নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি ঘুরতে ভালোবাসি। আমি খুব নেট পাগল। আমি নবম শ্রেণী থেকে অনার্স পযর্ন্ত নানী বাড়িতে ছিলাম।

নাহল তরকারি

আমি ধার্মিক। আমি সব কিছু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী বিচার বিশ্রেশণ করি। আমি সামাজিক রীতিনীতি, সমাজিক কু সংস্কার, আবেগ দিয়ে কোন কিছু বিচার করি না।

নাহল তরকারি › বিস্তারিত পোস্টঃ

চা এর আড্ডা।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর বাড়িতে থাকতাম। বাড়ির পাশ দিয়েই চলে গেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। চারদিকে বিস্তীর্ণ খোলা প্রান্তর, দূরে সবুজের সমারোহ। আকাশজুড়ে মেঘের আনাগোনা। নিম্নচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টি, চারপাশে এক অদ্ভুত স্নিগ্ধতা।

সেই বৃষ্টিভেজা দিনে এমনই এক কাপ চা হাতে নিয়ে বসেছিলাম খোলা পরিবেশে। মহাসড়ক দিয়ে ছুটে চলা যানবাহন, বৃষ্টির শব্দ, মেঘলা আকাশ আর এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা—সব মিলিয়ে সময়টা ছিল অন্যরকম সুন্দর।

আজ এত বছর পর আবার এমন একটি চায়ের গ্লাস হাতে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে পড়ে গেল সেই দিনগুলোর কথা।
চায়ের স্বাদ হয়তো একই আছে, বদলে গেছে শুধু সময়, পরিবেশ আর জীবনের বাস্তবতা। নানীর বাড়ির সেই দিনগুলো, কৈশোরের সরলতা, দায়িত্বহীন বিকেল আর বৃষ্টির সঙ্গে মিশে থাকা সেই আনন্দ—সবই আজ স্মৃতির পাতায়।

ইশ! সময় যদি একবারের জন্য পেছনে ফিরে যেত!

২০১১ সালের সেই সোনালি দিনগুলো আর ফিরে আসবে না। কিন্তু কিছু স্মৃতি আছে, যেগুলো এক কাপ চায়ের উষ্ণতায়ও আবার জীবন্ত হয়ে ওঠে।

কিছু চা শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, কিছু চা মানুষকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অতীতে।

এই সুন্দর স্থানের প্লেস এর গুগল ম্যাপের জিও লোকেশন ফেসবুক পোস্টে দেওয়া হলো। লিংকে টিপ দিন। পেয়ে যাবেন।

আপনারা ফেসবুকেও কমেন্ট করিয়েন।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫৪

হুমায়রা হারুন বলেছেন: facebook =এ কমেন্ট করেছি।

০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১

নাহল তরকারি বলেছেন: দেখেছি।

২| ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৬

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: কিছু মুহুর্ত সত্যি কখনো হারিয়ে যায়না।আমার ছোটবেলার সবকিছুই মনে আছে।সেই মাঠ-ঘাট,খেলাধুলা,দৌড়াদৌড়ি আর কোনোদিন ফিরে আসবেনা।বন্যা হলে কলা গাছের ভেলা নিয়ে খেলা,বড়শি, জ্বাল,ইত্যাদি দিয়ে মাছ মারা,টিনের চালে ঝরে পরা সেই বৃষ্টির শব্দ,ঝড়-তুফানে আম কুড়ানো,জামগাছে উঠে জাম খাওয়া,বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া,নদীর পাড়ে ঘুরতে যাওয়া সবই মনে পরে।সেই দিন ফিরে পেতে মনে ভীষন ব্যাকুলতা,কিন্তু সেই দিন কি কখোনো আর ফিরে পাবো!

০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩২

নাহল তরকারি বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৫

জুল ভার্ন বলেছেন: বাংলা, ইংরেজি, আরবি তারিখ লেখাটা ভালো লেগেছে।

০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩২

নাহল তরকারি বলেছেন: আপনার ভালো লাগা, আমার স্বার্থকতা।

৪| ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়লাম ।

৫| ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:০৪

হুমায়রা হারুন বলেছেন: খুব ভাল হয়েছে লেখাটা।
খৃস্টাব্দ, হিজরি, বঙ্গাব্দ - তিনটা ভিন্ন টাইম লাইন বিরাজ করছে।
সময় এক অদ্ভুত জিনিস!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.