| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হুমায়রা হারুন
মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু প্রযুক্তিতে নয়, বরং মননের বিনিময়ে। ব্লগে যোগাযোগের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠত্বেরই প্রকাশ ঘটে। আপনি যখন লেখেন, মন্তব্য করেন, কিংবা অন্যের ভাবনা পড়েন — আপনি তখন মানব প্রজাতির মননে অংশ গ্রহন করেন।
আজ বৃষ্টি তাকে প্রথম ছুঁয়েছে। ওর স্পর্শে তার সমস্ত সত্তা যেন হীরের মত স্বচ্ছ স্ফটিকে ছেয়ে গেছে। বৃষ্টি বলেছে, সে আকাশের কাছে গিয়েছিল। মেঘের কাছে প্রার্থনা করেছিল ওকে সাজাবে বলে। তাই মেঘ সেঁচে হীরের কণাগুলো তার জন্য নিয়ে এসেছে।
শীতের আগমনে, ও তো এখন রুগ্ন প্রায় । ঝরে যাওয়ার সময় এসে পড়েছে । আবরণের পরতে পরতে ক্ষয়। সমস্ত অস্তিত্বে সতেজতার অভাব। এ সব কিছু জানান দিচ্ছে তার আর সময় নেই। তারপরও বৃষ্টি তাকে ভুলেনি। খুঁজে ফিরেছে বহু বছর। এতদিন পর আজ খুঁজে পেয়ে চলে এসেছে ওর কাছে। ওকে যে তার খুব দরকার।
জীবন, প্রান্তে চলে এসেছে জেনেও সে জানে তাকে কিভাবে ফোঁটায় ফোঁটায় হীরের স্ফটিক দিয়ে সাজাতে হবে। তাই সে আজ তাকে সাজিয়েছে। সাজিয়েছে তার নিজ হাতে।
এটা তার একান্ত ইচ্ছা।
প্রকৃতি, হিম করা ঠান্ডা থেকে নিজেকে মুক্ত করে আবার যেন আকাশ ভেঙে বৃষ্টিকে ডেকে এনেছিল তার সারা শরীর ভিজিয়ে দেওয়ার জন্য। হীরের স্ফটিক তার সকল ম্লান আর অভিমানের ক্লান্তি মুছে দিয়ে নতুন এক আশ্বাস দিয়েছে। বলেছে, সামনের সময়গুলো আর ঝরে যাওয়ার জন্য নয়; জীবনকে খুঁজে পাবার জন্য, স্বচ্ছ, হীরের দানার মতন স্ফটিকের কণাগুলো দিয়ে নিজেকে নতুন করে সাজাবার জন্য।
এখন যে তাকে, তার নতুন করে সাজাতে হবে। বৃষ্টির ছোঁয়া যে সে পেয়েছে। 
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৫
হুমায়রা হারুন বলেছেন: কিভাবে যে আপনার মনঃ জয় করবো বুঝতে পারছি না।
২|
০৬ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৫
সুলাইমান হোসেন বলেছেন:
প্রকৃতি, হিম করা ঠান্ডা থেকে নিজেকে মুক্ত করে আবার যেন আকাশ ভেঙে বৃষ্টিকে ডেকে এনেছিল তার সারা শরীর ভিজিয়ে দেওয়ার জন্য। হীরের স্ফটিক তার সকল ম্লান আর অভিমানের ক্লান্তি মুছে দিয়ে নতুন এক আশ্বাস দিয়েছে। বলেছে, সামনের সময়গুলো আর ঝরে যাওয়ার জন্য নয়; জীবনকে খুঁজে পাবার জন্য, স্বচ্ছ, হীরের দানার মতন স্ফটিকের কণাগুলো দিয়ে নিজেকে নতুন করে সাজাবার জন্য।
হৃদয়কে শীতলকরা এই কথামালা গুলো সত্যি জীবনের জন্য শিক্ষার বড় একটি দরজা খুলে দেয়।আমাদের জীবন মূলত নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়।কখোনো না পাওয়ার হতাশা এবং ক্লান্তি আবার কখোনো পাওয়ার আনন্দ,প্রশান্তি এবং সজিবতা।বৃষ্টি যেমন শুষ্ক জমিনকে সজিবতা দিয়ে ভরে দেয়।অনুরুপ আমাদের জীবনের শুষ্কতাকেও স্রষ্ঠার অনুগ্রহের বারি কখোনো কখোনো সজিবতা দান করে।তবে সবচেয়ে বড় সত্য মনে হয় এটাই যে কষ্টের মধ্যে দিয়েই আনন্দ এবং সতেজতার জগতে প্রবেশ করতে হয়।আর প্রতিটি কষ্টের পরেই থাকে শান্তি,স্বস্তি,নতুনত্ব।আর আরেকটি সত্য হলো সময় মূলত প্রতিনিয়ত নতুন হতে থাকে।সময়ের সাথে সাথে আমাদের অন্তরও নতুন হতে থাকুক এটাই কামনা করি।সুন্দর ছবি পোস্টের জন্য রইলো কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ
৩|
০৬ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৪
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- রাজীব নুর সঠিক বলেছে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৭
হুমায়রা হারুন বলেছেন: দেখি কি করা যায়!
রাজীব ভাইয়ের মান্ধাতার আমলের প্রোফাইল থেকে ক্যামেরা-টি নিয়েই না হয় এবার ছবি তুলবো।
৪|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শীতের আগমন বাস্তবে না ঘটলেও ব্লগে নিয়ে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।
৫|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: +++++
৬|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯
নাহল তরকারি বলেছেন: অসাধারণ রূপকধর্মী লেখা! বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটাকে হীরের স্ফটিক হিসেবে কল্পনা করার মধ্যে যেমন প্রকৃতির সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে, তেমনি ঝরে পড়ার অপেক্ষায় থাকা জীবনের নতুন করে জেগে ওঠার এক গভীর দর্শনও প্রকাশ পেয়েছে। সময়ের কাছে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় শরীর, মলিন হয় অস্তিত্ব; কিন্তু একটু ভালোবাসা, মমতা আর স্নিগ্ধ স্পর্শ কখনো কখনো নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখায়। লেখাটির শেষ কথাটিই সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে গেল—বৃষ্টির ছোঁয়া পাওয়া মানে শুধু ভিজে যাওয়া নয়, কখনো কখনো নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করা।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: ছবি গুলো ভালো হয়নি।