। আমার অনেক লেখা আছে যেগুলা মানুষ না পড়েই বা অর্ধেক পড়েই লাইককমেন্ট করে। এটাই প্রথম লেখা যেটা পুরোটা পড়েও লাইক কমেন্ট করবে না।

শুরু করি ইতিহাস দিয়ে।
এখনকার তরুণরা কী সুন্দর বড় স্ক্রিনে, জোস রেজল্যুশনে, এক ক্লিকে দেশ-বিদেশের যেকোনো পর্ন দেখে ফেলে। আমাদের সময় ব্যাপারটা এত সহজ ছিল না। পুরোটাই ছিল কঠিন স্ট্রাগল।

ছোট্ট একটা স্ক্রিন। থ্রিজিপি রেজল্যুশন। এত ঝাপসা যে নায়ক-নায়িকা না, দেখা যেত কিছু রঙিন ঝাপসা জিনিস নড়াচড়া করছে। বাকিটা কল্পনা করে নিতে হতো। তাও বেশিরভাগ সময় দেখতে হতো মিউট করে।
একটা কথা প্রচলিত ছিল, বেশি মাস্টারবেট করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়। এখন বুঝি, আসল দোষ ছিল ওই ছোট স্ক্রিন আর থ্রিজিপি রেজল্যুশনের। ঝাপসা ভিডিওতে চোখ কুঁচকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে চোখ যেত। আর বদনাম হতো বেচারা মাস্টারবেশনের।

তারপর ছিল ডাউনলোড। ঢাকাওয়াপ, রেডওয়াপ ডট কম থেকে চার এমবির তিন মিনিটের একটা ভিডিও নামানো। এই জেনারেশন কোনোদিন বুঝবে না সেটা কী জিনিস ছিল। ডাউনলোড হচ্ছে তো হচ্ছেই। ৩৭%... ৩৮%... ৩৯%... ডাউনলোড শেষ হতে হতে ফিলিংসই চলে যেত। আর যদি ৯৪%-এ গিয়ে লেখা আসত "Download Failed", ওই কষ্ট পৃথিবীর কোনো ভাষায় বোঝানো যাবে না। আবার শূন্য থেকে শুরু।

অনলাইনে দেখতে গেলে আরেক জ্বালা, বাফারিং। দশ সেকেন্ড চলে, তারপর ওই গোল চাকাটা ঘুরতে থাকে। ঘুরতেই থাকে। চাকা ঘুরছে, আপনিও তাকিয়ে আছেন, জীবনও থেমে আছে। আর বাফারিং আসত ঠিক মোক্ষম মুহূর্তে, এক সেকেন্ড আগেও না, পরেও না। মাঝখানে হুট করেই আসত মেসেজ, "আপনার ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ শেষ।" এরচেয়ে বড় ট্রাজেডি পৃথিবীতে নাই। তখন মনে হতো কোনো উপায়ে যদি আর দুইটা মিনিট নেটটা চালানো যেতো। তার বিনিময়ে সমস্ত সম্পদ দিয়ে দিতে পারতাম আমরা।

বারবার দরজায় তাকানো। কেউ চলে আসলো নাকি। একটু শব্দ হলেই কেটে দেয়া। ক্রস বাটনে হাত রেখে এলার্ট হয়ে পর্ণ দেখা। এইভাবে কি মজা পাওয়া যায়। তাছাড়া সেকালের বাঙালী ফ্যামিলিতে প্রাইভেসি বলে কিছু ছিল না। দরজা বন্ধ করার নিয়ম নাই। খোলা দরজা দিয়ে যে যখন ইচ্ছা ঢুকে পড়তেছে। পর্ণ দেখার মাঝপথে মেহমান এসে জিজ্ঞেস করে যাচ্ছে কোন ক্লাসে পড়ো, রোল কত, ইংরেজি ট্রানস্লেশন। ট্রানস্লেশন পারলে বলতেছে, 'বাহ এতো ভালো ইংরেজি কোথায় শিখছ।'
কোথায় যে শিখছি, ওহ মাই গড। সেটা আর বলার মত না।'

আরেকটা উপায় ছিল এলাকার কম্পিউটারের দোকান। মেমোরি কার্ড নিয়ে গিয়ে "লোড" করে আনা। সমস্যা হলো, দোকানে ভিড় থাকলে বলার সাহসই হতো না। গিয়ে দাঁড়ায় থাকতাম, ভিড় কমার অপেক্ষা করতাম। ভিড় কমত না। শেষে বলতাম, "ভাই, কয়েকটা গান দেন।" গান নিয়েই বাসায় ফিরতাম। আর যেদিন দোকান ফাঁকা থাকত, দোকানদার ভাই কিছু না বলতেই বুঝে যেত। চোখে চোখে কথা হতো। "নতুন কিছু আসছে?" এই এক লাইনেই পুরো আলাপ শেষ।

আজকের তরুণরা আমাদের সেইসব স্ট্রাগল কল্পনাও করতে পারবে না। না পারুক। আমাদের সন্তানরা থাকুক দুধে-ভাতে।

নতুন নতুন পর্ন দেখা শুরু করলে সবাই মেইন জিনিস দেখতে চায়। শুরুর কথাবার্তা বিরক্ত লাগে। টেনে চলে যায় সোজা মাঝখানে। ডাইরেক্ট অ্যাকশন। কিছুদিন পর মনে হয় সব তো একই। নতুন কিছু নাই। তখন মানুষ খোঁজে শুরুর স্টোরি। ছেলেটা পিৎজা ডেলিভারি দিতে আসলো, তারপর কী হইলো? স্টেপ সিস কেন স্টেপ ব্রোর ওপর রাগ করে আছে, কাহিনি কী? বয়ফ্রেন্ড এত ভালো, তাও মেয়েটা হ্যাপি না কেন? বয়ফ্রেন্ডের বেস্ট ফ্রেন্ডের মধ্যে এমন কী আছে যা বয়ফ্রেন্ডের মধ্যে নাই?
একসময় স্টোরি দেখতেই বেশি মজা লাগে। আসল জিনিস শুরু হলে বোর লাগে। মনে হয়, "ধুর, গল্পটা তো জমতেছিল!"
মাঝপথে এই ভিডিও বাদ দিয়ে আরেকটা নতুন স্টোরি খুঁজতে যায়। দুনিয়ার এটাই একমাত্র ইন্ডাস্ট্রি যেখানে দর্শক অ্যাকশন দিয়ে শুরু করে ড্রামার দর্শক হয়ে যায়।

প্রতিটা ছেলে কাজ সেরে ফেলার ঠিক পরের মুহূর্তে গিল্টি ফিলে ভোগে। দুনিয়াতে ওই মুহূর্তের চেয়ে বেশি ধার্মিক, বেশি দার্শনিক মানুষ আর হয় না। সে ভাবে, আজই শেষ। আর জীবনেও না। কালেকশনের সব ডিলিট। হিস্ট্রি ক্লিয়ার। পারলে ফোনটাই ফ্যাক্টরি রিসেট।
পরদিন রাতে আবার ফিলিংস আসে। আবার ব্রাউজার। আবার ভিপিএন।
ছেলেরা কেন লয়্যাল হয় না, এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর নাই। যে নিজের প্রতিজ্ঞার প্রতিই ২৪ ঘণ্টার বেশি লয়্যাল থাকতে পারে না, সে আবার হবে অন্যের প্রতি লয়্যাল!

যাই হোক, পরদিন আবার দেখতে গিয়ে সে টের পায়, কালকে যেগুলা ডিলিট করছে তার মধ্যে একটা ছিল তার সবচেয়ে প্রিয়। কিন্তু ওইটা আর খুঁজে পায় না। নানান কিছু লিখে সার্চ দেয়। দুনিয়ার সব ভিডিও আসে, শুধু ওইটা আসে না। একটা ভিডিও খুঁজতে একটা ছেলে যে লেভেলের গোয়েন্দাগিরি করে, ওই মেধা পড়ালেখায় দিলে আজকে সে বিসিএস ক্যাডার হয়ে যেত। ফেলুদা আর ব্যোমকেশ এই ছেলের কাছে শিশু।

তারপর আরেক ঝামেলা। ঐসব ওয়েবসাইটে গিয়ে একটা লিংকে ক্লিক দিলে সতেরোটা নতুন ট্যাব খুলে যায়। একটাতে বলে আপনার ফোনে ৩৯টা ভাইরাস। আরেকটা বলে, "আপনার এলাকার সুন্দরী মেয়েরা আপনার সাথে কথা বলতে চায়।" আমার এলাকার মেয়েরা আমার সাথে কথা বলতে চায়, এই কথা পর্ন সাইট ছাড়া জীবনে আর কেউ আমাকে বলে নাই।
আর এরপর থেকে ডিলিট করার আগ পর্যন্ত ফোন আর কারো হাতে দেওয়া যায় না। বন্ধু একটা ছবি দেখার জন্য ফোন চাইলে মনে হয় কিডনি চাইছে। দিলেও গ্যালারি এমনভাবে আঙুল দিয়ে আগলায় রাখতে হয়, যেন ভেতরে পারমাণবিক বোমার কোড আছে।

এটাই একমাত্র ইন্ডাস্ট্রি যেখানে ছেলেদের কোনো দাম নাই। মেয়েরাই স্টার। আপনি একটামাত্র ছেলে পর্নস্টারের নাম জানেন, জনি সিন্স। আর কারো নাম জানেন না গ্যারান্টি। সর্বোচ্চ চেহারায় চিনতে পারেন। ঐযে চিকণ ফর্সা একটা ছেলে আছে যে বয়স্ক মহিলাদের সাথে!
অথচ মেয়েদের নাম জিজ্ঞেস করলে মিয়া খলিফা, মিয়া মালকোভা, ড্যানি ড্যানিয়েলস, ইলেকট্রা রোজ, লানা রোডস, এলসা জেন, নাতাশা নিস, দিয়ে শুরু করে একটানা বলে যাবেন।

বাকি ছেলেরা এই ইন্ডাস্ট্রিতে আসবাবপত্রের মতো। ক্যামেরা তাদের মুখ পর্যন্ত যায়ই না। শুনছি এখানে বেতনবৈষম্যও উল্টা, ছেলেরা কম পায়। দুনিয়ার একমাত্র ইন্ডাস্ট্রি যেখানে ছেলেরা বৈষম্যের শিকার, কিন্তু প্রতিবাদ করার মত কেউ নাই। কেউ পডকাস্টে এসে এই বৈষম্যের কথা বলেনা। আফসোস!

সিঙ্গেলরা ভাবে, বিয়ের পর কেউ পর্ন দেখে না। দেখার দরকারই হয় না। এই কথা শুনে বিবাহিতরা মুচকি হাসে। কিছু বলে না। কারণ বললে সিঙ্গেলরা বিয়ে করবে না, আর বিবাহিতরা চায় না কেউ সিঙ্গেল থাকুক।
আসল কথা হলো, বিয়ের পর পর্ন দেখা আরও কঠিন। আগে লুকাইতে হতো আম্মার কাছ থেকে। এখন লুকাইতে হয় এমন একজনের কাছ থেকে যে ফোনের পাসওয়ার্ড জানে, যার চেহারা দিয়েও ফোন আনলক হয়। আম্মা ছিল বোকা, আম্মা বুঝতনা ফোন কিভাবে কাজ করে। আগে তাই হিস্ট্রি মুছলেই শেষ। এখন মুছলে প্রশ্ন আসে, "হিস্ট্রি খালি কেন? কী মুছছ?" বিবাহিত পুরুষ পর্ন দেখে বাথরুমে, ফোন সাইলেন্ট করে, এমন সাবধানে যেন বিশাল কোনো অপরাধ করতেছে।

পর্ন দুই ক্যাটাগরির। দেশি আর বিদেশি।
দেশিগুলার ক্যামেরা কোয়ালিটি ভালো না। দেখে মনে হয় কেউ ভূমিকম্পের মধ্যে দাঁড়ায় ভিডিও করতেছে। অ্যাঙ্গেলের কোনো ঠিক নাই, অর্ধেক ভিডিও জুড়ে দেখা যায় সিলিং ফ্যান আর দেয়ালের ক্যালেন্ডার। শুটিং হইছে মশারির ভেতরে, দেখে মনে হয় শীতের রাতে কুয়াশার মধ্যে হাইওয়েতে গাড়ি চালাইতেছে। ব্যাকগ্রাউন্ডে টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল, তার ওপর ঝিঁঝিঁ পোকা।

অন্যদিকে বিদেশিগুলা ঝকঝকে-তকতকে। দুর্দান্ত লাইট, অসাধারণ ক্যামেরার কাজ, ফোরকে রেজল্যুশন। মনে হয় নাসা থেকে ক্যামেরা ভাড়া করে আনছে। পারফরম্যান্স দেখে মনে হয় বছরের পর বছর রিহার্সাল দিছে।
কয়েকদিন বিদেশি দেখার পর দেশি আর ভাল্লাগে না। মনে হয় এটাই আসল মজা। এতদিন কী দেখলাম!

বাট দীর্ঘদিন বিদেশি দেখার পর কোনো এক রাতে আপনাকে ঠিকই দেশির কাছে ফিরতে হবে। বিদেশে দশ বছর পিৎজা-বার্গার খাওয়ার পর যেমন হঠাৎ একদিন মনে হয়, ইশ, এক প্লেট গরম ভাত, আলুভর্তা আর ডাল যদি পাইতাম! তখন মনে হবে, ওই কম আলো আর বাঁকা ক্যামেরা অ্যাঙ্গেলের মধ্যেই আছে গ্রামের মাটির গন্ধ। ওই মশারি, ওই ঘ্যাড়ঘ্যাড়ে সিলিং ফ্যান, ওই মাঝপথে লোডশেডিং, ওটাই তো বাংলাদেশ। ওই কালো ভুড়িওয়ালা মানুষগুলা তো আমরাই। ওখানেই তো আমার নাড়ির টান।

প্রবন্ধ এখানেই শেষ। লিখে প্রচণ্ড গিল্টি ফিল করতেছি। ঠিক করছি, এই টপিকে আর জীবনেও লিখব না। তবে কাল রাতে পার্ট টু আসতেও পারে।
(আমার বাংলাদেশী বন্ধু সোহেইল রহমানের লেখা।)

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বেকগ্রাউন্ডে রবীন্দ্রসংগীত লাগিয়ে কলিকাতার দাদুরা পর্ণ তৈরি করছে । বিষয়টা কেমন ভাবে দেখছেন ?

২| ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই পোস্ট যে পড়বে, তার মধ্যে একজনও নাই যে জীবনে পর্ন দেখে নাই।
আস্তিক, নাস্তিক, হুজুর, পুরোহিত, বামপন্থী, ডানপন্থী, এই এক জায়গায়
এসে সবাই এক কাতারে।

...................................................................................................
এমন ধারনা ভূল, বহু লোক আছে এখনও ইন্টারনেট ঠিকমত চালাতে পারেনা
আর আপনি যে ভার্সন বয়ান করেছেন, তা আনাড়ীদের কাছে অবাক করা তথ্য বৈকি ।
আশা করি আবার বলবেন না, পর্ণ লেখা সুস্হ সাহিত্য চর্চ্চার মধ্যে পড়ে ।

৩| ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৮

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: মডু যেহেতু নাই,পোস্ট করুন যা ইচ্ছা তাই।

৪| ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

পর্ন সবাই দেখে।
নারীপুরুষ,হুজুর-অহুজুর সবাই।

৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩৭

নাহল তরকারি বলেছেন: মেয়েরা যে পর্ন দেখে এটা আগে জানতাম না। আমি মনে করতাম দুনিয়ার যত কাম, সব মনে হয় ছেলেদের।

৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০২

ক্লোন রাফা বলেছেন: মনে’তো হোচ্ছে পর্ণের উপর পিএইচডি করে ফেলছেন!! কেউ যদি এই ব্লগের পর্ণ না দেখে থাকে। আপনার এই পোস্টের কল‍্যাণে তাদের জন্য সহজ হবে। লেখার উদ্দেশ্য কি পূরণ হয়েছে?

৭| ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৫

এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন: পুরানা জিনিস ভালই মনে রেখেছেন-
আমার আইডি abul2006 যারা পুরনো তাড়া আবার লাফ দিয়েন না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.