| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দরিদ্র ইমরান
জ্ঞানে গুণে মানে আচার - আচরণে ধ্যান - ধারণা চিন্তায় কাজে কর্মে সৃজনশীলতায় আমি অত্যন্ত দরিদ, তাই আমি দরিদ্র ইমরান।

অনেক আগের এই গল্প গল্পটি যতবার পড়েছি ততবার ই আমার চোখে পানি এসেছে......
ছেলেটির নাম এরিক । ওর মায়ের একচোখ অন্ধ। এটা নিয়ে স্কুলের বন্ধুদের সামনে এরিক
খুবই বিব্রত হয়।একবার ওর মা খাবার নিয়ে স্কুলে গেলে এরিক
চিৎকার করে বললো''তুমি মরে যাও না কেন ? তাহলে বন্ধুদের কাছে আমাকে লজ্জা পেতে হয় না।
ছিঃ, কি বিশ্রি দেখা যায় একটা চোখে যখন তাকাও!এরিক খুব মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করছে,কারণ যত
দ্রুত সম্ভব প্রতিষ্ঠা পেয়ে এই বাড়ী থেকে সে চলে যেতে চায় ।
খুব ভালো রেজাল্ট করলো এরিক, সেই সাথে প্রতিষ্ঠিত হল! তার নিজের বাড়ি, গাড়ি, বউ,
ছেলে- মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার সাজালো! এক চোখ অন্ধ মায়ের কোন চিন্তাই নেই তার জীবনে।
এদিকে বৃদ্ধা মা মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। কিন্তু মরবার আগে একটি বারের জন্য নাতিগুলোর মুখ
দেখার লোভ সামলাতে না পেরে ঠিকানা খুঁজে খুঁজে চলে এলেন ছেলের বাড়ি। বৃদ্ধাকে দরজায় দেখে এরিক হুংকার দিলো।
"কোন সাহসে এসেছো এখানে ?দেখছনা তোমাকে দেখে আমার বাচ্চারা ভয় পাচ্ছে ?এখনি দূর হও এখান থেকে !!
এর কয়েক বছর পরে স্কুলের পূর্ণমিলনীতে বিশেষ অতিথী হয়ে গেলো এরিক!
অনুষ্ঠান শেষে কি মনে করে যেন বৃদ্ধ মাকে দেখতে গেলো সে। প্রতিবেশী অপর বৃদ্ধা জানালো, বছর দুই আগেই তিনি দুনিয়া থেকে চলে গেছেন!আর যাবার আগে এরিক তোমার জন্য তোমার মা রেখে গেছেন একটি চিঠি !!!
চিঠির বাক্যগুলিঃ
আমার সোনামনি এরিক,জানি, তুমি তোমার মা কে অনেক ঘৃণা করো।আমি তোমাকে জীবনে কিছুই দিতে পারিনি,
দিয়েছি শুধু লজ্জা। মা হিসেবে আমি ব্যর্থ।এ জন্য আমি তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থী। ছোট বেলায় একটা এ্যাক্সিডেন্ট হয়ে,
এরিক তোমার একটা চোখ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।তুমি সারাজীবন একচোখ দিয়ে দেখবে,মা হিসেবে এটা আমি মেনে নিতে পারিনি,
তাই নিজেই বাকি জীবন একচোখ দিয়ে দেখবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
২৮ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:৪২
দরিদ্র ইমরান বলেছেন: গল্প হলেও সত্য ।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
২|
২৮ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৮:২৩
বিজন রয় বলেছেন: সুন্দর।
৩|
২৮ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:৪২
দরিদ্র ইমরান বলেছেন: ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৬
সুমন কর বলেছেন: আগে পড়েছিলাম। তবুও আজ পড়লাম।
বাস্তবতা !