| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নাহল তরকারি
আমি ধার্মিক। আমি সব কিছু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী বিচার বিশ্রেশণ করি। আমি সামাজিক রীতিনীতি, সমাজিক কু সংস্কার, আবেগ দিয়ে কোন কিছু বিচার করি না।
আসলেই কি শান্তির ঠিকানা পরিবার?
আমরা বলি—পরিবারই মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়, শান্তির ঠিকানা।
কিন্তু সত্যিই কি সব পরিবারের গল্প এমন?
==> একজন বাবা-মা সারাজীবন কষ্ট করে সন্তানকে বড় করেন। নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। অথচ বয়সের ভারে যখন তারাই অসহায় হয়ে পড়েন, তখন কখনো সেই সন্তানই তাদের বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে। যে হাত একদিন সন্তানকে আগলে রেখেছিল, সেই হাতই একদিন সন্তানের কাছে বোঝা হয়ে যায়।
==> এক পরিবারে ছিল একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে। স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীদের অবহেলা, আর বাড়িতে বাবা-মায়ের কটু কথা—সবকিছু নীরবে সহ্য করত সে। ছোটবেলায় হয়তো কিছু বুঝত না। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যখন বুঝতে শুরু করল, সে সবার কাছে অপছন্দের একজন, তখন তার ছোট্ট হৃদয়টা প্রতিদিন একটু একটু করে ভাঙতে লাগল।
==>আরেকজন প্রবাসে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বিয়ে করেননি। এক দুর্ঘটনায় হারিয়েছেন পা। দেশে ফিরে দেখলেন—যাদের জন্য জীবনটা বিলিয়ে দিয়েছিলেন, তাদের কথাতেই আজ অবহেলা আর ধমক।
অথচ সেই মানুষটিই ঋণ শোধ করেছেন, বাবাকে টাকা পাঠিয়েছেন, ঘর পাকা করেছেন, ভাইদের ব্যবসা দাঁড় করিয়েছেন। নিজের শরীর হারিয়েও পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়েছেন।
===> তবুও তারা তিনজনই একা।
রাত গভীর হলে তারা আকাশের দিকে তাকায়। হয়তো মনে মনে সৃষ্টিকর্তাকে বলে—
“হে আল্লাহ, আমাকে এমন একটি জায়গা দাও, যেখানে আমাকে বোঝা মনে করা হবে না; যেখানে আমার কষ্টটুকু কেউ বুঝবে।”
তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়—
পরিবার কি সত্যিই শান্তির ঠিকানা? নাকি কখনো কখনো সবচেয়ে আপন মানুষগুলোর কাছেই মানুষ সবচেয়ে বেশি একা হয়ে যায়?
পরিবার শুধু একই ছাদের নিচে বসবাসের নাম নয়।
পরিবার মানে—ভালোবাসা, সম্মান, সহমর্মিতা এবং বিপদের দিনে পাশে থাকা।
২|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার সাথে সহমত ।
৩|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৬
রাজীব নুর বলেছেন: পরিবার অনেক বড় শান্তির জায়গা।
৪|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬
নতুন বলেছেন: একজন বাবা-মা সারাজীবন কষ্ট করে সন্তানকে বড় করেন। নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। অথচ বয়সের ভারে যখন তারাই অসহায় হয়ে পড়েন, তখন কখনো সেই সন্তানই তাদের বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে।
সন্তান যদি বাবা মা কে না দেখে সেটার পেছনে ৯৯% দোষ বাবা মায়ের। বাকি ১ % সম্ভবত সোসিওপ্যাথ হবে হয়তো।
অনেক সময় বাবা মা সন্তানকে বড় করে ঠিকই কিন্তু তাকে এমন ভাবে আচরন করে যাতে বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের সন্মান জন্মায় না। তখন বড় হয়ে সন্তান যদি জ্ঞানী না হয় তবে বাবা মা কে সাহাস্য করেনা।
যদি বাবা মা সন্তানকে সঠিক জ্ঞান এবং স্নেহ দিয়ে বড় করে থাকে তবে সন্তান বাবা মায়ের জন্য সবকিছুই করতে প্রস্তুত থাকবে। সেই সব সন্তানেরা বাবা মা কে দেবতার মতন মাথায় করে রাখে, কোন কিছুর বিনিময়ে তাদের কস্ট দিতে চাইবেনা।
আমরা অনেক সময় বর্তমানে ছেলে বা মেয়ের আচরন দেখে তাদের জাজ করে ফেলি, কিন্তু তারা কি ভাবে বড় হয়েছে সেটা জানিনা।
৫|
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পরিবারই মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়, শান্তির ঠিকানা।
..........................................................................................
এটা অত্যন্ত বাস্তব সত্য,
তবে পরিবারের সদস্যদের হতে হবে
মানবিক ও সহানুভূতিশীল ।
বিদেশে একটা কথা সবাই বলে, "সুইট - মাই সুইট হোম "
============================================
অন্যপ্রসঙ্গ : আপনি লেখা পোষ্ট করে প্রতিউত্তর দেননা, সামুর কালচার
তা নয় । অবশ্যই দ্রুত সময়ে উত্তর দেবেন , নাহলে আপনার পাঠক সংখ্যা
বাড়বে না ।আর লেখার পর রিভিউ করে দেখবেন যেন , ভূল বানান ঠিক করা যায় ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭
এইচ এন নার্গিস বলেছেন: বাহ ,চমৎকার এবং সত্যি ঘটনা যা ঘটে চলেছে নীরবে অনেক পরিবারে। মানুষ স্পিক আউট করে না পরিবারের সন্মান চলে যাবে বলে।